জাফর উল্লাহ খান’র মৃত্যুতে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের শোক

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হালিশহর থানা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব হাবিবুল্লাহ খান রাজু’র পিতা জাফর উল্লাহ খান চিকিৎসাধীন অবস্থায় অদ্য ২৭ জুন শনিবার বিকাল ৩.৩০ মিনিটে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও দুই মেয়ে সহ আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।

জাফর উল্লাহ খানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাবেক সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ। এক শোক বার্তায় নেতৃদ্বয় বলেন, জাফর উল্লাহ খানের মৃত্যুতে আমরা একজন নিবেদিত প্রাণ, সৎ ও মানবিক ব্যক্তিত্বকে হারালাম।

ব্যক্তি জীবনে তাঁর অবদান, সততা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড সর্বদা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। উনার প্রয়াণে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহানুভূতি প্রকাশ করছি। মহান আল্লাহ তাআলা উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং পরিবারকে এই শোক সইবার শক্তি দান করুন – আমিন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে পার্সেল ‘ছিনতাইয়ের’ চেষ্টায় পুলিশ কনস্টেবল গ্রেফতার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীতে এস এ পরিবহন কুরিয়ার সার্ভিসের কার্যালয় থেকে মোড়কজাত পণ্যের (পার্সেল) তিনটি কার্টন জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে নগরীর কোতোয়ালী থানার নুর আহমদ সড়কে এস এ পরিবহনের কাজির দেউড়ি শাখায় এ ঘটনা ঘটে।এ সময় র‌্যাবের সদস্য পরিচয় দেওয়া একজন পালিয়ে যান।

গ্রেফতার কৃষাণ বড়ুয়া (২৭) চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বাসিন্দা। তিনি কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের আইসিটি শাখার কনস্টেবল। পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তির নাম নোটন বড়ুয়া। তার বাড়িও একই উপজেলায়। তিনিও একটি বাহিনীতে কর্মরত বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেয়েছে পুলিশ।

প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা মোরশেদ জানান, কৃষাণকে গ্রেফতারের খবর পেয়ে নগরীর রিয়াজউদ্দিন বাজার থেকে বেশ কয়েকজন দোকানি ও কর্মচারি এস এ পরিবহনের সামনে ভিড় করেন। তারা অভিযোগ করেন, র‌্যাব ও পুলিশের পরিচয় দিয়ে কৃষাণ ও নোটন তাদের দোকান থেকেও বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের পণ্য আত্মসাৎ করেছেন। দুজনের চাঁদাবাজিতে তারা অতিষ্ঠ ছিলেন।

কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেছেন, প্রতারণার মাধ্যমে নিজের মিথ্যা পরিচয় দিয়ে পুলিশ কনস্টেবল কৃষাণ এস এ পরিবহনের কাউন্টার থেকে তিনটি পার্সেল আত্মসাতের চেষ্টা করেন। তার সঙ্গে ছিলেন নোটন বড়ুয়া নামে একজন। যিনি নিজের নাম নিলয় বড়ুয়া বলেছিলেন। এ বিষয়ে এস এ পরিবহনের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে।

মোংলা বন্দরে কয়লা বোঝাই জাহাজডুবি, ৯ জন নাবিককে জীবিত উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তেলবাহী ট্যাংকারের ধাক্কায় মোংলা বন্দরের সুন্দরীকোঠা এলাকায় ১ হাজার ২০০ টন কয়লাবোঝাই একটি কার্গো জাহাজ ডুবে গেছে। এমভি ফুলবাড়ী নামের জাহাজটি ডুবে গেলেও জাহাজে থাকা ৯ নাবিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার গভীর রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর মো. শফিকুল ইসলাম সরকার।

কার্গো জাহাজটির নাবিকরা জানান, মোংলা বন্দরের হিরণ পয়েন্টে অবস্থানরত বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ এমভি ইয়াস জুপিটার থেকে কয়লা বোঝাই করে মোংলার উদ্দেশে আসছিল এমভি ফুলবাড়ী। পথিমধ্যে সুন্দরীকোঠা এলাকায় পৌঁছালে এমটি জান্নাতুল ফেরদৌস নামের একটি তেলবাহী ট্যাংকার জাহাজটিকে ধাক্কা দেয়। এতে দুর্ঘটনাকবলিত হয়ে কয়লাবোঝাই কার্গো জাহাজটি ডুবে যায়।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ