আঞ্জুমানে খুদ্দামুন নাস শারজাহ্ শাখার উদ্যােগে পবিত্র শোহাদায়ে বদর ও ইফতার মাহফিলের সমর্পণ

মোহাম্মদ আরমান চৌধুরী আরব আমিরাত প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে আঞ্জুমানে খুদ্দামুন নাস শারজাহ শাখার উদ্যােগে পবিত্র শোহাদায়ে বদর শীর্ষক আলোচনা সভা, ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। গত (১৩ই মার্চ২৫ইং) শুক্রবার বাদে আসর ৪নং সানাইয়া পাকিস্তান সিগ্নেল পবিত্র শোহাদায়ে বদর দিবস শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার মাহফিলে মুহাম্মদ একান্দর আলমের সঞ্চালনায়, অত্র শাখার সভাপতি মাওলানা আব্দুল হক সাহেবের সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি হিসেবে নূরানী ত্বকরীর পেশ করেছেন চট্টগ্রাম থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আগত মেহমান, রাউজান উরকিরচর গাউছিয়া মোহাম্মদীয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও আল্লামা আব্দুল মালেক শাহ (রহঃ) কমপ্লেক্স ট্রাস্ট’র সম্মানিত চেয়ারম্যান আলা হযরত-এর রুহানি সন্তান, অধ্যক্ষ আল্লামা হাসান রেজা আল-কাদেরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল্লামা আব্দুল মালেক শাহ (রহঃ) কমপ্লেক্স ট্রাস্ট’র সেক্রেটারি শাহজাদা মহিউদ্দীন মোহাম্মদ তৌসিফ রেজা আল কাদেরী,এতে আরো বক্তব্য রাখেন ইঞ্জিনিয়ার গোলামোর রহমান,মাওলানা আব্দুস ছামাদ,মুহাম্মদ ওসমান, মুহাম্মদ আব্দুস সবুর,,মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, মুহাম্মদ কাজী মাসুদ,মুহাম্মদ শফিউল ইসলাম,মুহাম্মদ নাঈম উদ্দীন,মুহাম্মদ আবু বক্কর,মুহাম্মদ ওমর ফারুক, প্রমুখ,এতে বক্তারা আঞ্জুমানে খুদ্দামুন নাস বাংলাদেশের উদ্যোগে দেশে এবং প্রবাসে সংগঠনিক ভিবিন্ন বৃহত্তর মানবিক কর্ম ও কাজের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনায় তুলে ধরেন,এবং রমদ্বানের গুরুত্ব ও শোহাদায়ে বদর দিবসের যে শিক্ষা তার উপর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতার মাধ্যমে মুসলিম মিল্লাতের কি করনীয় শ্রোতাদের মাঝে আলোকপাত করেন, সর্বশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে সমাপ্তি হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হুতিদের দখলে লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছে ইরান-সমর্থিত হুতিরা। তাদের এই অগ্রগতিতে আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্য ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বাব আল-মান্দেব প্রণালি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। এ পথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে হুতিদের অগ্রগতিতে বিশ্বজুড়ে নৌপরিবহন নিরাপত্তা এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।হুতিদের এই সামরিক সাফল্যের প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও। এরই মধ্যে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৫ ডলারের ওপরে উঠে গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাব আল-মান্দেবের মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে সামরিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হলে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে জ্বালানি পরিবহনে অনিশ্চয়তা বাড়লে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও অস্থিতিশীল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।লোহিত সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত এই প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ পণ্য ও জ্বালানি পরিবহন করা হয়। ফলে এর নিরাপত্তা নিয়ে যেকোনো ধরনের সংকট আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

৯/১১ যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার দিন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার দিন ৯/১১।সেদিন আল-কায়েদার ১৯ জন সদস্য চারটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ ছিনতাই করে আত্মঘাতী হামলা চালান। দুটি উড়োজাহাজ আঘাত হানে নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ারে। আরেকটি আঘাত করে ওয়াশিংটনের পেন্টাগনে। চতুর্থ উড়োজাহাজটি পেনসিলভানিয়ার একটি এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। ঐদিন নিহত হন ২ হাজার ৯৭৭ জন।

সেই ভয়াবহ হামলার ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে আজ। ওই হামলা বদলে দিয়েছে বিশ্বরাজনীতি, যুদ্ধনীতি, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের গতিপথ। হামলার নেতৃত্বে ছিল ওসামা বিন লাদেনের নেতৃত্বাধীন আল-কায়েদা। তবে ৯/১১ হঠাৎ করে ঘটেনি। এর আগে আল-কায়েদা ১৯৯৮ সালে আফ্রিকায় দুটি মার্কিন দূতাবাসে বোমা হামলা এবং ২০০০ সালে ইয়েমেন উপকূলে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস কোল-এ হামলা চালিয়েছিল। বিন লাদেন প্রকাশ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

হামলার আগে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে আল-কায়েদা ও সম্ভাব্য হামলা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য ছিল। কিন্তু সিআইএ ও এফবিআইয়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যথাযথভাবে আদান-প্রদান হয়নি। পরে ৯/১১ কমিশন এটিকে বড় ধরনের গোয়েন্দা ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত করে।
২০০১ সালের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানে অভিযান শুরু করে। লক্ষ্য ছিল আল-কায়েদাকে ধ্বংস করা এবং তালেবান সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানো। পরে ২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণ করে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা।

পরবর্তী দুই দশকে আফগানিস্তান ও ইরাকে দীর্ঘ যুদ্ধ চলে। সন্ত্রাস দমনের নামে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অভিযান, আটক, জিজ্ঞাসাবাদ ও নজরদারি বাড়ানো হয়। গুয়ানতানামো বে কারাগারে বিচার ছাড়াই বন্দী রাখা এবং ইরাক-আফগানিস্তানে বন্দীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগও ওঠে। ফলে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের পাশাপাশি মানবাধিকার নিয়েও তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়।

গত ২৫ বছরে যুক্তরাষ্ট্রে ৯/১১-এর মতো মাত্রার আর কোনো হামলা হয়নি। তবে সন্ত্রাসী হুমকি পুরোপুরি শেষ হয়নি। ৯/১১-এর পর যুক্তরাষ্ট্রে উগ্র ইসলামপন্থী সহিংসতার শতাধিক ঘটনা ঘটেছে বলে সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, সন্ত্রাসবাদকে তুলনামূলক কম অগ্রাধিকার দেওয়ার ফলে আবারও গোয়েন্দা সক্ষমতা ও অভিজ্ঞ জনবল কমে যেতে পারে। বাজেট কমানো, অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের চলে যাওয়া এবং আত্মতুষ্টি-এই তিনটি বিষয়কে বিশেষ ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন তারা।

সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ের ২৫ বছর পর তাই যুক্তরাষ্ট্রের সামনে প্রশ্নটি নতুন করে ফিরে এসেছে-হুমকির ধরন বদলালেও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কি সতর্কতা হারাচ্ছে? বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা, ৯/১১-এর আগে যে ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা ও তথ্যের সমন্বয়হীনতা ছিল, তা যেন আবার ফিরে না আসে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ