রাজশাহীর ডিআইজি পাচবিবি থানা পরিশর্দন করলেন

:মোঃ গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতি নিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জয়পুরহাট জেলার সীমান্ত ঘেঁষা পাঁচবিবি থানা পরিদর্শন করেন রাজশাহী রেঞ্জের পুলিশের ডিআইজি মোঃ আলমগীর হোসেন। শনিবার বিকালে জয়পুরহাট পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে পাঁচবিবি থানা পরিদর্শন করতে আসেন তিনি। পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কাওসার আলীর নেতৃত্বে থানার একদল চৌকস পুলিশ সদস্য পুলিশের এ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন এবং ফুলের শুভেচ্ছায় স্বাগতম জানায়। প্রথমেই ডিআইজি মহোদয় থানার সকল দপ্তর ঘুরে ঘুরে দেখেন পরিদর্শন খাতায় স্বাক্ষর করেন। এরপর তিনি থানার সকল পুলিশ সদস্যর সঙ্গে মতবিনিময় ও কুশল বিনিময় করেন। এসময় ডিআইজি মহোদয়ের সামনে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আব্দুল ওয়াহাব, সহকারি পুলিশ সুপার (সার্কেল) মোঃ আফজালুল ইসলাম, থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ ইমায়েদুল জাহেদী, সেকেন্ড অফিসার (এসআই) শ্রী সুশান্ত কুমার রায় সহ সকল পুলিশ সদস্যরা। মতবিনিময় কালে উপস্থিত সকল পুলিশ সদস্যের উদ্দেশ্যে ডিআইজি মহোদয় বলেন, পুলিশ জনগণের বন্ধু, জনগণের কাজ বেশী বেশী করেই বন্ধুত্ব অর্জন করতে হবে আমাদেরকে। ডিআইজির এমন নির্দেশের প্রতি উত্তরে উপস্থিত সকল পুলিশ জনগণের পাশে থেকে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত প্রকাশ করেন। সন্ধ্যার পরে ডিআইজি মোঃ আলমগীর হোসেন মহোদয় সকলের নিকট থেকে বিদায় নিয়ে রাজশাহীর উদ্দেশ্য রওনা দেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভাঙ্গুড়ায় উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার,
বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করা হয়েছে।

রবিবার ৮ নভেম্বর সকাল ১১ টায় ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপি’র কার্যলয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করা হয়। ভাঙ্গুড়া উপজেলা ও ভাঙ্গুড়া পৌর বিএনপি’র আয়োজনে ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক নুর মুজাহিদ স্বপন ও সদস্য সচিব প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক এর নেতৃত্বে র‍্যালি ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক মোঃ নুরুল ইসলাম বরাত, মোঃ আবু হেনা মোস্তফা কামাল রেজা, মো: আলতাব হোসেন খাঁন, পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম কমিশনার, যুব দলের আহবায়ক মোঃ ফরিদুল ইসলাম, সাবেক পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ শহিদুল ইসলাম টিটু, সাবেক ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সায়েক মো: আবু সায়েম, সাবেক কৃষক দলের সভাপতি মো: হুমায়ন আহম্মেদ, বিএনপির নেতা মোঃ মতিউর রহমান,খান মরিচ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আবুল কালাম আজাদ,সাধারণ সম্পাদক মোঃ আতাউর রহমান খোকন, দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ লিয়াকত হোসেন লিটন,আসন্ন দিলপাশার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ হুমায়ুন কবির, পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ শামীম হোসেন, দিলপাশার ইউনিয়ন এর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ আব্দুল ওহাব প্রাঃ ও পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোঃ পিন্টু এছাড়া ছাত্রদল, যুবদল, কৃষকদল সহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে থেকে আগত বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
র‍্যালিটি ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির পার্টি অফিস থেকে শুরু হয়ে ভাঙ্গুড়া ও শরৎনগর বাজার ও ভাঙ্গুড়া বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বিএনপির পার্টি অফিসে গিয়ে শেষ হয়।

র‍্যালি শেষে পার্টি অফিসের আলোচনা সভায় বক্তারা ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দিবসটির গুরুত্ব, জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র এবং সামাজিক সংহতির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা। একই সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি আরিফা সুলতানা রুমা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার,
বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করে চিকিৎসাধীন রোগীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলার সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সন্মানিত সদস্য অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা।

রবিবার ৮ নভেম্বর-২০২৬ সকালে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত হয়ে তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের চিকিৎসাসেবা, ওষুধপত্র ও সার্বিক চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
এ সময় তিনি হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার মান, চলমান কার্যক্রম এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করেন।

এ সময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডাঃ হালিমা খানম, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সন্মানিত ব্যক্তিবর্গ, গণমাধ্যম কর্মীবৃন্দ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি সহ সংশ্লিষ্টরা।পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

আলোচিত খবর

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে – জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন-দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করছে, তাদের প্রত্যেককে একে একে জবাব দেওয়া হবে। আজ ৭ নভেম্বর শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আয়োজিত শোভাযাত্রার আগে এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহু বছর পর দেশের মানুষ মুক্তভাবে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের সুযোগ পেয়েছে। তবে দেশের বিরুদ্ধে আবারও একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। অতীতের মতো এবারও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ও স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এ দেশের মানুষকে কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দমিয়ে রাখা যাবেনা।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছিল। স্বাধীনতার পেছনে মানুষের প্রত্যাশা ছিল একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের ভেতরে ও বাইরে বিভিন্ন মহল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব মেনে নিতে পারেনি। তারা সাধারণ মানুষকে দাবিয়ে রাখা এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী অপশক্তিকে পরাজিত করা হয়েছিল। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আবারও গণতন্ত্রের সূচনা হয়। তবে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার মেনে নিতে না পারা একটি মহল বিভিন্ন সময়ে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করেছে। বারবার জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ আবারও তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়েও জনগণের সেই অধিকার বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করেছে। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের মতো ২০২৪ সালের ৫ আগস্টও জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে অপশক্তিকে পরাজিত করেছে।তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আন্দোলন শুধু দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, একই সঙ্গে ছাত্র-জনতা স্বৈরাচারী শক্তিকেও দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। বাংলাদেশের মানুষ অতীতেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। তাই কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের আন্দোলন ও অর্জন থামিয়ে রাখা যাবে না।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের মতো আবারও একটি মহল দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বাধাগ্রস্ত করতে চায়। একই সঙ্গে জনগণের ভোটের রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনব্যবস্থা বন্ধ করার চেষ্টা করছে। তবে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর, ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনা প্রমাণ করে, এ দেশের মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে জানে।

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জাতীয় ঐক্যের ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো বিভেদ থাকা উচিত নয়। জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
অতীতের বিভিন্ন আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের মতো এবারও ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি ষড়যন্ত্রের জবাব একে একে দেওয়া হবে। কোনো শক্তিই বাংলাদেশের মানুষকে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ