ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল খেলাকে ঘিরে ভাঙ্গুড়ায় ব্রাজিল সমর্থকদের শোভাযাত্রা; হেক্সা জয়ের প্রত্যাশা ব্রাজিল ভক্তদের

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার, বিশেষ প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় ক্রীড়া আসর ফুটবল ফিফা বিশ্বকাপের উন্মাদনায় ব্রাজিল ফুটবল দলের জার্সি ও পতাকা নিয়ে নানা রঙেঢঙে নেচে-গেয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করেছেন পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার ব্রাজিল সমর্থকরা। সমর্থকদের কণ্ঠে ছিল ৬ষ্ঠ বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার প্রত্যয়।

শুক্রবার ৫ জুন বিকেলে ভাঙ্গুড়া উপজেলার সরকারি হাজী জামাল উদ্দিন ডিগ্রি অনার্স কলেজ চত্বর থেকে ব্রাজিল ভক্ত ফুটবল খেলোয়াড়দের শোভাযাত্রা বের হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ঘুরে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় ব্রাজিলের সমর্থক হিসেবে রাজনৈতিক নেতা–কর্মী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, সংবাদকর্মী সহ বিভিন্ন বয়সী যুবক ও শিশুরাও ব্রাজিল দলের জার্সি পরে এই শোভাযাত্রায় অংশ নেন। এ সময় রাস্তার পাশে বিভিন্ন দোকান,বাসাবাড়ি ও পথচারীরা হাত নেড়ে শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণকারীদের শুভেচ্ছা ও সমর্থন জানান।

ভাঙ্গুড়া পৌর ফিটনেস ক্লাবের আয়োজনে শোভাযাত্রায় ব্রাজিলের সমর্থক হিসেবে ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক সরদার, পাবনা জেলা কৃষক দলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও ভাঙ্গুড়া উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আখিরুজ্জামান মাসুম, পৌর যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আরিফুজ্জামান আজিম, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হুমায়ুন আহমেদ মুন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সাঈদ, ব্রাজিল ভক্ত হাফিজ আল-আফ্রিদী, হিরো খান, আদদান বাপ্পী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষ, তরুণ-যুবক সহ ব্রাজিল সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

ফুটবল-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়; বরং আবেগ, উৎসব ও ঐক্যের প্রতীক। ভাঙ্গুড়া উপজেলার প্রতিটি গ্রাম, পাড়া, মহল্লা, চায়ের দোকান কিংবা বাসা বাড়িতে মানুষ মেতে উঠেছে রেকর্ড ৪৮ টি দেশ নিয়ে প্রথম ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের উন্মাদনায়।এই শোভাযাত্রা শুধু উৎসব নয়,এই শোভাযাত্রার পেছনে আছে একটি সচেতন উদ্যোগও।এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা আরও গভীর হবে বলে বিশ্বাস আয়োজকদের।

ব্রাজিল ভক্ত ফুটবল শোভাযাত্রার অন্যতম আয়োজক ভাঙ্গুড়া পৌরসভার চৌবাড়ীয়া মাষ্টার পাড়া এলাকার অত্যান্ত আনন্দ প্রিয় ক্রীড়া সংগঠন, ব্রাজিল ভক্ত, প্রথম শ্রেণির ফুটবল খেলার পরিচালক,সাহসী কন্ঠস্বর সাংবাদিক শেখ সাখাওয়াত হোসেন জানান,আমরা বাংলাদেশ কে যেমন হৃদয়ে লালন করি। তেমনি ব্রাজিল এর খেলোয়াড়দের ফুটবল নৈপুণ্য ও কারিশমা সত্যিই আমাদের মুগ্ধ করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে ব্রাজিল সমর্থকদের একত্রিত করে এই শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি সুস্থ বিনোদন ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখাও এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। আসা করছি ফুটবল বিশ্বকাপের ২৩ তম আসরে প্রায় ২২ কোটি (২১ কোটি ৩৫ লাখ) মানুষের দেশ ব্রাজিল-ই চ্যাম্পিয়ন হবে।

ভাঙ্গুড়া উপজেলার প্রবীণ ব্রাজিল ফুটবল দলের সমর্থক প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক বলেন, ছোটবেলা থেকেই ব্রাজিলের ফুটবল খেলা কে মনেপ্রাণে ভালোবাসি। নান্দনিক ফুটবলের জনক ও শৈল্পিক ফুটবলের জাদুকর রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আমাদের ভালবাসার দল ব্রাজিল। ব্রাজিল দলের প্রতি আমাদের ভালোবাসা জানাতে আজকের এই আনন্দ শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত অন্তবর্তি সরকারের উপদেষ্টার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী আমিনুল হক বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশের পর, দীর্ঘ তদন্ত শেষে কমিটি তাদের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।তদন্ত কমিটি মনে করে, এ ঘটনা বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রশাসনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু শিক্ষা সামনে এনেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট প্রশাসনিক কাঠামো, কার্যকর কূটনৈতিক যোগাযোগ, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমন্বয় এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।

প্রতিবেদনে খেলোয়াড়দের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক বা কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ক্রিকেটাররা যেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় মঞ্চে খেলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।
বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে না পাঠানোর সিদ্ধান্তের পক্ষে-বিপক্ষে মত থাকলেও, দেশের ক্রিকেটের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থে এমন একটি প্রশাসনিক পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে কমিটি, যেখানে কোনো সিদ্ধান্তের কারণে ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে গত ফেব্রুয়ারিতে ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল এককভাবে নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে এ বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি।দীর্ঘ তদন্ত শেষে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি তাদের ২২ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত কোনো সম্মিলিত আলোচনা বা পরামর্শের ভিত্তিতে নেওয়া হয়নি।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ এর মধ্যে এক উৎসবমুখর প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে জমকালো এ প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।প্রীতি ম্যাচ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ-কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম রাহী (সিআইপি)। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, ক্রীড়া উপ-কমিটির আহবায়ক সাইফুল্লাহ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে প্রেস ক্লাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ ও ক্রীড়া উপ-কমিটির সদস্য মনিরুল ইসলাম পারভেজ সহ ক্লাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, খেলাধুলা শুধু শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করে না, এটি পারস্পরিক সম্প্রীতি, শৃঙ্খলা, নেতৃত্বগুণ ও দলগত চেতনা বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাংবাদিক সমাজের এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন তাদের পেশাগত ব্যস্ততার পাশাপাশি সুস্থ ও ইতিবাচক জীবনধারা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ। প্রীতি ম্যাচটি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্যবৃন্দ এবং আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের কর্মকর্তারা এই জমজমাট ম্যাচটি উপভোগ করেন।প্রাণবন্ত ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ ম্যাচে ৩-০ গোলের ব্যবধানে প্রেস ক্লাব টিমকে হারিয়ে জয় তুলে নেয় প্রতিপক্ষ টিম। ম্যাচের শুরুতে প্রধান অতিথি সহ উপস্থিত অতিথিরা খেলোয়াড়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। খেলা শেষে খেলোয়াড়দের পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ