বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এন্টি-রেবিস ভ্যাকসিন বিতরণ

এস মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা এবং জলাতঙ্ক প্রতিরোধে বোয়ালখালী উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে ১ লাখ টাকার এন্টি-রেবিস (জলাতঙ্ক প্রতিরোধী) ভ্যাকসিন বিতরণ করা হয়েছে।
২ জুলাই সকালে বোয়ালখালী উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভ্যাকসিন বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা পরিষদের প্রশাসক মেহেদী হাসান ফারুক।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদের সদস্য শওকত আলম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক হাজি ইছহাক চৌধুরী, সাবেক সদস্য সচিব হামিদুল হক মান্নান চেয়ারম্যান, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. আজগর, জেলা বিএনপির সদস্য জাবেদ মেহেদী হাসান সুজন, শাহিনুর ইসলাম, আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী, আবুল হাশেম, শহীদুল্লাহ চৌধুরী, আলহাজ্ব নুরুল করিম নুরু, আলহাজ্ব মো. জাকির হোসেন, সরোয়ার আলমগীর, শফিকুল ইসলাম শাহীন, হাজি আবু আখতার, মো. লোকমান সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দৌরগোড়ায় পৌঁছে দিতে উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। জলাতঙ্ক প্রতিরোধ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শিক্ষক মনোরঞ্জন রায়কে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশ হিন্দু সম্মিলন সংঘের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আয়োজিত সালিশ বৈঠকে উভয় পক্ষের লোকজন উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিরোধ মেটাতে ও পরিস্থিতি শান্ত করতে গেলে সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্মানিত শিক্ষক বাবু মনোরঞ্জন রায় (৫৫)- কে প্রতিপক্ষের লোকজন এলোপাথাড়ি পিটিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

সু-মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অসাম্প্রদায়িকতা ও মানবতায় বিশ্বাসী সংগঠন ‘বাংলাদেশ হিন্দু সম্মিলন সংঘ, এর পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির আপোষহীন সংগ্ৰামী সাধারণ সম্পাদক ডা. মৃত্যুঞ্জয় কুমার রায় (ডা. এম কে রায়) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই বর্বরোচিত ও কাপুরুষোচিত হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা, ঘৃণা ও কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
একজন নিরীহ শিক্ষক, যিনি সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সালিশে মধ্যস্থতা করতে গিয়েছিলেন, তাকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা শুধু হত্যাকাণ্ড নয়, এটি সভ্য সমাজ, আইনের শাসন এবং মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের চেতনার উপর সরাসরি আঘাত।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক তিন দফা দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন -১. অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সকল খুনিদের গ্রেফতার করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে।
২. নিহত শিক্ষক মনোরঞ্জন রায়ের শোকসন্তপ্ত পরিবারের নিরাপত্তা ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।
৩. পার্বতীপুর সহ সারাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভূমি দখল ও নির্যাতন বন্ধে এবং জানমালের নিরাপত্তা বিধানে স্থানীয় প্রশাসনকে কঠোর ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

একই সাথে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার, দিনাজপুর জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মুক্তিযোদ্ধাকে দাফন-কাফনেও বাধা দিচ্ছে :শাহ আলম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

একাত্তরের আলবদর বাহিনী আবার সক্রিয় হয়ে মাঠে নেমেছে বলে মন্তব্য করলেন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ বাম নেতা মোহাম্মদ শাহ আলম।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে ‘বিক্ষুব্ধ বীর মুক্তিযোদ্ধা-চট্টগ্রাম’র ব্যানারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন। পিরোজপুরে মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার প্রতিবাদে এ মানববন্ধন করা হয়েছে।

মানববন্ধনে সিপিবির প্রাক্তন সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম বললেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আমরা মুক্তিযোদ্ধার গলায় জুতার মালা দিতে দেখেছি। ইউনূসের সরকার এর কোনো বিচার করেনি। বরং প্রশ্রয় দিয়েছে। এখন নির্বাচিত সরকারের আমল। এখন দেখছি মুক্তিযোদ্ধাকে দাফন-কাফনেও বাধা দিচ্ছে। একদিকে রাষ্ট্র প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধাকে গার্ড অব অনার দিচ্ছে। আরেকদিকে একাত্তরের ঘাতকচক্র সেই মুক্তিযোদ্ধাকে দাফন করতে দিচ্ছে না। স্বাধীন দেশে পরাজিত শক্তি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে দাফনে বাধা দিচ্ছে। কত বড় দুঃসাহস!

একাত্তরের ঘাতকচক্রের উত্তরসূরিরা মুক্তিযুদ্ধকে আঘাত হানার দুঃসাহস কোথায় পাচ্ছে জানতে চেয়ে তিনি বললেন, একাত্তরে কিলিং স্কোয়াড আলবদর বাহিনী গঠন করেছিল জামায়াতে ইসলামী। সেই স্কোয়াড আমাদের দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের রাতের অন্ধকারে চোখ বেঁধে নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছিল। আলবদর বাহিনীর সেই নৃশংস আজ আমরা আবার নতুন ফরম্যাটে দেখতে পাচ্ছি। মুক্তিযুদ্ধের ৫৪ বছর পর আলবদরের উত্তরসূরিরা অন্যরূপে অন্যফর্মে আবার সক্রিয় হয়ে মাঠে নেমেছে।
জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে শাহ আলম বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের বদান্যতায় কয়েকটা সিট পেয়ে বিরোধীদলের আসনে বসেছেন বলে এত স্পর্ধা দেখাবেন না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আঘাত এলে দেশ আবার নতুন করে জ্বলে উঠবে। আগুন নিয়ে খেলা বন্ধ করুন। মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের দল বিএনপিকে বলব মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। দলমত নির্বিশেষে সব মুক্তিযোদ্ধাকে আজ এক কাতারে আসতে হবে। নতুন ফরম্যাটে সক্রিয় হওয়া আলবদরকে আবার পরাজিত করতে হবে।

মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধের গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ডা. মাহফুজুর রহমান বললেন, ঘুমিয়ে থাকা মুক্তিযোদ্ধারা আবার জেগে উঠুন। আমাদের মরার কোনো ভয় নেই। একাত্তর সালেই আমরা মৃত্যুভয়কে পরাজিত করেছি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে আজ আমাদের দলমত সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। স্বাধীনতার পর ৫৫ বছর ধরে রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা দলগুলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে কোনো কাজ করেনি। বরং চেতনাবিরোধীদের প্রশ্রয় দিয়েছে। এজন্য স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি আজ আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এই পরাজিত শক্তিকে আমাদের আবার পরাজিত করতে হবে।

চট্টগ্রাম জেলা সিপিবির সভাপতি অশোক সাহা বললেন, এ দেশের সাধারণ মানুষ মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ। গত সংসদ নির্বাচনে এর প্রমাণ আমরা পেয়েছি। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীপক্ষ নানা শক্তির আনুকূল্য পেয়ে ক্ষমতার একেবারে কাছাকাছি চলে এসেছিল। সাধারণ মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভোটের মাধ্যমে তাদের পরাজিত করেছে। এখন আবার মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা যে স্পর্ধা দেখাচ্ছে, সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের রুখে দিতে হবে।
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা উদয়ন নাগ, মাহবুব মিন্টু ও বালাগাত উল্লাহ এবং উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের আহ্বায়ক অমল কান্তি নাথ। মানবন্ধনের পর বিক্ষোভ মিছিল করেন মুক্তিযোদ্ধারা।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ