২৮ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি পিবিআই

প্রেস রিলিজ

চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হামলার মামলা প্রতিবেদন জমা,

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় হামলা ও প্রকৃত ঘটনা গোপনের অভিযোগে করা এক মামলায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কোনো সত্যতা পায়নি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।ওই মামলায় সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতসহ ১০৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছিল। মামলাটিতে আসামিদের তালিকায় চট্টগ্রামের ২৮ জন সাংবাদিকও ছিলেন।দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে সংস্থাটি, যা অতি সম্প্রতি জানাজানি হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় বাদীকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য চারবার নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তিনি হাজির হননি এবং মামলার বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যও দেননি। এমনকি বাদীর বাসায় গিয়ে যোগাযোগ করা হলেও তিনি পরে আর কোনো সাড়া দেননি। তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, মামলায় যেসব ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল, তাদের কাউকেই খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া তদন্তে জব্দ করার মতো কোনো আলামতও মেলেনি।

এ বিষয়ে মামলার বাদী হাসিনা মমতাজ বলেন, তিনি বাড়িতে ছিলেন এবং তার ভাই পিবিআই কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। পুলিশের এই তদন্ত প্রতিবেদনের বিরোধিতা করে তিনি দাবি করেন, পুলিশ এভাবে প্রতিবেদন দিতে পারে না এবং তিনি এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেবেন।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরের মোহরা সায়রা খাতুন কাদেরিয়া গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ হাসিনা মমতাজ আদালতে এই মামলাটি করেছিলেন। পরে আদালত পিবিআইকে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছিল, বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী আন্দোলনের সময় সাংবাদিকেরা প্রকৃত ঘটনা গোপন করে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার করেছিলেন। গত ৪ আগস্ট নিউমার্কেট এলাকায় অবস্থানকালে বাদী দেখেন আওয়ামী লীগের সশস্ত্র কর্মীরা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও গুলি চালাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা গলিতে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করলে কয়েকজন সাংবাদিক তাদের মারধর করে আওয়ামী লীগ নেতাদের হাতে তুলে দেন এবং উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ পরিবেশন করেন বলে অভিযোগ আনা হয়।

মামলায় সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত ছাড়াও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর মা ও চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন, বিভিন্ন গণমাধ্যমের ২৮ জন সাংবাদিক এবং আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বেশ কিছু নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। এ ছাড়া আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হরমুঝ প্রণালীর প্রবেশপথের কাছে মাইনের আ/ঘা/তে একটি তেলবাহী জাহাজে আ/গু/ন ধরেছে বলে দাবি করেছে ইরানের নৌবাহিনী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হরমুঝ প্রণালীর প্রবেশপথের কাছে মাইনের আ/ঘা/তে একটি তেলবাহী জাহাজে আ/গু/ন ধরেছে বলে দাবি করেছে ইরানের নৌবাহিনী।

সোমবার (২ নভেম্বর) ইরানের সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এ/জে/ন্সি এ তথ্য জানায়। নৌবাহিনীর দা/বি, ইরানের অনুমতি ছাড়া অনিরাপদ নৌ/প/থ দিয়ে চলাচলের চে/ষ্টা করছিল জাহাজটি। এর আগে গত নয় দিনে হ/র/মু/জ প্র/ণা/লি/র ভেতরে বা আশপাশে ১১টি জাহাজে আ/গু/ন লাগার দা/বি করে ইরান।

চট্টগ্রামে খাবার তৈরি পোড়া তেলে, ৩ লাখ টাকা জরিমানা পাছাজিও ফুডসকে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর আতুরার ডিপো এলাকায় পোড়া তেলে খাবার তৈরিসহ নানা অপরাধে পাছাজিও ফুডসকে (ড্রিপ্স) ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) এ অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক ফয়েজ উল্ল্যাহ, আনিছুর রহমান।

উপ-পরিচালক ফয়েজ উল্ল্যাহ জানান, সোমবার আতুরার ডিপো সংলগ্ন এলাকায় পোড়া তেলে খাবার তৈরি, অতি অস্বাস্থ্যকর অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের খাদ্যপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্রস্তুতি এবং প্যাকেজিং, যত্রতত্র খাবার প্রস্তুতকারী স্থানে তেলাপোকা এবং ঈদের বেসরন এবং মিষ্টির কাঁচামালে ইঁদুরের বিষ্ঠা, যথাযথ প্যাকেজিং প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে খাদ্য উৎপাদন ও নকল চেরি ফল ব্যবহার করায় পাছাজিও ফুডসকে (ড্রিপ্স) ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ রিল এজেন্ট ফ্রিজে সংরক্ষণ করায় আতুরার ডিপো ডক্টরস ডায়াগনস্টিককে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ