আন্দরকিল্লা ওয়ার্ডে এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণকালে আবুল হাশেম বক্কর

নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য মানুষের নাগালের বাইরে

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য মানুষের নাগালের বাইরে
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, আজকে দেশের মানুষের পেটে খাবার নেই। সাধারণ মানুষ কষ্টের মধ্যে দিন যাপন করছে। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য মানুষের নাগালের বাইরে। এই মূল্য বৃদ্ধির পেছনে আওয়ামী লীগের সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা জড়িত। তারা দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়িয়ে জনগণের পকেট কেটে দেশের বাইরে অঢেল সম্পদ বানাচ্ছে। আর দ্রব্যমূল্য ও অভাব নিয়ে জনগণের সাথে রসিকতা করছে সরকার। এই সরকার জনগণের সরকার না, জনগনের দুঃখ তারা দেখে না, তাই দ্রব্যের দাম কমছে না।
তিনি শনিবার (৩০ মার্চ) বাদে আসর শাহ আমানত (র:) মাজার সংলগ্ন এতিমখানায় ৩২ নং আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় চাল ডাল তেলসহ বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্য লাগামহীনভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে মানুষ আর্থিক দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বিএনপি দীর্ঘদিন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বাইরে। তারপরও জনগনের দল হিসেবে বিএনপি সবসময় মানুষের পাশে থাকে।

আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন আলী নুরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবুল বশরের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য হারুন জামান, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরী, মহানগর বিএনপি নেতা ইউসুফ সিকদার। উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড বিএনপির সি. সহ সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, নাজমুল হোসেন ফিরোজ, যুগ্ম সম্পাদক ওসমান গনি, প্রচার সম্পাদক আনিসুল হক, মহানগর যুবদলের সহ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, সাইফুদ্দিন যুবরাজ, অঙ্গসংঠনের মো. বাহাদুর, মাঈনুদ্দীন খান রাজিব, মো. শফি, আবদুল শুক্কুর, রমজান আলী মুরাদ, শাহনেওয়াজ তুষান, মো. নাবিল, মো. সোহেল, মোরশেদ আলম, মো. আজগর প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিদ্যুৎ সংকট কাটিয়ে উৎপাদনে ইপিজেডের ৫০১টি শিল্প প্লট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাহিদার সমান বিদ্যুৎ পেয়ে উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় চট্টগ্রাম ইপিজেডের ৫০১টি শিল্প প্লটে। স্বস্তি ফিরেছে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। এর আগে গ্যাস সংকটের কারণে প্রায় অচল হয়ে পড়ে ইপিজেডের নিজস্ব ক্যাপটিভ বিদ্যুৎকেন্দ্র। ফলে পিডিবি থেকে পাওয়া ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিয়ে মেটানো যাচ্ছিল না চাহিদার অর্ধেকও। এতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল কারখানাগুলোতে। গত শনিবার থেকে ইপিজেডের চাহিদা অনুযায়ী ৬৫ থেকে ৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম ইপিজেডে কর্মসংস্থান প্রায় দুই লাখ মানুষের। এখানে আছে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫০১টি শিল্প প্লট। বাংলাদেশ ছাড়াও চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস, মালয়েশিয়া ও ভারতের বিনিয়োগকারীরা এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত।বছরে প্রায় ২৩৭ কোটি ৫৭ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয় ইপিজেড থেকে। প্রতি ডলার ১২৫ টাকা হিসাবে এর পরিমাণ প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা।চট্টগ্রাম ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে শনিবার থেকে সব শিল্প প্লট চাহিদা অনুযায়ী ৬৫ থেকে ৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাচ্ছে। পুরো বিদ্যুৎই পিডিবি সরবরাহ করছে। এতে স্বাভাবিক হয়েছে উৎপাদন।

জানা গেছে, ইপিজেডের কারখানাগুলো পুরোদমে চালাতে ৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন। এর মধ্যে ১৫ থেকে ১৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ব্যবহার করে বেসরকারি ইউনাইটেড গ্রুপের ক্যাপটিভ পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা। গ্যাস সংকটের কারণে ওই কেন্দ্র থেকে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছিল না। এ অবস্থায় ইপিজেড কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পিডিবি ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল। বাকি ৩৫ মেগাওয়াট না পাওয়ায় ৫০১টি শিল্প প্লটে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিনিয়োগকারীরা সাপ্তাহিক ছুটি পরিবর্তন, কর্মঘণ্টা কমানো, ওভারটাইম বন্ধ এবং ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহারের মতো বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েছিলেন।

পিডিবি দক্ষিণ জোনের প্রধান কামাল উদ্দিন বললেন, চুক্তি অনুযায়ী বিদ্যুত দেয়ার সক্ষমতা আমার ছিল না। এরপরও আমি দেশের স্বার্থে বিকল্প চেষ্টা করেছি। সফলও হয়েছি। দেশের অগ্রাধিকার এই খাতে বিদ্যুত দিতে পেরে আমারও ভালো লাগছে।হেমপেল রি ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শাহেদুল ইসলাম জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ পাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। উৎপাদন স্বাভাবিক করতে কারখানাগুলো পুরোদমে কাজে নেমেছে। এই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হবে।

লাইসেন্সবিহীন ডিপটিউবওয়েল বন্ধে মাঠে নেমেছে চট্টগ্রাম ওয়াসা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ওয়াসার বকেয়া রাজস্ব আদায়ে পুরোদমে মাঠে কাজ করছে রাজস্ব ও প্রকৌশল বিভাগের সমন্বয়ে গঠন করা আটটি মনিটরিং টিম। চট্টগ্রাম ওয়াসার নির্বাহী প্রকৌশলী, রাজস্ব কর্মকর্তা, রাজস্ব তত্ত্বাবধায়ক ও মিটার পরিদর্শকদের সমন্বয়ে এ মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। সকল মনিটরিং টিমের কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে আছেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অর্থ)।

চট্টগ্রাম ওয়াসার হিসাবমতে সরকারী দপ্তরে বকেয়ার পরিমাণ ৭১ কোটি ৫২লক্ষ আর সাধারণ গ্রাহক পর্যায়ে বকেয়া পরিমাণ ১৮৭ কোটি ৪৩লক্ষ। বৈশ্বিক অর্থনীতির কারণে পানির উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি ও অন্যান্য খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। এ বিশাল অংকের বকেয়া আদায়ে প্রতি কর্মদিবসে মনিটরিং টিমের মাধ্যমে বকেয়াধারী গ্রাহকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিল আদায় কার্যক্রম দ্রুতগতিতে চলছে।

জানা গেছে, বকেয়া বিল আদায়ের পাশাপাশি অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ, জরিমানা ও লাইসেন্সবিহীন গভীর নলকূপ চিহ্নিত করে বন্ধ বা জরিমানা দিয়ে লাইসেন্স গ্রহণপূর্বক বৈধ করার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।। এ কার্যক্রমের আওতায় গত ১৬ আগষ্ট বিমানবন্দর রোডে বন্দরটিলা এলাকায় একজন গ্রাহকের ৩টি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। মোঃ জসিম উদ্দিন নামের এই গ্রাহকের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে পানি বিক্রির অভিযোগও রয়েছে। এই গ্রাহকের ৩টি সংযোগের বিপরীতে বকেয়া পরিমাণ ১৫লক্ষ টাকা।বকেয়া আদায়ে জনসচেতনা : চট্টগ্রাম ওয়াসা বকেয়া আদায়ে জনগণকে উদ্ভুদ্ধ করার লক্ষ্যে জুলাই মাস হতে মহানগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করে আসছে।

বকেয়া আদায়ে পদক্ষেপ ও সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ :বকেয়া আদায়ে ৫০ হাজার টাকার উর্দ্ধে বকেয়াধারী গ্রাহকদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছে চট্টগ্রাম ওয়াসার মনিটরিং টিম। গ্রাহকের সাথে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে বকেয়া টাকা আদায় করার চেষ্টা করা হয়। গ্রাহক বকেয়া দিতে অস্বীকৃতি প্রকাশ করলে সংযোগ সাময়িক বিচ্ছিন্ন করার তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে সরকারী রাজস্ব আদায়ে চট্টগ্রাম ওয়াসা বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করে।

অবৈধ সংযোগ বৈধকরণ :চট্টগ্রাম ওয়াসার অনুমতিবিহীন অবৈধভাবে সংযোগকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী জরিমানা করার কার্যক্রম কঠোরভাবে হাতে নেওয়া হয়েছে। অবৈধ গ্রাহকদের কারণে সিস্টেম লস দিন দিন বৃদ্ধি পায়। চট্টগ্রাম ওয়াসার আইন অনুযায়ী অবৈধ গ্রাহকদের জরিমানা প্রদানপূর্বক বৈধ গ্রাহক হিসেবে অর্ন্তভূক্ত করার সুযোগ দেয়া হচ্ছে। এতে সংস্থার রাজস্ব আদায় বাড়বে এবং সিস্টেম লস কমে আসবে।
লাইসেন্সবিহীন গভীর নলকূপ বন্ধ ও জরিমানা :চট্টগ্রাম ওয়াসার অনুমতিবিহীন গভীর নলকূপ স্থাপনকারীগণের বিরুদ্ধে নলকূপ বন্ধসহ জরিমানার কার্যক্রম কঠোরভাবে হাতে নেওয়া হয়েছে। লাইসেন্সবিহীন গভীর নলকূপ স্থাপনকারীদের চট্টগ্রাম ওয়াসার আইন অনুযায়ী জরিমানা করে লাইসেন্সের আওতায় আনা হচ্ছে। এতে সংস্থার রাজস্ব আদায় বাড়বে।

এবিষয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম বলেন, চট্টগ্রাম ওয়াসা বকেয়া রাজস্ব আদায়ে বদ্ধ পরিকর। এজন্য ডিএমডি(অর্থ) এর তদারকিতে আটটি মনিটরিং টিম জোরালেভাবে কাজ করছে। বকেয়া গ্রাহকগণের কাছে আমার অনুরোধ হলো এটি সরকারের রাজস্ব তাই মওকুপ করার সুযোগ নাই। সকল বকেয়া গ্রাহকগণ বিল পরিশোধ করে ওয়াসার সেবা উত্তোরোত্তর বৃদ্ধিতে সহায়তা করার উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি। আর অবৈধ সংযোগ ও লাইসেন্সবিহীন গভীর নলকূপ স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থান নিয়েছি। সকলকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বৈধ গ্রাহক এবং নলকূপের লাইসেন্স করার জন্য অনুরোধ করছি।

আলোচিত খবর

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মনোনয়নপত্র নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ