চান্দগাঁও থানা পুলিশের অভিযান

আন্তঃ জেলার মোটরসাইকেল চোর চক্রের সক্রিয় ৩ জন সদস্য গ্রেফতার

স ম জিয়াউর রহমান

৪টি মোটরসাইকেল উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর), সিএমপি, চট্টগ্রাম মহোদয়ের দিক নির্দেশনায় অফিসার ইনচার্জ চান্দগাঁও থানা জনাব মোঃ আফতাব উদ্দিন এর নেতৃত্বে এসআই (নি:) ইমরান ফয়সাল সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স সহ চান্দগাঁও থানার মামলা নং-১৬, তাং-১৭/১১/২০২৪ইং, ধারা-৩৮০ পেনাল কোড মামলার চোরাই যাওয়া মোটর সাইকেল উদ্ধার সহ আসামী গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান পরিচালনাকালে গুপ্তচরের তথ্যের ভিত্তিতে জানিতে পারেন যে, মামলার চোরাই যাওয়া মোটর সাইকেল ও আসামী ফেনী জেলা ও নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় আছে।
পরবর্তীতে এসআই (নি:) ইমরান ফয়সাল এসআই(নিঃ) মৃনাল কান্তি মজুমদার, এসআই(নিঃ) কাজী মনিরুল করিম, এসআই(নিঃ) হৃদয় মাহমুদ লিটন, এএসআই (নিঃ) জালাল উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্স সহ ইং ০২/০১/২০২৫ তারিখ ১৪.০৫ ঘটিকার সময় নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানাধীন বসুরহাট নতুন বাস স্ট্যান্ড এর পশ্চিম পাশে মহিনের গ্যারেজে উপস্থিত হইয়া আসামী মোঃ রাশেদুল ইসলাম (২৮)কে গ্রেফতার পূর্বক তাহার হেফাজত হইতে চোরাই যাওয়ার ০১টি Apache RTR উদ্ধার করেন। আটককৃত আসামীর দেওয়া স্বীকারোক্তি মতে এবং আসামীকে সহ অভিযান অব্যাহত রাখিয়া চান্দগাঁও থানাধীন ইং ০৩/০১/২০২৫ তারিখ রাত ০১.৩০ ঘটিকার সময় চান্দগাঁও থানাধীন বসুন্ধরা ক্লাবের বিপরীতে মেম্বারের বিল্ডিংয়ের নীচ তলায় (ব্যাচেলর বাসা) উপস্থিত হইয়া আসামী মোঃ আবুল কালাম আজাদ (২২) ও আসামী নীরব শীল @ সুজন (২৯) দ্বয়কে আটক করেন। উল্লেখিত আসামীদ্বয়ের স্বীকারোক্তি মতে চান্দগাঁও থানাধীন বসুন্ধরা ক্লাবের বিপরীতে মেম্বারের বিল্ডিংয়ের নীচ তলায় (ব্যাচেলর বাসা) সামনে হইতে ক) ০১ (এক)টি লাল কালো রংয়ের বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি মোটর সাইকেল ও খ) ০১ (এক)টি লাল কালো সাদা রংয়ের বাজাজ ডিসকভার ১২৫ সিসি মোটর সাইকেল এবং গ) ০১টি ডিসকভার মোটর সাইকেল, যাহার রেজিঃ নং-চট্টমেট্টো-হ-১৮-৪১৫১ উদ্ধার করি।

উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেল।
১) ০১ (এক)টি লাল কালো রংয়ের বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি মোটর সাইকেল।
২) ০১টি ডিসকভার মোটর সাইকেল, যাহার রেজিঃ নং-চট্টমেট্টো-হ-১৮-৪১৫১।
৩) ০১ (এক)টি লাল কালো সাদা রংয়ের বাজাজ ডিসকভার ১২৫ সিসি মোটর সাইকেল।
৪) ০১টি Apache RTR মোটর সাইকেল গাড়ী।

গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম-ঠিকানা- ১। মোঃ রাশেদুল ইসলাম (২৮), পিতা-মৃত ইউসুফ আলী, মাতা-রাবিয়া বেগম, সাং-সাইতলা, তোফাজ্জল এর বাড়ী, পোঃ ঝালাইউরা, থানা-শ্রীমঙ্গল, জেলা-মৌলভীবাজার, বর্তমানে-ফতেয়াবাদ, সন্ধীপ কলোনী, ওয়ার্ড নং-০১, থানা-হাটহাজারী, জেলা-চট্টগ্রাম, ২। মোঃ আবুল কালাম আজাদ (২২), পিতা-মোঃ শাহাদাৎ হোসেন @ শাহাদাৎ মিয়া, মাতা-বকুল আক্তার @ পারভীন, সাং-রাঙ্গুনিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশে, গুচ্ছ গ্রাম, বকুলের ৬০নং ঘর, থানা-রাঙ্গুনিয়া, জেলা-চট্টগ্রাম, বর্তমানে- বসুন্ধরা ক্লাবের বিপরীতে, মেম্বারের বিল্ডিংয়ের নীচ তলা (ব্যাচেলর বাসা), ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড, থানা-চান্দগাঁও, জেলা-চট্টগ্রাম, ৩। নীরব শীল @ সুজন (২৯), পিতা-বাদল শীল, মাতা-মৃত স্বরসতী শীল, সাং-সাধনপুর, রেবোতি শীলের বাড়ী, ওয়ার্ড নং-০৪, থানা-বাঁশখালী, জেলা-চট্টগ্রাম, বর্তমানে-বসুন্ধরা ক্লাবের বিপরীতে, মেম্বারের বিল্ডিংয়ের নীচ তলা (ব্যাচেলর বাসা), ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড, থানা-চান্দগাঁও, জেলা-চট্টগ্রাম।
গৃহিত আইনগত ব্যবস্থাঃ চান্দগাঁও থানার মামলা নং-০২, তারিখ-০৩/০১/২০২৪ইং, ধারা-৪১৩/১০৯ পেনাল কোড রুজু করা হয়েছে।
থানার রেকর্ডপত্র ও সিডিএমএস যাচাই করিয়া ধৃত ০১নং আসামী মোঃ রাশেদুল ইসলাম (২৮) ১। সিএমপি এর বাকলিয়া থানার ,এফআইআর নং-৩৮, তারিখ- ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৩; জি আর নং-৫২৪, তারিখ- ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৩; ধারা- ৩৮০ পেনাল কোড, ২। সিএমপি এর বাকলিয়া থানার এফআইআর নং-২৫, তারিখ- ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩; জি আর নং-৫১১, তারিখ- ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩; ধারা- ৪৫৭/৩৭৯ পেনাল কোড, ৩। মৌলভীবাজার এর শ্রীমঙ্গল থানার নন জিআর নং-২৩৬/১৭, তারিখ- ০৯ আগস্ট, ২০২৩; ৪। চট্টগ্রাম এর হাটহাজারী থানার এফআইআর নং-২৪/৬৭, তারিখ- ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২; জি আর নং-৬৭/২২, তারিখ- ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২; ধারা- ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইন এর ১৯(ধ)/১৯(ভ), ৫। সিএমপি এর বায়েজিদ বোস্তামি থানার এফআইআর নং-৭/৫১০, তারিখ- ০৩ ডিসেম্বর, ২০১৮; ধারা-১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯(১) এর ৯(খ), ৬। চট্টগ্রাম এর হাটহাজারী থানার এফআইআর নং-১৬, তারিখ- ০৯ জুলাই, ২০১৭; ধারা-১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২২(গ), ৭। চট্টগ্রাম এর হাটহাজারী থানার , এফআইআর নং-৭, তারিখ- ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩; জি আর নং-৩১০, তারিখ- ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩; ধারা- ৩৭৯/৪১১ পেনাল কোড, ৮। ফেনী এর সোনাগাজী থানার ,এফআইআর নং-১৫, তারিখ- ১৫ জুলাই, ২০২৩; জি আর নং-১৭৩, তারিখ- ১৫ জুলাই, ২০২৩; ধারা- ৩৭৯/৪১১/৪১৩ পেনাল কোড, ৯। ফেনী এর সোনাগাজী থানার এফআইআর নং-১৩, তারিখ- ০৬ জুন, ২০২৩; জি আর নং-১৪২, তারিখ- ০৬ জুন, ২০২৩; ধারা- ৪৫৭/৩৮০ পেনাল কোড মামলা সমূহে এবং ধৃত ০২নং আসামী মোঃ আবুল কালাম আজাদ (২২) ১। চট্টগ্রাম এর রাউজান থানার এফআইআর নং-১৪, তারিখ- ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪; জি আর নং-৩১, তারিখ- ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪; ধারা- ৩৭৯/৪১১ পেনাল কোড, ২। ফেনী এর সোনাগাজী থানার এফআইআর নং-১৫, তারিখ- ১৫ জুলাই, ২০২৩; জি আর নং-১৭৩, তারিখ- ১৫ জুলাই, ২০২৩; ধারা-৩৭৯/৪১১/৪১৩ পেনাল কোড মামলা সমূহে অভিযুক্ত মর্মে পাওয়া যায়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম মহানগরে সড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাটারিচালিত রিকশার বেপরোয়া চলাচলের কারণে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচল দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। নগরবাসীর জীবনে ‘সাক্ষাৎ আজরাইল’ হয়ে উঠা এই ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলো আগে অলিগলিতে চলাচল সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন মূল সড়ক দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে। পরাগ ও বিভাটেক এর নির্মিত এই ইজিবাইক ও ব্যাটারি রিকশাগুলোর দাপটে অসহায় হয়ে পড়েছে অন্যান্য যান ও পথচারীরা। এসব রিকশায় অদক্ষ চালকের এলোমেলো চলাচল, আইন না মানার প্রবণতা, উল্টোপথে চলা, যেখানে- সেখানে হুটহাট রিকশা ঘোরানো, পার্কিংসহ সব মিলিয়ে চট্টগ্রাম নগরীতে প্রতিদিনই তৈরি হচ্ছে বিশৃঙ্খলা। ঘটছে দূর্ঘটনা। যেন দেখার কিউ নেই। ট্রাফিক বিভাগ অনেক অসহায় ভাবে যেন তেন ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মহানগরের চকবাজার, বাকলিয়া, নিউ মার্কেট, কোতোয়ালি, আগ্রাবাদ, জিইসি, ২ নম্বর গেইট, বাকলিয়া নতুনব্রিজ, খুলশী, জালালাবাদ, বায়েজিদ, পোর্ট কলোনী, আকবর শাহ, হালিশহর, পাহাড়তলী এলাকা ঘুরে প্রায় সব মূল সড়কে অসংখ্য ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজিবাইক চলতে দেখা গেছে। এতে বাড়ছে জনভোগান্তি, সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট। গণপরিবহনকেও ওভারটেক করতে পিছপা হয় না এসব যানবাহন। এ বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে কথা হলেও কোনোভাবেই এসব বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। চসিকও নীরব।

সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভুঁইয়া বলেন, মহানগরীর গণপরিবহনের ক্ষেত্রে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা এক ধরনের মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেলে দেখা যাবে, আহতদের ১০ থেকে ৩০ শতাংশই অটোরিকশাজনিত দুর্ঘটনার শিকার। এসব গাড়ির বিষয়ে সরকার একটি সিদ্ধান্তের দিকে এগোচ্ছে। আমরা আপাতত সেই সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। পাশাপাশি নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে, অভিযান আরও জোরদার করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

এদিকে চট্টগ্রাম শহরে ঠিক কতটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলছে, তার সুনির্দিষ্ট হিসাব নেই। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, নগরের সড়কে অবৈধভাবে দেড় লাখের বেশি অটোরিকশা চলছে। এসব গাড়ির নেই অনুমোদন, লাইসেন্স ও রুট পারমিটও নেই। অথচ অপ্রশিক্ষিত চালকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে দ্রুতগতির এই যান। অনেক সময় পুলিশ ধরবে এ কারণে বেপরোয়া গতিতে রংসাইডে দ্রুতগতিতে চালিয়ে নিয়ে যান। এতে প্রাণহানি কিংবা পঙ্গুত্ব বরণের ঘটনা ঘটছে। গতির বিষয়ে কোনো ধারণা নেই চালকদের। খেয়ালখুশিমতো রাস্তায় এসব ‘ভয়ংকর যান’ রাজত্ব করছে। মনে হচ্ছে দেখার কেউ নেই। এসব ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণ করা না হলে সামনে ভয়ংকর বিপদ অপেক্ষা করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর নগরের সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। এরপর বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে এসব রিকশা জব্দ করা হয়। গত বছরের ১৮ এপ্রিল কাপাসগোলা এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা উল্টে হিজরা খালে পড়ে ছয় মাস বয়সী সেহেরীশ নিহত হয়। এরপর এসব রিকশার বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করে সিএমপি। নগরের বিভিন্ন সড়ক ও গ্যারেজ থেকে তিন হাজারের বেশি রিকশা জব্দ এবং ব্যাটারি চার্জিং পয়েন্টের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

কিন্তু কয়েক দিন পরই জব্দ করা রিকশা ছেড়ে দেওয়া হয়। আবারও সেগুলো নিয়ে রাস্তায় নামেন চালকেরা। নগরের বিভিন্ন দোকানেও নির্বিঘ্নে বিক্রি হচ্ছে এসব যান। ফলে শুধু সড়কে অভিযান চালিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বন্ধ করতে হবে আমদানি ও বিক্রি, ঠেকাতে হবে কারখানায় তৈরি। তবেই কমানো সম্ভব দুর্ঘটনা, প্রাণহানি ও অঙ্গহানির ঝুঁকি।
জানা গেছে, মো. সাকিবের বাড়ি বাঁশখালী উপজেলায় হলেও থাকতেন চট্টগ্রাম শহরে। পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি করতেন, করতেন টিউশনিও। মাকে একটু সুখে রাখতে চলছিল তাঁর বিরামহীন জীবনসংগ্রাম। কিন্তু বাকলিয়া থেকে টিউশনি শেষে ফেরার পথে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় থেমে যায় সেই সংগ্রাম।

হাসপাতালে চার দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে গত ২৬ জুলাই না ফেরার দেশে পাড়ি জমান সাকিব। সাকিবের মতো এমন অনেকের জীবনেই এখন আতঙ্কের নাম ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। এটি কারও কেড়ে নিচ্ছে জীবন, কারও জন্য রেখে যাচ্ছে সারাজীবনের ক্ষত। সেই আতঙ্ক থেকে রেহাই পায়নি তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী নাওয়াল আনসারীও। পুলিশ কর্মকর্তা বাবা আনসারুল করিম মেয়েকে বিদ্যালয়ে দিয়ে যান। অথচ দুপুরে নিজের বাসার সামনেই সেই মেয়েকে অটোরিকশার ধাক্কায় রক্তাক্ত হতে দেখেন তিনি। দ্রুতগতির অটোরিকশার ধাক্কায় গুরুতর আহত হয় ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের এই ছাত্রী। দুই হাত, মাথা, ঠোঁটসহ পুরো মুখমণ্ডলে গুরুতর জখম হয় তার। পরে দুটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয় শিশুটিকে।

মেয়ের এমন পরিণতিতে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক পোস্ট দেন আনসারুল করিম। নিজের বাসার নিচেও সন্তান নিরাপদ না থাকলে নগরবাসী কোথায় নিরাপদ-এমন প্রশ্ন তুলে তিনি লেখেন, মানবতাবাদী কোন বিচারপতি কিংবা আইনজীবী কি দেশে নেই-যিনি বা যাঁরা আজরাইল-রূপী এই অটোরিকশা থেকে বাংলাদেশের মানুষকে বাঁচানোর লক্ষ্যে একেবারেই নিষিদ্ধ করতে পারবেন।
শুধু সাকিব কিংবা নাওয়াল নয়, এসব যানবাহনের ধাক্কায় কিংবা অন্য যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অনেকে। ঘটেছে প্রাণহানিও। মহাসড়কে এসব যান চলাচল নিষিদ্ধ হলেও নগরের সড়ক ও অলি-গলিতে এগুলোর চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।

বিশিষ্ট নগরপরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদারও এই অটোরিকশার ভুক্তভোগী। বাসার সামনে সড়ক পার হওয়ার সময় অটোরিকশার ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে প্রায় দুই মাস বিছানাবন্দি ছিলেন তিনি। চিকিৎসায় খরচ হয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার টাকা। প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, এই অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ পঙ্গু মানুষের দেশে পরিণত হবে।

গত এক বছরে শুধু লালখান বাজার এলাকায় আমি এক ডজন অটোরিকশা দুর্ঘটনা চাক্ষুষ করেছি। এই গাড়ি কোনোভাবেই সড়কের জন্য ভারসাম্যপূর্ণ নয়। অপ্রশিক্ষিত ও নিবন্ধনবিহীন চালকেরা এসব গাড়ি চালাচ্ছেন, যাদের ওপর রাষ্ট্রীয় কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। এই গাড়ি দেখে মনে হয়-যেন মানুষ হত্যার একটা মেশিন সড়কে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ইঞ্জিন দ্রুত মেরামতে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের নির্দেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ), লোকোসেড, সিজিপিওয়াই, কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) ও পদ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) এসব স্থাপনা পরিদর্শন করেন তিনি। পরিদর্শনকালে রেলওয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (সিই), চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (সিওপিএস), চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (সিসিএম), চট্টগ্রামের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) এবং পাহাড়তলীর ডিএসডব্লিউসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় তিনি একাডেমির একাডেমিক ভবন, প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ কক্ষ, ডরমেটরি ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।এরপর তিনি সিজিপিওয়াই, টার্ন টেবিল, ট্রায়াঙ্গেল লাইন, ইয়ার্ড লাইন ও লোকোসেড পরিদর্শন করেন। লোকোসেড পরিদর্শনকালে ইঞ্জিন দ্রুত মেরামত ও সচল রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন পরামর্শ ও নির্দেশনা দেন।

পরে সিজিপিওয়াই এলাকায় কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় সিসিবিএলের সঙ্গে রেলওয়ের বিভিন্ন চুক্তি, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং সীমানা নির্ধারণসংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া দ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ