চট্টগ্রাম বন্দর

বিদায়ী বছরে রাজস্ব আয় ৫০৫৫ কোটি ৯৯ লাখ,ব্যায় ২১০৭ কোটি ২ লাখ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে বিদায়ী বছরে রাজস্ব আয় হয়েছে ৫০৫৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। যা আগের বছরের তুলনায় ৩৭ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। এছাড়া বিদায়ী বছরে রাজস্ব ব্যয় হয়েছে ২১০৭ কোটি ২ লাখ টাকা, আগের বছরের তুলনায় ৪ দশমিক ২০ শতাংশ কম। এছাড়া বিদায়অ বছর ২০২৪ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ দশমিক ২৭ মিলিয়ন টিইইউস (২০ ফুট হিসেবে) কনটেইনার হ্যান্ডলিং করেছে। কার্গো হ্যান্ডলিং করেছে ১২৩ মিলিয়ন মেট্রিকটন। জাহাজ হ্যান্ডলিং করেছে ৩ হাজার ৮৬৭টি। চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে সর্বোচ্চ সংখ্যক কনটেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে সক্ষম হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর। ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্দরে ৩২ লাখ ৭৫ হাজার ৬২৭ টিইইউস কনটেইনার এবং ১২ কোটি ৩৯ লাখ ৮৬ হাজার ১৪ টন কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছে।বহির্নোঙরে জাহাজের গড় অপেক্ষার সময় ১ দিনে নেমে এসেছে। এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরে ১৪-১৫ বছর যাবত থাকা অতিদাহ্য সোডিয়াম নাইট্টো ক্লোরাইডবাহী ৪টি কনটেইনার গত ২৭ অক্টোবর নিলামের মাধ্যমে বিডারকে ডেলিভারি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ১৫২ টিইইউস কনটেইনারের পণ্য ধ্বংসের অপেক্ষায় রয়েছে। ইতিমধ্যে শুল্ক বিভাগ কর্তৃক (৬ অক্টোবর থেকে ২৩ ডিসেম্বর) ৫৯ টিইইউস কনটেইনারের পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান
বলেন, ২০২৪ সালের পঞ্জিকাবর্ষ অনুযায়ী রাজস্ব আয় ৫০৫৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকা যা গত বছরের (রাজস্ব আয় ৪১৬৫ কোটি ১৮ লাখ টাকা) তুলনায় ২১ দশমিক ৩৯ বেশি এবং রাজস্ব উদ্বৃত্ত ২০২৪ সালের পঞ্জিকাবর্ষানুসারে ২৯৪৮ কোটি ৯৭ লাখ যা গত বছরের (২১৪৩ কোটি ১০ লাখ টাকা) চেয়ে ৩৭ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। ২০২৪ সালের পঞ্জিকাবর্ষ অনুযায়ী রাজস্ব ব্যয় ২১০৭ কোটি ২ লাখ টাকা যা গত বছরের (রাজস্ব ব্যয় ২০২২ কোটি ৮ লাখ টাকা) তুলনায় ৪ দশমিক ২০ শতাংশ কম।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের বেসরকারি হাসপাতালো গাফলতি মায়ের বরাদ্দকৃত ইনজেকশন নবজাতকের শরীরে পুশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে মায়ের জন্য বরাদ্দকৃত ইনজেকশন নবজাতকের শরীরে পুশ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে রোগীর স্বজনদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দেয়। নগরের প্রবর্তক এলাকার সেন্টার ফর স্পেশালাইজড কেয়ার অ্যান্ড রিসার্স (সিএসসিআর) হাসপাতালে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নবজাতককে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (এনআইসিইউ) রাখা হয়েছে।

এদিকে হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইইউ) মো. সালাহউদ্দিন রোগীর স্বজনদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। তিনি বাচ্চাটির দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এ ছাড়া এই ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি বলেছেন, বাচ্চাটিকে আমরা দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।
পাঁচলাইশ থানার ওসি মোজাম্মেল হক জানিয়েছেন, পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং নবজাতকের স্বজনদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন, কেউ এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আমরা ব্যবস্থা নেব।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, শনিবার বিকালে চিকিৎসক তাসনিমা বানু খুকির অধীনে স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে ছেলে সন্তানের জন্ম দেন শাকিলা ইয়াসমিন। শাকিলার বাড়ি নগরীর বাকলিয়ায়। রাতে চিকিৎসক তাসনিমা প্রসূতিকে একটি বিশেষ রক্তজনিত সমস্যার চিকিৎসায় ব্যবহৃত রোফাইলাক-৩০০ মিলিগ্রামের একটি ইনজেকশন দেওয়ার পরামর্শ দেন।

শাকিলার স্বামী মোহাম্মদ হাসানের অভিযোগ, যে নার্সকে ইনজেকশনটি দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তিনি তা নবজাতকের শরীরে দিয়ে দেন। আমার স্ত্রী নার্সকে নিষেধ করার পরও তিনি মায়ের ইনজেকশন বাচ্চাকে দিয়ে দেন। বিষয়টি চিকিৎসকদেরকে জানালে তারা স্বীকার করেন যে নার্স ভুল করেছে।এ ঘটনায় নার্স, ডাক্তার এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি জানান, ঘটনার পর নবজাতকটিকে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (এনআইসিইউ) রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তাকে পর্যবেক্ষণ করছেন। তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে নবজাতকের বাবা এবং স্বজনরা বিচার দাবি করেন। তারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে এ ঘটনার জন্য তাদের অবহেলার বিষয়ে জবাবদিহি করতে বলেন। এ ছাড়া নবজাতকটির বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ চিকিৎসাসংক্রান্ত সুরক্ষার দাবি জানান।

দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকায় স্টেশনের মূল্যবান সরঞ্জাম ও সম্পদ চুরির ঝুঁকি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলে সেবার মান দিনে দিনে গতি হারাচ্ছে। যার ফলে বন্ধ রয়েছে পূর্বাঞ্চলের ৫৩টি রেলস্টেশন। বিশেষ করে স্টেশন মাস্টার থেকে শুরু করে গেটকিপার, পয়েন্টসম্যান ও লোকোমাস্টারসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকায় ব্যাহত হচ্ছে ট্রেন পরিচালনা ও যাত্রীসেবা।রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জনবল সংকটের কারণে কর্মরতদের ওপর বাড়তি দায়িত্ব পড়ছে। কোথাও কোথাও প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মী না থাকায় স্বাভাবিক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।

জানা গেছে, পূর্বাঞ্চলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে মোট জনবলের প্রায় অর্ধেকই শূন্য। বিশেষ করে গেটকিপার ও পয়েন্টসম্যান সংকটের কারণে রেলক্রসিং এবং স্টেশন পরিচালনায় বাড়ছে ঝুঁকি। অন্যদিকে প্রয়োজনের তুলনায় প্রায় অর্ধেক লোকোমাস্টার থাকায় অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে কর্মরত চালকদের। এতে ট্রেনের সময়সূচি ঠিক রাখাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

পূর্বাঞ্চল চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্টের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, স্টেশন মাস্টার (গ্রেড-১) পদে ২৭টি অনুমোদিত পদের একটিতেও কর্মকর্তা নেই। গ্রেড-২ এর ৬৪টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র একজন। অর্থাৎ এই গ্রেডে ৬৩টি পদই শূন্য। স্টেশন মাস্টার (গ্রেড-৩) পদে ১৫৬টির মধ্যে কর্মরত ১৩৪ জন, শূন্য ২২টি। গ্রেড-৪ এর ২৪৫টি পদের মধ্যে কর্মরত ৬৬ জন, শূন্য ১৭৯টি। এছাড়া সহকারী স্টেশন মাস্টারের ৩৬৬টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ১৪৭ জন, শূন্য ২১৯টি। কেবিন মাস্টারের ৪০টি পদের মধ্যে কর্মরত ১৭ জন, শূন্য ২৩টি। সবচেয়ে বেশি সংকট গেটকিপার ও পয়েন্টসম্যান পদে। ৪৫০টি গেটকিপার পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ১৯৪ জন, শূন্য ২৬৫টি। আর ৯৮৫টি পয়েন্টসম্যান পদের মধ্যে কর্মরত ৫৫৮ জন, শূন্য রয়েছে ৪২৭টি।

এদিকে এমন জনবল সংকটে পূর্বাঞ্চলে বন্ধ রয়েছে ৫৩টি রেলস্টেশন। এর মধ্যে ৫১টি সম্পূর্ণ এবং দুটি আংশিক বন্ধ। স্টেশন মাস্টার ও পয়েন্টসম্যান না থাকায় অনেক স্টেশনের সিগন্যাল রুম ও টিকিট কাউন্টারে তালা ঝুলছে।যার ফলে রেলস্টেশন বন্ধ থাকায় যাত্রীসেবা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি রাজস্ব আয়েও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকায় এসব স্টেশনের মূল্যবান সরঞ্জাম ও সম্পদ চুরি হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, ঢাকা বিভাগের ৩২টি স্টেশন সম্পূর্ণ এবং দুটি আংশিক বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম বিভাগের ১৯টি স্টেশন সম্পূর্ণ বন্ধ। চট্টগ্রাম বিভাগের বন্ধ স্টেশনগুলোর মধ্যে রয়েছে-বাড়বকুন্ড, বারৈয়াঢালা, মিরসরাই, মস্তাননগর, মুহুরীগঞ্জ, কালিদহ, শশদী, নাওটি, আলীশহর, ময়নামতি, ঝাউতলা, সরকারহাট, কাঞ্চননগর, ধলঘাট, দৌলতগঞ্জ, খিলা, বজরা, শাহাতলী ও চিতোষী রোড।বিভাগীয় পরিবহন বিভাগ বলছে, জনবল সংকটের কারণেই এসব স্টেশন চালু করা যাচ্ছে না। প্রয়োজনীয় জনবল চেয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। জনবল নিয়োগ হলে পর্যায়ক্রমে বন্ধ স্টেশনগুলো চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এদিকে জনবল সংকটের বড় প্রভাব পড়েছে ট্রেন পরিচালনাতেও। পূর্বাঞ্চলে ১২০ জন লোকোমাস্টারের প্রয়োজন হলেও কর্মরত আছেন মাত্র ৬৫ জন। ফলে প্রয়োজনের তুলনায় প্রায় অর্ধেক লোকবল দিয়ে ট্রেন পরিচালনা করতে হচ্ছে।রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, লোকোমাস্টারদের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের জন্য আগে মাইলেজসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হতো। এসব সুবিধা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত ডিউটি করতেও অনীহা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়ছে ট্রেনের সময়সূচিতে।

লোকোমাস্টার মো. ওমর ফারুক বলেন, মাইলেজসহ বেশ কিছু সুবিধা বাতিল হওয়ায় লোকোমাস্টাররা অতিরিক্ত ডিউটি করতেও অনীহা প্রকাশ করছেন। আগে জনবল সংকট থাকায় নিয়মিত ডিউটির পরও আমরা অতিরিক্ত কাজ করতাম। এর জন্য কিছু সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হতো। এখন সেগুলোও নেই।তিনি বলেন, রেলওয়ের নিয়ম অনুযায়ী ১০০ মাইল বা আট ঘণ্টা ট্রেন পরিচালনার জন্য রানিং স্টাফরা এক দিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ রানিং ভাতা বা মাইলেজ পেতেন। বর্তমানে সেই সুবিধা নেই।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ