সারাদেশ এখন আমার জন্য কারাগার : মোজাম্মেল।

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

কারা নির্যাতনের ৭ বছর আজ। তৎকালীন ফ্যাসিষ্ট সরকারের আশির্বাদপুষ্ট সড়ক মাফিয়াদের দেওয়া মিথ্যা গায়েবি মামলায় কারা নির্যাতন শেষ হলেও ঐ মিথ্যা গায়েবি মামলার ঘানি টানছি এখনো….

আমার অপরাধ আমি এ দেশের লক্ষ -কোটি শোষিত, অধিকার বঞ্চিত,নির্যাতিত, নিপিড়ীত যাত্রী সাধারণের পক্ষে কথা বলি। তাদের সুযোগ সুবিধার আদায়ে রাজপথে সোচ্চার ও প্রতিবাদী।

গণপরিবহনে ভাড়া নৈরাজ্য, যাত্রী হয়রানী, বিশৃঙ্খলা, অরাজকতা, চাঁদাবাজী, সড়ক দুর্ঘটনা ও অন্যায় ও অগ্রহণযোগ্য কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিগত দুই যুগ ধরে আপোষহীন আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে সোচ্চার । ফলে কালের প্রবাহে বিভিন্ন সময়ে বারবার কতিপয় দুর্নীতিবাজ পরিবহন মালিক -শ্রমিক, দুর্নীতিবাজ সরকারি কর্মকর্তা ও আমলাদের রোষানলে পড়তে হয়েছে আমাকে।

তারা সুযোগ বুঝে সময়ে সময়ে সরকারের মন্ত্রী, সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের ক্ষেপিয়ে তুলেছেন আমার বিরুদ্ধে। এরই ধারাবাহিকতায় তৎকালীন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশে আমাকে বিগত ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর রাতের আধাঁরে দেশজুড়ে আলোচিত চাঞ্চল্যকর এক মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বাদীবিহীন কথিত এক গায়েবি চাদাঁবাজীর মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে নিক্ষেপ করা হয় আমাকে। আমার নাম ও ঠিকানা বিহীন এই মামলাটি যে দিন দায়ের হয় ঐ দিন গভীর রাতে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ নারায়ণগঞ্জের সানারপাড়ের বাসা থেকে আমাকে গ্রেফতার করে। জামিনে বেরিয়ে আসার পরে জানতে পারি মিরপুর থানার পুলিশ আমার মামলা হওয়ার কয়েকদিন আগে থেকেই আমার এলাকায় ঘুরছে আমার সন্ধানে। আমি যখন জেলে ছিলাম তখনই এ গায়েবি মামলায় আমাকে হেনস্তার বিষয়গুলো আপনার যারা সচেতন তারা নিশ্চয়ই পত্র পত্রিকা ও টিভি মিডিয়ার যাবতীয় ঘটনা প্রবাহ জেনেছেন,দেখেছেন।

আপনারা যারা ভুক্তভোগী তারা নিশ্চয়ই জানেন, দেশের যাত্রী হয়রানী, ভাড়া নৈরাজ্য, পরিবহনে বিশৃঙ্খলা, অরাজকতা, সড়ক দুর্ঘটনায় অজশ্র প্রানহানী যখন নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িঁয়েছিল। যখন যাত্রীসাধারণের অধিকার নিয়ে কথা বলার কেউ ছিল না, যখন যাত্রীস্বার্থ ভুলুন্ঠিত হচ্ছিল, ইচ্ছেমত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য চলছিল, যাত্রীসাধারণকে কথায় কথায় অপমানিত করা হতো, এক কথায় দেশের যাত্রীসাধারণ গুটিকতেক অসাধু পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছিল, ঠিক তখনই সময়ের দাবীর প্রেক্ষিতে আজ থেকে দু’যুগ পূর্বে দেশের যাত্রীসাধারণের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকার নিয়ে আমি ও আমার কয়েকজন বন্ধুর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় গড়ে তুলেছিলাম প্রতিবাদী সংগঠন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। এই সংগঠনের দীর্ঘ দুই যুগের আন্দোলন সংগ্রামে দেশের পরিবহনে শৃঙ্খলা ও সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচনী অঙ্গীকারসহ সরকারের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী মহল থেকে ও বিভিন্ন সময়ে একাধিক নির্দেশনা এসেছে।

কিন্তু একটি কায়েমী স্বার্থবাদী গোষ্ঠী দেশের গণমানুষের আন্দোলনকে থামিয়ে দিতে বিভিন্ন সময়ে হামলা, হুমকি ও নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আন্দোলনটি থামিয়ে দিতে অপচেষ্টা চালাই। এতে ব্যর্থ হয়ে কথিত বাদীবিহীন গায়েবি চাদাঁবাজীর মামলা মিরপুর থানায় দায়ের করে ঠিকানাবিহীন ঐ মামলায় ০৫ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে নারায়ণগঞ্জের সানারপাড়ের বাসা থেকে আমাকে গ্রেফতার করে ।

সেই দিন এই মিথ্যা ও গায়েবী মামলায় গ্রেফতারের প্রতিবাদে দেশের বুদ্ধিজীবী, সুশীল সমাজ, দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠন, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যামে তীব্র প্রতিবাদ গড়ে উঠে। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালত ১০ সেপ্টেম্বর আমাকে জামিনে মুক্তি দিলেও পুলিশ কাফরুল থানার অস্ত্র ও বিষ্ফোরক আইনের দায়ের করা অপর মামলায় আমাকে গ্রেফতারের অপচেষ্টা চালাই । বিজ্ঞ আদালত মামলাটি খারিজ করে দিলে আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায় ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ০৮ ঢাকা কেন্দ্রিয় কারাগার থেকে আমি মুক্তি লাভ করি । আজো এই মামলার ঘানি টানতে হচ্ছে আমাকে।

কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করলেও এখন যেন পুরো বাংলাদেশটায় আমার কারাগার। স্বাধীন দেশে আমরা যেন পরাধীন নাগরিক!

ষড়যন্ত্রকারীরা আজো থামেনি। কেবল তাদের চরিত্র বদল হয়েছে। তারা নানাভাবে কখনো আমার চরিত্রে কালিমা লেপনের, কখনো আমাকে দুর্নীতিবাজ সাজাবার, কখনো আমাকে কোটি কোটি মালিক সাজাবার অপচেষ্টায় লিপ্ত।

তবে দেশের নির্যাতিত, নিপীডিত,অধিকার বঞ্চিত দিশেহারা সাধারণ মানুষের এই আন্দোলনটিকে আমি পবিত্র ইবাদত মনে করি। তাই মহান আল্লাহর রহমত ও গায়েবি সাহায্য সাথে রয়েছে । তাই এসব যড়যন্ত্রকারীরা সফল হতে পারেনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পুলিশের যোগসাশসে ইটভাটার জন্য প্রবাসীর জমি দখল চেষ্টার অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ইটভাটার জন্য এক দুবাই প্রবাসীর বসতভিটা দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মোহাম্মদীয়া ব্রিকফিল্ডের মালিক মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে। জমি দখলে বাধা দেওয়ায় প্রবাসীর স্ত্রী ও শ্যালককে হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি নির্মাণাধীন ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থানার তিন উপপরিদর্শকের (এসআই) বিরুদ্ধেও ইটভাটার মালিকের পক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং জমি বন্ধক দিতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ তুলেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী বিলকায়েছ আরা বেগম ও শ্যালক নূর হোসেন মানিক।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, কোম্পানীগঞ্জের সিরাজপুর গ্রামের দুবাই প্রবাসী আব্দুল গোফরানের কেনা বসতভিটার জমিতে ইটভাটা সম্প্রসারণ করতে চান জাকির হোসেন। এ জন্য জমির সীমানায় থাকা টিনের বেড়া ভেঙে দখলের চেষ্টা করছেন তিনি। জমি বিক্রি কিংবা তার কাছে বন্ধক না দিলে পরিবারটিকে এলাকায় বসবাস করতে দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে।

পরিবারটির দাবি, গত ১২ অক্টোবর দিবাগত রাতে জাকিরের লোকজন গোফরানের জমির দক্ষিণ পাশের টিনের বেড়া ভেঙে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গোফরানের স্ত্রী বিলকিস আরা বেগম থানায় মামলা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে বলেও দাবি পরিবারের।

তাদের অভিযোগ, ঘটনার পর রাত ৮টার দিকে এসআই নজরুল প্রবাসীর স্ত্রী ও তার বড় ভাইকে থানায় ডেকে নেন। সেখানে জাকিরের কাছে জমিটি বন্ধক দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তারা তাতে রাজি হননি। এর চার দিন পর, ১৬ অক্টোবর স্বামীর কেনা জমিতে ২১ ফুট বাই ১৬ ফুট আয়তনের টিন ও কাঠ দিয়ে একটি দোচালা ঘর নির্মাণ শুরু করেন বিলকায়েছ আরা বেগম। এ সময় কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই নজরুল, এসআই সুমন ও এসআই আনোয়ার ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করতে বলেন। একই সঙ্গে জাকিরের সঙ্গে সমঝোতা করে জমিটি তার কাছে বন্ধক দেওয়ার জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগ পরিবারের। অন্যথায় তাদের বিভিন্ন মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয় বলেও দাবি ভুক্তভোগীদের।

পরিবারটির ভাষ্য, পুলিশের কথায় রাজি না হয়ে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। ওই দিন রাতেই জাকিরের লোকজন নির্মাণাধীন দোচালা ঘর ও টিনের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। এতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাঁদের।

এ ঘটনায় ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে গত ২৬ অক্টোবর দুবাই দূতাবাসের মাধ্যমে নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আব্দুল গোফরান। অভিযোগটি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। সর্বশেষ গত ৩১ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে জাকিরের লোকজন আবারও ঘটনাস্থলে গিয়ে ভেঙে ফেলা ঘর ও সীমানাপ্রাচীরের কাঠ ও টিন নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

পরিবারটির আরও অভিযোগ, জাকির দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। রাষ্ট্রীয় নিয়মনীতি ও বিধিমালা উপেক্ষা করে উপজেলা প্রশাসনের নিরবতায় জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ‘মোহাম্মদীয়া’ নামের ইটভাটা পরিচালনা করা হচ্ছে। সেখানে শ্রমিক পরিচয়ে লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ তাদের।

অভিযোগ অস্বীকার করে ইটভাটার মালিক জাকির হোসেন বলেন, ইটভাটার ভেতরে প্রবাসীর ৯ শতাংশ জমি রয়েছে। ওই জমির ওপর আমার মাটির স্তূপ রয়েছে। আমি তাদের বকেয়া টাকা থাকলে নিয়ে যেতে এবং জমিটি বিক্রি করে দিতে বলেছি। কিন্তু তারা আমার কাছে জমি বিক্রি করতে রাজি হননি। পরে তাদের জায়গায় রাখা আমার মাটি ও ইটের খোয়া দিয়ে দিতে বললে তারা বাধা দেন। এরপর তারা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু করেন।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম বলেন, প্রবাসীর স্ত্রী প্রথমে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এরপর এসআই সুমন ও আনোয়ারও সেখানে যান। উভয় পক্ষকে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রেখে আদালতের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির পরামর্শ দেওয়া হয়। একপর্যায়ে অভিযোগকারী পক্ষ সেখানে ঘর নির্মাণ করতে গেলে ইটভাটার লোকজন বাধা দেন। পরে প্রবাসীর পরিবারসহ দুই পক্ষ বিষয়টি বর্তমান ওসিকে অবহিত করে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে পরে জানানো হবে।

দুই অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যু: বিচার ও যৌতুকপ্রথা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


চট্টগ্রামের পটিয়ায় দুই অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা এবং যৌতুকপ্রথা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে জাতীয় ছাত্র শক্তি পটিয়া উপজেলা শাখা।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে পটিয়া থানার মোড় চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সংগঠনের নেতাকর্মী, নিহত দুই নারীর পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জাতীয় ছাত্র শক্তি পটিয়া উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম তৌকির, মুখ্য সংগঠক মিছকাত আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব সাকিবুল ইসলাম সাকিব এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুল্লাহ আশরাফুল (সিফাত)।বক্তারা বলেন, যৌতুকের দাবিতে নারীর ওপর নির্যাতন ও প্রাণহানির ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। যৌতুকপ্রথা নারীর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার পথে বড় বাধা। এ সামাজিক ব্যাধি নির্মূলে পরিবার ও সমাজের সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

তারা আরও বলেন, পটিয়ায় দুই অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যুর ঘটনা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করতে হবে। তদন্তে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রচলিত আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
সমাবেশ থেকে যৌতুকপ্রথা নির্মূল, নারীর প্রতি নির্যাতন প্রতিরোধ এবং দুই নারীর মৃত্যুর ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ