মুয়াজ্জিনের আজানের জবাব দেওয়ার সঠিক নিয়ম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পৃথিবীর সবচেয়ে সুমধুর ধ্বনির নাম আজান—এটি মুসলিম-অমুসলিম-নির্বিশেষে কোটি মানুষের উপলব্ধি। ইসলামে আজানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। আজান শুনে আজানের জবাব দেওয়ারও রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। আজান শ্রবণকারীরও মৌখিকভাবে আজানের উত্তর দেওয়া সুন্নত।রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যখন তোমরা আজান শুনবে, এর জবাবে মুয়াজ্জিনের অনুরূপ তোমরাও বলবে।’ (বুখারি, হাদিস : ৬১১)

আজানের জবাব দেওয়ার পদ্ধতি : আজানের জবাব দেওয়ার পদ্ধতি হলো, মুয়াজ্জিন প্রত্যেকটি বাক্য বলে থামার পর শ্রোতা ওই বাক্যটি নিজেও অনুরূপভাবে বলবে। কিন্তু মুয়াজ্জিন ‘হাইয়্যা আলাস সালাহ’ ও ‘হাইয়্যা আলাল ফালাহ’ বলার সময় শ্রোতা ‘লা হাওলা ওয়া লা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বলবে। এটাই বিশুদ্ধ অভিমত।(মুসলিম, হাদিস : ৩৮৫)

তবে কোনো কোনো বর্ণনায় ‘হাইয়্যা আলাস সালাহ’ ও ‘হাইয়্যা আলাল ফালাহ’ বলার সময়ও মুয়াজ্জিনের অনুরূপ বলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। (কিতাবুদ দোয়া, তাবারানি, হাদিস : ৪৫৮)

কিছু প্রচলিত ভুল : এক. অনেকেই আজানের সময় জবাব দিতে গিয়ে ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ’-এর জবাবে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ বলে থাকে। এটি অনুচিত নয়। কেননা এ সময় দরুদ পড়ার নির্দেশ নেই।বরং তখনো মুয়াজ্জিনের অনুরূপ ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ’ বলাই সুন্নত। (আলবাহরুর রায়েক : ১/২৭৩, আহসানুল ফাতাওয়া : ২/২৭৮)। এই দরুদ পাঠ করবে আজান শেষ হওয়ার পরে।

দুই. আমাদের দেশে আজানে ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ’ বলার সময় অনেকেই বৃদ্ধাঙ্গুলে চুমু খেয়ে চোখে মুছে থাকে। কেউ কেউ আবার সঙ্গে ‘কুররাত আইনি’—এ দোয়াও পড়ে থাকে।অথচ শরিয়তে এর কোনো প্রমাণ নেই। সুতরাং এটি বর্জনীয়। (আল মাকাসিদুল হাসানা, পৃষ্ঠা ৬০৬, ইমদাদুল ফাতাওয়া : ৫/২৫৯)

তিন. প্রসিদ্ধ আছে, আজানের জবাব না দিলে বা আজানের সময় কথা বললে বেঈমান হয়ে যায়, কিংবা বেঈমান অবস্থায় মারা যাওয়ার ভয় আছে, এরূপ কোনো বর্ণনা হাদিসের কিতাবে নেই। সুতরাং এটি ভ্রান্ত বিশ্বাস। (ফাতাওয়া মাহমুদিয়া : ৫/৪৩০)

যারা আজানের জবাব দেবে না : নামাজ আদায়কারী, পানাহার অবস্থায়, ইস্তিঞ্জাকারী, স্ত্রী সহবাসে লিপ্ত, মহিলাদের ঋতুকালীন ইত্যাদি সময়। তবে অনেক আলেমের মতে আজানের পরক্ষণেই যদি উল্লিখিত কাজ থেকে অবসর হয়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আজানের জবাব দিয়ে দেওয়া উত্তম। কোরআন তিলাওয়াতকারী তিলাওয়াত সাময়িক বন্ধ রেখে আজানের জবাব দেওয়া উত্তম। (আদ্দুররুল মুখতার : ১/৩৯৭)

আজানের সময় দুনিয়াবি কথা ও কাজে লিপ্ত থাকা : আজানের সময় চুপ থাকা সুন্নত। একান্ত প্রয়োজন না হলে সাধারণ দ্বিনি ও দুনিয়াবি কথা বা কাজে লিপ্ত থাকা অনুচিত। সাধারণ বক্তৃতা বা সেমিনার চলাকালে আজান হলে সাময়িক তা স্থগিত রাখবে। ওয়াজ বা কোনো দ্বিনি মাহফিল চলাকালেও তা সাময়িক বন্ধ রেখে সবাইকে আজানের জবাব দেওয়া উত্তম। মনে রাখতে হবে, একজন আজানের জবাব দিলে সবার পক্ষ থেকে তা আদায় হয়ে যায় না। কেননা আজানের জবাব দেওয়া শ্রবণকারী সব মুসলমানের জন্য সুন্নত। আর আজানের জবাব দেওয়া সুন্নতে কেফায়া নয়। (ফাতহুল কাদির : ১/২৪৮, রদ্দুল মুহতার : ১/৩৯৯, ফাতাওয়া মাহমুদিয়া : ৫/৪২৭)

রেডিও-টেলিভিশনের আজানের জবাব : মুয়াজ্জিনের আজান রেডিও-টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হলে তার জবাব দেওয়া সুন্নত। রেকর্ডিংয়ের হলে তার জবাব দেওয়া সুন্নত নয়। (বাদায়েউস সানায়ে : ১/৬৪৬, আপকে মাসায়েল আওর উনকা হল : ১/১৭০)

আজানের পর দোয়া : আজানের পর দরুদ শরিফ ও দোয়া পাঠ করা সুন্নত। হাদিস শরিফে এর ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি আজানের পর ‘আল্লাহুম্মা রাব্বা হাজিহিদ…’ এ দোয়াটি পাঠ করবে, তার জন্য আখিরাতে আমার সুপারিশ অবধারিত।’ (বুখারি, হাদিস : ৬১৪)

আজানের পর হাত তুলে মোনাজাত : আজানের পর দরুদ শরিফ পড়ে একটি বিশেষ দোয়া পড়ার কথা হাদিস শরিফে রয়েছে, তবে আজানের পর হাত তুলে দোয়া পড়া ও মোনাজাত করার কথা হাদিসে নেই। (ফয়জুল বারি : ২/১৬৭, ফাতাওয়া মাহমুদিয়া : ১৬/২০৮)

লেখক : ফতোয়া গবেষক, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপনে অশেষ কল্যাণ ও মাহাত্ম্য রয়েছে


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ সুফিবাদী ঐক্য ফোরাম কেন্দ্রীয় পরিষদের উদ্যোগে ‘সকল ঈদের সেরা ঈদ ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.)’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা আজ ১৭ আগস্ট সোমবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবস্থ আলহাজ্ব সুলতান আহমদ হলে অনুষ্ঠিত হয়। ফোরামের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান সাংবাদিক নুর মোহাম্মদ রানার সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত গোলটেবিল আলোচনায় উলামা মাশায়েখ নেতৃবৃন্দ বলেন, মহানবীর (দ.) দুনিয়ায় শুভাগমন হয়েছে বলেই মানবজাতিসহ সমগ্র সৃষ্টিজগৎ অস্তিত্ব লাভ করেছে। সকল সৃষ্টির উৎসই হচ্ছেন মহানবী (দ.)। তাঁর কারণে এবং তাঁরই উসিলায় সৃষ্টি জগৎ অস্তিত্ব পেয়েছে, টিকে আছে এবং টিকে থাকবে। তাই সকল ঈদের সেরা ঈদ ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপনে অশেষ পুণ্য বরকত, কল্যাণ এবং সবিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপন মানে কৃতজ্ঞতারই বহিঃপ্রকাশ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পীরে ত্বরিকত আল্লামা সৈয়দ আহমদ জামাল আশরাফ আল আশরাফী জিলানী। তিনি বলেন, সমগ্র সৃষ্টির মূল হচ্ছেন প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (দ.)। তাঁর আনুগত্য ও আহলে বাইতে রাসুলকে (দ.) ভালোবাসা ফরজ। উপমহাদেশসহ সমগ্র বিশ্বে সুফিবাদি সুন্নি মুসলমানরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। অথচ আন্তঃযোগাযোগ না থাকা, অনৈক্য-বিভাজনের কারণে সুফিবাদি সুন্নি মুসলমানরা পেছনে পড়ে রয়েছে। রাজনীতি, অর্থনীতিসহ দেশ পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দুতে আমরা নেই। ফলে প্রতিপক্ষ গোষ্ঠী আমাদের মাথার ওপর ছড়ি ঘুরাচ্ছে। সুফিবাদী উদারনৈতিক মানবিক ইসলামের প্রসার ঘটাতে সকল সুন্নি মতাদর্শী ও তরিকতপন্থিদের একই প্ল্যাটফরমে আসতে হবে। মুখ্য আলোচক ছিলেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আল্লামা মুফতি সৈয়দ অছিয়র রহমান। তিনি বলেন, মহানবীর (দ.) দুনিয়ায় শুভাগমন আল্লাহ পাকের সেরা নিয়ামত। তাই নিয়ামতের শুকরিয়া হিসেবে আমরা ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপন করি।

বিগত দুই বছরে বহু মাজার খানকায় হামলা হয়েছে। মব সন্ত্রাস সৃষ্টি করে অসংখ্য মাজার গুঁড়িয়ে দেয়া হলেও এর বিচার হয়নি। বর্তমান সরকারকে অবিলম্বে এর প্রতিকারে এগিয়ে আসতে হবে। উদ্বোধক ছিলেন মাইজভান্ডার দরবার শরীফের শাহজাদা সৈয়দ মুহাম্মদ নাফিসুর রহমান মাইজভা-ারী। স্বাগত বক্তব্য দেন ফোরামের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি এস এম বরকত আকাশ। নির্ধারিত বিষয়বস্তুর ওপর আলোচনায় অংশ নেন হযরত শাহ আমানত (রহ.) দরবার শরীফের আওলাদ শাহজাদা সৈয়দ হাবিবুল্লাহ খান মারুফ, গবেষক মুহাম্মদ আবদুর রহিম, শাহজাদা মাওলানা ফখরুল ইসলাম রিজভী, শাহজাদা মাওলানা সৈয়দ গোলাম রসুল, শাহজাদা মাওলানা সৈয়দ ছালেকুল মাওলা, আল্লামা শফিকুল ইসলাম আস সাঈদী, আল্লামা মঈনুদ্দিন রেজভী, মাওলানা রায়হান রেজা আশরাফী, মাওলানা আবদুল মান্নান আশরাফী,আলহাজ্ব মুহাম্মদ মুছা ও হালদা গবেষক মুহাম্মদ হারুন পাশা প্রমুখ আনিছ মুহাম্মদ বিপলু, এম মহিউল আলম চৌধুরী, আ ব ম খোরশিদ আলম খান, মাওলানা গিয়াস উদ্দিন নেজামী, মাওলানা করিম উদ্দিন নূরী, ফরিদুল আলম আশরাফী, মুহাম্মদ ইলিয়াছ সোহেল, নাজিম উদ্দিন মিয়াজী, আলহাজ্ব মুহাম্মদ মুছা ও হালদা গবেষক মুহাম্মদ হারুন পাশা প্রমুখ। সভাপতির বক্তব্যে সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা বলেন, সুন্নি সুফিবাদিরা আজ জেগে উঠেছে। তাদের কেউ পরাভূত করতে পারবে না।

ফোরামের কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসাইন গোলটেবিল আলোচনায় সমবেত সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসাইনের পরিবেশনায় মিলাদ কিয়াম শেষে দেশ ও জাতির শান্তি সমৃদ্ধি কল্যাণ এবং বিশ্বের মজলুম মানবতার পরিত্রাণ কামনায় মোনাজাত পরিচালনা করেন পীরে ত্বরিকত আল্লামা সৈয়দ আহমদ জামাল আশরাফ আল আশরাফী জিলানী।

ঐতিহ্যবাহী জশনে জুলুসে ৫০ লাখ লোক সমাগমের টর্গেট


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষ্যে চট্টগ্রামে এবার ৫৫ তম বারের মতো ঐতিহ্যবাহী জশনে জুলুসের আয়োজন করতে যাচ্ছে আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট। এইবারও ২৬ আগস্টের এ জুলুসে ৫০ লাখের বেশি মানুষের সমাগম হবে বলে প্রত্যাশা করছেন আয়োজকরা।সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আনজুমান ট্রাস্টের সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

তিনি বলেন, আগামী ২৩ আগস্ট রোববার ঢাকায় এবং ২৬ আগস্ট বুধবার চট্টগ্রামে বড় আয়োজনে জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হবে। চট্টগ্রামের জুলুসে নেতৃত্ব দেবেন দরবারে সিরিকোটের সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ সাবির শাহ (ম.জি.আ.)। এতে অতিথি হিসেবে থাকবেন সাহেবজাদা হজরত সৈয়দ মুহাম্মদ কাসেম শাহ (ম.জি.আ.) ও শাহজাদা সৈয়দ মুহাম্মদ আকিব শাহ (ম.জি.আ.)।আনজুমান ট্রাস্টের সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, আগের বছরগুলোর মতো এবারও জশনে জুলুস জনসমুদ্রে রূপ নেবে বলে আমরা আশা করছি। জুলুছে অংশ নেওয়া মানুষের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন আনজুমান ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আলহাজ মনজুর আলম। তিনি বলেন, রাসুল (দ.)-এর ধরাপৃষ্ঠে শুভাগমনের দিন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এ জুলুস বিশ্বের বৃহত্তম মিলাদ শোভাযাত্রা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। একই সঙ্গে এটি চট্টগ্রামের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক হিসেবে রূপ নিয়েছে। তাই এর শরিয়তসম্মত ঐতিহ্য রক্ষা করা সবার দায়িত্ব।তিনি জুলুসের সার্বিক শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন ও নির্ধারিত স্বেচ্ছাসেবকদের নির্দেশনা এবং আনজুমান ট্রাস্ট ঘোষিত নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানান।

আয়োজকরা জানান, ২৬ আগস্ট সকাল ৮টায় চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহর জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা সংলগ্ন আলমগীর খানকা থেকে জুলুস শুরু হবে। এরপর নগরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়ক ও মোড় প্রদক্ষিণ করে জুলুস জামেয়া মাঠে গিয়ে শেষ হবে। সেখানে মাহফিল, জোহরের নামাজ ও দেশ-জাতির সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।জুলুসের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি আনজুমানের ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। জুলুছে ড্রামসেট নিয়ে প্রবেশ, নারীদের অংশগ্রহণ এবং খাদ্যদ্রব্য নিক্ষেপ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

জুলুসকে ঘিরে ইতোমধ্যে নগরের বিভিন্ন মোড়ে সুসজ্জিত তোরণ, ব্যানার ও ফেস্টুন টাঙানো হয়েছে। সড়ক বিভাজক ও সড়কদ্বীপে শোভা পাচ্ছে জাতীয় পতাকা ও আনজুমানের পতাকা। মুসল্লিদের সুবিধার্থে মাদ্রাসা ও আশপাশের এলাকায় শতাধিক অস্থায়ী শৌচাগার তৈরি করা হয়েছে।আওলাদে রাসুল আল্লামা হাফেজ সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (রহ.) ১৯৭৪ সালে এ জুলুসের প্রবর্তন করেন। এবার ৫৫তম বারের মতো জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি মোহাম্মদ সামশুদ্দিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি এস এম গিয়াস উদ্দিন সাকের, ফিন্যান্স সেক্রেটারি কামরুদ্দিন সবুর, প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন সেক্রেটারি গোলাম মহিউদ্দিন, কেবিনেট সদস্য মোহাম্মদ হোসেন খোকন, পেয়ার মোহাম্মদ কমিশনার, মাহমুদ নেওয়াজ, শাহজাদ ইবনে দিদার, আনজুমান মুখপাত্র অ্যাডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতেয়ার, আবদুল হাই মাসুম, আনোয়ারুল হক, অধ্যাপক কামাল উদ্দিন, মিডিয়া ডেস্কের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু তালেব বেলাল ও সদস্য আবু নাছের মোহাম্মদ তৈয়্যব আলীসহ ট্রাস্টের নেতারা।

আলোচিত খবর

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মনোনয়নপত্র নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ