নেত্রকোনায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস উদযাপিত

মোঃ নুর উদ্দিন মন্ডল দুলাল নেত্রকোনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তারুণ্যের অংশগ্রহণ খেলাধুলার মানোন্নয়ন” এই শ্লোগানকে প্রতিপাদ্যে এবং নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে নেত্রকোনায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস উদযাপিত হয়েছে।

রবিবার (৬ এপ্রিল) এ দিবসকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সামনে থেকে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ও জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাসের নেতৃত্বে এক বর্নাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি পৌরশহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মুক্তাপাড়া মাঠে এসে শেষ হয়। পরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে জেলা ক্রীড়া কমিটির সদস্য শাহনুল কবির মুন্নার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাফিকুজ্জামান, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিক, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা সেতু আক্তার, প্রেস ক্লাবের সম্পাদক মাহবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এসএম মনিরুজ্জামান দুদু, জেলা জামাত ইসলামির সহকারি সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সংগঠক প্রীতম সোহাগ, জেলা বিএনপির সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও জাসাস জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য কবি তানভীর জাহান চৌধুরীসহ আরো অনেকে।

এছাড়াও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য মো. সারোয়ার জাহান জনি, মাহফুজুর রহমান খান, কে. এম. সাখাওয়াত হোসেনসহ বিভিন্ন ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভা শেষে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য আবুল কাশেমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রীতি ফুটবল ম্যাচের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ক্যারাটেতে ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন সুপর্বা সুধা বিশ্বাস

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সুপর্বা সুধা বিশ্বাস ২য় জাতীয় জুনিয়র ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ এ ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ক্যাডেট বিভাগের ৬০+ কুমিতে ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহন করে তিনি এই স্বর্ণপদক অর্জন করে। এতে সারাদেশ থেকে শিশু, ক্যাডেট, জুনিয়র এবং অনুর্ধ ২১ ক্যাটাগরিতে প্রায় ১৫০০ খেলোয়াড় অংশগ্রহন করে। ইতিমধ্যে সে গত জুলাই মাাসে অনুষ্ঠিত ২য় সাউথ এশিয়ান করাতে চ্যাম্পিয়নশীপে বাংলাদেশের হয়ে ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করে।

সুপর্বা সুধা বিশ্বাস সাইডার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে অষ্টম শ্রেনীতে অধ্যায়নরত। নিয়মিতভাবে কোচ টুলু-উশ-শামসের অধীনে খুলশী করাতে ক্লাবে নিয়মিত প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। সে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালে কর্মরত কর্ণিয়া বিশেষজ্ঞ ডা. সুজিত কুমার বিশ্বাস ও অকুলার অঙ্কোলজিষ্ট ডা. সোমা রাণী রায়ের কন্যা। ভবিষ্যতে সে ভালা কিছু করার দৃঢ আশা ব্যক্ত করে সবার আশিবার্দ ও দোয়াপ্রার্থী।

ক্রিকেট সিক্সেস টুর্নামেন্ট ১৫ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন চিটাগাং ক্লাব ব্লু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো আয়োজিত আন্তঃক্লাব ক্রিকেট সিক্সেস টুর্নামেন্টে শিরোপা জিতেছে চিটাগাং ক্লাবের ব্লু দল। ফাইনালে বালিসেরা ভ্যালি ক্লাবকে ১৫ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় দলটি।চিটাগাং ক্লাব লিমিটেডের (সিসিএল) আয়োজনে দুই দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।গত শুক্রবার রাতে চিটাগাং ক্লাব অডিটরিয়ামে টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ করা হয়। ক্লাবের চেয়ারম্যান শোভন এম শাহাবুদ্দিন রাজ বিজয়ী দলের হাতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে দেন।অনুষ্ঠানে ক্লাবের কার্যকরী কমিটির সদস্য ও ক্রিকেট বিভাগের মেম্বার ইনচার্জ ডা. ফাহিম হাসান রেজা স্বাগত বক্তব্য দেন। টুর্নামেন্ট সাবকমিটির পক্ষে বক্তব্য দেন মঞ্জুরুল হক মঞ্জু ও চৌধুরী এম মাহতাবউদ্দিন হুমায়ুন।
চ্যাম্পিয়ন দলের নেতৃত্ব দেন ফয়সাল দস্তগীর। দলের অন্য খেলোয়াড়েরা হলেন, ইবনুল হায়দার রিপন, রিয়াদ মোহাম্মদ মোস্তাফা, মো. কায়সার পারভেজ চৌধুরী, শাহেদ শাকিল, জাবেদ ইউসুফ, ওয়ালী আফনান, রিয়াদ আশরাফ, ওমর খলিল ও আহসানুল আবেদীন চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে ক্লাবের ভাইস চেয়ারম্যান মো. সৈয়দুল আনোয়ার ফরহাদ, জেনারেল কমিটির সদস্য জাবেদ হাশেম নান্নু, দিলদার আহমেদ দিলু, মোহাম্মদ সরওয়ার হাসান টিটু, মোহাম্মদ কামরুজ্জামান লিটন, মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম ও শেখ হাছান জামানসহ এবং ইন্টার ক্লাব ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সাব কমিটির মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, মো. শাহ একরাম, রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী, আহসানুল আবেদীন চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার ফজলে রাব্বি খান সাজ্জাদ, ফজলে আহসান খান, ফজলে বারী খান, ইবুনল হায়দার রিপন, আবুল হাশেম রাজা প্রমুখ কর্মকর্তাবৃন্দ সহ অংশগ্রহণকারী ক্লাব ও টিম সমূহের খেলোয়াড়বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে – জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন-দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করছে, তাদের প্রত্যেককে একে একে জবাব দেওয়া হবে। আজ ৭ নভেম্বর শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আয়োজিত শোভাযাত্রার আগে এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহু বছর পর দেশের মানুষ মুক্তভাবে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের সুযোগ পেয়েছে। তবে দেশের বিরুদ্ধে আবারও একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। অতীতের মতো এবারও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ও স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এ দেশের মানুষকে কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দমিয়ে রাখা যাবেনা।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছিল। স্বাধীনতার পেছনে মানুষের প্রত্যাশা ছিল একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের ভেতরে ও বাইরে বিভিন্ন মহল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব মেনে নিতে পারেনি। তারা সাধারণ মানুষকে দাবিয়ে রাখা এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী অপশক্তিকে পরাজিত করা হয়েছিল। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আবারও গণতন্ত্রের সূচনা হয়। তবে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার মেনে নিতে না পারা একটি মহল বিভিন্ন সময়ে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করেছে। বারবার জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ আবারও তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়েও জনগণের সেই অধিকার বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করেছে। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের মতো ২০২৪ সালের ৫ আগস্টও জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে অপশক্তিকে পরাজিত করেছে।তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আন্দোলন শুধু দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, একই সঙ্গে ছাত্র-জনতা স্বৈরাচারী শক্তিকেও দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। বাংলাদেশের মানুষ অতীতেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। তাই কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের আন্দোলন ও অর্জন থামিয়ে রাখা যাবে না।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের মতো আবারও একটি মহল দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বাধাগ্রস্ত করতে চায়। একই সঙ্গে জনগণের ভোটের রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনব্যবস্থা বন্ধ করার চেষ্টা করছে। তবে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর, ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনা প্রমাণ করে, এ দেশের মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে জানে।

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জাতীয় ঐক্যের ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো বিভেদ থাকা উচিত নয়। জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
অতীতের বিভিন্ন আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের মতো এবারও ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি ষড়যন্ত্রের জবাব একে একে দেওয়া হবে। কোনো শক্তিই বাংলাদেশের মানুষকে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ