দুইটি শর্তে গড়ে উঠবে মৌলভীবাজার বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক।

তিমির বনিক মৌলভীবাজার:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মৌলভীবাজারে দুই শর্তে প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে দেশের তৃতীয় সাফারি পার্ক—বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক। পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে অবস্থানগত ছাড়পত্র নেওয়া এবং প্রকল্পভুক্ত জমিতে কোনও গাছ ও পাহাড় না কাটার শর্তে গড়ে তোলা হবে এই সাফারি পার্ক। সব কিছু ঠিক থাকলে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে শুরু হয়ে ২০২৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর নাগাদ প্রকল্পটি শতভাগ বাস্তবায়িত হবে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রের বরাতে জানা গেছে, কক্সবাজার চকোরিয়া উপজেলায় দেশের প্রথম সাফারি পার্ক অবস্থিত। এর অপর নাম ডুলাহাজরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সাফারি পার্ক। এটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর ২০১১ সালে গাজীপুরে প্রতিষ্ঠিত হয় দেশের দ্বিতীয় সাফারি পার্ক, যেটি গাজীপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক নামে পরিচিত। এটি গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলাধীন মাওনা ইউনিয়নের বড় রাথুরা মৌজা ও সদর উপজেলার পীরুজালী ইউনিয়নের পীরুজালী মৌজার খণ্ড খণ্ড শাল বনের ৪ হাজার ৯০৯ একর বনভূমিতে গড়ে তোলা হয়েছে। এই সাফারি পার্কগুলো ছোট-বড় বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণির জন্য নিরাপদ আবাসস্থল হিসাবে পরিচিত।

এবার দেশের তৃতীয সাফারি পার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে চায়ের রাজধানী নামে খ্যাত মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায়। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ৩৬৪ কোটি ১১ লাখ টাকা ব্যয়ে এটি গড়ে তোলার লক্ষে প্রকল্প হাতে নিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

বন অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, সাফারি পার্কের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের বৈচিত্র্য সংরক্ষণ; বাংলাদেশের বিরল ও বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণীকে নিজ আবাসস্থলে এবং আবাসস্থলে বাইরে সংরক্ষণ ও উন্নয়ন সাধন; ইকো-ট্যুরিজমের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে পর্যটন শিল্পের বিকাশ, দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা; চিত্তবিনোদন, শিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করা; বন্যপ্রাণীর খাদ্য উপযোগী ফলজ, ফডার, ও মিশ্র প্রজাতির বাগান সৃষ্টি করা; বনের বন্যপ্রাণী যেমন বানর, মায়া হরিণ, বেজি, বনরুই, ছোট খাটাশ, বন বিড়াল, খরগোশ, শিয়াল, খেঁকশিয়াল ও অজগরসহ বিপন্ন বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাসস্থল সৃষ্টি ও সংরক্ষণ করা।

এছাড়া বিরল ও বিপন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণী যেমন বাঘ, চিতাবাঘ, সম্বর হরিণ, মায়া হরিণ, চিত্রা হরিণ, প্যারা হরিণ এবং অন্যান্য তৃণভোজী বন্যপ্রাণীর প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও বংশবৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করা; গণ্ডার, এশীয় হাতি, পাখি পরিযান, জলচর পাখি, বনছাগল, সিংহ, স্লথ ভালুক, এশীয় কালো ভাল্লুক, স্বাদুপানির কুমির, লোনা পানির কুমির, নীলগাই, জলহস্তী ইত্যাদি বিপন্ন ও বিলুপ্ত বন্যপ্রাণীর প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ করা; আহত ও উদ্ধারকৃত বন্যপ্রাণীর চিকিৎসায় সেবাশ্রম ও হাসপাতাল স্থাপন করা; সারা দেশে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টি করা।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানিয়েছে, মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় বিদ্যমান বনভূমিতে বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ বৈচিত্র সংরক্ষণ, লাঠিটিলার সমৃদ্ধ চিরসবুজ বনভূমিকে জবরদখলমুক্ত করে বন্যপ্রাণীর বসবাস উপযোগী প্রাকৃতিক পরিবেশ সৃষ্টি, সাফারি পার্ক স্থাপন করে ইকোট্যুরিজমের মাধ্যমে চিত্ত বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি, সাফারী পার্কের ভেতর পর্যটকদের চলাচলের জন্য রাস্তা ও দৃষ্টিনন্দন বিভিন্ন বিনোদন সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি, বন্যপ্রাণী হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা, জনসচেতনতা সৃষ্টি, জলচর ও পরিযায়ী পাখির আবাসস্থল উন্নয়নের জন্য পুকুর ও লেক খনন এবং বৃক্ষরোপণ করার উদ্দেশ্যেই মূলত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক, মৌলভীবাজার (প্রথম পর্যায়)’ শীর্ষক প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় ৫ হাজার ৬৩১ একর এলাকায় সাফারি পার্ক প্রতিষ্ঠা করা হবে। পরিবেশবান্ধব বেষ্টনী নির্মাণ করা হবে। বায়োডাইভার্সিটি পার্ক স্থাপন করা হবে। পার্কের ভেতরে শিক্ষা ও গবেষণার, বন্যপ্রাণী হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হবে। ২০০ হেক্টর এলাকায় ফল ও পশু খাদ্যের বাগান সৃষ্টি করা হবে। পার্কের ভেতরে ২৫ হেক্টর এলাকায় চারণভূমি, বিরল ও বিলুপ্তপ্রায় ২৫ হাজার চারা রোপণ, শোভা বর্ধনকারী স্ট্রিপ বাগান সৃষ্টি, সীমানা প্রাচীর ও অভ্যন্তরীণ অস্থায়ী বেষ্টনী, ২টি আরসিসি বাঁধ, রিটেইনিং ওয়াল, আরসিসি রোড, ওয়াকওয়ে, জেনারেটর সহ একটি সাবস্টেশন নির্মাণ করা হবে। সাইনেজ (বিল বোর্ড, ডিস্প্লে ম্যাপ, সাইনবোর্ড ইত্যাদি) এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সিসিটিভিসহ সিকিউরিটি সিস্টেম, আইটি ব্যবস্থা, ট্রান্সটাইল গেট সমাধান সহ এক্সেস কন্ট্রোল সিস্টেম, সাউন্ড সিস্টেম এবং ডিজিটাল টিকেটিং ব্যবস্থা ইত্যাদিও থাকবে প্রকল্প এলাকায়।
২০২৩ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত একনেকের সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়েছে। এটি চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) উচ্চ অগ্রাধিকারভুক্ত প্রকল্প হিসাবে অননুমোদিত নতুন প্রকল্প তালিকায় অন্তর্ভুক্ত আছে।

এটি সরকারের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সঙ্গেও সঙ্গতিপূর্ণ। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় বন উপখাতের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্য হলো-বিদ্যমান সব ধরনের বন, বন্য জীবন ও অন্যান্য বনজ সম্পদ সংরক্ষণ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করে টেকসই উন্নয়নের নীতির সঙ্গে বিষয়টির সঙ্গতি বিধান ও জলবায়ু ঘাত সহনশীলতা অর্জন, ক্ষয়প্রাপ্ত বন এলাকা সমৃদ্ধকরণ এবং বন বা গাছ আচ্ছাদিত ভূমির পরিমাণ বৃদ্ধি করা। প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের বিলুপ্ত প্রায় ও বিপন্ন বন্যপ্রাণী আবাসস্থলের বাহিরে নিয়ন্ত্রিত প্রাকৃতিক পরিবেশে বংশ বৃদ্ধি করে সংরক্ষণ করা এবং তাদের বসবাস উপযোগী প্রাকৃতিক পরিবেশ সৃষ্টি করা সম্ভব হবে।

একনেকের অনুমোদন চেয়ে উপস্থাপিত প্রস্তাবে পরিকল্পনা কমিশনের মতামতে বলা হয়েছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের বিপদাপন্ন ও বিপন্ন বন্যপ্রাণী এবং উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সংরক্ষণে ভূমিকা রাখবে। তবে পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩ এর তফসিল-৯ এর ক (১) অনুযায়ী পরিবেশগত গুরুত্বের বিবেচনায় আইন দ্বারা সংরক্ষিত এলাকা এবং ক (৩) অনুযায়ী সরকার কর্তৃক ঘোষিত বনভূমি এলাকা প্রকল্পের স্থান নির্বাচনের ক্ষেত্রে পরিহার করার নির্দেশনা রয়েছে।

প্রস্তাবিত প্রকল্পের পটভূমিতে উল্লেখ রয়েছে, জুড়ী উপজেলার জুড়ী রেঞ্জের আওতাধীন লাঠিটিলা বিটের চিরসবুজ এ বনাঞ্চলকে ১৯২০ সালে সংরক্ষিত বন ঘোষণা করা হয়। তাই নিম্নলিখিত শর্তে প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা যেতে পারে। শর্তগুলো হচ্ছে- ১) জুড়ী উপজেলার জুড়ী রেঞ্জের আওতাধীন লাঠিটিলা বিটের সংরক্ষিত এ বনাঞ্চলে প্রকল্প বাস্তবায়নের পূর্বে ‘পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ সম্পাদনপূর্বক পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে অবস্থানগত ছাড়পত্র এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ করতে হবে। ২. প্রকল্পভুক্ত জমিতে কোনও গাছ ও পাহাড় কর্তন বা মোচন করা যাবে না। এই শর্তগুলো প্রতিপালন সাপেক্ষে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের অনুমোদন দিয়েছে একনেক সভায়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জনম জনম ইমরান-পড়শী,র কন্ঠে মাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

৯ বছর আগে, ২০১৭ সালে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ইমরান মাহমুদুল ও সাবরিনা পড়শীর দ্বৈত কণ্ঠে একটি গান গেয়েছিলেন। সে সময় শ্রোতাদের তমন একটা মুগ্ধ করতে পারনি। অনেকদিন পর এসে সেই গান স্পর্শ করল স্রোতার হ্রদয়ে। ইউটিউবে এগানটি ১০০ মিলিয়ন ভিউ হয়েছে।

ইমরান-পড়শী জুটির প্রথম ডুয়েট এটি। সময়ের ব্যবধানে তারা জুটি বেঁধে বহু গান করলেও পুরোনো এই গানটি এখনও শুনছেন শ্রোতারা।
গানটির এমন অর্জন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দেন গায়ক ইমরান মাহমুদুল। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে লেখেন, ‘আমার মিউজিক ক্যারিয়ারে পড়শীর সঙ্গে এটাই ছিল প্রথম কোনো ডুয়েট গান। দেখতে দেখতে গানটি ১০ কোটিরও বেশি ভিউ পার করেছে।যদিও গানটি ইউটিউবের যুগের গান নয়, তারপরও সময় ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আজও গানটি শ্রোতাদের ভালোবাসা পাচ্ছে এটাই সত্যিই আনন্দের।

গানটি লিখেছেন জনপ্রিয় গীতিকার রবিউল ইসলাম জীবন। সহশিল্পীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ইমরান আরও লেখেন, রবিউল ইসলাম জীবনের কথায়, আমার সুর ও সংগীতে “জনম জনম” গানটি ছিল পড়শীর তৃতীয় একক অ্যালবামের গান। সেই অ্যালবামের সবচেয়ে জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে এটিও ছিল অন্যতম। গানটির সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও ভালোবাসা। “জনম জনম” এভাবেই বেঁচে থাকুক শ্রোতাদের ভালোবাসায়।

২০১৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি জি-সিরিজের ইউটিউব চ্যানেলে অফিসিয়াল ভিডিও আকারে প্রকাশ করা হয় গানটি। ভিডিওটি পরিচালনা করেছিলেন রম্য খান। অডিও ক্যাসেট ও সিডির যুগ পেরিয়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও গানটি একইভাবে সফল, তা বলাই বাহুল্য

পাকিস্তানি অভিনেত্রী দুরেফিশান সেলিমকে নিয়ে নেটদুনিয়ায় ঝড়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাকিস্তানি অভিনেত্রী দুরেফিশান সেলিমকে ঘিরে তুঙ্গে নেটপাড়ায়। সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত নাটক ‘দার-ই-নিজাত’-এ তার বলা ইংরেজি সংলাপের ধরন ও উচ্চারণ নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।মূলত চিত্রনাট্যের প্রয়োজনে ‘জারিয়াব’ নামের একটি উচ্চবিত্ত পরিবারের তরুণীর চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি, যে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ঐ চরিত্রটিকে ইংরেজি ও উর্দু মিশ্রণে কথা বলতে দেখা যায়। তবে নাটকের এই সংলাপের উপস্থাপন নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে। নানা আলোচনা-সমালোচনার পর গঠনমূলক চর্চা দ্রুতই রূপ নেয় কুরুচিপূর্ণ ব্যক্তিগত আক্রমণে।

একজন শিল্পীর বিরুদ্ধে অসংবেদনশীল ও অসৌজন্যমূলক মন্তব্য দেখে নীরব থাকেননি অভিনয় শিল্পী সাইদ। তিনি সামাজিক মাধ্যমে কড়া প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন। কোনো শিল্পীর বাচনভঙ্গি কিংবা কাজের ভুলভ্রান্তি নিয়ে এভাবে উন্মাদনা তৈরি করা কেবল অসংবেদনশীলতাই নয়, বরং এক ধরণের মানসিক নিষ্ঠুরতাও বটে।

এদিকে নেটদুনিয়ার একাংশের মতে, সংলাপ একটি নাটকের প্রাণকেন্দ্র এবং চিত্রনাট্যে কোনো ঘাটতি থাকলে অভিনেতার পক্ষে তা নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা বেশ কঠিন। তাই স্ক্রিপ্টের ভুল বা সংলাপের ত্রুটি নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা করাকে ইতিবাচক দৃষ্টিতেই দেখা উচিত।

কিন্তু কাজের পর্যালোচনার নামে কাউকে ব্যক্তিগতভাবে হেনস্তা করা কতটা যৌক্তিক- সানাম সাইদের তোলা এই প্রশ্নটি এখন পুরো পাকিস্তান বিনোদন অঙ্গনে এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জনপ্রিয় নাটক ‘ইশক মুর্শেদ’-এ বিলাল আব্বাসের বিপরীতে অভিনয় করে আন্তর্জাতিক পরিসরে ব্যাপক পরিচিতি ও ভালোবাসা পান দুরেফিশান সেলিম। তাকে সর্বশেষ ‘কাফিল’ ধারাবাহিকের ‘জেবা’ চরিত্রেও দেখা গেছে।

আলোচিত খবর

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মনোনয়নপত্র নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ