সাংবাদিক আলী আকবরের মায়ের মৃত্যুতে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও সিএমইউজের শোক

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য ও বাংলাভিশনের সিনিয়র চিত্র সাংবাদিক আলী আকবরের মা নুর বানু বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে) নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার (০৫ মে) এক শোকবার্তায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ এবং সিএমইউজে সভাপতি মো. শাহনওয়াজ ও সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

নেতৃবৃন্দরা বলেন, মা হারানোর শোক পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শূন্যতা। এই শূন্যতা কোনো কিছু দিয়ে পূরণ হওয়ার নয়। এই কঠিন সময়ে সৃষ্টিকর্তা শোকাহত পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দিন। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ওনার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

নুর বানু বেগম বার্ধক্যজনিত রোগসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। মঙ্গলবার তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। মরহুমার জানাজার নামাজ বাদে জোহর হাটহাজারী উপজেলার পশ্চিম ফরহাদাবাদস্থ ‘হিম্মত মুহুরী বাড়ি’ জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি ছয় পুত্র ও এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পটিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু, পরিচয় শনাক্ত হয়নি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের পটিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে মধ্যবয়সী এক অজ্ঞাত নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ভোরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইনের বাহুলী রেলক্রসিংয়ের দক্ষিণ পাশে এ ঘটনা ঘটে। সকাল ১১টা পর্যন্ত নিহত নারীর পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে রেললাইনের পাশে নারীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। এতে তার একটি হাত ও একটি পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল। পরে বিষয়টি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, গত কয়েক দিন ধরে ওই নারী বাহুলী ও আশপাশের এলাকায় ঘোরাফেরা করছিলেন। বৃহস্পতিবার বিকেলেও তাকে বাহুলী রেলগেট এলাকায় বসে থাকতে দেখা যায়। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন হতে পারেন বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। তবে তার পরিচয় কিংবা বাড়ির ঠিকানা সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

কোন ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ রুটে ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত কয়েকটি ট্রেন চলাচল করে। সেগুলোর কোনো একটির নিচে দুর্ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা স্থানীয়দের।

বাহুলী রেলগেটের গেটম্যান মো. আরমান জানান, ঘটনাস্থলটি রেলগেট থেকে কিছুটা দূরে হওয়ায় প্রথমে বিষয়টি তাদের নজরে আসেনি। পরে খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

পটিয়া রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশনমাস্টার আবদুস সালাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি রেলওয়ে পুলিশকে (জিআরপি) জানানো হয়েছে। তবে কোন ট্রেনের নিচে ওই নারী কাটা পড়েছেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ইমরান হোসেন মুন্না,
পটিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

কলমাকান্দা ইজিবাইকের চাপা পড়ে শিশুর মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনা। নেত্রকোনার কলমাকান্দায় দ্রুতগামী দুটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষের পর উল্টে গিয়ে নিচে চাপা পড়ে সাউদা মনি (৭) নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

​আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার রংছাতি ইউনিয়নের ওমরগাঁও নামাপাড়া মাদ্রাসা-সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাউদা মনি ওমরগাঁও গ্রামের ফরিদ মিয়ার মেয়ে।
​স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে শিশু সাউদা মনি রাস্তার পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় দ্রুতগতির দুটি ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষের একপর্যায়ে একটি ইজিবাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে রাস্তার পাশে থাকা শিশুটির ওপর পড়ে। এতে সে গুরুতর আহত হয়।পরে স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, দুর্ঘটনাকবলিত শিশুটিকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ