নতুন অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী এক হাজার ১১৯টি পদের বাইরে আরো ৪০০ থেকে সাড়ে ৪০০ লোকবলের প্রয়োজন হবে।

আউটসোর্সিংয়ে লোক নিয়ে সামালের চেষ্টা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রাম ওয়াসা : নিয়োগের উদ্যোগ আলোর মুখ দেখেনি আট বছরেও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সেবা সংস্থা চট্টগ্রাম ওয়াসায় সর্বশেষ নিয়োগ হয়েছিল ২০১৭ সালে। গত আট বছরে ওয়াসা একাধিকবার লোক নিয়োগের উদ্যোগ নিলেও শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি। একই সময়ে ওয়াসার গ্রাহকের সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি হলেও লোকবল বাড়েনি একজনও, বরং অবসরজনিত কারণে কমেছে ব্যাপক জনবলও। অথচ একই সময়ে ওয়াসার পানি উৎপাদনের সক্ষমতাও বেড়েছে আগের চেয়ে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি। ফলে প্রয়োজনীয় লোকবল না থাকায় পদে পদে ভুগছে সংস্থাটি।

ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম ওয়াসার সর্বশেষ অনুমোদিত অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী বর্তমানে কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদের সংখ্যা এক হাজার ১১৯টি। কিন্তু বর্তমানে এসব পদের বিপরীতে লোকবল রয়েছে মাত্র ৫০২ জন। অর্থাৎ পদ শূন্য অর্ধেকের চেয়েও বেশি ৬১৭টি। বর্তমানে আউটসোর্সিংয়ে লোক নিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে ওয়াসা।

চট্টগ্রাম ওয়াসার ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের পরিচালক (স্থানীয় সরকার) মনোয়ারা বেগম বলেন, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে খুব সহসা ওয়াসার লোক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
এদিকে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে মেডিকেল অফিসার, রাজস্ব তত্ত্বাবধায়ক, কম্পিউটার অপারেটরসহ ১৮ পদে লোক নিয়োগের জন্য দরখাস্ত আহ্বান করে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়েছিল চট্টগ্রাম ওয়াসা। এর দুমাসের ব্যবধানে এপ্রিলে সংস্থাটি সহকারী প্রকৌশলী ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে লোক নিয়োগের জন্য আবারও বিজ্ঞাপন দেয়। যথারীতি এসব পদে লিখিত পরীক্ষাও হয়েছিল। এর মধ্যে সহকারী প্রকৌশলীর পদের রেজাল্ট প্রকাশ করা হয়েছিল। কিন্তু এটির মৌখিক পরীক্ষা আজ পর্যন্ত আর হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওয়াসার কয়েকজন কর্মকর্তা অভিযোগ করে বলেন, লোকবল সংকটে হিমশিম খাচ্ছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। অধিকাংশ কর্মকর্তাকে নিজের কাজের পাশাপাশি অতিরিক্ত দুই থেকে তিনটি দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। অতিরিক্ত কাজের চাপের কারণে কোন কোন কর্মকর্তাকে সাপ্তাহিক ছুটির দিনও দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম বলেন, গত ১০ বছরে ওয়াসা চারটি পানি সরবরাহ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। তাতে পানি উৎপাদনের সক্ষমতা দৈনিক ১৮ কোটি লিটার থেকে বেড়ে ৫০ কোটি লিটার হয়েছে। এসব প্রকল্প চালু রাখতে প্রচুর লোকবল দরকার। বিশেষ করে জনবলের অভাবে প্রকৌশল শাখায় কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে। তাতে প্রভাব পড়ছে পানি সরবরাহে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত এক দশকে ওয়াসার চারটি প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। এ কারণে অনুমোদিত নতুন অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী এক হাজার ১১৯টি পদের বাইরে আরো ৪০০ থেকে সাড়ে ৪০০ লোকবলের প্রয়োজন হবে। নতুনভাবে লোকবল দরকার ওয়াসার এমন প্রকল্পগুলো হচ্ছে- কর্ণফুলী পানি সরবরাহ প্রকল্প-১ ও ২, মদুনাঘাট পানি সরবরাহ প্রকল্প, ভান্ডালজুড়ি পানি সরবরাহ প্রকল্প এবং স্যুয়ারেজ প্রকল্প।
ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রথম অর্গানোগ্রাম তৈরি হয় ২০১৩ সালের ২৫ আগস্ট। ওই সময়ে ওয়াসার লোকবলের পদ ছিল ৭২১ জন। এর ৫ মাসের ব্যবধানে ২০১৪ সালের ১৮ জানুয়ারি দ্বিতীয় অর্গানোগ্রামে কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ ছিল ৯৫৯টি। সেবা সংস্থাটির ২০১০ সালে পানি উৎপাদন হতো দৈনিক প্রায় ১৮ কোটি লিটার। ওই সময়ে ওয়াসার গ্রাহক সংযোগ ছিল ৪৯ হাজার ৪৭৩টি। লোকবলের পদ ছিল ৭২১টি।

এরপর ২০১৪ সালের ১৮ জানুয়ারি চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ডের ১৪তম সাধারণ সভায় অনুমোদিত প্রথম সংশোধিত সেটআপ (অর্গানোগ্রাম) কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৯৫৯টি। এর দুবছর পর ২০১৬ সালের ৩১ জানুয়ারি চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ডের ৩২তম সাধারণ সভায় অনুমোদিত দ্বিতীয় সংশোধিত সেটআপ (অর্গানোগ্রাম) অনুযায়ী পদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ১০৪৮টি। সর্বশেষ ২০২১ সালে এক হাজার ১১৯ জনের নতুন একটি অর্গানোগ্রাম ওয়াসা বোর্ডের ৫৮তম সাধারণ সভায় তৃতীয় সংশোধিত সেটআপ (অর্গানোগ্রাম) অনুমোদিত হয়। কিন্তু এ অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী এখন পর্যন্ত আর কোনো জনবল নিয়োগ হয়নি। অথচ সংস্থাটির এখন গ্রাহক বেড়ে হয়েছে ৯৭ হাজার।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দোকান ঘর-সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ব্যবসায়ীর জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টায় দোকান ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে মো. সফি উল্যাহ চৌধুরী (৭০) নামে এক প্রবাসীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নূর নবী (৬০)। এ ঘটনায় তিনি কোম্পানীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নূর নবী ও তার ভাই-বোনেরা পৈত্রিক সূত্রে ১৩ নম্বর চরপার্বতী মৌজার সিএস ৯৯১ নম্বর খতিয়ানের ১২০৮ নম্বর দাগে নকশা অনুযায়ী ৩৮ দশমিক ৯০ শতাংশ জমির মধ্যে পাঁচ শতাংশের মালিক ও দখলদার। দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের করালিয়া এলাকায় ওই জমি দখলের উদ্দেশ্যে সফি উল্যাহ চৌধুরী অজ্ঞাতনামা দুই-তিনজনকে নিয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা জমিতে থাকা দোকান ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর করে আনুমানিক ১০ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন। পরে সেখানে মাটি ভরাট করে চলাচলের রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

এতে নূর নবী ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারধরের জন্য তেড়ে আসেন। একই সঙ্গে রাস্তা নির্মাণের কাজে বাধা দিলে মারধরের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় সংঘর্ষ ও শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কা করছেন অভিযোগকারী।

নূর নবী বলেন, তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের উদ্দেশ্যে বসতবাড়ি ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর করা হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় লোকজন ও আত্মীয়স্বজনকে জানানোর পর তাদের পরামর্শে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।তবে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে সফি উল্যাহ চৌধুরী বলেন, ‘সেটি প্রমাণের জন্য আমি আমার প্রতিনিধির মাধ্যমে ওসির কাছে উপস্থাপন করব।’
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, প্রতিদিন অনেক অভিযোগ জমা পড়ে। লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকলে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশের যোগসাশসে ইটভাটার জন্য প্রবাসীর জমি দখল চেষ্টার অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ইটভাটার জন্য এক দুবাই প্রবাসীর বসতভিটা দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মোহাম্মদীয়া ব্রিকফিল্ডের মালিক মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে। জমি দখলে বাধা দেওয়ায় প্রবাসীর স্ত্রী ও শ্যালককে হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি নির্মাণাধীন ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থানার তিন উপপরিদর্শকের (এসআই) বিরুদ্ধেও ইটভাটার মালিকের পক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং জমি বন্ধক দিতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ তুলেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী বিলকায়েছ আরা বেগম ও শ্যালক নূর হোসেন মানিক।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, কোম্পানীগঞ্জের সিরাজপুর গ্রামের দুবাই প্রবাসী আব্দুল গোফরানের কেনা বসতভিটার জমিতে ইটভাটা সম্প্রসারণ করতে চান জাকির হোসেন। এ জন্য জমির সীমানায় থাকা টিনের বেড়া ভেঙে দখলের চেষ্টা করছেন তিনি। জমি বিক্রি কিংবা তার কাছে বন্ধক না দিলে পরিবারটিকে এলাকায় বসবাস করতে দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে।

পরিবারটির দাবি, গত ১২ অক্টোবর দিবাগত রাতে জাকিরের লোকজন গোফরানের জমির দক্ষিণ পাশের টিনের বেড়া ভেঙে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গোফরানের স্ত্রী বিলকিস আরা বেগম থানায় মামলা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে বলেও দাবি পরিবারের।

তাদের অভিযোগ, ঘটনার পর রাত ৮টার দিকে এসআই নজরুল প্রবাসীর স্ত্রী ও তার বড় ভাইকে থানায় ডেকে নেন। সেখানে জাকিরের কাছে জমিটি বন্ধক দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তারা তাতে রাজি হননি। এর চার দিন পর, ১৬ অক্টোবর স্বামীর কেনা জমিতে ২১ ফুট বাই ১৬ ফুট আয়তনের টিন ও কাঠ দিয়ে একটি দোচালা ঘর নির্মাণ শুরু করেন বিলকায়েছ আরা বেগম। এ সময় কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই নজরুল, এসআই সুমন ও এসআই আনোয়ার ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করতে বলেন। একই সঙ্গে জাকিরের সঙ্গে সমঝোতা করে জমিটি তার কাছে বন্ধক দেওয়ার জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগ পরিবারের। অন্যথায় তাদের বিভিন্ন মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয় বলেও দাবি ভুক্তভোগীদের।

পরিবারটির ভাষ্য, পুলিশের কথায় রাজি না হয়ে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। ওই দিন রাতেই জাকিরের লোকজন নির্মাণাধীন দোচালা ঘর ও টিনের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। এতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাঁদের।

এ ঘটনায় ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে গত ২৬ অক্টোবর দুবাই দূতাবাসের মাধ্যমে নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আব্দুল গোফরান। অভিযোগটি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। সর্বশেষ গত ৩১ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে জাকিরের লোকজন আবারও ঘটনাস্থলে গিয়ে ভেঙে ফেলা ঘর ও সীমানাপ্রাচীরের কাঠ ও টিন নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

পরিবারটির আরও অভিযোগ, জাকির দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। রাষ্ট্রীয় নিয়মনীতি ও বিধিমালা উপেক্ষা করে উপজেলা প্রশাসনের নিরবতায় জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ‘মোহাম্মদীয়া’ নামের ইটভাটা পরিচালনা করা হচ্ছে। সেখানে শ্রমিক পরিচয়ে লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ তাদের।

অভিযোগ অস্বীকার করে ইটভাটার মালিক জাকির হোসেন বলেন, ইটভাটার ভেতরে প্রবাসীর ৯ শতাংশ জমি রয়েছে। ওই জমির ওপর আমার মাটির স্তূপ রয়েছে। আমি তাদের বকেয়া টাকা থাকলে নিয়ে যেতে এবং জমিটি বিক্রি করে দিতে বলেছি। কিন্তু তারা আমার কাছে জমি বিক্রি করতে রাজি হননি। পরে তাদের জায়গায় রাখা আমার মাটি ও ইটের খোয়া দিয়ে দিতে বললে তারা বাধা দেন। এরপর তারা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু করেন।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম বলেন, প্রবাসীর স্ত্রী প্রথমে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এরপর এসআই সুমন ও আনোয়ারও সেখানে যান। উভয় পক্ষকে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রেখে আদালতের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির পরামর্শ দেওয়া হয়। একপর্যায়ে অভিযোগকারী পক্ষ সেখানে ঘর নির্মাণ করতে গেলে ইটভাটার লোকজন বাধা দেন। পরে প্রবাসীর পরিবারসহ দুই পক্ষ বিষয়টি বর্তমান ওসিকে অবহিত করে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে পরে জানানো হবে।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ