নায়ক পরীমণিকে চাওয়ায় সিনেমা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মাহি

বিনোদন ডেস্ক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চলতি বছরের ২৮ মার্চ প্রথমবারের মতো মা হয়েছেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। মা হওয়ার আগে-পরে মিলিয়ে বছরখানেক সিনেমার শুটিংয়ে দেখা যায়নি তাঁকে। বিরতি কাটিয়ে গত ১০ অক্টোবর ‘ডার্ক ওয়ার্ল্ড’ সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নেন মাহি। সিনেমাটিপরিচালনা করছেন পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মানিক। বেশ খোশমেজাজেই সিনেমাটির শেষ ক্লাইমেক্সের শুটিংও শেষ করেন। এরপরই শুরু হয় বিপত্তি। মাহি জানান, সিনেমাটির শুটিং আর করবেন না তিনি। মাহির এমন সিদ্ধান্তের কারণ জানতেন না স্বয়ং পরিচালকও। তাই তিনিও হেতু খুঁজতে থাকনে। পেয়েও যান।

 

 

জানা গেছে সিনেমার নায়ক ও প্রযোজক মুন্না খান এক সাক্ষাৎকারে জানান, তিনি পরীমণির ভক্ত। তাই সে পরীমণিকে সিনেমাটতে নায়িকা হিসেবে চেয়েছিলেন। পরীমণি না করায় সিনেমাটিতে নায়িকা হিসেবে মাহিয়া মাহিকে নেওয়া হয়েছে।

পরিচালক পরিচালকমোস্তাফিজুর রহমান মানিক জানিয়েছেন ভিন্ন কথা। তিনি জানান, সিনেমার শুরু থেকেই মাহিয়া মাহিকে ভেবেছিলেন তিনি। অন্য কোনো নায়িকার সঙ্গে আলোচনাই করেননি।

পরিচালকের ভাষ্য, ‘সিনেমাটিতে নায়িকা হিসেবে শুরু থেকেই আমি মাহিয়া মাহিকে ভেবেছিলাম। পরে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে চূড়ান্তও করি। মাহিয়া মাহি ছাড়া অন্যকোনো নায়িকার সঙ্গে সিনেমাটি নিয়ে আমি যোগাযোগ করিনি। কিন্তু সিনেমার নায়ক এক সাক্ষাৎকারে অন্য একনায়িকার নাম বলেন। সেই নায়িকা সিনেমাটিনা করায় মাহিকে নেওয়া হয়েছে। মাহি মনে করেছেন, তাঁর কাছে বিষয়টি গোপন করেছি আমরা। তাই হয়তো অভিমান করে শুটিং করবেন না বলে জানিয়েছেন। কিন্তু মাহি ছাড়া অন্য নায়িকার সঙ্গে আমি কথা বলিনি।’

পরিচালকের এমন ভাষ্যের পর আরও খোলাসা হতে মাহিয়া মাহির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে পরিচালক জানিয়েছেন, মাহির সঙ্গেসাক্ষাৎ করে বিষয়টি সুরাহা করবেন। তাঁর আশা, মাহির মান ভাঙবে এতে।ক্রাইম থ্রিলার ঘরানার সিনেমাডার্ক ওয়ার্ল্ড। সিনেমায় দেখা যাবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশ্লীল ফুটেজ ছড়িয়ে একটি চক্র প্রতারণা করে। তাদের নির্মূলের অভিযান নিয়েই তৈরি হচ্ছে ছবিটি। ছবিতে একজন পুলিশ অফিসারের চরিত্রে দেখা যাবে মাহিকে।মাহি ছাড়াও ডার্ক ওয়ার্ল্ডে আরও অভিনয় করছেন মিশা সওদাগর ও নবাগত নায়ক মুন্না খান।

 

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

২৭ লাখের ঘড়ি, ৪৫ লাখের ব্যাগবিনোদন ডেস্ক : নিয়ে সংসদে কঙ্গনা রানাউত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সংসদে যাওয়ার সাজেও তারকাদের ফ্যাশন যে আলাদা নজর কাড়ে, সেটিই যেন আবারও প্রমাণ করলেন বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত। ভারতের বর্ষাকালীন সংসদ অধিবেশনে সম্প্রতি হালকা নীল রঙের রেশমের শাড়ি পরে হাজির হন তিনি।তবে শাড়ির চেয়ে বেশি আলোচনা তৈরি করেছে তার হাতে থাকা বিলাসবহুল ব্যাগ ও হাতঘড়ি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কঙ্গনার হাতে থাকা হার্মেস বারকিন ব্যাগটির আনুমানিক দাম ৩৫ লাখ রুপি, বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্য প্রায় ৪৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। টোগো চামড়ায় তৈরি এই ব্যাগ বিলাসবহুল ফ্যাশন দুনিয়ায় অন্যতম জনপ্রিয় ও কাঙ্ক্ষিত অনুষঙ্গ।ব্যাগের সঙ্গে কঙ্গনার এবারের সাজে ছিল রোলেক্সের লেডি-ডেটজাস্ট ঘড়ি।বাদামি ডায়ালের এই ঘড়িটির আনুমানিক মূল্য ২১ লাখ রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৭ লাখ ২১ হাজার টাকা।

অর্থাৎ শুধু ব্যাগ ও ঘড়ির দামই দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৭২ লাখ ৫৭ হাজার টাকা।তবে কঙ্গনার বিলাসী অনুষঙ্গের তালিকা এখানেই শেষ নয়। বর্ষার দিনে তার হাতে দেখা গেছে গুড আর্থের একটি ছাতাও।এর দাম ৬ হাজার ১০০ রুপি, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭ হাজার ৯০০ টাকা। ছাতাটিতে ভারত মহাসাগর থেকে অনুপ্রাণিত নকশার পাশাপাশি রয়েছে কাঠের হাতল।

সব মিলিয়ে কঙ্গনার ব্যবহৃত ব্যাগ, ঘড়ি ও ছাতার আনুমানিক মূল্য দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। অবশ্য এই হিসাবের মধ্যে তার শাড়ি, ব্লাউজ, জুতা কিংবা অন্যান্য অনুষঙ্গের দাম ধরা হয়নি।কঙ্গনার এই সংসদীয় সাজ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ফ্যাশনভিত্তিক সংবাদমাধ্যমেও চলছে আলোচনা।সাধারণ শাড়ির সঙ্গে লাখ লাখ টাকার বিলাসী অনুষঙ্গের মেলবন্ধনই মূলত তার এবারের লুককে দিয়েছে বাড়তি আকর্ষণ।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামে আসছেন, যোগ দেবেন ৫ কর্মসূচিতে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার চট্টগ্রাম আসছেন তারেক রহমান। বন্দরনগরীর বিএনপি নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাংগঠনিক মতবিনিময় করারও সুযোগ পাচ্ছেন। এ নিয়ে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস উদ্দিপনা লক্ষ করা যাচ্ছে। আগামীকাল রবিবার প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা দিতে চট্টগ্রামে আসবেন। এ সফরে দলের নেতাকর্মীদের বাইরে হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও তিনি একটি বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বললেন, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী একদিনের সফরে চট্টগ্রামে আসছেন। সফরসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকালে কক্সবাজারের মহেশখালীতে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দুপুর ১২টায় হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় পৌঁছাবেন। বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

দুপুর ১টায় ফটিকছড়ি উপজেলায় আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর হাটহাজারী উপজেলার আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমীর শাহ আহমদ শফির কবর জেয়ারত করবেন।
এরপর হাটহাজারী উপজেলায় যাবেন তারেক রহমান।

হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ পরিবারকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা করে অনুদান দেবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে দেবেন ১০ হাজার টাকা করে।
হাটহাজারী থেকে নগরীতে ফিরে প্রধানমন্ত্রী উঠবেন পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লু বে ভিউতে। সন্ধ্যায় হোটেলের হলরুমেই হবে বিএনপির সাংগঠনিক সভা। রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন তিনি।


চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান জানালেন, ‘সভায় নগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সবাই থাকবেন। থানা ও ওয়ার্ড বিএনপির প্রতিটি থেকে তিন থেকে পাঁচজন করে নেতা উপস্থিত হবেন। আহ্বায়ক কমিটিতে নেই এমন কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও চট্টগ্রামের সকল সংসদ সদস্য যোগ দেবেন এতে।’
প্রত্যেক সহযোগী সংগঠনের নগর কমিটি থেকে দুইজন করে নেতাকে সভায় যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির নেতারা সভায় অংশ নেবেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ