ডেমরা ও শনির আখরায় হারল্যান স্টোর উদ্বোধন করলেন অপু বিশ্বাস।

মাইনুল মিসির বার্তা সম্পাদক

ঢাকা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজধানীর ডেমরায় চালু হলো দেশের সবচাইতে বড় একমাত্র অথেনটিক রিটেইল কসমেটিক শপ ’হারল্যান স্টোর’। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় ডেমরা হাজী নগর স্টাফ কোয়ার্টার মান্নান সাদু টাওয়ারে এবং ৪টায় শনির আখরার কদমতলি জিয়া সরনির ইস্টার্ন সিটি টাওয়ারে এই দুই স্টোর উদ্বোধনে ছিলেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। এ সময় এই তারকাকে দেখতে ছিলো উপচেপড়া ভীড়।

উদ্বোধনকালে অপু বিশ্বাস বলেন, গত কয়েকদিন ধরে আমাদের দেশের কসমেটিকস-এ যে প্যারাবেন নামের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের বিপজ্জনক পরিমান উপস্থিতি মিলেছে বলে সংবাদ প্রকাশ হচ্ছে। যা ক্যানসারের মতো ঘাতক ব্যাধিতে আমাদের আক্রান্ত করতে পারে। তাই সচেতন হওয়ার এখনই সময়।

অপু বিশ্বাস আরও বলেন, এই শো’রুম মান সম্মত অথেনটিক প্রসাধনী পণ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করবে। হারল্যান স্টোর আন্তর্জাতিক মানের খ্যাতনামা অথেনটিক সব ভয়ংকর প্যারাবেন মুক্ত কসমেটিক্স ও প্রসাধনী পণ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করছে। কসমেটিক্স ব্যবহারকারীদের কাছে অথেনটিক প্রোডাক্ট প্রাপ্তির জন্য এই স্টোর এখন নির্ভরতার প্রতীক।

শুধু তাই নয়, ভেজাল থেকে রক্ষা করে আপনার ত্বক বাঁচাতে হারল্যান স্টোর আজ আপনার শহরে এসেছে। তাছাড়া প্রিমিয়াম কোয়ালিটির প্রোডাক্ট নিশ্চিত হওয়ায় হাতের নাগালে মিলবে হারল্যান, নিওর, সিওডিল এবং ব্লেইজ ও স্কিনের প্রোডাক্টগুলো।

এ সময় অন্যন্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হারল্যান স্টোরের হেড অব অপারেশনস আব্দুল আলিম শিমুলসহ কোম্পানির ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

হারল্যান সংশ্লিষ্টরা জানান, মানসম্মত অথেনটিক কসমেটিক্স পণ্য দেশের সবার কাছে পৌঁছে দিতেই নতুন করে এসব ‘হারল্যান স্টোর’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশজুড়ে প্রতিটি জেলা ও উপজেলাভিত্তিক এসব স্টোর সৌন্দর্যপ্রিয় ত্বক সচেতন মানুষের চাহিদাপূরন করবে।

এছাড়া উদ্বোধন ও বসন্ত উৎসব উপলক্ষে এসব স্টোরে চলছে বিশেষ ডিসকাউন্ট। হারল্যানের প্রতিটি স্টোরে রয়েছে একদম ফ্রি-তে স্কিন এনালাইজার মেশিন ব্যবহারের সুযোগ। যার মাধ্যমে ভোক্তারা তাদের ত্বকের জন্য কোন ধরণের কসমেটিক্স প্রয়োজন সহজেই তা জানতে পারবেন।

ভোক্তাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে হারল্যান তাদের প্রোডাক্ট লাইনআপ করেছে আধুনিক ও ট্রেন্ডি। প্রিমিয়াম প্যাকেজিং আর কোয়ালিটি প্রোডাক্ট নিয়ে এই ব্র্যান্ড তার লাইনআপে রেখেছে প্রাইমার, ফাউন্ডেশন, কনসিলার, লিপস্টিক, জেল আইলাইনার, মাসকারা ও নেইল পলিশের মত সাজসজ্জার নানা রকম অনুষঙ্গ। যার সবকটি পাওয়া যাবে হারল্যান- নিউ ইয়র্ক স্টোরে।

হারল্যান ছাড়াও বিশ্বখ্যাত জনপ্রিয় ব্র্যান্ড নিওর, সিওডিল, ব্লেইজ-ও-স্কিন এবং লিলি’র অরিজিনাল কসমেটিকস পণ্য পাওয়া যাবে এসব স্টোরে। ‘ব্লেইজ ও স্কিন’ এর শাওয়ার জেল, বডি জেলি, স্ক্রাব, লোশন ইত্যাদি। রয়েছে ‘লিলি’ ব্র্যান্ডের হানি, লেমন, কিউ কাম্বার ও অ্যালোভেরা ফ্লেভারের ফেসওয়াশ। সিওডিল ব্র্যান্ডের স্কিন কেয়ার পণ্য। সিওডিলের পণ্যে নিয়াসিনামাইড, ভিটামিন সি, ই, বি৩, স্যালিসাইলিক এসিড ইত্যাদি ব্যবহার করা হয় যা ত্বক সমস্যা সমাধানে অনেক কার্যকর। শুধু তাই নয় এই স্টোরে চশমা, লেন্স বা আইল্যাসের মতো কসমেটিকস সংশ্লিষ্ট ফ্যাশন পণ্য যুক্ত করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জনম জনম ইমরান-পড়শী,র কন্ঠে মাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

৯ বছর আগে, ২০১৭ সালে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ইমরান মাহমুদুল ও সাবরিনা পড়শীর দ্বৈত কণ্ঠে একটি গান গেয়েছিলেন। সে সময় শ্রোতাদের তমন একটা মুগ্ধ করতে পারনি। অনেকদিন পর এসে সেই গান স্পর্শ করল স্রোতার হ্রদয়ে। ইউটিউবে এগানটি ১০০ মিলিয়ন ভিউ হয়েছে।

ইমরান-পড়শী জুটির প্রথম ডুয়েট এটি। সময়ের ব্যবধানে তারা জুটি বেঁধে বহু গান করলেও পুরোনো এই গানটি এখনও শুনছেন শ্রোতারা।
গানটির এমন অর্জন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দেন গায়ক ইমরান মাহমুদুল। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে লেখেন, ‘আমার মিউজিক ক্যারিয়ারে পড়শীর সঙ্গে এটাই ছিল প্রথম কোনো ডুয়েট গান। দেখতে দেখতে গানটি ১০ কোটিরও বেশি ভিউ পার করেছে।যদিও গানটি ইউটিউবের যুগের গান নয়, তারপরও সময় ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আজও গানটি শ্রোতাদের ভালোবাসা পাচ্ছে এটাই সত্যিই আনন্দের।

গানটি লিখেছেন জনপ্রিয় গীতিকার রবিউল ইসলাম জীবন। সহশিল্পীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ইমরান আরও লেখেন, রবিউল ইসলাম জীবনের কথায়, আমার সুর ও সংগীতে “জনম জনম” গানটি ছিল পড়শীর তৃতীয় একক অ্যালবামের গান। সেই অ্যালবামের সবচেয়ে জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে এটিও ছিল অন্যতম। গানটির সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও ভালোবাসা। “জনম জনম” এভাবেই বেঁচে থাকুক শ্রোতাদের ভালোবাসায়।

২০১৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি জি-সিরিজের ইউটিউব চ্যানেলে অফিসিয়াল ভিডিও আকারে প্রকাশ করা হয় গানটি। ভিডিওটি পরিচালনা করেছিলেন রম্য খান। অডিও ক্যাসেট ও সিডির যুগ পেরিয়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও গানটি একইভাবে সফল, তা বলাই বাহুল্য

পাকিস্তানি অভিনেত্রী দুরেফিশান সেলিমকে নিয়ে নেটদুনিয়ায় ঝড়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাকিস্তানি অভিনেত্রী দুরেফিশান সেলিমকে ঘিরে তুঙ্গে নেটপাড়ায়। সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত নাটক ‘দার-ই-নিজাত’-এ তার বলা ইংরেজি সংলাপের ধরন ও উচ্চারণ নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।মূলত চিত্রনাট্যের প্রয়োজনে ‘জারিয়াব’ নামের একটি উচ্চবিত্ত পরিবারের তরুণীর চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি, যে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ঐ চরিত্রটিকে ইংরেজি ও উর্দু মিশ্রণে কথা বলতে দেখা যায়। তবে নাটকের এই সংলাপের উপস্থাপন নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে। নানা আলোচনা-সমালোচনার পর গঠনমূলক চর্চা দ্রুতই রূপ নেয় কুরুচিপূর্ণ ব্যক্তিগত আক্রমণে।

একজন শিল্পীর বিরুদ্ধে অসংবেদনশীল ও অসৌজন্যমূলক মন্তব্য দেখে নীরব থাকেননি অভিনয় শিল্পী সাইদ। তিনি সামাজিক মাধ্যমে কড়া প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন। কোনো শিল্পীর বাচনভঙ্গি কিংবা কাজের ভুলভ্রান্তি নিয়ে এভাবে উন্মাদনা তৈরি করা কেবল অসংবেদনশীলতাই নয়, বরং এক ধরণের মানসিক নিষ্ঠুরতাও বটে।

এদিকে নেটদুনিয়ার একাংশের মতে, সংলাপ একটি নাটকের প্রাণকেন্দ্র এবং চিত্রনাট্যে কোনো ঘাটতি থাকলে অভিনেতার পক্ষে তা নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা বেশ কঠিন। তাই স্ক্রিপ্টের ভুল বা সংলাপের ত্রুটি নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা করাকে ইতিবাচক দৃষ্টিতেই দেখা উচিত।

কিন্তু কাজের পর্যালোচনার নামে কাউকে ব্যক্তিগতভাবে হেনস্তা করা কতটা যৌক্তিক- সানাম সাইদের তোলা এই প্রশ্নটি এখন পুরো পাকিস্তান বিনোদন অঙ্গনে এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জনপ্রিয় নাটক ‘ইশক মুর্শেদ’-এ বিলাল আব্বাসের বিপরীতে অভিনয় করে আন্তর্জাতিক পরিসরে ব্যাপক পরিচিতি ও ভালোবাসা পান দুরেফিশান সেলিম। তাকে সর্বশেষ ‘কাফিল’ ধারাবাহিকের ‘জেবা’ চরিত্রেও দেখা গেছে।

আলোচিত খবর

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মনোনয়নপত্র নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ