চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত

জহিরুল ইসলাম সুমন চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি(এস ১২০৬৮) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শাখার কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা জেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম।
এ উপলক্ষে শনিবার দুপুরে চৌদ্দগ্রাম বাজারস্থ এম এ করিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা সহকারী শিক্ষক সমিতি আহবায়ক মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা জেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক মোঃ রাশেদ মিয়া, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল বাশাল, মিডিয়া সম্পাদক বিশ^জিৎ।
গুণবতী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্যে রাখেন কাশিরনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোস্তফা কামাল, আঠারবাক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোজাম্মেল হোসেন, কালকোট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাহাবুদ্দিন, শাহ ইমরান, পায়ের খোলা বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দেবাশীষ, কোমারডগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হাফেজ আনোয়ার, গোমারবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হারুনুর রশিদ, শামুকসার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুর রহমান, রামরায়গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোর্শেদা আক্তার, শ্রীপুর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কাজী মাহমুদুল হক শাহাদাত, ঝিকড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গাজী সাইফুল ইসলাম, ফালগুণকরা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আবদুস সহিদ চৌধুরী, খিরণশাল ইসলামিয়া ফাযিল মাদ্রাসার প্রভাষক জহিরুল ইসলাম মজুমদার, দক্ষিণ শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কাজী তারেক মাহমুদ, শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবু তাহের, ফুলের নাওড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফরিদ আহমদ, বধুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহমুদুর রহমান, ঝিকড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আমান উল্যাহ, নানকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আমির হোসেন, আলকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুমন চন্দ্র দেবনাথ, বধুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল হোসেন মাহফুজ, কাশিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ওমর ফারুক মজুমদার ও পাঁচরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক চন্দন সাহা প্রমুখ।
কাউন্সিল অধিবেশন শেষে ১১১ সদস্য বিশিষ্ট চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির কমিটি ঘোষণা করেন কুমিল্লা জেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম। কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন: সভাপতি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ সেলিম মিয়া, মোঃ মহিউদ্দিন, গোলাম সারোয়ার, মোঃ আবু তাহের, ফরিদ উদ্দিন, আবুল হোসেন মাহফুজ, মোঃ আমির হোসেন, ছালেহ আহম্মদ, সাজেদা সুলতানা লিখা, ফেরদৌস আরা নাছিমা, সহসভাপতি মোঃ আমান উল্যাহ ভূঁইয়া, মোঃ শাহাদাত হোসেন, মোঃ মিজানুর রহমান, লুৎফুন নাহার মুক্ত, হাফেজ আনোয়ার হোসেন, শাহজাহান কবির সোহাগ, কামরুন নাহার শিমু, মোতালেব হোসেন, সুমন চন্দ্র দেবনাথ, পলাশ চন্দ্র সূত্রধর, হোসনা আক্তার, সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুস সহিদ চৌধুরী, ওমর ফারুক মজুমদার, ফখরুল ইসলাম, মোঃ শাহীন মিয়া, সাহাব উদ্দিন মজুমদার, মোঃ নজরুল ইসলাম, কামরুল হাসান, মনির আহম্মদ, গাজী মোঃ সোহরাব হোসেন, জাহিদুল ইসলাম শামীম, আবদুল গণি, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাইনুর রশিদ সেলিম, ফজলুল করিম মজুমদার, মোঃ জামাল উদ্দিন, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, জামাল উদ্দিন, কোহিনুর আক্তার, মোহাম্মদ ইলিয়াছ, মোঃ ইয়াছিন, সহসাধারন সম্পাদক আবুল হাছান, মোঃ শাহ আলম, সীমা রায়, তামান্না আক্তার, মাহফুজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ইমরান, জাকির হোসেন, কাজী হোসাইন, মোজাম্মেল হক, মহিলা সম্পাদক আয়েশা আক্তার জুঁই, সহমহিলা সম্পাদক মোর্শিদা আক্তার, নিগার সুলতানা, হোসনেয়ারা, দপ্তর সম্পাদক চন্দন চন্দ্র সাহা, সহ দপ্তর সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন, অর্থ সম্পাদক কাজী মাহমুদুল হক, সহ অর্থ সম্পাদক চৌধুরী, জহির উদ্দিন, ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া সম্পাদক নুরুল আমিন, সহ ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, প্রচার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, সহ প্রচার সম্পাদক মোসাম্মৎ সায়েমা আক্তার, সোহেল রানা শুভ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সহ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক তোফায়েল হোসেন, রফিকুল ইসলাম, দেবাশীষ কর্মকার, সামাজিক ও যোগাযোগ মাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মহিউদ্দিন, সহ সামাজিক ও যোগাযোগ মাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক আকলিমা আক্তার, জাহিদ পাটোয়ারী, শিক্ষা প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এফরানুল হক, সহ শিক্ষা প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মামুনুর রশিদ মোল্লা, সায়মা, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ছোটন হাজারী, সহ সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মায়মুনা আক্তার, শামিম হোসেন, আইন সম্পাদক আবু হানিফ, সহ আইন সম্পাদক সাব্বির আহমেদ, আলেয়া আক্তার, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোস্তফা কামাল, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক(অন্যান্য) জীবন কৃঞ্চ সূত্রধর, সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা রহমান, অশোক কুমার, সমবায় ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম পাটোয়ারী, সহ সমবায় ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মহিবুল্লাহ, বিপুল ভট্টাচার্য, আপ্যায়ন সম্পাদক আবুল কাশেম রনি, সহ আপ্যায়ন সম্পাদক জোটন হাজারী, আবদুল হাকিম, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ, সহ তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক কাজী তারেক মাহমুদ, আবু বক্কর ছিদ্দিক, প্রাক-প্রাথমিক বিষয়ক সম্পাদক রুবায়েত ইসলাম, প্রাক-প্রাথমিক বিষয়ক সম্পাদক নুরে আলম জিকু, যোবায়ের হোসেন, উদ্ভাবনী ও পরিকল্পনা সম্পাদক আবদুর রহিম, সহ উদ্ভাবনী ও পরিকল্পনা সম্পাদক মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন, কাব বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান, সহ কাব বিষয়ক সম্পাদক মনির হোসেন, আতিকুর রহমান, সদস্য তানজিনা আক্তার, ইভানা চৌধুরী, সেলিনা আক্তার, কাজী সিলভিয়া নেনসারিন, মোসাম্মৎ নাঈমা আক্তার, আইরিন সুমি, রাজিব আহম্মদ ও শারমিন আক্তার।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম মহানগরে সড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাটারিচালিত রিকশার বেপরোয়া চলাচলের কারণে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচল দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। নগরবাসীর জীবনে ‘সাক্ষাৎ আজরাইল’ হয়ে উঠা এই ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলো আগে অলিগলিতে চলাচল সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন মূল সড়ক দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে। পরাগ ও বিভাটেক এর নির্মিত এই ইজিবাইক ও ব্যাটারি রিকশাগুলোর দাপটে অসহায় হয়ে পড়েছে অন্যান্য যান ও পথচারীরা। এসব রিকশায় অদক্ষ চালকের এলোমেলো চলাচল, আইন না মানার প্রবণতা, উল্টোপথে চলা, যেখানে- সেখানে হুটহাট রিকশা ঘোরানো, পার্কিংসহ সব মিলিয়ে চট্টগ্রাম নগরীতে প্রতিদিনই তৈরি হচ্ছে বিশৃঙ্খলা। ঘটছে দূর্ঘটনা। যেন দেখার কিউ নেই। ট্রাফিক বিভাগ অনেক অসহায় ভাবে যেন তেন ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মহানগরের চকবাজার, বাকলিয়া, নিউ মার্কেট, কোতোয়ালি, আগ্রাবাদ, জিইসি, ২ নম্বর গেইট, বাকলিয়া নতুনব্রিজ, খুলশী, জালালাবাদ, বায়েজিদ, পোর্ট কলোনী, আকবর শাহ, হালিশহর, পাহাড়তলী এলাকা ঘুরে প্রায় সব মূল সড়কে অসংখ্য ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজিবাইক চলতে দেখা গেছে। এতে বাড়ছে জনভোগান্তি, সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট। গণপরিবহনকেও ওভারটেক করতে পিছপা হয় না এসব যানবাহন। এ বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে কথা হলেও কোনোভাবেই এসব বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। চসিকও নীরব।

সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভুঁইয়া বলেন, মহানগরীর গণপরিবহনের ক্ষেত্রে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা এক ধরনের মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেলে দেখা যাবে, আহতদের ১০ থেকে ৩০ শতাংশই অটোরিকশাজনিত দুর্ঘটনার শিকার। এসব গাড়ির বিষয়ে সরকার একটি সিদ্ধান্তের দিকে এগোচ্ছে। আমরা আপাতত সেই সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। পাশাপাশি নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে, অভিযান আরও জোরদার করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

এদিকে চট্টগ্রাম শহরে ঠিক কতটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলছে, তার সুনির্দিষ্ট হিসাব নেই। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, নগরের সড়কে অবৈধভাবে দেড় লাখের বেশি অটোরিকশা চলছে। এসব গাড়ির নেই অনুমোদন, লাইসেন্স ও রুট পারমিটও নেই। অথচ অপ্রশিক্ষিত চালকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে দ্রুতগতির এই যান। অনেক সময় পুলিশ ধরবে এ কারণে বেপরোয়া গতিতে রংসাইডে দ্রুতগতিতে চালিয়ে নিয়ে যান। এতে প্রাণহানি কিংবা পঙ্গুত্ব বরণের ঘটনা ঘটছে। গতির বিষয়ে কোনো ধারণা নেই চালকদের। খেয়ালখুশিমতো রাস্তায় এসব ‘ভয়ংকর যান’ রাজত্ব করছে। মনে হচ্ছে দেখার কেউ নেই। এসব ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণ করা না হলে সামনে ভয়ংকর বিপদ অপেক্ষা করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর নগরের সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। এরপর বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে এসব রিকশা জব্দ করা হয়। গত বছরের ১৮ এপ্রিল কাপাসগোলা এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা উল্টে হিজরা খালে পড়ে ছয় মাস বয়সী সেহেরীশ নিহত হয়। এরপর এসব রিকশার বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করে সিএমপি। নগরের বিভিন্ন সড়ক ও গ্যারেজ থেকে তিন হাজারের বেশি রিকশা জব্দ এবং ব্যাটারি চার্জিং পয়েন্টের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

কিন্তু কয়েক দিন পরই জব্দ করা রিকশা ছেড়ে দেওয়া হয়। আবারও সেগুলো নিয়ে রাস্তায় নামেন চালকেরা। নগরের বিভিন্ন দোকানেও নির্বিঘ্নে বিক্রি হচ্ছে এসব যান। ফলে শুধু সড়কে অভিযান চালিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বন্ধ করতে হবে আমদানি ও বিক্রি, ঠেকাতে হবে কারখানায় তৈরি। তবেই কমানো সম্ভব দুর্ঘটনা, প্রাণহানি ও অঙ্গহানির ঝুঁকি।
জানা গেছে, মো. সাকিবের বাড়ি বাঁশখালী উপজেলায় হলেও থাকতেন চট্টগ্রাম শহরে। পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি করতেন, করতেন টিউশনিও। মাকে একটু সুখে রাখতে চলছিল তাঁর বিরামহীন জীবনসংগ্রাম। কিন্তু বাকলিয়া থেকে টিউশনি শেষে ফেরার পথে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় থেমে যায় সেই সংগ্রাম।

হাসপাতালে চার দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে গত ২৬ জুলাই না ফেরার দেশে পাড়ি জমান সাকিব। সাকিবের মতো এমন অনেকের জীবনেই এখন আতঙ্কের নাম ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। এটি কারও কেড়ে নিচ্ছে জীবন, কারও জন্য রেখে যাচ্ছে সারাজীবনের ক্ষত। সেই আতঙ্ক থেকে রেহাই পায়নি তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী নাওয়াল আনসারীও। পুলিশ কর্মকর্তা বাবা আনসারুল করিম মেয়েকে বিদ্যালয়ে দিয়ে যান। অথচ দুপুরে নিজের বাসার সামনেই সেই মেয়েকে অটোরিকশার ধাক্কায় রক্তাক্ত হতে দেখেন তিনি। দ্রুতগতির অটোরিকশার ধাক্কায় গুরুতর আহত হয় ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের এই ছাত্রী। দুই হাত, মাথা, ঠোঁটসহ পুরো মুখমণ্ডলে গুরুতর জখম হয় তার। পরে দুটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয় শিশুটিকে।

মেয়ের এমন পরিণতিতে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক পোস্ট দেন আনসারুল করিম। নিজের বাসার নিচেও সন্তান নিরাপদ না থাকলে নগরবাসী কোথায় নিরাপদ-এমন প্রশ্ন তুলে তিনি লেখেন, মানবতাবাদী কোন বিচারপতি কিংবা আইনজীবী কি দেশে নেই-যিনি বা যাঁরা আজরাইল-রূপী এই অটোরিকশা থেকে বাংলাদেশের মানুষকে বাঁচানোর লক্ষ্যে একেবারেই নিষিদ্ধ করতে পারবেন।
শুধু সাকিব কিংবা নাওয়াল নয়, এসব যানবাহনের ধাক্কায় কিংবা অন্য যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অনেকে। ঘটেছে প্রাণহানিও। মহাসড়কে এসব যান চলাচল নিষিদ্ধ হলেও নগরের সড়ক ও অলি-গলিতে এগুলোর চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।

বিশিষ্ট নগরপরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদারও এই অটোরিকশার ভুক্তভোগী। বাসার সামনে সড়ক পার হওয়ার সময় অটোরিকশার ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে প্রায় দুই মাস বিছানাবন্দি ছিলেন তিনি। চিকিৎসায় খরচ হয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার টাকা। প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, এই অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ পঙ্গু মানুষের দেশে পরিণত হবে।

গত এক বছরে শুধু লালখান বাজার এলাকায় আমি এক ডজন অটোরিকশা দুর্ঘটনা চাক্ষুষ করেছি। এই গাড়ি কোনোভাবেই সড়কের জন্য ভারসাম্যপূর্ণ নয়। অপ্রশিক্ষিত ও নিবন্ধনবিহীন চালকেরা এসব গাড়ি চালাচ্ছেন, যাদের ওপর রাষ্ট্রীয় কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। এই গাড়ি দেখে মনে হয়-যেন মানুষ হত্যার একটা মেশিন সড়কে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ইঞ্জিন দ্রুত মেরামতে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের নির্দেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ), লোকোসেড, সিজিপিওয়াই, কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) ও পদ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) এসব স্থাপনা পরিদর্শন করেন তিনি। পরিদর্শনকালে রেলওয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (সিই), চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (সিওপিএস), চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (সিসিএম), চট্টগ্রামের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) এবং পাহাড়তলীর ডিএসডব্লিউসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় তিনি একাডেমির একাডেমিক ভবন, প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ কক্ষ, ডরমেটরি ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।এরপর তিনি সিজিপিওয়াই, টার্ন টেবিল, ট্রায়াঙ্গেল লাইন, ইয়ার্ড লাইন ও লোকোসেড পরিদর্শন করেন। লোকোসেড পরিদর্শনকালে ইঞ্জিন দ্রুত মেরামত ও সচল রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন পরামর্শ ও নির্দেশনা দেন।

পরে সিজিপিওয়াই এলাকায় কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় সিসিবিএলের সঙ্গে রেলওয়ের বিভিন্ন চুক্তি, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং সীমানা নির্ধারণসংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া দ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ