বীরের বেশে আসছে ফিরে তারেক রহমান।

মোঃ জহিরুল ইসলাম (জহির) :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যার রাজনৈতিক প্রজ্ঞার কাছে বার বার পরাজিত হয়েছেন পলাতক ফ্যাসিস্ট হাসিনা। তিনি সুদূর লন্ডনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে পতন ঘটিয়েছেন হাসিনার ফ্যাসিবাদের। দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসিত জীবনের সংগ্রাম, ত্যাগ ও নির্বাসনের কঠিন অধ্যায় পেরিয়ে তিনি আজ আবার বাংলাদেশের রাজনীতির কেন্দ্রে। তাঁর প্রত্যাবর্তন কেবল একজন নেতার ফেরা নয়-এটি গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধারের প্রতীক। খুনী হাসিনা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান, দেশপ্রেমিক চেতনা ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা-সব মিলিয়ে তারেক রহমান আজ কোটি মানুষের আশার নাম।

এক-এগারো সরকারের কুশীলবদের ষড়যন্ত্রে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে রিমান্ডের নামে নির্যাতনের শিকার হয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সপরিবার লন্ডনে পাড়ি জমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান; পরে সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন। প্রায় ১৭ বছর ধরে লন্ডনে আছেন তিনি। সেখান থেকেই নিজ বাসায় বসে অনলাইনে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন দিনরাত নিরলসভাবে। ভার্চুয়াল মাধ্যমে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও অংশ নিয়েছেন তিনি।

একটি ছোট রুম, থাকে থাকে সাজানো বই, একটি চেয়ার, একটি টেবিল-টেবিলের উপর ডাইরি, কলম, আর একটি কম্পিউটার সঙ্গী করে-আমাদের প্রিয় নেতা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে প্রবাসের মাটিতে থেকেও দলের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। এই সীমিত পরিবেশে থেকেও তিনি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন, দেশ-বিদেশে নেতা-কর্মীদের খোঁজখবর নিয়েছেন, দেশের মানুষের দুঃখ-কষ্টে পাশে থেকেছেন, ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, সংকট দূরীকরণে নিরলসভাবে পরিশ্রম করেছেন।

খুনী হাসিনার একটি স্বপ্ন ছিলো বিএনপি ভেঙে টুকরো টুকরো করবে কিন্তু বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, দুরদৃষ্টি সম্পন্ন নেতৃত্বের কাছে খুনী হাসিনা বার বার পরাজয় বরণ করেন। ফিনিক্স পাখির মতো বার বার বিএনপির নেতা-কর্মীরা গায়েবি মামলার বেড়াজাল, গুম-খুন শতো কষ্ট উপেক্ষা করে প্রিয় নেতা তারেক রহমানের ডাকে রাজপথে নেমে আসে বার বার।

দেশবিরোধী অপতৎপরতা দেমে নেই তারেক রহমানের দেশে ফেরা ঠেকাতে এবং আগামী নির্বাচন যাতে যথাসময়ে হতে না পারে সেজন্য নানা রকম ষড়যন্ত্র চলমান। একদিকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র অসুস্থতার সময় তারেক রহমান কেনো দেশে আসে নাই মায়া কান্নার নাটক অন্যদিকে যখনই দেশে আসতে সব ঠিক করলেন তখনই ষড়যন্ত্রকারীরা দেশে অরাজকতা সৃষ্টি, দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত।

গত ১২ ডিসেম্বর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধা, ইনকিলাব মঞ্চে মুখপাত্র ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শরীফ ওসমান বিন হাদি’র উপর নির্মম ভাবে দিনে-দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। ক্ষমতাচ্যুত পলাতক খুনী হাসিনার দল আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী হাদির মাথায় গুলি করেন। শহীদ হাদির জানাজার লাখো লাখো মানুষের জনস্রোত বলে দেয় এদেশের জনগণ বাংলাদেশ পন্থী এরা কারো গোলামী করবে না। তারেক রহমানের ঘোষণা সবার আগে বাংলাদেশ আজ ১৮ কোটি মানুষের হ্নদয়ে ধ্বনিত হচ্ছে।

বিএনপি ১২ ডিসেম্বর রাতেই সাংবাদিক সম্মেলন করে তারেক রহমানের দেশে ফেরার বার্তা দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভার্চুয়াল মাধ্যমে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও অংশ নিয়ে দলের নেতা-কর্মীদের সব সময় চাঙা রেখেছেন, আগলে রেখেছেন। বিএনপি সহ দেশের মানুষ উনার বক্তব্যে, দিক, নির্দেশনাতে আশার আলো দেখতে পেয়েছেন। খুনী হাসিনা গং উনার নেতৃত্ব কে সব সময় ভয় পেতো, তাই তারেক রহমানের নামে নানাবিধও প্রোপাগান্ডা অতীতের ন্যায় বর্তমানেও চালাচ্ছে। ষড়যন্ত্র এখনও চলমান যা এদেশের মানুষের পাশাপাশি সারাবিশ্বের গণতান্ত্রিগামী মানুষ অবগত।

জুলাই যোদ্ধা ওসমান শরীফ হাদি ঢাকার রাজপথে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরে চিকিৎসার জন্য তাঁকে সিঙ্গাপুরে পাঠিয়েছিল অন্তর্র্বতী সরকার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১৮ ডিসেম্বর মৃত্যুর কাছে হার মানলেন বাংলাদেশের জুলাই আন্দোলনের অন্যতম মুখ তথা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর মৃত্যুর খবর প্রচারিত হওয়ার পরেই ঢাকায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শাহবাগে জমায়েত হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।

একটি দেশবিরোধী চক্র আবারও মেতে উঠে নতুন খেলায়। প্রথম আলো-ডেইলি স্টার অফিস ভাংচুর, আগুন দেয় ছায়ানট ভবনে। সব কিছুর পিছনেই দেশবিরোধী চক্রের হাত রয়েছে। তারেক রহমান দেশে আসলে নির্বাচন হবে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে। এটা পলাতক হাসিনার বন্ধু রাষ্ট্র সহজে মেনে নিতে পারছে না। জিয়া পরিবারকে এদেশের জনগণের ভালোবাসা থেকে দুরে রাখতে সব আয়োজন করেছিলো হাসিনা গং। কিন্তু সত্য চিরন্তন জিয়া পরিবারই এদেশকে আপন করে নিয়েছে সকল সংকটে দেশের আপামর জনসাধারণের পাশেই ছিলো, ভবিষ্যতেও থাকবে ইনশাআল্লাহ।

এদিকে তারেক রহমান কে অভ্যর্থনা জানাতে গঠন করা কমিটির প্রধান ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত বাণিজ্যক ফ্লাইটে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫শে ডিসেম্বর বাংলাদেশে আসছেন। ওইদিন ফ্লাইটটি ১১টা ৫৫ মিনিটে অবতরণ করবে তারেক রহমান কে বরণ করে নিতে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ব্যাপক প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে।

নানা অরাজনৈতিক সংগঠন ও দেশের আপামর জনসাধারণ তারেক রহমান কে স্বাগত জানাতে ঢাকার রাজপথে নেমে আসবে কারণ উনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশে নবজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি শুধু বিএনপির নেতা নন ১৮ কোটি মানুষের নেতায় পরিণত হয়েছেন। টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া, রুপসা থেকে পাথুরিয়া আজ তারেক রহমানের আগমনে উচ্ছ্বসিত। চারিদিকে আজ একই রব বীরের বেশে আসছে ফিরে তারেক রহমান। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আর তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসা সব ই একসূত্রে গাঁথা। বাংলাদেশের হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আগামী নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এই ১ম তারেক রহমান বগুড়া-৬ থেকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী।

সুদীর্ঘ প্রবাস জীবন ছেড়ে মা, মাটি ও মানুষের ডাকে এদেশ বির্নিমানে তারেক রহমান জনগণের পালস বুঝে মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কাজ করে যাবেন এটা আমাদের সকলের চাওয়া। মহান স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও সাবেক ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র সুযোগ্য সন্তান, যিনি আজ নিজ যোগ্যতায়, নিজ কর্মগুনে, নেতৃত্বগুনে এদেশের আপামর জনসাধারণের কন্ঠস্বরে পরিনত হয়েছেন।

বাংলাদেশের স্টেটসম্যানে পরিনত হয়েছেন। ফ্যাসিস্টমুক্ত নতুন বাংলাদেশের ইতিহাসে এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাহেন্দ্রক্ষণ এক অনন্য গৌরবময় অধ্যায়। দীর্ঘ লড়াই, ত্যাগ ও প্রত্যাশার পর গণমানুষের আকাঙ্খা ধারণ করে তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন জাতির জন্য আশার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। লাল-সবুজের পতাকায় মোড়ানো মাতৃভূমিতে আপনাকে জানাই হৃদয়ের গভীরতম অভিনন্দন ও উষ্ণ স্বাগতম।

এই প্রত্যাবর্তন কেবল একজন নেতার দেশে ফেরা নয়; এটি গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধারের প্রতীক। দমন-পীড়ন, অন্যায় ও অন্ধকার সময় পেরিয়ে নতুন বাংলাদেশের পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আপনার নেতৃত্বে দেশ আরও ঐক্যবদ্ধ হবে, মানুষের কণ্ঠস্বর শক্তিশালী হবে, এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে-এই প্রত্যাশাই আজ সর্বত্র।

লাল-সবুজের প্রিয় মাতৃভূমি আপনাকে বরণ করে নিচ্ছে অগণিত মানুষের ভালোবাসা, বিশ্বাস ও আশার আলো নিয়ে। এগিয়ে যাক প্রিয় বাংলাদেশ-স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পথে।

লেখক: বি.এস.সি ইন ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং,এল.এল.বি, সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আগামী বছর ২০২৭ সালে সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশে মোট ২৯ দিন সরকারি ছুটি থাকবে।
২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এর মধ্যে সাত দিন পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবারে ২ নভেম্বর সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘২০২৭ খ্রিস্টাব্দের সরকারি ছুটির তালিকা’ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদনের বিষয়টি জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।অনুমোদিত তালিকা অনুযায়ী, ২০২৭ সালে সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশে মোট ২৯ দিন সরকারি ছুটি থাকবে। এর মধ্যে সাত দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পড়ায় সরকারি ছুটি উপভোগের ক্ষেত্রে কার্যকর ছুটির সংখ্যা নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষ্যে এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামে পেশেন্ট ফোরাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বন্দরনগরীর সর্ববৃহৎ হাসপাতাল এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রাম বিশ্ব স্ট্রোক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আজ (২৯ অক্টোবর) একটি পেশেন্ট ফোরাম ও সচেতনতামূলক র‍্যালির আয়োজন করছে।

বিশ্ব স্ট্রোক দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘এভরি মিনিট কাউন্টস’ কে সামনে রেখে অ্যাক্ট-ফাস্ট ক্যাম্পেইন শুরু করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মূলত স্ট্রোকের লক্ষণ সহজে চেনা এবং রোগীকে তাৎক্ষণিক জরুরি চিকিৎসার আওতায় আনাই এই ক্যাম্পেইনের মূল লক্ষ্য।

এ প্রসঙ্গে, এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামের চিফ অপারেটিং অফিসার বিনয় কাউল বলেন, “স্ট্রোক এমন একটি জরুরি অবস্থা, যেখানে সময়ই সবচেয়ে বড় বন্ধু ও শত্রু হতে পারে। রোগীকে নিয়ে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছালে তার সুস্থতার সম্ভাবনা বাড়বে, এবং দেরি করলে বাড়বে ঝুঁকি। তাই স্ট্রোকের লক্ষণ সম্পর্কে ভালোভাবে জানা ও করণীয় সম্পর্কে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। আমরা বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষ্যে এই পেশেন্ট ফোরাম ও র‍্যালি আয়োজনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন করতে পারবো বলে আশা করছি।”

এভারকেয়ার হসপিটালস বাংলাদেশ-এর মেডিকেল সার্ভিসেস বিভাগের ডিরেক্টর ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির বলেন, “এ বছরের প্রতিপাদ্য আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে স্ট্রোকের ক্ষেত্রে প্রতিটি মিনিটই অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। লক্ষণ বুঝতে দেরি হলে রোগীর সুস্থ হওয়া, এমনকি বেঁচে থাকার সুযোগও কমে যায়। আসুন সবার সম্মিলিত উদ্যোগে আমরা সাধারণ জনগণকে স্ট্রোক নিয়ে আরও সচেতন করে তুলি।”

এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামের নিউরোসার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অ্যান্ড কো-অর্ডিনেটর ডা. মোঃ আনিসুল ইসলাম খান বলেন, স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছালে সার্জিক্যাল ইন্টারভেনশন বা থ্রম্বোলাইসিসের মতো চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা বাড়ানো সম্ভব। তাই স্ট্রোকের লক্ষণ শনাক্ত করা এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামের নিউরোলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট অ্যান্ড কো-অর্ডিনেটর ডা. সোমেন চৌধুরী বলেন, বর্তমান বিশ্বে প্রতি চারজনের একজন স্ট্রোকের ঝুঁকিতে থাকেন। মুখ বেঁকে যাওয়া, হাত-পা নিস্তেজ অনুভব করা, কথা জড়িয়ে যাওয়া ইত্যাদি লক্ষণগুলো সাধারণত স্ট্রোককে ইঙ্গিত করে। স্ট্রোক হলে প্রতি মিনিটেই মস্তিষ্কের কোষ নষ্ট হতে থাকে। সময়মতো হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিলে রোগীর প্রাণ বাঁচানো ও সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে—এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতেই এই আয়োজন।

পেশেন্ট ফোরামে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামের চিফ অপারেটিং অফিসার বিনয় কাউল; মেডিকেল সার্ভিসেস বিভাগের ডিরেক্টর ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির; নিউরোসার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অ্যান্ড কো-অর্ডিনেটর ডা. মোঃ আনিসুল ইসলাম খান; নিউরোসার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. আমিনুর রহমান (আজাদ); নিউরোলজি বিভাগের কনসালটেন্ট এন্ড কোঅর্ডিনেটর ডা. সোমেন চৌধুরী ও ডাঃ মোহাম্মদ আনোয়ারুল আজিম চৌধুরী, এ্যাটেন্ডিং কনসালট্যান্ট – নিউরোলজি।

পেশেন্ট ফোরাম শেষে আগত অতিথি, চিকিৎসক, মেডিকেল স্টাফস, রোগীর স্বজন ও স্থানীয়দের অংশগ্রহণে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ