চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: আদালতে ৩ টিভি সাংবাদিকের ওপর হামলা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ভোটের খবরাখবর জানাতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন ৩ সাংবাদিক। এ ঘটনায় আহতরা হলেন— চ্যানেল ওয়ানের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান শাহনেওয়াজ রিটন ও ক্যামেরাপার্সন অমিত দাশ এবং স্টার নিউজের ক্যামেরাপার্সন জালাল উদ্দিন। বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে আইনজীবী সমিতির অডিটোরিয়ামে এ ঘটনা ঘটে।

সকাল ৯টা থেকে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এ খবরাখবর জানাতে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে যান। দুপুরে সেখান থেকে লাইভে যুক্ত হন কয়েকজন টিভি সাংবাদিক। এ সময় তাদের ওপর হামলা করে কয়েকজন আইনজীবী। এর আগে সকালে এখন টিভির সাংবাদিকদের ফুটেজ সংগ্রহে বাধা দেওয়া হয়েছিল।

চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের টিভি ইউনিটের প্রধান তৌহিদুল আলম বলেন, সংবাদ সংগ্রহের সময় আমাদের ৩ সহকর্মীর ওপর হামলা করেছে কয়েকজন আইনজীবী। এর আগে কয়েকজনকে সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেওয়া হয়েছিল। গণমাধ্যমের ওপর এ ধরনের হামলা ফ্যাসিবাদী আচরণ বলে আমরা মনে করি। ঘটনাস্থলে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে।

এগুলোর ফুটেজ যাচাই করে হামলাকারীদের শনাক্ত এবং তাদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে।এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে চট্টগ্রাম টেলিভিশন রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক (সিটিআরএন)। গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির নেতারা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের ওপর হামলা শুধু গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিপন্থি নয়, বরং আইনের শাসনের প্রতিও চরম অবমাননা। আদালত প্রাঙ্গণের মতো স্থানে এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও উদ্বেগজনক।

তারা অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের নিরাপদে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। অন্যথায় চট্টগ্রামের টেলিভিশন সাংবাদিকরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে ভোটগ্রহণ শুরুর পরপরই কেন্দ্র ও আশেপাশের এলাকায় ভোট বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত আইনজীবীরা।

তারা কমিশনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে আগের দিন অর্থাৎ বুধবার নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কোনো আইনজীবীকে মনোনয়ন ফরম তুলতে দেওয়া হয়নি। ফলে শুরু থেকে তারা নির্বাচনের বিরোধিতা করে আসছে। এছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের মধ্যে অনেকের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগ্রহ কম দেখা গেছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ৯টি পদে একজন করে প্রার্থী থাকায় এসব পদে ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয়নি। বাকি ১২টি পদে ভোট হচ্ছে। এসব পদে মোট ২৪ জন প্রার্থী থাকলেও বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যায় জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদের ১২ প্রার্থী আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। ফলে কার্যত বিএনপিপন্থি প্রার্থীরাই মাঠে রয়েছেন।

এর আগে নির্বাচনকে ঘিরে বুধবার আদালত পাড়ায় টানটান উত্তেজনা তৈরি হয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ নির্বাচন বাতিল চেয়ে আদালতে আবেদন করলেও তা খারিজ হয়ে যায়। পরে পরিষদটির প্রধান সমন্বয়ক শামসুল আলম নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে সমিতির বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটিতে থাকা তাদের ৭ নেতা পদত্যাগ করেন।

অন্যদিকে আওয়ামী লিগপন্থি আইনজীবীরাও নির্বাচন বাতিলের দাবিতে বুধবার আদালতপাড়ায় কালো পতাকা মিছিল ও সমাবেশ করেন। সাধারণ আইনজীবী পরিষদের ব্যানারে অনুষ্ঠিত ওই কর্মসূচি থেকে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন ও পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি জানানো হয়।

এসব ঘটনার মধ্যেও নির্বাচন কমিশন পূর্বঘোষিত তফশিল অনুযায়ী ভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট রৌশন আরা বেগম আগেই জানিয়েছিলেন, নির্বাচন আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়েই ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া মমতাজ এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৭০,পাবনা-০৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ মাওলানা মুহাম্মাদ আলী আছগার।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত জাহান, কৃষি অফিসার শারমিন জাহান, ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সাকিউল আজম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুর মুজাহিদ স্বপন, সদস্য সচিব প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক,প্রেসক্লাব এর সভাপতি মোঃ রায়হান আলী, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, ভাঙ্গুড়া পৌর সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ সুজন আহম্মেদ সহ আইনশৃঙ্খলা কমিটির সন্মানিত সদস্যরা।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা, অপরাধ দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ প্রতিরোধ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসন, পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, পুলিশ কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ভেড়ামারায় পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদেশি রিভলবার ও ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি বিদেশি রিভলবার ও পাঁচ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১২, সিপিসি-১ কুষ্টিয়া ক্যাম্প।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাত ৯টা ৫ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-১২, সিপিসি-১ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডারের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল ভেড়ামারা উপজেলার বাহিরচর ইউনিয়নের বারো মাইল বালুর ঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

এ সময় পদ্মা নদীর তীরে বালু ব্যবসায়ী মো. সিদ্দিক মালিথার (৫০) টিনের ঘরের বেড়ার উত্তর পাশের খালি জায়গা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি বিদেশি রিভলবার ও পাঁচ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। সিদ্দিক মালিথা মৃত মতলেব মালিথার ছেলে।

এসআরবি জানায়, উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গুলির বিষয়ে ভেড়ামারা থানায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।এসআরবি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে জঙ্গি, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, মাদক ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ