চট্টগ্রামে পুকুর থেকে ভাসমান মরদেহ উদ্ধার, চোখে আঘাতের চিহ্ন।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের একটি পুকুর থেকে মো. শুক্কুর (৪৮) নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে নগরের পাহাড়তলী থানা এলাকায় কাজী মসজিদ সংলগ্ন পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।নিহত শুক্কুর নগরীর হাজিক্যাম্প এলাকার বাসিন্দা এবং নূর আহম্মদের ছেলে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পাহাড়তলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খোকন দাশ জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পুকুর থেকে ভাসমান মরদেহটি উদ্ধার করে। মরদেহটির চোখে হালকা আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পটিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু, পরিচয় শনাক্ত হয়নি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের পটিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে মধ্যবয়সী এক অজ্ঞাত নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ভোরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইনের বাহুলী রেলক্রসিংয়ের দক্ষিণ পাশে এ ঘটনা ঘটে। সকাল ১১টা পর্যন্ত নিহত নারীর পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে রেললাইনের পাশে নারীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। এতে তার একটি হাত ও একটি পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল। পরে বিষয়টি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, গত কয়েক দিন ধরে ওই নারী বাহুলী ও আশপাশের এলাকায় ঘোরাফেরা করছিলেন। বৃহস্পতিবার বিকেলেও তাকে বাহুলী রেলগেট এলাকায় বসে থাকতে দেখা যায়। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন হতে পারেন বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। তবে তার পরিচয় কিংবা বাড়ির ঠিকানা সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

কোন ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ রুটে ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত কয়েকটি ট্রেন চলাচল করে। সেগুলোর কোনো একটির নিচে দুর্ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা স্থানীয়দের।

বাহুলী রেলগেটের গেটম্যান মো. আরমান জানান, ঘটনাস্থলটি রেলগেট থেকে কিছুটা দূরে হওয়ায় প্রথমে বিষয়টি তাদের নজরে আসেনি। পরে খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

পটিয়া রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশনমাস্টার আবদুস সালাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি রেলওয়ে পুলিশকে (জিআরপি) জানানো হয়েছে। তবে কোন ট্রেনের নিচে ওই নারী কাটা পড়েছেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ইমরান হোসেন মুন্না,
পটিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

ঝুঁকি নিয়ে একলাখ টন জ্বালানি তেল নিয়ে আসছে ‘মটি এনড্রিওস’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশাল ঝুঁকির মধ্যেই এক লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল নিয়ে বাব আল মান্দেব প্রণালি পাড়ি দিয়ে ‘এমটি এনড্রিওস’ নামে একটি জাহাজ চট্টগ্রামে আসছে। আগামী ১ নভেম্বর জাহাজটি বঙ্গোপসাগরের কুতুবদিয়ায় পৌঁছাবে। এরপর লাইটার জাহাজে তেল স্থানান্তর করে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত ইস্টার্ন রিফাইনারিতে নেওয়া হবে। পরিশোধন শেষে সেটি দেশের বাজারে বিক্রি করা হবে। হুতিদের মিসাইল আর ড্রোনের আতঙ্ক এখন লোহিতসাগর, বাব আল মান্দেব পাড়ি দিয়ে বর্তমানে জাহাজটি সৌদি আরব পর্যন্ত পৌঁছেছে।

এই বিশাল ঝুঁকির মধ্যেই এক লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল নিয়ে বাব আল মান্দেব প্রণালি পাড়ি দিয়েছে ‘এমটি এনড্রিওস’। ১৬ অক্টোবর জাহাজটি ইয়ানবু বন্দর থেকে তেল নিয়ে ২২ অক্টোবর যখন সরু এই প্রণালি পাড়ি দিচ্ছিল, তখন জাহাজের গতিবিধি শনাক্তকারী এআইএস বন্ধ রাখা হয়। অন-বোর্ড রাডার ও জাহাজের বাইরের নেভিগেশন লাইটও পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়। জাহাজ চলে একেবারে ধীরগতিতে। মূলত হুতিদের নজর আড়াল করতেই এই কৌশল।
জাহাজের শিপিং এজেন্ট প্রাইম ওশান ট্রেড লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক ক্যাপ্টেন বেলাল উদ্দিন চৌধুরী বললেন, জাহাজের মালিক ও পরিচালনকারী কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন একমত হওয়ায় বাব আল মান্দেব পাড়ি দিতে হয়। ১৬ অক্টোবর রওনা দিয়ে ১৬ দিনেই জাহাজটি চট্টগ্রাম পৌঁছবে।

এর আগে সৌদি আরব থেকে এক লাখ টন তেল সুয়েজ প্রণালি হয়ে আফ্রিকা মহাদেশ ঘুরে ৫০ দিনে চট্টগ্রাম পৌঁছেছিল এমটি নিনেমিয়া জাহাজ। তখন বিপুল পরিবহন খরচ গুনতে হয়েছিল বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে। এখন কত খরচ হলো, তা জানাতে পারেনি শিপিং লাইন।
এদিকে ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য অপরিশোধিত তেল পরিবহনের কাজ করে সরকারি আরেক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন। প্রতিষ্ঠানটির মহাব্যবস্থাপক (চার্টারিং) ক্যাপ্টেন মুজিবুর রহমান বললেন, ঝুঁকি তো কিছুটা নিতেই হবে। ঝুঁকি নিয়ে আনার কারণে বিপুল পরিবহন খরচ সাশ্রয় হয়েছে। অবশ্য সরবরাহকারী ও বিপিসির একমতের কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে।
এক লাখ টন তেল বাব আল মান্দেব প্রণালি দিয়ে জাহাজকে যুদ্ধঝুঁকি, ইন্স্যুরেন্স কাভারেজ দ্বিগুণ দিতে হয়েছে। যদিও এর পরিমাণ কত, তা বিপিসি স্বীকার করেনি।

জানা গেছে, স্বাভাবিক সময়ে সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশের তেল আসত পারস্য উপসাগর হয়ে। বড় জাহাজগুলো সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দর থেকে তেল বোঝাই করত। এরপর হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিয়ে সরাসরি আরব সাগরে প্রবেশ করে বঙ্গোপসাগর হয়ে চট্টগ্রামে আসত। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রায় বন্ধ। বাধ্য হয়ে রুট বদলাতে হয়। সৌদি আরব তাদের ‘ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন’ ব্যবহার করে অপরিশোধিত তেল পাঠায় লোহিতসাগরের ইয়ানবু বন্দরে। সেখান থেকেই তেল বোঝাই করেছে জাহাজ ‘এমটি এনড্রিওস’।

আর লোহিতসাগর থেকে বের হয়ে বঙ্গোপসাগরে আসতে হলে ইয়েমেন উপকূলের সরু ‘বাব আল মান্দেব’ প্রণালি পার হওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। তাই বাধ্য হয়েই এই নতুন রুট বেছে নিতে হয়েছে।
সূত্র জানায়, স্বাভাবিক সময়ে হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিয়ে সৌদি আরব থেকে চট্টগ্রামে তেল আনতে সময় লাগত ১০-১২ দিন। তখন জাহাজ ভাড়া বাবদ খরচ হতো ১৫-২০ লাখ ডলার। কিন্তু হরমুজ এড়িয়ে এখন লোহিতসাগর ও বাব আল মান্দেব হয়ে আসতে সময় লাগছে ১৫-১৭ দিন। যুদ্ধঝুঁকির অতিরিক্ত বীমা (ওয়ার রিস্ক প্রিমিয়াম) মিলিয়ে এখন খরচ পড়ছে ২৫-৩০ লাখ ডলার। অন্যদিকে, হুতিদের ভয়ে জাহাজটি যদি লোহিতসাগর এড়িয়ে পুরো আফ্রিকা মহাদেশ (কেপ অব গুড হোপ) ঘুরে আসত, তবে সময় লাগত ৩৫-৪০ দিন। সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত জ্বালানি ও ভাড়াবাবদ খরচ লাফিয়ে বেড়ে দাঁড়াত ৫০- ৬০ লাখ ডলারে।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ