ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে এ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমার শপথ গ্রহণ

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার বিশেষ প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পাবনা-সিরাজগন্জের সংরক্ষিত মহিলা আসনে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।রবিবার (৩ মে ২০২৬) রাত ৯ টায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়, ঢাকায় আয়োজিত এ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সংরক্ষিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনাব তারেক রহমান, এমপি এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।সংবিধান অনুযায়ী শপথ গ্রহণের মাধ্যমে এ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা আনুষ্ঠানিকভাবে তার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
এ সময় উপস্থিত অতিথিরা তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

নব-নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য দেশের উন্নয়ন, নারী ক্ষমতায়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে তার নিজ জেলা পাবনার বিভিন্ন উপজেলায় এই উপলক্ষে সাধারণ জনগণ খুশি মিষ্টি বিতরণ করে উৎসবে মেতেছে,তাদের আশা আগামী দিনগুলোতে তারা বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে এই সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য নারী সহ সাধারণ জনগণের কল্যাণ নিজে উৎস স্বর্গ করবেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় নকল দুধ তৈরির ২৭ শত কেজি জেলি জব্দ; দু’জনের কারাদণ্ড ও অর্থদন্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Ll
বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় একজন দুধ ম্যানেজার এর বসত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে নকল দুধ তৈরির জেলি, তেল, কেমিক্যেল ও নকল দুধ জব্দ করেছে ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রশাসন।
এ ঘটনায় ম্যানেজার মোঃ আবুল বাশার কে এক বছরের কারাদন্ড সহ ২ লাখ টাকা অর্থদন্ড ও তার সহযোগী মোঃ সবুজ কে ছয় মাসের কারাদন্ড সহ ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড এবং অনাদায়ে আরো ৩ মাসের কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতে। অভিযুক্ত মোঃ আবুল বাশার কৈডাঙ্গা নতুনপাড়া গ্রামের মৃত আবু তালেব প্রামাণিকের ছেলে। তার সহযোগী মোঃ সবুজ একই গ্রামের মোঃ হাবিল প্রামাণিকের ছেলে।

শুক্রবার সকালে ৩০ অক্টোবর উপজেলার ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের কৈডাঙ্গা নতুনপাড়া গ্রামে আবুল বাশারের নিজ বাড়িতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া মমতাজ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত জাহান ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) যৌথ অভিযান টি পরিচালোনা করেন। এ সময় ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশ সহযোগিতা করেন।
অভিযানে ৩৬ ড্রাম জেলি, যার ওজন ২৭ শত কেজি, দুধ তৈরিতে ব্যবহৃত ২০০ লিটার তেল এবং ৩২০ লিটার দুধ জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা উপকরণ ও দুধ ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়। উদ্ধার করা মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৮ লাখ টাকা।

জানা যায়, আবুল বাশার দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়িতে বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে ভেজাল দুধ তৈরি ও বাজারজাত করে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার বাড়িতে অভিযান চালান।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া মমতাজ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মোঃ আবুল বাশার নকল দুধ তৈরির ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান চালিয়ে ৩৬ ড্রাম জেলি, ২০০ লিটার তেল ও ৩২০ লিটার নকল দুধ জব্দ করা হয়। পরে সেগুলো জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

চট্টগ্রামে জব্দ ইয়াবা আত্মসাত, প্রত্যাহার তিন পুলিশ সদস্য

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ট্রাকে তল্লাশি করে জব্দ করা ৩০ হাজার ইয়াবা আত্মসাতের অভিযোগে সাতকানিয়া থানা থেকে তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়া তিন পুলিশ সদস্য হলেন, এসআই মাহবুবুল ইসলাম, কনস্টেবল ফয়েজ আহম্মেদ ও গাজী মোহাম্মদ মহসিন।চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে গত বুধবার এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি হয়েছে বলে জানালেন সাতকানিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল আলীম।তবে বৃহস্পতিবার(২৯ অক্টোবর) বিষয়টি জানাজানি হয়।

সাতকানিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল আলীম বললেন, ইয়াবা আত্মসাতের অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এর আগে গত শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা এলাকায় সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে ট্রাকটি থামান তিন পুলিশ সদস্য। এ সময় তাদের সঙ্গে রবিন ও মোমেন নামে দুজন কথিত সোর্সও ছিলেন। দুই কনস্টেবল ট্রাকে উঠে চালকের পাশে বসে সেটির নিয়ন্ত্রণ নেন। মোটর সাইকেলে এসআই মাহবুবুল ইসলাম ও মাইক্রোবাসে দুই সোর্স তাদের অনুসরণ করতে থাকেন।

ট্রাকটি বিভিন্ন সড়ক ঘুরিয়ে সাতকানিয়া উপজেলার কেরাণীহাট রেলক্রসিং এলাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চালককে নামিয়ে দিয়ে ট্রাকে তল্লাশি করা হয়। ট্রাকে চালকের আসনের নিচ থেকে তিন পোটলায় রাখা ৩০ হাজার ইয়াবা জব্দ করে ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে ইয়াবাগুলো জব্দ না দেখিয়ে তারা আত্মসাত করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ