বড়লেখায় ইয়াবা ট্যাবলেটসহ স্বামী-স্ত্রীর আটক।

তিমির বনিক মৌলভীবাজার:

মৌলভীবাজার:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায় মাদকসহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন স্বামী-স্ত্রী। বৃহস্পতিবার (৮ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পৌরশহরের মহুবন্দ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, খলিলুর রহমান (৫৫) ও তার স্ত্রী সফিরুন নেছা (৪৫)। এ ব্যাপারে থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।

জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার ওসি সঞ্জয় চক্রবর্ত্তীর দিক নির্দেশনায় বিকেলে এসআই জাহেদ আহমদ, এসআই আতাউর রহমান, এসআই মাসুদ পারভেজ, এসআই স্বপন কান্তি দাসসহ একদল পুলিশ বড়লেখা পৌরশহরের মহুবন্দ এলাকায় অভিযান চালান। অভিযানকালে ৩২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান ও তার স্ত্রী সফিরুন নেছাকে গ্রেপ্তার করেছে।

বড়লেখা থানার ওসি সঞ্জয় চক্রবর্তী জানান, ইয়াবা ট্যাবলেট বেচা-কেনার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মাদক ব্যবসায়ী খলিলুর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালায়। তল্লাশি করে পুলিশ তাদের কাছ থেকে ৩২৫ পিস ইয়াবাট্যাবলেট উদ্ধার করে। পরে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে গাড়িচালক হত্যা মামলায় তিন জনের ফাঁসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের পাহাড়তলী থানার গাড়িচালক মো. সজিব হত্যা মামলায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন একটি আদালত। সোমবার (১৭ আগস্ট) চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত এ রায় দেন। একই সাথে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের মো. নুরুল আমিন, কুমিল্লার দেবিদ্বারের মো. শাহজাহান এবং ফেনী সদর উপজেলার মো. নুরুল আলম টুটুল। তাদের মধ্যে টুটুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন।অপর দুই আসামি পলাতক।

চট্টগ্রাম আদালত সূত্র জানা গেছে, পাহাড়তলী থানাধীন টোল রোডের পূর্ব পাশে শিল্প পুলিশের অধিগ্রহণ করা জমির পশ্চিম পাশে সেকান্দরের কৃষিজমি থেকে ২০২১ সালের ২৭ অক্টোবর অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে লাশটি নোয়াখালীর চাটখিলের বাসিন্দা মো. সজিবের বলে শনাক্ত করা হয়। সজিব পেশায় গাড়িচালক ছিলেন। তিনি বিভিন্ন জেলায় মালামাল পরিবহনের কাজ করতেন। ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি নিখোঁজ হন। ২৭ অক্টোবর তার লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশের মাথার পেছনে থেতলানো আঘাত, বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাত এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন ছিল। তদন্ত শেষে পুলিশ তিনজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। ২০২৩ সালের ১১ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর বলেন, ২১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণে গাড়িচালক মো. সজিব হত্যা মামলার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি মো.নুরুল আমিন, মো.শাহজাহান ও মো.নুরুল আলম টুটুলকে মৃত্যুদণ্ড এবং প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় আসামি নুরুল আলম টুটুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে নুরুল আলম টুটুলকে সাজা পরোয়ানামূলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পলাতক নুরুল আমিন ও শাহজাহানের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মাদকের মূল হোতাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাদকের মূল উৎস, সরবরাহকারী ও মূল হোতাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে বলে জানালেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী। সোমবার (১৭ আগস্ট) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় পরিদর্শন ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সব থানার অফিসার ইনচার্জদের (ওসি) সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। এ সময় তিনি অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশকে আরও সক্রিয়, পেশাদার ও প্রযুক্তিনির্ভর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সভায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধের ধরন ও প্রবণতা, মামলার তদন্ত ও নিষ্পত্তি, মাদকবিরোধী কার্যক্রম এবং থানাসমূহের সেবামুখী পদক্ষেপ পর্যালোচনা করা হয়।

মাদক নির্মূলের ওপর গুরুত্বারোপ করে ডিআইজি বলেন, শুধু খুচরা বিক্রেতা নয়, মাদকের মূল উৎস, সরবরাহকারী ও মূল হোতাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। এছাড়া চাঞ্চল্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করা এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিশ্চিত করতে ওসিদের নির্দেশ দেন তিনি।
ডিআইজি কুদ্দুছ চৌধুরী বলেন, জনগণের আস্থা অর্জনই জনবান্ধব পুলিশিংয়ের প্রধান লক্ষ্য। সততা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। থানায় সেবা নিতে আসা নারী, শিশু ও সাধারণ জনগণের সঙ্গে সৌজন্যপূর্ণ আচরণ করা এবং ভুক্তভোগীদের দ্রুত আইনি সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

এসময় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম বলেন, জেলাজুড়ে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছে। কিশোর অপরাধ, চুরি-ছিনতাই, ডাকাতি ও সাইবার অপরাধ রুখতে বিশেষ অভিযান ও নজরদারি আরও বাড়ানো হবে। থানাকে জনগণের আস্থার স্থানে রূপান্তর করতে বিট পুলিশিং ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিলাম। পরিদর্শন শেষে ডিআইজি রেঞ্জের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বিতভাবে কাজ করে জনগণের নিরাপত্তা ও কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান।

আলোচিত খবর

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মনোনয়নপত্র নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ