মাত্র ১৮ মিনিটের বক্তব্যে গোটা জাতি উজ্জীবিত হয়েছিল

ডেস্ক নিউজ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পটিয়া এমএ খালেক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান দিদারুল আলম দিদার বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন স্বাধীনতা যুদ্ধের মহানায়ক। ১৯৭১ সালের এই দিনেই তিনি স্বাধীনতা দিয়েছেন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান)স্বাধীনতাকামী ৭ কোটি মানুষকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন- এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম- এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। সেদিন বঙ্গবন্ধু যেমন বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রাম ও আন্দোলনের পটভূমি তুলে ধরেছেন, তেমনি দেশবাসীর করণীয় সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। ৭ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুরে পটিয়া উপজেলার পাঁচরিয়া হালিমা রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আশরাফ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য সিরাজুল ইসলাম মাস্টার,সাংবাদিক আ.ন.ম সেলিম, পাঁচরিয়া হালিমা রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফ উদ্দিন আহমদ, হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম ইউনুস মিয়া, সিনিয়র শিক্ষক মুহাম্মদ নুর, সহকারী শিক্ষক অনিক বড়ুয়া, জাহিদা পারভীন চৌধুরী, রবিউল হোসেন। আলোচনা সভা শেষে কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থী একা বড়ুয়া,সানজিদা সুলতানা শিপা,তৈয়বা সুলতানা নিলা,আদিত্য বড়ুয়া নুসরাত জাহান ওহী,জাহিদুল ইসলাম সহ সকল বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
পরে প্রধান অতিথি এসএসসি পরীক্ষায় যারা জিপিএ-৫ পাবে তাদেরকে ৫ হাজার টাকা এবং বিদ্যালয়ের ফান্ডে ২৫ হাজার টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রেলওয়ে সিজিডি শাখার নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিজিডি শাখার নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনাব মোঃ নুরুল আলম বাবুল।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রেলওয়ে শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জনাব মোঃ মমিনুল ইসলাম মামুন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ—সহ-সভাপতি জনাব মোঃ মুজিব উদ্দিন ও মোঃ মনিরুল ইসলাম বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ তাজুল ইসলাম মিঠু, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তাক আহমদ এবং ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ নাদিম।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন আঞ্চলিক ও স্থানীয় শাখার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ওপেন লাইন শাখা (চট্টগ্রাম)-এর সভাপতি মোঃ ইমরুল চৌধুরী, চিনকী আস্তানা শাখা (ফেনী)-এর সভাপতি মোঃ মোখলেছুর রহমান, ষোলো শহর শাখা (চট্টগ্রাম)-এর সভাপতি মোঃ শাহিন আলম, সিআরবি শাখার সদস্য সচিব মোঃ এ টি এম সোহেল রানা, কারখানা শাখা (চট্টগ্রাম)-এর সদস্য সচিব মোঃ সোহেল মাহমুদ, ডিআরএম শাখা (চট্টগ্রাম)-এর সদস্য সচিব মোঃ সাইফুল আলম রিগেন এবং সদস্য সচিব মোঃ বশির আহমেদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ মমিনুল ইসলাম মামুন বলেন,রেলওয়ের শ্রমিক-কর্মচারীদের অধিকার, মর্যাদা ও ন্যায্য দাবি আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সংগঠনকে শক্তিশালী করতে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আরও সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন,নবগঠিত সিজিডি শাখা রেলওয়ের শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। কোনো বিভেদ নয়, পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্যের মাধ্যমে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত করতে হবে।

মামুন বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রেলওয়ে শ্রমিক দলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে সংগঠনের আদর্শ ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে নিষ্ঠা, সততা ও সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। শ্রমিক-কর্মচারীদের যেকোনো ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবিতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে পাশে থাকব।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতিতে অভিষেক অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা নবগঠিত সিজিডি শাখার নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়ে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে নবগঠিত সিজিডি শাখার নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।

মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ ঘোষিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ ঘোষিত সাংগঠনিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফটিকছড়ি উপজেলা ‘ক’ জোনের আওতাধীন সকল শাখা কমিটিকে নিয়ে গত ৩১ জুলাই ২০২৬, রোজ শুক্রবার, সকাল ৯:০০টায় সাংগঠনিক সংলাপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ এর সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ রেজাউল আলী জসিম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ এর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দিদারুল আলম।

এছাড়াও কেন্দ্রীয় পর্ষদের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শেখ মজিবুর রহমান বাবুল, এস. এম. মোর্শেদুল আমিন, কাজী মোহাম্মদ নিজামুল ইসলাম, কাজী মোহাম্মদ হারেজ, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদিন জুলু, মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আবুল হাসেম, মোহাম্মদ আমির খসরু এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ শামসুল আলম। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ফটিকছড়ি উপজেলা ‘ক’ জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মাষ্টার দিদারুল আলম, মাষ্টার মনির উদ্দিন খোরশেদ, মোহাম্মদ আলমগীর আলম ও মোহাম্মদ আলাউদ্দিন;

‘খ’ জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মোহাম্মদ মাহাবুল আলম, মাষ্টার আহমদ হোসেন ও মোহাম্মদ শহিদুল; ‘গ’ জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মাষ্টার কবির আহমদ, মোহাম্মদ নুরুল হুদা মেম্বার ও মোহাম্মদ আনিস উদ্দিন সোহেল; এবং ‘ঘ’ জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মাষ্টার মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, মাষ্টার মোহাম্মদ আজিম উদ্দিন ও আক্তারুজ্জামান বাবর। অনুষ্ঠানে ফটিকছড়ি উপজেলা ‘ক’ জোনের আওতাধীন সকল শাখা কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, প্রতিনিধিবৃন্দ, অতিথিবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে সাংগঠনিক কার্যক্রম, দাপ্তরিক নথিপত্র পর্যালোচনা, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ সংগঠনের আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধান অতিথি ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সংগঠনের আদর্শ, শৃঙ্খলা, দাপ্তরিক কার্যক্রমের মানোন্নয়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

আলোচিত খবর

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামে আসছেন, যোগ দেবেন ৫ কর্মসূচিতে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার চট্টগ্রাম আসছেন তারেক রহমান। বন্দরনগরীর বিএনপি নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাংগঠনিক মতবিনিময় করারও সুযোগ পাচ্ছেন। এ নিয়ে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস উদ্দিপনা লক্ষ করা যাচ্ছে। আগামীকাল রবিবার প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা দিতে চট্টগ্রামে আসবেন। এ সফরে দলের নেতাকর্মীদের বাইরে হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও তিনি একটি বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বললেন, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী একদিনের সফরে চট্টগ্রামে আসছেন। সফরসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকালে কক্সবাজারের মহেশখালীতে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দুপুর ১২টায় হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় পৌঁছাবেন। বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

দুপুর ১টায় ফটিকছড়ি উপজেলায় আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর হাটহাজারী উপজেলার আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমীর শাহ আহমদ শফির কবর জেয়ারত করবেন।
এরপর হাটহাজারী উপজেলায় যাবেন তারেক রহমান।

হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ পরিবারকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা করে অনুদান দেবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে দেবেন ১০ হাজার টাকা করে।
হাটহাজারী থেকে নগরীতে ফিরে প্রধানমন্ত্রী উঠবেন পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লু বে ভিউতে। সন্ধ্যায় হোটেলের হলরুমেই হবে বিএনপির সাংগঠনিক সভা। রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন তিনি।


চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান জানালেন, ‘সভায় নগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সবাই থাকবেন। থানা ও ওয়ার্ড বিএনপির প্রতিটি থেকে তিন থেকে পাঁচজন করে নেতা উপস্থিত হবেন। আহ্বায়ক কমিটিতে নেই এমন কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও চট্টগ্রামের সকল সংসদ সদস্য যোগ দেবেন এতে।’
প্রত্যেক সহযোগী সংগঠনের নগর কমিটি থেকে দুইজন করে নেতাকে সভায় যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির নেতারা সভায় অংশ নেবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ