চট্টগ্রামের কালুরঘাট সেতু যান ও পথচারী চলাচলে প্রস্তুত

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কালুরঘাট রেলসেতু যানবাহন ও পথচারী চলাচলের জন্য অবশেষে প্রস্তুত হয়েছে। সম্পন্ন হয়েছে ব্রিজের উপরে কার্পেটিংয়ের কাজ। প্রথমবারের মতো সেতুর দক্ষিণ পাশ দিয়ে নির্মিত ওয়াকওয়ের কাজও শেষ হয়েছে। ইতোমধ্যে কর্ণফুলী নদীর উভয় পারের মানুষ চলাচল শুরু করেছে। শতবর্ষী এ সেতুর ওপর দিয়ে প্রথমবারের মতো ওয়াকওয়ে দিয়ে হেঁটে চলাচল করতে পেরে তারা খুশি। এখন সেতুর ওপর ট্রেন এবং যানবাহন চলাচলের সময় পাশের ওয়াকওয়ে দিয়ে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারবে পথচারীরা। কারিগরি দিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করে শীঘ্রই আনুষ্ঠানিকভাবে সেতুটি যানবাহন ও পথচারী চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সেতু প্রকৌশলী জিসান দত্ত বলেন, ব্রিজের ওপরে কার্পেটিংয়ের কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। শেষ হয়েছে সেতুতে প্রথমবারের মতো যুক্ত হওয়া ওয়াকওয়ের কাজ। তিনি বলেন, কোরবানির ঈদের আগে পথচারীদের জন্য সেতুর ওয়াকওয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হবে। বর্তমানে উভয় পারের মানুষ জোর করে ওয়াকওয়ে দিয়ে চলাচল করছে। জুলাই থেকে সেতু দিয়ে গাড়ি চলাচল করতে পারবে বলে জানান তিনি। রেলওয়ের প্রকৌশলীরা জানান, বুয়েট প্রকৌশলীদের পরামর্শে প্রায় ৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সংস্কার করা হচ্ছে কালুরঘাট সেতু। সংস্কারের প্রথম ধাপ শেষ করে গত ডিসেম্বর থেকে কক্সবাজারগামী ট্রেন চলাচল শুরু হলেও যানবাহন ও পথচারী চলাচলের জন্য ওয়াকওয়ে নির্মাণ করতে সময় লাগে। সেতুটি দিয়ে যানবাহন চলাচলের পথ থাকায় রেল ট্র্যাকের অভ্যন্তরে পানি জমে পাত ক্ষতিগ্রস্ত হতো। এ কারণে বছরের বিভিন্ন সময় রেল ট্র্যাক মেরামতের প্রয়োজনে সেতুটি যানবাহন চলাচলের জন্য বন্ধ রাখা হতো। তবে এবার বিদ্যমান পাটাতনের ওপর বিশেষ প্রযুক্তির কংক্রিটের ঢালাই দিয়ে পানি নিষ্কাশনের পথ রাখা হয়েছে। এরপর ওই কংক্রিট ঢালাইয়ের ওপর পিচ দিয়ে সড়কপথ নির্মাণ করা হয়। এতে সড়ক ও রেলপথ উভয়ই আগের চেয়ে শক্ত থাকবে। বর্ষা মৌসুম কিংবা কুয়াশার পানি না জমে কংক্রিট ঢালাইয়ের অভ্যন্তরীণ ড্রেনেজ সিস্টেম দিয়ে নদীতে পড়লে রেল ট্র্যাক, ক্লিপ ও সেতুর ইস্পাতের পাটাতন ক্ষয় হবে না। বিশেষ প্রযুক্তি ও বুয়েটের পরামর্শে নতুন করে নির্মাণ করায় মেয়াদোত্তীর্ণ সেতুটি দীর্ঘ সময় ব্যবহারযোগ্য থাকবে বলে মনে করছেন রেলওয়ের প্রকৌশলীরা। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বিশেষজ্ঞ টিমের তত্ত্বাবধানে সেতুটির সংস্কার কাজ করছে ম্যাঙ। গত ২০২৩ সালের ১ আগস্ট থেকে সেতুর সংস্কার কাজ শুরু হয়। ২০২৩ সালের ১৮ জুন রেলওয়ের সাথে ম্যাঙ ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের চুক্তি হয়। প্রথম দফায় ২০২৩ সালের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সেতুর সংস্কার কাজ শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে সংস্কার কাজ শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ পর্যন্ত বেশ কয়েক দফা পেছানো হয় সেতুটির সংস্কার কাজ। তবে সংস্কারের প্রথম ধাপ শেষ করে ২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর পর্যটন নগরী কসবাজার রুটে প্রথমবারের মতো যাত্রীবাহী (কসবাজার এঙপ্রেস) ট্রেন চলাচল শুরু হয়। এর আগে ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে দোহাজারী কসবাজার রেললাইন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরও আগে ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর সংস্কাররত কালুরঘাট সেতু দিয়ে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম থেকে ট্রায়াল রানের ট্রেন কসবাজার যায়। এখন সেতুর উপর দিয়ে কসবাজার রুটে প্রতিদিন দুটি আন্তঃনগর ট্রেন এবং একটি স্পেশাল ট্রেন এবং দোহাজারী বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তেলবাহী ট্রেন চলাচল করে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে অদম্য রাব্বির গল্প পা দিয়ে লিখে এইচএসসিতে জিপিএ-৫

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিগত ১০ বছর আগে স্কুলে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনায় দু হাত হারানো রফিকুল ইসলাম রাব্বি সকল স্বাভাবিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সাফল্য অর্জন করতে প্রস্তুত ছিলেন। এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পা দিয়ে লিখে জিপিএ-৫ পেয়েছেন তিনি। বিশেষ করে পড়ালেখার প্রতি অদম্য ইচ্ছে ও অধ্যবসায় রাব্বিকে পৌঁছে দিয়েছে সাফল্যের সিঁড়িতে। দুই হাত না থাকার পরও তিনি দমে যাননি।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী এলাকার বাসিন্দা মো. রাব্বি। দুই ভাইয়ের এক বোন। তার বোন রোকেয়া আকতারও এবার ভাটিয়ারী বিজয় সরনী কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। বোনও পাস করেছেন। তবে ফলাফলে তিনি রাব্বির চেয়ে পিছিয়ে রয়েছেন। রাব্বির সাফল্যে খুশি পরিবার ও প্রতিবেশী।
চলতি বছর চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে চট্টগ্রাম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন রাব্বি।। এর আগে এসএসসিতেও একইভাবে পা দিয়ে লিখে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন তিনি। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তার পথ আটকে রাখতে পারেনি।

জানা গেছে, রাব্বির পথচলা এত সহজ ছিল না। ২০১৬ সালে স্কুলে যাওয়ার সময় এক দুর্ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। তার দুই হাত কেটে ফেলতে হয়। তখন রাব্বি পঞ্চম শ্রেণিতে পড়তেন। এর পরও দমে যাননি তিনি। পা দিয়ে লেখা অনুশীলন করতে থাকেন। একসময় তা রপ্ত করেন। এরপর পুনরায় স্কুলে যাওয়া শুরু করেন। এর মধ্যে কয়েকবছর নষ্ট হয় তার। তবুও ২০২৪ সালে এসএসসিতে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন রাব্বি। তখন পাড়া প্রতিবেশী বুঝতে পারেন রাব্বি হেরে যাওয়ার পাত্র নন।

পা দিয়ে লিখে এসএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জন করে দেশজুড়ে আলোচনায় আসেন রাব্বি। তার অসাধারণ সাফল্যের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন মহলের মানুষ তার পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন। কেউ পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন, কেউ আবার নানা সহযোগিতার কথা জানান। তবে দুঃখজনকভাবে, সেই প্রতিশ্রুতির অধিকাংশই বাস্তবে রূপ নেয়নি।

অভাব-অনটনের সংসারে রাব্বির এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে পরিবারের নিরলস সংগ্রাম। তার বাবা বজলুর রহমান ও মা দুজনেই দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে কাজ করে সংসার চালান। সীমিত আয়ের মধ্যেও ছেলের পড়াশোনা চালিয়ে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন তারা।তবে এই কঠিন পথচলায় কয়েকজন মানুষের সহযোগিতা রাব্বির জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে।

আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) গবেষক ও চিকিৎসক ফেরদৌস কাদেরী ব্যক্তিগত উদ্যোগে তার পড়াশোনার ব্যয় বহন করে আসছেন। অন্যদিকে স্থানীয় শিক্ষক মো. ওসমান বিনা পারিশ্রমিকে তাকে কোচিং করিয়ে সহযোগিতা করছেন। ভবিষ্যৎ নিয়ে রাব্বির স্বপ্ন আরও বড়। উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে বিজ্ঞানী হতে চান তিনি।

২২ বছর পিছিয়ে গেল চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড, কমেছে পাসের হার ও জিপিএ-৫

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে উচ্চমাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে। এই বোর্ডে পাসের হার ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থ। গতবার পাসের হার ছিল ৫২ দশমিক ৫৭। জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬ হাজার ৯৭ জন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে ফলাফল ঘোষণার সময় এ তথ্য জানান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আব্দুল মান্নান, সচিব প্রফেসর মোহাম্মদ জহিরুল হক স্বপন প্রমুখ।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেন। সব মিলিয়ে এবার পরীক্ষার্থী ছিলেন ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন। ছাত্রদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ৫৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, চট্টগ্রাম নগরে পাসের হার ৬৬ দশমিক ২০ শতাংশ। আর নগর বাদে জেলায় পাসের হার ৪৫ দশমিক ৫৯। তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে রাঙামাটিতে পাসের হার ৩৩ দশমিক ২৪ শতাংশ। খাগড়াছড়িতে ২৯ দশমিক ৮৫ ও বান্দরবানে ৪১ দশমিক ৪২। অন্যদিকে কক্সবাজার জেলায় পাসের হার ৪৩ দশমিক ৩৪।বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৭৪ দশমিক ৪২। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৫৪ দশমিক ১৪ ও মানবিকে ৩৮ দশমিক ৩১।

এদিকে গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে। গত ২২ বছরের মধ্যে এটিই বোর্ডটির সর্বনিম্ন পাসের হার। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও গত বছরের তুলনায় অর্ধেকের বেশি কমেছে।
বোর্ডের সংরক্ষিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সর্বশেষ ২০০৪ সালে চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ছিল ৪৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ। এরপর ২০০৫ সালে পাসের হার ছিল ৫৫ দশমিক ৫ শতাংশ। গত ২২ বছরে পাসের হার আর এত নিচে নামেনি। এমনকি করোনা-পরবর্তী ২০২১ সালে পাসের হার ছিল ৮৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং ২০২২ সালে ৮০ দশমিক ৫০ শতাংশ।

বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট নিবন্ধিত পরীক্ষার্থী ছিলেন ৯৯ হাজার ৮৭৯ জন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৯৬ হাজার ৩৩৫ জন। পাস করেছেন ৫০ হাজার ১৬৬ জন।পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে এবারও ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীরা এগিয়ে। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫৪ হাজার ৬৭১ জন ছাত্রীর মধ্যে পাস করেছেন ২৯ হাজার ৮২২ জন। তাদের পাসের হার ৫৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। অন্যদিকে, ৪১ হাজার ৬৬৪ ছাত্রের মধ্যে পাস করেছেন ২০ হাজার ৩৪৪ জন। তাদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৬২ শতাংশ।

এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯২৯ শিক্ষার্থী। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৬ হাজার ৯৭ জন। ২০২৪ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১০ হাজার ২৬৯ জন। অর্থাৎ, দুই বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ হাজারের বেশি থেকে কমে ৩ হাজারের নিচে নেমেছে। এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রী ১ হাজার ৫৯৬ জন এবং ছাত্র ১ হাজার ৩৩৩ জন।
এবার বোর্ডের অধীন ২৮৩টি কলেজের মধ্যে তিনটি কলেজের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। গত বছর এমন কলেজের সংখ্যা ছিল পাঁচটি। অন্যদিকে, শতভাগ পাস করেছে মাত্র ছয়টি কলেজ। ২০২৫ সালে এ সংখ্যা ছিল আটটি এবং ২০২৪ সালে ১৩টি।এ ছাড়া এবার এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ২২ হাজার ১১৪ জন শিক্ষার্থী, যা মোট পরীক্ষার্থীর ২২ দশমিক ৯৬ শতাংশ। পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার হয়েছেন ২৭ জন।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ