সত্যের মৃত্যু নেই।

ড. মুহম্মদ মাসুম চৌধুরী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধানের নাম। জীবনযাপনের সকল বিষয় ইসলামে বিধৃত আছে। তাই সকল মুসলমান ইসলামের জীবন বিধানের অনুসরণ করা একান্ত কর্তব্য। আমরা সকলেই জীবনকে সুন্দর ও সার্থক করতে চাই। এতে সফল হতে হলে সুন্দর নিয়ম নীতিগুলোরই অনুসরণ একান্ত প্রয়োজন। এ সকল সুন্দর নিয়মগুলো অনুসরণে ব্যর্থ হওয়ার কারণে দায়িত্ব অবহেলা, ওয়াদা খেলাপ, নানা ধরনের খারাপ কাজে সমাজ আজ পিষ্ট হচ্ছে। মানুষের কাছে সত্যবাদিতা লোপ পাচ্ছে।

মানুষের কাছে মনুষ্যত্বের গুণাবলী না থাকলে সে কীভাবে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব ‘আশরাফুল মাখলুকাত’ হতে পারে! সত্যবাদী ন্যায়পরায়ণ মানুষই সমাজে মাথা উঁচু করে সম্মানের সাথে জীবন অতিবাহিত করতে পারে। মহৎ মানুষেরা যুগে যুগে সত্যের সাধনায় জীবনকে হাসিমুখে করেছে উৎসর্গ, নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক আর্নেস্ট হেমিং-হোয়ের বিখ্যাত কথা, ‘মানুষকে ধ্বংস করা যায় কিন্তু পরাজিত করা যায় না’। পৃথিবীর অনেক মহামানবকে হত্যা করা হয়েছে, কিন্তু তাদের আদর্শকে হত্যা করা যায়নি। সত্যের মৃত্যু নেই, সত্য সত্যই থাকবে মহাপ্রলয়ের শেষ রজনী পর্যন্ত।

সমাজে সুবিধাবাদী, স্বার্থপর মানুষরাই মিথ্যার কাছে নিজের বিবেককে বন্দী রেখে ফায়দা গ্রহণ করতে চায়। প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বান সত্যবাদীরা সমাজে সুখী থাকে। পবিত্র কোরানে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেছেন, ‘যারা ঈমান এনেছে এবং পুণ্যকাজ করে তাদেরকে আল্লাহ প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারে’। (সূরা মায়িদা, আয়াতঃ ৯)

সত্য ও ন্যায়ের পথে জীবন চলা এক বড় কঠিন জিহাদ। এই জিহাদে বিজয়ী হতে কঠোর সাধনার প্রয়োজন। সত্য ও শান্তির জন্য প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আল-আমিন’ উপাধী অর্জন করেছিলেন। মিথ্যাকে চরমভাবে ঘৃণা করতেন তিনি। মিথ্যাবাদীরাই সব পাপাচার করতে পারে বলে তিনি ঘোষণা করেছেন, ‘মিথা সকল গুনাহের মূল’। সত্যের শক্তি অসীম। সত্যের দ্বারা শত্রুকেও পরাজিত করা যায়। মিথ্যা চর্চায় মানুষের মন ছোট হয়ে যায়। কোন সমাজ ও দেশের উন্নতি করতে হলে সততা পূর্বশর্ত।

প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন মানুষের রিজিক ৯০ ভাগ আসে ব্যবসার মাধ্যমে। ব্যবসা-বাণিজ্যে সততা মহাশুণ্যের কাজ। তাই মহানবীজী ইরশাদ করেছেন, ‘যে সততা ও আমানত দারীর সাথে ব্যবসা করেন, তিনি কেয়ামতের দিন নবী,সিদ্দিক ও শহীদানদের সাথে থাকবে’।হালাল রুজি পরিবারের জন্য আল্লাহর পথে জিহাদের সমতুল্য। মুনাফালোভী, কালোবাজারি, মজুদদারির মাধ্যমে অধিক অর্থ উপার্জন করে রাতারাতি ধনী হওয়া ইসলাম সমর্থন করে না। তাকওয়া বা খোদাভীতি থাকলে মানুষ এ সকল অপকর্মে লিপ্ত হতে পারে না।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ পাক ঘোষণা করেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সামনে উপস্থিত হওয়ার ভয় করে এবং কুপ্রবৃত্তি থেকে দূরে থাকে নিশ্চয় জান্নাতে হবে তাঁর অবস্থান’। (সূরাঃ নাযিয়াত, আয়াত: ৪০-৪১)
বিখ্যাত মুসলিম চিকিৎসক ইবনে সিনা বলেছেন, ‘আল্লাহর ভয় সকল ভয় হতে মানুষকে মুক্তি দেয়’।
সততার মাধ্যমে আত্মোন্নয়ন ঘটে। সমাজকে সুন্দর করতে হলে সত্যের চেতনায় দেশপ্রেমিক হতে হবে। সৎ কাজের নির্দেশ দেওয়া আল্লাহর হুকুম। পবিত্র কোরআনে বর্ণনা করা হয়েছে,নামাজ প্রতিষ্ঠা কর, সৎকাজের আদেশ প্রদান এবং অসৎ কাজে নিষেধ কর’। (সূরা লুকমান, আয়াত: ১৭)

পরিবারে সৎকর্ম ও সততার শিক্ষা শিশুদের প্রদান না করলে তারা জীবনে সত্যবাদী কখনো হতে পারবে না। সে জন্য প্রয়োজন পরিবার হতে সত্যের সাধনার চর্চা করা।সুন্দর চারিত্রিক গুণাবলী অর্জনের কারণে অনেক মানুষ আল্লাহর কামিল বান্দায় পরিণত হয়েছে। গাউসে পাক আবদুল কাদের জিলানী (র.) মায়ের নির্দেশ অনুসারে ডাকাতের কাছে সত্য কথা বলার কারণে ডাকাতরা তাঁর ভক্তে পরিণত হয়েছি। সত্যবাদীরা অঙ্গীকার রক্ষা করে চলেন। আমানত খেয়ানত করে না। প্রিয় নবী (দ.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তির নিকট আমানতদারী নেই তার ঈমানও নেই। ‘যে অঙ্গীকার রক্ষা না করে তার কাছে ধর্ম নেই।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত ঘোষণা করেছেন, ‘তোমরা প্রতিশ্রুতি পালন করবে, প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে কৈফিয়ত চাওয়া হবে’। (সূরা বনী ইসরাঈল আয়াত: ৩৪)মহানবী (দ.)’র নবুয়ত প্রকাশিত হওয়ার পূর্বে আবদুল্লাহ ইবনে আবু আসমা ব্যবসায়িক কাজে নবীজীকে একস্থানে অবস্থান করতে বলে সেখান হতে তিনি চলে গেলেন। পুনরায় তিনি সেখানে ফিরে আসতে ভুলে গেলেন। তিনদিন অতিবাহিত হওয়ার পর তিনি ফিরে এসে দেখলেন মহানবী (দ.) প্রতিশ্রুতি রক্ষার জন্য সেখানে বসে আছেন। প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা ইসলামের নবীর মহান শিক্ষা। সে শিক্ষা আত্মস্থ করতে ব্যর্থ হচ্ছি বলে আজ মুসলমান সমাজের অধঃগতি। মুসলমানরা সত্যবাদী প্রতিশ্রুতিশীল নবীর উম্মাত। প্রতিশ্রুতি প্রদান করলে তা রক্ষা করা মুসলমানের জন‍্য কর্তব‍্য। যে অঙ্গীকার পালন করা সম্ভব নয় সে অঙ্গীকার প্রদান করা ইসলাম অনুমোদন করে না। অঙ্গীকার ভঙ্গ করা মোনাফিকদের কাজ। মোনাফিকদের স্থান জাহান্নামের নিম্নস্তরে।

আল্লাহর রাসুল (দ.) ইরশাদ করেছেন, ‘মোনাফিকের পরিচয় তিনটি (১) মিথ্যা কথা বলা (২) অঙ্গীকার ভঙ্গ করা (৩) আমানত খেয়ানত করা।সত্যবাদী মুসলমানের আচার আচরণে সমাজ জাতি রাষ্ট্রের সর্বোত্তম কল্যাণ সাধিত হয়। সত্যবাদীরা স্বীয় পরিবারেও উত্তম ব্যবহার করে থাকে। প্রিয় নবী (দ.) বর্ণনা করেছেন, যে ব্যক্তি নিজের স্ত্রীর সাথে ভালো ব্যবহার করে সে সর্বোত্তম। যে পরিবারের কাছে উত্তম সে আল্লাহ ও তাঁর সৃষ্টির কাছে উত্তম। তিনি ইরশাদ করেছেন, সে প্রকৃত মোমিন নয়, যে নিজের জন্য যা কামনা করে তা অপর ভাইয়ের জন্য কামনা করে না’।

নবীজী আরো ইরশাদ করেছেন, ‘নিকৃষ্ট কারা তা বলে দিব কি? সাহাবীগণ বললেন, হ্যাঁ’। তিনি বললেন, যারা নিজে খায়, দাস-দাসীদের বেত্রাঘাত করে এবং কোন মানুষকে কিছু দান করে না’। তিনি এ কথাও বলেছেন, ‘মুসলমানদের ঘর সমূহের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ঘর হলো যে ঘরে এতিম রয়েছে। (সোবহানাল্লাহ) আল্লাহ রাসুলের সত্যের পথ অনুসরণ করে অন্যায় অবিচার হতে মুক্ত থেকে প্রকৃত মুসলমান হতে পারলে সমাজ সুন্দর হতে বাধ্য। আজ যখন দেখি মুসলমান হয়ে মোনাফেকী, মীরজাফরী, বেঈমানী করছে তখন ব্যথিত চিত্তে ভাবি আমাদের এমন হলো কেন। আমরা তো সুন্দরতম মহানবীর শ্রেষ্ঠতম উম্মত। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ভাষায় বলতে চাই, ‘ভুলিয়া গিয়াছি তব আদর্শ তোমার দেখানো পথ।’
লেখক: কলাম লেখক, রাজনীতিক

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দুই অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যু: বিচার ও যৌতুকপ্রথা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


চট্টগ্রামের পটিয়ায় দুই অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা এবং যৌতুকপ্রথা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে জাতীয় ছাত্র শক্তি পটিয়া উপজেলা শাখা।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে পটিয়া থানার মোড় চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সংগঠনের নেতাকর্মী, নিহত দুই নারীর পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জাতীয় ছাত্র শক্তি পটিয়া উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম তৌকির, মুখ্য সংগঠক মিছকাত আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব সাকিবুল ইসলাম সাকিব এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুল্লাহ আশরাফুল (সিফাত)।বক্তারা বলেন, যৌতুকের দাবিতে নারীর ওপর নির্যাতন ও প্রাণহানির ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। যৌতুকপ্রথা নারীর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার পথে বড় বাধা। এ সামাজিক ব্যাধি নির্মূলে পরিবার ও সমাজের সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

তারা আরও বলেন, পটিয়ায় দুই অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যুর ঘটনা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করতে হবে। তদন্তে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রচলিত আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
সমাবেশ থেকে যৌতুকপ্রথা নির্মূল, নারীর প্রতি নির্যাতন প্রতিরোধ এবং দুই নারীর মৃত্যুর ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

নোয়াখালীতে সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট বাড়ি দখল ও হামলার অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালী পৌরসভার মাইজদীতে নিজের মালিকানাধীন ফ্ল্যাটবাড়ি দখল, ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ তুলেছেন কাজী আজিজ উল্যা নামে এক ব্যক্তি। তার অভিযোগ, বাড়ির দখল নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে ও তার বৃদ্ধ মাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা নিজেদের বসতবাড়িতে ফিরতে পারছেন না। এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন তিনি।বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালী রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী কাজী আজিজ উল্যা।

ভুক্তভোগী কাজী আজিজ উল্যা নোয়াখালী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের স্টেডিয়াম পাড়ার কাজী বাড়ির বাসিন্দা। তার দাবি, ৯৮ নম্বর মাইজদী মৌজায় ৫ দশমিক ৫ শতাংশ জমির ওপর পাঁচতলা ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট একতলা ফ্ল্যাটবাড়ি নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন তিনি। বাড়িটির নাম আজিজ টাওয়ার।

লিখিত বক্তব্যে কাজী আজিজ অভিযোগ করেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের দুর্নীতিবাজ মাঠকর্মী এবিএম আবদুল মতিন চৌধুরী ২০২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তাঁর বোনের কাছ থেকে এক শতাংশ জমি কেনেন। পরে তিনি আরো দেড় শতাংশ জমির জাল দলিল তৈরি করে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাঁর ফ্ল্যাটবাড়ির একটি অংশ দখলের চেষ্টা করেন। এতে বাধা দেওয়ায় বিভিন্ন সময়ে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়।

কাজী আজিজ বলেন, ২০২৩ সালের ১৩ মে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের দাপট দেখিয়ে আবদুল মতিন চৌধুরী ও তার স্ত্রী আজিজুর নাহারের নেতৃত্বে একদল লোক তার ফ্ল্যাটবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। ওই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। তার বৃদ্ধ মা সারেজাহান বেগম ও বোন সেলিনা আক্তার বাধা দিতে গেলে তাদের মারধর করা হয়। পরে বাড়িটির একতলা ইউনিট দখল করে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়ের করেছেন বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আবদুল মতিন চৌধুরী বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেলে তিনি পুনরায় বাড়ির দখল বুঝে নিয়ে বসবাস শুরু করেন। তবে গত ১ সেপ্টেম্বর আবদুল মতিন চৌধুরী, তাঁর স্ত্রী, ছেলেরা এবং বিভিন্ন এলাকার ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে আবারও বাড়িটিতে হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন কাজী আজিজ। এ সময় তাকে ও তার বৃদ্ধ মাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং পুনরায় বাড়িটি দখল করা হয়।

কাজী আজিজের অভিযোগ, বর্তমানে বাড়ির ভেতরে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের অবস্থান করিয়ে তাঁকে প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। একাধিকবার বাড়িতে প্রবেশের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। এতে বৃদ্ধ মাকে নিয়ে চরম দুর্ভোগ ও নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটছে তাঁদের।

কাজী আজিজ উল্যা তার বসতবাড়ি দখল, হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আবদুল মতিন চৌধুরীর বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও সংযোগ না পাওয়ায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ