বাংলাদেশ ফাইটার কারাতে এসোসিয়েশনের কমিটি গঠন।

কে এম রাজীব

সভাপতি ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক নায়ক রুবেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রীয় সংগঠন বাংলাদেশ ফাইটার কারাতে এসোসিয়েশন এর নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল সংগঠনের নিজ কার্যালয়ে বার্ষিক সাধারণ সভায় ৭৭ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি গঠন করা হয়। নতুন কমিটিতে সভাপতি পদে আবারও নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের মার্শাল আর্টের জনক প্রযোজক, পরিচালক ও নায়ক ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক পদে আবারও নির্বাচিত হয়েছেন মার্শাল আর্টের কিংবদন্তি লড়াকু নায়ক মাসুম পারভেজ রুবেল।

কমিটির সম্পাদকিয় অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সিনিয়র সহসভাপতি পদে নুর মোহাম্মদ খালিদ আহম্মেদ বিদ্যূত, সহ-সভাপতি বি এম আশরাফ, মার্শাল শাহাজাদা মোল্লা, আমিনুল ইসলাম, আনিসুর রহমান নয়ন, মোহাম্মদ আলী, ইদ্রিস আলী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তনু পান্ডে, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাফুদ্দৌলা সিদ্দিকী খোকন, আলমগীর চৌধুরী আলম, রেহেনা পারভিন, রোমানা ইসলাম মুক্তি, মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইউনুস খান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শরিতুল, মোঃ জাহাঙ্গীর,

ক্রীড়া সম্পাদক আব্দুল লতিফ চিতা, সহ–ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ আব্দুর রহমান, মোঃ শরীফ, অর্থ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম, সহ- অর্থ সম্পাদক মোঃ হানিফ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মাসুকা নাসরীন রাকা, সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নূরানী আশরাফ নাজু, শিক্ষা ও আইন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ইসমাইল সিকদার, সহ- শিক্ষা ও আইন বিষয়ক সম্পাদক মইনুল ইসলাম মনু, প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ সংযম ইসলাম প্রাপ্ত, সহ-প্রকাশনা সম্পাদক ময়নাল হোসেন মঈন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শাহাজাদা বাবু, সহ-সমাজ কল্যাণ সম্পাদক জালাল আহম্মেদ,

গবেষণা সম্পাদক তাজওয়ার আলম, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান, সহ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ মুজিবুর রহমান ভূইয়া, প্রচার সম্পাদক তরিকুল ইসলাম পলাশ খান, সহ-প্রচার সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মার্শাল জনি, সহ-তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মোঃ কবির, যুব মানবাধিকার সম্পাদক কে এম সাইফুল ইসলাম খান, সহ-মানবাধিকার সম্পাদক সাইদ, সাংস্কৃতি সম্পাদক মিজানুর রহমান শামীম, সহ-সাংস্কৃতি সম্পাদক বিথী, বাধন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন ও সহ- আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রাজগুল আহম্মেদ রাজু।

এছাড়া সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, সাহেদ, শিপলু, আশা, ফারুক, আলমগীর, মোশারফ, আব্দুল মতিন, শরিফুল, জয়নাল, মার্শাল হাসান, মোঃ সুমন, জুয়েল সরকার, বাবুল আহম্মেদ, তপন মন্ডল, রুহুল আমিন, হান্নান, ইব্রাহিম খলিল, সিরাজুল ইসলাম, কে এম রাজীব, মুহাম্মদ সাহিদ এমরান সিশু, রাজওয়ার আলম, এস এইচ প্রীতম, লিটন গাজী, নুরে আলম, তাহের, পাভেল, কাজল পাশা, ওয়াদুদ, আনোয়ার, হায়দার, কাজল আইচ ও আক্তার হোসেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ইঞ্জিন দ্রুত মেরামতে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের নির্দেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ), লোকোসেড, সিজিপিওয়াই, কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) ও পদ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) এসব স্থাপনা পরিদর্শন করেন তিনি। পরিদর্শনকালে রেলওয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (সিই), চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (সিওপিএস), চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (সিসিএম), চট্টগ্রামের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) এবং পাহাড়তলীর ডিএসডব্লিউসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় তিনি একাডেমির একাডেমিক ভবন, প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ কক্ষ, ডরমেটরি ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।এরপর তিনি সিজিপিওয়াই, টার্ন টেবিল, ট্রায়াঙ্গেল লাইন, ইয়ার্ড লাইন ও লোকোসেড পরিদর্শন করেন। লোকোসেড পরিদর্শনকালে ইঞ্জিন দ্রুত মেরামত ও সচল রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন পরামর্শ ও নির্দেশনা দেন।

পরে সিজিপিওয়াই এলাকায় কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় সিসিবিএলের সঙ্গে রেলওয়ের বিভিন্ন চুক্তি, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং সীমানা নির্ধারণসংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া দ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার : কণ্ঠশিল্পী জুলির বিবৃতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‌্যালিতে বিতর্কিত ঈদ রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতাযুক্ত শিল্পীকে দিয়ে গান পরিবেশন করানোর অভিযোগ তুলে একটি কুচক্রী মহল ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি। এসব অপপ্রচার সর্বতোভাবে ‘মিথ্যা’ দাবি করে তিনি বিবৃতি দিয়েছেন। সম্প্রতি এ বিষয়ে নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি প্রতিবাদলিপি প্রকাশ করেন এই শিল্পী।


বিবৃতিতে কণ্ঠশিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি বলেন, একজন পেশাদার শিল্পী হিসেবে বিভিন্ন রাজনৈতিক বা সামাজিক সংগঠনের অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করা তাঁর পেশাগত দায়িত্বের অংশ, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এতে তাঁর সম্মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যম এবং সামাজিকমাধ্যমে আমার ব্যাপারে ছড়নো বিভ্রান্তমূলক ও মিথ্যা তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কিছু ব্যক্তি আমার সফলতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মানহানীর সংবাদসহ নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মানহানিকর। একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে আমার সম্মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করছে। আমি উক্ত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সংবাদমাধ্যমের কাছে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে শিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি বলেন, সংবেদনশীল কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া সাংবাদিকতার মৌলিক দায়িত্ব। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা অনুসরণ করা হয়নি।

তিনি বলেন, আমি কখনোই কোনো রাজনৈতিক দলের দলীয় পদ-পদবীতে ছিলাম না এবং এখনো নেই। ১৭ বছর ধরে পেশাদার শিল্পী হিসেবে বিভিন্ন আয়োজনে গান গেয়ে আসছি। কিন্তু অতীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সময় ধারণ করা ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে একটি কুচক্রী মহল আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেনস্তা করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ ধরনের মানহানিকর মিথ্যাচার থেকে সকলকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে এই শিল্পী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে মানহানি ও অপপ্রচারের ঘটনায় প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেন তিনি।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ