বহুকাল থেকে চট্টগ্রাম বন্দরকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চলছে : লুৎফর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর এদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর। স্বাভাবিকভাবেই এই বন্দরের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।শনিবার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি আন্তর্জাতিক দরপত্র ছাড়া বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে এসএম লুৎফর রহমান এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি এসএম লুৎফর রহমান সভাপতির বক্তব্যে বলেন, অতীতে বহু দস্যু জাতি এই বন্দর দখল করে আমাদের স্বাধীনতা ছিনিয়ে নিয়েছিল। বহুকাল থেকেই এই বন্দরকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চলছে। বন্দর উন্নয়নের নামে কোনো প্রকার প্রকাশ্য দরপত্র ছাড়াই আন্তর্জাতিক শক্তির কাছে এই বন্দর ইজারা দেওয়ার গভীর ষড়যন্ত্র এখনো চলমান। এই বন্দর শুধু দেশের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি নয় বরং এ বন্দরের সাথে এদেশের ও জাতির নিরাপত্তা সম্পৃক্ত। সুতরাং এই বন্দর নিয়ে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র আমরা বরদাশত করব না।

চট্টগ্রাম মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, নগর ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক হামিদুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ নুরুন্নবী, ট্রেড ইউনিয়ন সম্পাদক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মজুমদার, পাঠাগার সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম, বন্দর ইসলামি শ্রমিক সংঘের সভাপতি মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইয়াছিন, বন্দর থানা সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম আদনান প্রমুখ।
এস এম লুৎফর রহমান আরো বলেন, উন্নয়নের ধুয়া তুলে চট্টগ্রাম বন্দরকে বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে। তারা আমাদের বলতে চায় আমরা নাকি উন্নয়ন চাই না। আমরা উন্নয়ন চাই তবে সেই উন্নয়ন কোনোভাবেই এ দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলে নয়। এ বন্দরকে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার একটি বিদেশি শক্তির হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। সেই স্বৈরাচারের দোসররা শেখ হাসিনার অসমাপ্ত কাজকে সমাপ্ত করার জন্য তড়িঘড়ি করছে। আমরা স্পষ্ট ভাষায় সরকারকে জানিয়ে দিতে চাই, চট্টগ্রাম বন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের বন্দর করার জন্য জাতির সামনে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা দিতে হবে। এই বন্দর দেশের হাতে রেখেই পরিচালনা করতে হবে। প্রয়োজনে বিদেশি অপারেটর নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে তবে তা হতে হবে প্রকাশ্য দরপত্রের মাধ্যমে। আমরা কোনো গোপন দলিল দস্তাবেজের কাছে এ বন্দর হস্তান্তর করতে দেব না।

তিনি বলেন, এই বন্দরে হাজারো শ্রমিক নিয়োজিত। বন্দর কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে এই শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন করার ন্যায্য অধিকার হরণ করেছে। আমরা অবিলম্বে শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া আহ্বান জানাচ্ছি। এই বন্দর একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান। বন্দরকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান করার নেপথ্য থেকে কাজ করেন শ্রমিকরা। অথচ কথায় কথায় শ্রমিকদের ওপর জুলুমের স্টিম রোলার চালানো হয়। শ্রমিকরা তাদের অধিকারের কথা যেন না বলতে পারে সেজন্য তাদের সভা সমাবেশের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তাদের চাকরি কেড়ে নেওয়া হয়। শ্রমিকদের প্রাণের দাবি সিবিএ নির্বাচন দেওয়া হচ্ছে না। আমরা বন্দর কর্তৃপক্ষ কাছে শ্রমিকদের সব দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

মানববন্ধনে শ্রমিক নেতারা বন্দরের কর্মরত শ্রমিকদের আইডি কার্ড থেকে মালিকের নাম প্রত্যাহার, কনটেইনার ডেলিভারি শ্রমিকের মজুরি জিসিবির সমান সিসিটি ও এনসিটিতে চালু, এপ্রেইজ কনটেইনার শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি প্রাপ্যতা অনুযায়ী, লেসিং আনলেসিং শ্রমিকদের ডক শ্রমিকদের মতো কনটেইনার উঠানামা বোনাস, শ্রমিকদের অবসরকালীন ভাতা এককালীন ৬০ লাখ টাকা দেওয়া এবং পোর্ট ডিউটি, ঝুঁকিভাতা, গৃহ নির্মাণ ঋণ বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গঠনে সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করা জরুরি : পুলিশ সুপার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গঠনে সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের উদ্যোগে সিভিক সেন্টারে আয়োজিত মাসিক কল্যাণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। সভায় পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, উন্নত কর্মপরিবেশ, শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক প্রশান্তি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। সভায় পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, কর্মপরিবেশের উন্নয়ন ও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়।

পুলিশ সুপার পুলিশ লাইন্সের অব্যবহৃত ও পরিত্যক্ত স্থান সংস্কার করে ব্যবহার উপযোগী করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি এসব জায়গায় শাকসবজি ও ফলমূল চাষের উদ্যোগ নিতে পুলিশ সদস্যদের উদ্বুদ্ধ করেন।এতে অব্যবহৃত জমির সঠিক ব্যবহার, পুষ্টির চাহিদা পূরণ ও স্বনির্ভরতা বাড়বে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পুলিশ সদস্যদের শারীরিক সক্ষমতা, মনোবল ও কর্মস্পৃহা বাড়াতে নিয়মিত খেলাধুলা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজনের নির্দেশ দেন পুলিশ সুপার।
এ ছাড়া প্রতিটি থানায় প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সরঞ্জাম ও উপকরণ সরবরাহের বিষয়েও নির্দেশনা দেন।

সভায় পেশাগত দক্ষতা ও বিশেষ সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের পুরস্কার, সম্মাননা সনদ ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়। ওয়ারেন্ট তামিল, মাদকদ্রব্য উদ্ধার, গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন এবং অপরাধী ও পলাতক আসামি গ্রেপ্তারে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় তাঁদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

এ সময় পুলিশ সদস্যদের উত্থাপিত বিভিন্ন সমস্যা ও অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন পুলিশ সুপার। সেগুলো সমাধানে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন তিনি। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রচলিত নীতিমালা অনুসরণ এবং পেশাগত শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশনা দেন।

সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সার্কেল অফিসার, কোর্ট ইন্সপেক্টর, টিআই (অ্যাডমিন), ডিআইও-১, আরআই, বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), বিভিন্ন ইউনিটের ইনচার্জসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম ওয়াসা সাড়ে দশ হাজার নষ্ট ও চুরি হওয়া মিটার পরিবর্তন করছে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ওয়াসার গ্রাহকদের অচল/নষ্ট ও চুরি হওয়া মিটার তথা গড় বিল জারী হওয়া মিটারসমূহ পরিবর্তনের জন্য গত ১৭সেপ্টেম্বর ২০২৬তারিখে এলটিএম পদ্ধতিতে দরপত্র আহবান করা হয়। এপ্রেক্ষিতে ১২ অক্টোবর ২০২৬ থেকে মিটার প্রতিস্থাপন কাজ শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রমের আওতায় সাড়ে দশ হাজার মিটার পরিবর্তন করার কাজ চলছে। গ্রাহক সেবা সহজীকরণ, গড় বিলের অভিযোগ এবং সর্বোপরি রাজস্ব আদায়ের স্বচ্ছতার স্বার্থে এই অচল/নষ্ট ও চুরি হওয়া মিটার প্রতিস্থাপন কাজ হাতে নিয়েছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। পানির মিটার নষ্ট/অচল বা চুরি হলে অনেক সময় গ্রাহকদের গাফেলতি বা বিলম্বে মিটার পরিবর্তনের ফলে নিয়ম অনুযায়ী ওয়াসা গ্রাহকের কাছে গড় বিল জারী করে। গড় বিল জারীর ফলে নিয়মিত বিলের সাথে পার্থক্য পরিলক্ষিত হলে গ্রাহক বিল বেশি আসছে অভিযোগ, ওয়াসার বিল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে। এই অহেতুক ঝামেলা ও গ্রাহকদের নাগরিক সুবিধা প্রাপ্তির বিষয়টি চিন্তা করে চট্টগ্রাম ওয়াসা সাড়ে দশ হাজার গ্রাহকের অচল/নষ্ট ও চুরি হওয়া মিটার প্রতিস্থাপন করছে।

০৪ নভেম্বর ২০২৬ (বুধবার) চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোঃ জানে আলম সকাল ১১:০০ টায় হালিশহর বড়পোল এলাকায় সরেজমিনে মিটার প্রতিস্থাপন কাজ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনে তিনি মিটার প্রতিস্থাপন কাজের প্রয়োজনীয়তা, গ্রাহকদের সমস্যা ও মিটার সংক্রান্ত অভিযোগ, প্রতিকার নিয়ে গ্রাহকদের সাথে কথা বলেন। গ্রাহকগণ মিটার প্রতিস্থাপন কাজের ফলে গড় বিলের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়াও চট্টগ্রাম ওয়াসায় যোগদানের পর থেকে পানি সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নতির চেষ্টা ও রাজস্ব আদায়ে নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগের জন্য গ্রাহকগণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোঃ জানে আলমকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

সরেজমিনে মিটার প্রতিস্থাপন কাজ পরিদর্শন করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোঃ জানে আলম বলেন, চট্টগ্রাম ওয়াসা সম্মানিত গ্রাহকদের সেবা সহজীকরণের বিষয়ে বদ্ধপরিকর। চট্টগ্রাম ওয়াসায় যোগদানের পর থেকে গড় বিল, বেশি বিল, ভুতড়ে বিল এসব অভিযোগ নিয়ে গ্রাহকগণ স্বশরীরে বা লিখিতভাবে অভিযোগ নিয়ে আসছেন। এসব সমস্যার মুল কারণ বের করলে শেষ পর্যন্ত দেখা যায় গ্রাহকের মিটার নষ্ট/অচল বা চুরি হয়ে গিয়েছে। গ্রাহক মিটার প্রতিস্থাপনে বিলম্ব বা অনেক সময় অনীহা প্রকাশ করায় চট্টগ্রাম ওয়াসা আইন অনুযায়ী গড় বিল জারী করতে বাধ্য হয়। গ্রাহকদের সুবিধার্থে সাড়ে দশ হাজার মিটার চট্টগ্রাম ওয়াসা প্রতিস্থাপন করে দিচ্ছে। এর ফলে সম্মানিত গ্রাহকগণ মিটার রিডিং অনুযায়ী বিল পাবেন এবং ভুতুড়ে বিলের অভিযোগ থেকে আমরাও রক্ষা পাবো। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে পানির মিটারের সঠিক রিডিংয়ের ভিত্তিতে বিল জারি হলে রাজস্ব আদায়ও বৃদ্ধি পাবে। একাজে গ্রাহকগণের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।

সরেজমিনে মিটার প্রতিস্থাপন কাজ পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অর্থ) মিজ্ শারমিন আক্তার, বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক মিজ্ সাজিয়া পারভীন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রুমন দে, রাজস্ব কর্মকর্তা এরফানুল করিম সাজ্জাদ ও সংশ্লিষ্ট মিটার পরিদর্শক।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ