মাধবপুরে ১ জনকে হত্যার ঘটনায় চেয়ারম্যানসহ গ্রেফতার- ৪ জন

শ্রীবাস সরকার, মাধবপুর প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাধবপুরে ১ জনকে হত্যার ঘটনায় চেয়ারম্যান সহ গ্রেফতা
হবিগঞ্জের মাধবপুরে ১ জনকে হত্যার ঘটনায় চেয়ারম্যান সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার ৩ ফেব্রুয়ারী সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে জগদীশপুর ইউনিয়নের বেজুরা গ্রামে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের বাড়ি ঘর ভাংচুর ও তাদের সজনদের উপর হামলা করে কয়েকজনকে আহত করে। এ ঘটনায় পাবেল (পায়েল) মিয়াক আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হলে সেখানে সে মৃত্যু বরন করে। আহতদের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা বারেক মিয়ার ছেলে মোর্শেদ মিয়া (৪৫), শফিক মিয়া (৪০) ও সোমা আক্তার (২৪) কে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেজুরা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা বারেক মিয়ার সন্তানরা তাদের নামে রেকর্ডকৃত একটি জমি পিডিএল কোম্পানির প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম খান ও কুহিনূর আক্তার খানম এর নিকট বিক্রি করে দখল বুঝিয়ে দেন। পরবর্তীতে একই গ্রামের মাহমুদ আলীর পুত্র বজলু মিয়া, বলু মিয়া, মিজান মিয়া, সাজু মিয়া দলিল মূলে এই জমির মালিকানা দাবি করে স্থানীয় চেয়ারম্যান মাসুদ খান এর নিকট বিক্রি করেন। শনিবার সকালে পিডিএল কোম্পানির লোকজন এই জমিতে মাটি ভরাটের কাজ শুরু করলে চেয়ারম্যান মাসুদ খান ও তার লোকজন বাধা প্রদান করেন। এরই জের ধরে চেয়ারম্যান এর লোকজন মুক্তিযোদ্ধা বারেক মিয়ার বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালায়।

আহত শফিক মিয়া বলেন- গত জাতীয় সংসদ নিবার্চনে আমরা নৌকার পক্ষে কাজ করেছিলাম আর চেযারম্যান ও তার লোকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী সুমনের পক্ষে নির্বাচনী মাঠে কাজ করেছিলেন। এরই সুত্র ধরে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপর হামলা করে।

ওসি মো: রকিবুল ইসলাম খান জানান, পাবেল হত্যায় আসামী গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত আছে।

মাধবপুর চুনারুঘাট সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নির্মলেন্দু চক্রবর্তী জানান, হত্যার ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ খান সহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বলাৎকার করে লক্ষ টাকা জরিমানা গুনতে রাজি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাজিরা উপজেলায় ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে ইলিয়াস খানের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর স্থানীয় এক জামায়াত নেতাসহ মাতব্বরদের নেতৃত্বে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে এক লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি রফা-দফা বা আপস-মীমাংসা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

গত  বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে জয়নগর আয়তুন্নেছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে শিশুটিকে নির্যাতন করা হয়। প্রাথমিকভাবে ভুক্তভোগীর বাবা সুবিচারের দাবিতে কিছু কঠোর শর্ত দেয়।

১২ আগস্ট বুধবার সন্ধ্যায় জয়নগর মোসলেম উদ্দিন খান ডিগ্রি কলেজ মাঠে সালিশ বৈঠক বসে। সেখানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মাতব্বরদের উপস্থিতিতে এক লাখ টাকার বিনিময়ে মামলা না করার শর্তে ভুক্তভোগীর বাবার কাছ থেকে লিখিত কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ অভিযোগ উঠে।
এ বিষয়ে ওই শিশুর বাবা গণমাধ্যমকে জানান, আমি প্রথমে কোনো আর্থিক আপসে রাজি ছিলাম না, সঠিক বিচার চেয়েছিলাম। তবে স্থানীয় মাতব্বর ও আমার আত্মীয়দের চাপে এক লাখ টাকার বিনিময়ে লিখিত কাগজে স্বাক্ষর দিতে বাধ্য হই।

সন্ত্রাসী বুইশ্যার ৭ সহযোগী অস্ত্রসহ গ্রেফতার, রয়েছে ১৬ মামলার আসামিও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীতে অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি শহিদুল ইসলাম বুইশ্যার ৭ সহযোগীকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ভোর ৫টা ২৫ মিনিটের দিকে চান্দগাঁও থানা এলাকার পশ্চিম ফরিদার পাড়া বালুরমাঠ সাংবাদিক কলোনির পেছনের একটি ফাঁকা জায়গা থেকে তাদের গ্রেফতার করে চান্দগাঁও থানা পুলিশ। এরা হলেন- মো. ইব্রাহিম ইদ্রিস ওরফে ইদ্রিস (৩০), মো. আজম উদ্দিন (২১), মো. সাজ্জাদ হোসেন (২৬), মো. রাকিব (২২), মো. হারুন (৩১), মো. মোমিন হোসেন ওরফে বাচ্ছু (৩৫) এবং মো. রাসেল (২৮)।

পুলিশ জানায়, অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে একটি কাঠের হাতলযুক্ত ২৭ ইঞ্চি লম্বা লোহার রামদা, একটি বিশেষ কায়দায় তৈরি স্টিলের পাইপ ও লোহার ফলাযুক্ত কুড়াল, একটি স্টিলের হাতলযুক্ত চাইনিজ কুড়াল এবং একটি কাঠের হাতলযুক্ত ১৬ ইঞ্চি লম্বা ছুরি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেফতার আসামিদের মধ্যে মো. ইব্রাহিম ইদ্রিসের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও পেনাল কোডসহ বিভিন্ন অপরাধে অন্তত ১৬টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে চান্দগাঁও থানায় ১৪টি এবং পাঁচলাইশ মডেল থানায় ২টি মামলা বিচারাধীন বা তদন্তাধীন। এছাড়া অন্য আসামি মো. রাকিবের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় চান্দগাঁও থানায় একটি ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আলোচিত খবর

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মনোনয়নপত্র নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ