‎জনপ্রত্যাশা ও জনদূর্ভোগ কমাতে চন্দ্রগঞ্জকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়েছে : পানিসম্পদ মন্ত্রী ‎

‎লক্ষীপুর সংবাদদাতা :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন



‎পানিসস্পদ মন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি বলেছেন,  জনপ্রত্যাশা ও জনদূর্ভোগ কমাতে চন্দগঞ্জকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়েছে।দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও দাবির সফল সমাপ্তি হয়েছে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় রূপান্তরের মাধ্যমে।তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চন্দ্রগঞ্জবাসীর দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে সরকার গঠনের তিন মাসেরও কম সময়ে চন্দ্রগঞ্জকে উপজেলায় উন্নীত করেছেন।শুক্রবার লক্ষীপুর গোডাউন রোডে মন্ত্রীর বাসভবনে নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

‎পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দুই যুগের বেশী সময় চন্দ্রগঞ্জকে উপজেলায় উন্নীত করার জন্য আন্দোলন ও দাবি-দাওয়া ছিলো। অতীতে লক্ষীপুর ছিলো বঞ্চিত ও নিপেড়িত। বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার, আর আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন।  জাতীয় উন্নয়নের পাশাপাশি লক্ষীপুরের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সকল কিছু করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

‎জেলা বিএনপির যুগ্নআহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাসিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি। এছাড়া ও জেলা ও চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা ও হেনস্তার প্রতিবাদে মানববন্ধন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা ও হেনস্তার প্রতিবাদে এবং তাদের নিরাপত্তা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল প্রধান কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার সকাল ১১ টা ৩০ মিনিটে সিআরবি-তে বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের চীফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট মোহাম্মদ সফিকুর রহমান, প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক সুজিত কুমার বিশ্বাস, প্রধান প্রকৌশলী মো: তানভিরুল ইসলাম,

প্রধান বৈদ্যুতিক প্রকৌশলী মো: শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক শওকত জামিল মোহসী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো: মনিরুজ্জামান, যন্ত্র প্রকৌশলী আমীর উদ্দিন, ডেপুটি সিওপিএস তারেক মুহাম্মদ ইমরান, নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মুরসালীন রহমান, টিএসও আহসান উদ্দিন, ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ার রিয়াসাদ ইসলাম, ডেপুটি সিসিএম মো: হারুনুর রশিদসহ পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।

মানববন্ধনে অভিযোগ করা হয়, আন্ত:নগর ট্রেনগুলোতে কিছু বিনা টিকিটের যাত্রী এসি শ্রেণির কোচ ও কেবিনে ভ্রমণ করে বৈধ টিকিটধারী যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ভ্রমণে বিঘ্ন সৃষ্টি করেন। তারা কখনোই টিকিট কেটে ট্রেনে ভ্রমণ করেন না। টিকিট দেখতে চাইলে ৮-১০ জন একত্র হয়ে হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে টিকিট চেকিংয়ে দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধামকি দেন। একটি সংঘবদ্ধ চক্র এদের বিনা টিকিটে ভ্রমণ ছাড়াও সরকারি কাজে বাধা সহ চলন্ত ট্রেনে হামলা করে ফৌজদারি অপরাধ করছে।

মানববন্ধনে আরও অভিযোগ করা হয়, ৪ আগস্ট ২৬ বনলতা এক্সপ্রেস এবং ২৫ জুলাই ২৬ সুন্দরবন ট্রেনে বিনা টিকিটের যাত্রীরা সন্ত্রাসী হামলা করেন। এ ছাড়া গত ৭ আগস্ট ২৬ ৭৫৩ সিল্কসিটি ট্রেন আব্দুলপুর স্টেশন থেকে ছেড়ে আসার পর এসি কোচে কয়েকজন বিনা টিকিটের যাত্রী পাওয়া যায়। তাদের ন্যূনতম ভাড়া ও জরিমানা আদায় করে নন-এসি কোচে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়। পরবর্তীতে ট্রেনটি স্টেশনে পৌঁছানোর পর সংঘবদ্ধ চক্রটি রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর অতর্কিতভাবে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা করেছে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন- এসব ঘটনার ফলে টিকিট চেকিং কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মস্থলে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এর কারণে টিকিট চেকিং কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং সরকারি রাজস্ব আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

মানববন্ধনে বলা হয়, সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ওপর এ ধরনের অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা এবং সরকারি কাজে বাধাদান একটি ফৌজদারি অপরাধ। গত ৭ আগস্ট ২৬ বিভিন্ন সময়ে রেলওয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।এছাড়া, সরকারি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অফিস কক্ষেও কিছু সন্ত্রাসী দ্বারা হেনস্তা ও হুমকির শিকার হচ্ছে কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ।

একই বিষয়ে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী বিভাগীয় কার্যালয়েও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (ডিসিও) তৌষিয়া আহমেদের নেতৃত্বে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভাগীয় কার্যালয়ের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।মানববন্ধন থেকে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারি দায়িত্ব পালনকালে রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

রূপগঞ্জে সাহাপুর-মুশরী-তেলিপাড়া খাল সংস্কার কাজের উদ্বোধন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত, মজা ও বেদখল হয়ে যাওয়া নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার সাহাপুর-মুশরী-তেলিপাড়া খাল সংস্কার কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ ৯আগষ্ট রবিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খাল খনন ও সংস্কার কাজের অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপুর নির্দেশনায় খাল পরিদর্শন শেষে সংস্কার কাজের উদ্বোধন করেন রূপগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক মোঃ নূরনবী ভুঁইয়া। জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল ও ড্রেন সংস্কার করে নিরাপদ বসবাস নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মোঃ নূরনবী ভুঁইয়ার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে একমাসের মধ্যে এ সংস্কার কাজ শেষ করা হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রূপগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বাচ্চু মিয়া, সাইদুর রহমান, সানজিদা সেলিনা, কৃষকদল নেতা মোমেন ভুঁইয়া, সোলায়মান, রোমান মিয়া প্রমুখ।

রূপগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোঃ নূরনবী ভূঁইয়া বলেন, বেদখল হয়ে যাওয়া খালটি পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে সংস্কার কাজ শেষে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক করে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ নিরসন করা হবে। দীর্ঘদিন ধরে খালটি সংস্কার না করায় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। খালের পানিতে ময়লা-আবর্জনা জমে পঁচা দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগের পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ ও বিভিন্ন রোগের আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। বিশেষ করে শিশুরা ছিল স্বাস্থ্যঝুঁকিতে।

আলোচিত খবর

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামে আসছেন, যোগ দেবেন ৫ কর্মসূচিতে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার চট্টগ্রাম আসছেন তারেক রহমান। বন্দরনগরীর বিএনপি নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাংগঠনিক মতবিনিময় করারও সুযোগ পাচ্ছেন। এ নিয়ে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস উদ্দিপনা লক্ষ করা যাচ্ছে। আগামীকাল রবিবার প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা দিতে চট্টগ্রামে আসবেন। এ সফরে দলের নেতাকর্মীদের বাইরে হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও তিনি একটি বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বললেন, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী একদিনের সফরে চট্টগ্রামে আসছেন। সফরসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকালে কক্সবাজারের মহেশখালীতে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দুপুর ১২টায় হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় পৌঁছাবেন। বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

দুপুর ১টায় ফটিকছড়ি উপজেলায় আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর হাটহাজারী উপজেলার আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমীর শাহ আহমদ শফির কবর জেয়ারত করবেন।
এরপর হাটহাজারী উপজেলায় যাবেন তারেক রহমান।

হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ পরিবারকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা করে অনুদান দেবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে দেবেন ১০ হাজার টাকা করে।
হাটহাজারী থেকে নগরীতে ফিরে প্রধানমন্ত্রী উঠবেন পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লু বে ভিউতে। সন্ধ্যায় হোটেলের হলরুমেই হবে বিএনপির সাংগঠনিক সভা। রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন তিনি।


চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান জানালেন, ‘সভায় নগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সবাই থাকবেন। থানা ও ওয়ার্ড বিএনপির প্রতিটি থেকে তিন থেকে পাঁচজন করে নেতা উপস্থিত হবেন। আহ্বায়ক কমিটিতে নেই এমন কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও চট্টগ্রামের সকল সংসদ সদস্য যোগ দেবেন এতে।’
প্রত্যেক সহযোগী সংগঠনের নগর কমিটি থেকে দুইজন করে নেতাকে সভায় যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির নেতারা সভায় অংশ নেবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ