বোয়ালখালীর সাংবাদিকদের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় মোস্তাক আহমেদ খান।

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সাংবাদিকদের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেছেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সাংসদ পদ প্রত্যাশী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আলহাজ্ব মোস্তাক আহমেদ খান।
আজ বুধবার (২ এপ্রিল) দুপুরে বোয়ালখালীতে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট-ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে এ মতবিনিময় করেন। এসময় সাংবাদিকদের সম্মানে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়।

বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক নুরুন্নবী চৌধুরীর সঞ্চালনায় মতবিনিময় কালে বিএনপি অঙ্গসংগঠনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভা বিএনপির সদস্য সচিব ইউসুফ চৌধুরী যুগ্ম আহবায়ক, এম কামাল উদ্দিন, উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক, ফারুক সুজন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সদস্য মুসলিম মিয়া, পৌরসভা বিএনপির সদস্য রফিকুল ইসলাম মোহাম্মদ ইউনুস, মোজাম্মেল হক, মোঃ হারুন, কাজী কামাল, জাহাঙ্গীর আলম খোকন, মনজুর

হোসেন, হাচি মিয়া, চরখিদিরপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল মোস্তফা, জসিম উদ্দিন , জানে আলম, পৌরসভা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জহিরুল ইসলাম রাসেল, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক ইলিয়াস চৌধুরী, সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, জানে আলম, আজগর, শাহাজান, যুবদল নেতা হাসান মেহেদী, দক্ষিণ জেলা কৃষক দলের নেতা নজরুল ইসলাম বাবু, পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দল আহ্বায়ক মোরশেদ আলম, যুগ্ম আব্বায়ক আমির হাসান জুয়েল, পৌরসভা শ্রমিক দলের সাবেক আহ্বায়ক হারুন, সদস্য সচিব সাইফুল রেজা, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আব্বায়ক মোঃ ফয়সাল, মোহাম্মদ সোহেল সহ অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভাঙ্গুড়ায় উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার,
বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করা হয়েছে।

রবিবার ৮ নভেম্বর সকাল ১১ টায় ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপি’র কার্যলয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করা হয়। ভাঙ্গুড়া উপজেলা ও ভাঙ্গুড়া পৌর বিএনপি’র আয়োজনে ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক নুর মুজাহিদ স্বপন ও সদস্য সচিব প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক এর নেতৃত্বে র‍্যালি ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক মোঃ নুরুল ইসলাম বরাত, মোঃ আবু হেনা মোস্তফা কামাল রেজা, মো: আলতাব হোসেন খাঁন, পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম কমিশনার, যুব দলের আহবায়ক মোঃ ফরিদুল ইসলাম, সাবেক পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ শহিদুল ইসলাম টিটু, সাবেক ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সায়েক মো: আবু সায়েম, সাবেক কৃষক দলের সভাপতি মো: হুমায়ন আহম্মেদ, বিএনপির নেতা মোঃ মতিউর রহমান,খান মরিচ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আবুল কালাম আজাদ,সাধারণ সম্পাদক মোঃ আতাউর রহমান খোকন, দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ লিয়াকত হোসেন লিটন,আসন্ন দিলপাশার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ হুমায়ুন কবির, পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ শামীম হোসেন, দিলপাশার ইউনিয়ন এর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ আব্দুল ওহাব প্রাঃ ও পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোঃ পিন্টু এছাড়া ছাত্রদল, যুবদল, কৃষকদল সহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে থেকে আগত বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
র‍্যালিটি ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির পার্টি অফিস থেকে শুরু হয়ে ভাঙ্গুড়া ও শরৎনগর বাজার ও ভাঙ্গুড়া বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বিএনপির পার্টি অফিসে গিয়ে শেষ হয়।

র‍্যালি শেষে পার্টি অফিসের আলোচনা সভায় বক্তারা ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দিবসটির গুরুত্ব, জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র এবং সামাজিক সংহতির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা। একই সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

লোহাগাড়ায় এনসিপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির অভিষেক ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

লোহাগাড়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার বটতলী মোটর স্টেশনে থেকে বর্ণাঢ্য র‍্যালি দক্ষিণ বটতলীর মাশবী রেস্টুরেন্টের সামনে গিয়ে শেষ হয়।লোহাগাড়া উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক মোস্তাক আহমদ সবুজ সভাপতিত্বে মাশাবী রেস্টুরেন্টের হলরুমে অভিষেক অনুষ্ঠানেএতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির আহ্বায়ক লায়ন এ এম মুন্না চৌধুরী। প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির সদস্য সচিব জুবায়েরুল আলম মানিক।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার মো. আরিফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ছাত্রশক্তির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব খান তালাত মাহমুদ রাফি, দক্ষিণ জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক জিয়াউর করিম, চন্দনাইশ উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক আনাস মাহমুদ এবং পটিয়া উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার এম এ রশিদ।

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির রাজনীতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে। সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে নবগঠিত কমিটির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তাঁরা।

প্রধান অতিথি লায়ন এ এম মুন্না চৌধুরী বলেন, সংগঠনের শক্তি হচ্ছে তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের আস্থা। মানুষের প্রত্যাশা পূরণে নেতাকর্মীদের সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
প্রধান বক্তা জুবায়েরুল আলম মানিক বলেন, লোহাগাড়ায় এনসিপির সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জনগণের পাশে থেকে একটি জনমুখী রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে এনসিপিকে এগিয়ে নিতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে মোস্তাক আহমদ সবুজ নবগঠিত কমিটির ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি সংগঠনের কার্যক্রম ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বিস্তৃত করতে নেতাকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন।অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন লোহাগাড়া উপজেলা এনসিপির সদস্য সচিব ডিএম মারুফ হাসান রিজভী।

আলোচিত খবর

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে – জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন-দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করছে, তাদের প্রত্যেককে একে একে জবাব দেওয়া হবে। আজ ৭ নভেম্বর শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আয়োজিত শোভাযাত্রার আগে এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহু বছর পর দেশের মানুষ মুক্তভাবে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের সুযোগ পেয়েছে। তবে দেশের বিরুদ্ধে আবারও একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। অতীতের মতো এবারও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ও স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এ দেশের মানুষকে কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দমিয়ে রাখা যাবেনা।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছিল। স্বাধীনতার পেছনে মানুষের প্রত্যাশা ছিল একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের ভেতরে ও বাইরে বিভিন্ন মহল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব মেনে নিতে পারেনি। তারা সাধারণ মানুষকে দাবিয়ে রাখা এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী অপশক্তিকে পরাজিত করা হয়েছিল। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আবারও গণতন্ত্রের সূচনা হয়। তবে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার মেনে নিতে না পারা একটি মহল বিভিন্ন সময়ে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করেছে। বারবার জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ আবারও তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়েও জনগণের সেই অধিকার বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করেছে। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের মতো ২০২৪ সালের ৫ আগস্টও জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে অপশক্তিকে পরাজিত করেছে।তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আন্দোলন শুধু দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, একই সঙ্গে ছাত্র-জনতা স্বৈরাচারী শক্তিকেও দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। বাংলাদেশের মানুষ অতীতেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। তাই কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের আন্দোলন ও অর্জন থামিয়ে রাখা যাবে না।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের মতো আবারও একটি মহল দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বাধাগ্রস্ত করতে চায়। একই সঙ্গে জনগণের ভোটের রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনব্যবস্থা বন্ধ করার চেষ্টা করছে। তবে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর, ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনা প্রমাণ করে, এ দেশের মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে জানে।

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জাতীয় ঐক্যের ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো বিভেদ থাকা উচিত নয়। জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
অতীতের বিভিন্ন আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের মতো এবারও ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি ষড়যন্ত্রের জবাব একে একে দেওয়া হবে। কোনো শক্তিই বাংলাদেশের মানুষকে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ