রাউজানে ৫ ডাকাত গ্রেফতার

রাউজান (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের রাউজানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তজেলা ডাকা দলের ৫ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ। গত বুধবার বিকাল ৫টায় এই তথ্য নিশ্চিত করেন রাউজান থানা পুলিশ। তিনি বলেছেন সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়ক পাশ্বস্থ বাগোয়ান ইউনিয়নের পশ্চিম গশ্চির গ্রামের রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের গেইটটের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচ ডাকাত হচ্ছে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের কেশবপুর গ্রামের প্রয়াত সালেহ আহামদ মিস্ত্রী ওরফে আলী আকবরের ছেলে আবুল কালাম ওরফে ইউসুফ ভান্ডারী (৫০), একই উপজেলার ভাটিয়ারী ইউপির ১নম্বর ওয়াডের জাহানাবাদ গ্রামের প্রয়াত ফজল হকের ছেলে মো. দিদার (৫৫), বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাকিলা ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের রামনগর গ্রামের বাসিন্দা সীতাকুণ্ড উপজেলা বসবাসকারী প্রয়াত শওকত আলীর ছেলে মো. খলিল (৪৫), সলিমপুর ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর সলিমপুর গ্রামের প্রয়াত রাজা মিয়ার ছেলে মো. তসলিম উদ্দিন ওরফে তসলিম ড্রাইভার (৪২), ও ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও সীতাকুণ্ড উপজেলা বসবাসকারী প্রয়াক আবদুস ছালামের ছেলে মো. আনেয়ার (৩৭)। পুলিশের দাবি তাদের কাছ থেকে একটি কাটার, দুইটি ধারালো দা, একটি ধারালো ছোরা, লোহা কাটার একটি হে·ো মেশিন (ব্লেড সহ), একটি স্ক্রু ড্রাইভার, সাতটি ধারালো কাটার ব্লেড, একটি হে·ো ব্লেড এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত চট্টমেট্রো-গ-১১-৯২৩৫ নম্বরের একটি প্রাইভেট কার (প্রো-ব·) জব্দ করা হয়। রাউজান থানার সেকেন্ড অফিসার অজয় দেবশীল জানান, গ্রেপ্তার পাঁচ আসামীর বিরুদ্ধে ডাকাতির মামলা রুজু শেষে তাদেরকে চট্টগ্রাম আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া ইউসূফ ভান্ডারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ডের ১২টি মামলা রয়েছে। তাছাড়া দিদারের নামে ৬টি, তসলিম ড্রাইভারের নামে ২টি মামলা আছে বলে জানা গেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সন্ত্রাসী বুইশ্যার ৭ সহযোগী অস্ত্রসহ গ্রেফতার, রয়েছে ১৬ মামলার আসামিও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীতে অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি শহিদুল ইসলাম বুইশ্যার ৭ সহযোগীকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ভোর ৫টা ২৫ মিনিটের দিকে চান্দগাঁও থানা এলাকার পশ্চিম ফরিদার পাড়া বালুরমাঠ সাংবাদিক কলোনির পেছনের একটি ফাঁকা জায়গা থেকে তাদের গ্রেফতার করে চান্দগাঁও থানা পুলিশ। এরা হলেন- মো. ইব্রাহিম ইদ্রিস ওরফে ইদ্রিস (৩০), মো. আজম উদ্দিন (২১), মো. সাজ্জাদ হোসেন (২৬), মো. রাকিব (২২), মো. হারুন (৩১), মো. মোমিন হোসেন ওরফে বাচ্ছু (৩৫) এবং মো. রাসেল (২৮)।

পুলিশ জানায়, অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে একটি কাঠের হাতলযুক্ত ২৭ ইঞ্চি লম্বা লোহার রামদা, একটি বিশেষ কায়দায় তৈরি স্টিলের পাইপ ও লোহার ফলাযুক্ত কুড়াল, একটি স্টিলের হাতলযুক্ত চাইনিজ কুড়াল এবং একটি কাঠের হাতলযুক্ত ১৬ ইঞ্চি লম্বা ছুরি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেফতার আসামিদের মধ্যে মো. ইব্রাহিম ইদ্রিসের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও পেনাল কোডসহ বিভিন্ন অপরাধে অন্তত ১৬টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে চান্দগাঁও থানায় ১৪টি এবং পাঁচলাইশ মডেল থানায় ২টি মামলা বিচারাধীন বা তদন্তাধীন। এছাড়া অন্য আসামি মো. রাকিবের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় চান্দগাঁও থানায় একটি ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এবার এসএসসি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে শিক্ষার্থী সাদমানের চমক ১ হাজার ৩০০ নম্বরের মধ্যে ১ হাজার ২৭১ পেয়ে উত্তীর্ণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে এক শিক্ষার্থী চমক দেখিয়েছে। কখনো পাঁচ-ছয় ঘণ্টা টানা পড়াশোনা, আবার কখনো হাতে ব্যাট নিয়ে খেলায় মেতে ওঠা-এভাবেই বেড়ে উঠেছে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষার্থী সাদমান ইসলাম। গণিত, ফিজিক্স ও ইংরেজি অলিম্পিয়াডে অংশ নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে গিয়েছে। সবকিছু ছাড়িয়ে এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে হয়েছে সেরাদের সেরা।এবারের এসএসসি পরীক্ষায় ১ হাজার ৩০০ নম্বরের মধ্যে ১ হাজার ২৭১ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। যা এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে সর্বোচ্চ নাম্বার বলে জানা যায়। ছেলের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত তার বাবা ফখরুল ইসলাম ও মা শাহিদুন্নিসা। ছেলের এই সাফল্যের পেছনে নিজেদরে দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও অনুপ্রেরণার কথা বললেন তারা।

জানা গেছে, পড়াশোনার ক্ষেত্রে অবশ্য কোনো ধরনের গাফিলতি ছিল না সাদমানের। স্কুলের ক্লাস, শিক্ষকদের কাছে পড়া ও অন্যান্য প্রস্তুতি নিয়মিত করত। কোনো ক্লাস বা পড়াশোনা মিস করত না। মোবাইল ফোন ব্যবহারের সুযোগও ছিল সীমিত। একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন অলিম্পিয়াডেও সাদমানের ছিল সাফল্য। গণিত অলিম্পিয়াড, ফিজিক্স অলিম্পিয়াড ও ইংরেজি অলিম্পিয়াডেও জাতীয় পর্যায়ে সুযোগ পেয়েছে। সাদমানদের গ্রামের বাড়ি বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর জেলা সদরের ঝালকাঠি গ্রামে। সাদমানের একটি বোন রয়েছে। বোন বর্তমানে চট্টগ্রামের বাওয়া স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ছে।জানতে চাইলে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ তজল্লী আজাদ বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা বরাবরের মতো ভালো রেজাল্ট করেছে। ১২৭১ নম্বর পেয়ে বোর্ডে প্রথম হয়েছে সাদমান ইসলাম, ১২৬৯ নম্বর দ্বিতীয় হয়েছে রোজবাহ উদ্দিন রোহান। এছাড়াও আরো অনেকেই মেধা তালিকায় রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এসব শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমাদের প্রত্যাশাও ছিল। শিক্ষার্থীরা আমাদের প্রত্যাশা পূরণ করেছে। আমাদের দক্ষ শিক্ষকবৃন্দের গাইডলাইন এবং অভিভাবকদের সহযোগিতায় আজকের এই সাফল্য।
জানতে চাইলে সাদমান বলেন, আমার দৈনিক ১৫ বা ১৮ ঘণ্টা পড়াশুনা করার জন্য কখনো কোন টার্গেট ছিল না। তবে ডেইলির পড়া ডেইলিই শেষ করতাম। আমি মূলত স্পোর্টস লাভার। বিভিন্ন টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতাম। এখন আমার স্বপ্ন হচ্ছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ভর্তি হওয়া। বোর্ডসেরা হওয়ার পর এখন সেই স্বপ্ন পূরণের পথেই এগোতে চায়।

এদিকে ছেলের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত তার মা শাহিদুন্নিসা। সাদমানের বাবা ফখরুল ইসলাম কুমিল্লায় একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করেন। চাকরির কারণে তাকে কুমিল্লায় থাকতে হয়। ফলে ছেলের পড়াশোনা ও দৈনন্দিন দেখাশোনার প্রায় পুরো দায়িত্বই ছিল মায়ের ওপর। ছেলের বোর্ডসেরা হওয়ার খবর পেয়ে রেজাল্টের দিন রাত ১০টার দিকে কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামে ছুটে আসেন বাবা। শাহিদুন্নিসা বলেন, আমার ছেলে পঞ্চম শ্রেণি থেকেই কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষার্থী। পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষায় টিকে সে কলেজিয়েটে ভর্তি হয়। এরপর থেকে স্কুলে ওর রোল এক ছিল।ছেলের পড়াশোনার পেছনে নিজের ভূমিকার কথা বলতে গিয়ে মা শাহিদুন্নিসা বলেন, ওর বাবা চট্টগ্রামের বাইরে থাকায় ওর দেখাশোনার পুরো দায়িত্ব আমার ওপরই ছিল। ওর বাবা সপ্তাহে একবার এসে হয়তো দেখা করে যেতেন, কিন্তু এখানে থাকতে পারতেন না। তাই আমি ওকে নিয়ে একপ্রকার যুদ্ধ করেছি।

তবে সাদমানকে শুধু পড়ার টেবিলে আটকে রাখেননি তার মা। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতিও ছেলের আগ্রহকে স্বাভাবিকভাবেই দেখেছেন তিনি। শাহিদুন্নিসার ভাষায়, ও পাঁচ-ছয়-সাত ঘণ্টা পড়াশোনা করত। আবার উঠে খেলত। হাতে ব্যাট থাকত, কাঁধে ব্যাগ থাকত। স্কুলেও ব্যাট নিয়ে যেত। বাসায় এসেও খেলা শুরু করে দিত। ও স্থির ছিল না, ওকে কিছুটা চঞ্চল বলা যায়। ক্রিকেট ওর খুব পছন্দ। ছেলের সাফল্যে আবেগাপ্লুত শাহিদুন্নিসা আরো বলেন, মোটামুটি আল্লাহর রহমতে সবকিছুতেই ভালো করত। আমরা চেষ্টা করেছি ওকে সঠিকভাবে এগিয়ে দিতে।

আলোচিত খবর

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামে আসছেন, যোগ দেবেন ৫ কর্মসূচিতে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার চট্টগ্রাম আসছেন তারেক রহমান। বন্দরনগরীর বিএনপি নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাংগঠনিক মতবিনিময় করারও সুযোগ পাচ্ছেন। এ নিয়ে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস উদ্দিপনা লক্ষ করা যাচ্ছে। আগামীকাল রবিবার প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা দিতে চট্টগ্রামে আসবেন। এ সফরে দলের নেতাকর্মীদের বাইরে হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও তিনি একটি বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বললেন, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী একদিনের সফরে চট্টগ্রামে আসছেন। সফরসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকালে কক্সবাজারের মহেশখালীতে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দুপুর ১২টায় হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় পৌঁছাবেন। বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

দুপুর ১টায় ফটিকছড়ি উপজেলায় আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর হাটহাজারী উপজেলার আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমীর শাহ আহমদ শফির কবর জেয়ারত করবেন।
এরপর হাটহাজারী উপজেলায় যাবেন তারেক রহমান।

হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ পরিবারকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা করে অনুদান দেবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে দেবেন ১০ হাজার টাকা করে।
হাটহাজারী থেকে নগরীতে ফিরে প্রধানমন্ত্রী উঠবেন পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লু বে ভিউতে। সন্ধ্যায় হোটেলের হলরুমেই হবে বিএনপির সাংগঠনিক সভা। রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন তিনি।


চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান জানালেন, ‘সভায় নগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সবাই থাকবেন। থানা ও ওয়ার্ড বিএনপির প্রতিটি থেকে তিন থেকে পাঁচজন করে নেতা উপস্থিত হবেন। আহ্বায়ক কমিটিতে নেই এমন কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও চট্টগ্রামের সকল সংসদ সদস্য যোগ দেবেন এতে।’
প্রত্যেক সহযোগী সংগঠনের নগর কমিটি থেকে দুইজন করে নেতাকে সভায় যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির নেতারা সভায় অংশ নেবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ