ঐতিহ্যবাহী জশনে জুলুসে ৫০ লাখ লোক সমাগমের টর্গেট

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষ্যে চট্টগ্রামে এবার ৫৫ তম বারের মতো ঐতিহ্যবাহী জশনে জুলুসের আয়োজন করতে যাচ্ছে আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট। এইবারও ২৬ আগস্টের এ জুলুসে ৫০ লাখের বেশি মানুষের সমাগম হবে বলে প্রত্যাশা করছেন আয়োজকরা।সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আনজুমান ট্রাস্টের সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

তিনি বলেন, আগামী ২৩ আগস্ট রোববার ঢাকায় এবং ২৬ আগস্ট বুধবার চট্টগ্রামে বড় আয়োজনে জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হবে। চট্টগ্রামের জুলুসে নেতৃত্ব দেবেন দরবারে সিরিকোটের সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ সাবির শাহ (ম.জি.আ.)। এতে অতিথি হিসেবে থাকবেন সাহেবজাদা হজরত সৈয়দ মুহাম্মদ কাসেম শাহ (ম.জি.আ.) ও শাহজাদা সৈয়দ মুহাম্মদ আকিব শাহ (ম.জি.আ.)।আনজুমান ট্রাস্টের সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, আগের বছরগুলোর মতো এবারও জশনে জুলুস জনসমুদ্রে রূপ নেবে বলে আমরা আশা করছি। জুলুছে অংশ নেওয়া মানুষের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন আনজুমান ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আলহাজ মনজুর আলম। তিনি বলেন, রাসুল (দ.)-এর ধরাপৃষ্ঠে শুভাগমনের দিন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এ জুলুস বিশ্বের বৃহত্তম মিলাদ শোভাযাত্রা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। একই সঙ্গে এটি চট্টগ্রামের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক হিসেবে রূপ নিয়েছে। তাই এর শরিয়তসম্মত ঐতিহ্য রক্ষা করা সবার দায়িত্ব।তিনি জুলুসের সার্বিক শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন ও নির্ধারিত স্বেচ্ছাসেবকদের নির্দেশনা এবং আনজুমান ট্রাস্ট ঘোষিত নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানান।

আয়োজকরা জানান, ২৬ আগস্ট সকাল ৮টায় চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহর জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা সংলগ্ন আলমগীর খানকা থেকে জুলুস শুরু হবে। এরপর নগরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়ক ও মোড় প্রদক্ষিণ করে জুলুস জামেয়া মাঠে গিয়ে শেষ হবে। সেখানে মাহফিল, জোহরের নামাজ ও দেশ-জাতির সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।জুলুসের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি আনজুমানের ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। জুলুছে ড্রামসেট নিয়ে প্রবেশ, নারীদের অংশগ্রহণ এবং খাদ্যদ্রব্য নিক্ষেপ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

জুলুসকে ঘিরে ইতোমধ্যে নগরের বিভিন্ন মোড়ে সুসজ্জিত তোরণ, ব্যানার ও ফেস্টুন টাঙানো হয়েছে। সড়ক বিভাজক ও সড়কদ্বীপে শোভা পাচ্ছে জাতীয় পতাকা ও আনজুমানের পতাকা। মুসল্লিদের সুবিধার্থে মাদ্রাসা ও আশপাশের এলাকায় শতাধিক অস্থায়ী শৌচাগার তৈরি করা হয়েছে।আওলাদে রাসুল আল্লামা হাফেজ সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (রহ.) ১৯৭৪ সালে এ জুলুসের প্রবর্তন করেন। এবার ৫৫তম বারের মতো জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি মোহাম্মদ সামশুদ্দিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি এস এম গিয়াস উদ্দিন সাকের, ফিন্যান্স সেক্রেটারি কামরুদ্দিন সবুর, প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন সেক্রেটারি গোলাম মহিউদ্দিন, কেবিনেট সদস্য মোহাম্মদ হোসেন খোকন, পেয়ার মোহাম্মদ কমিশনার, মাহমুদ নেওয়াজ, শাহজাদ ইবনে দিদার, আনজুমান মুখপাত্র অ্যাডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতেয়ার, আবদুল হাই মাসুম, আনোয়ারুল হক, অধ্যাপক কামাল উদ্দিন, মিডিয়া ডেস্কের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু তালেব বেলাল ও সদস্য আবু নাছের মোহাম্মদ তৈয়্যব আলীসহ ট্রাস্টের নেতারা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মাইজভাণ্ডারী গাউছিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ ঘোষিত “সাংগঠনিক সংলাপ ২০২৬” অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাইজভাণ্ডারী গাউছিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ ঘোষিত “সাংগঠনিক সংলাপ ২০২৬” কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগর খ জোনের সাংগঠনিক সংলাপ সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অত্র জোনের আওতাধীন বিভিন্ন শাখা কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও দায়িত্বশীলদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজিত এ সংলাপ ছিল প্রাণবন্ত ও ফলপ্রসূ। চট্টগ্রাম মহানগর ‘খ’ জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী এডভোকেট কুতুবউদ্দিন আহমদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় পর্ষদের সভাপতি আলহাজ্ব রেজাউল আলী জসিম চৌধুরী।

উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার এবং কেন্দ্রীয় সম্মানিত সদস্য যথাক্রমে মো. আলী, মীর শফিউল আলম নিজাম, কাজী নিজাম উদ্দিন, মাকসুদুর রহমান হাসনু, আশরাফুজ্জান আশরাফ, ফজলুর হক ফজু ও নাসির উদ্দীন সহ চট্টগ্রাম মহানগরের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মেজবাহ উদ্দিন, শফিকুল ইসলাম, শামশুল ইসলাম, বদিউর রহমান, ওমর ফারুক, আক্তার মিঞা, ফোরকান, মোকসুদুল আলম, সাজ্জাদ হোসেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, নাতে রাসুল (সা.) ও মাইজভাণ্ডারী কালাম পরিবেশন করা হয়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন খ জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মোঃ সাজ্জাদ।

বিশ্ব ও সম্প্রীতির কনসার্ট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ২৮ শে আগষ্ট শুক্রবার জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে অনুষ্ঠিত হলো বিশ্ববরেণ্য ধ্যানগুরু,কবি,দার্শনিক,চিত্রকর ও শিল্পী চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান শ্রী চিন্ময়ের ৯৫ তম জন্মোৎসব উপলক্ষে এক বিশেষ অনুষ্ঠানমালা।

অনুষ্ঠানে শ্রী চিন্ময়ের রচিত সংগীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী আঁখি হালদার এবং
চট্টগ্রাম শ্রী চিন্ময় সেন্টার এর নিয়মিত শিল্পী বুবলি ঘোষ। কোরাসে ছিলেন শতরুপা চৌধুরী, আত্মজা বিশ্বাস, অশ্মি চৌধুরী, শ্রী চিন্ময় রচিত কবিতা আবৃত্তি করেন শ্রী চিন্ময় সেন্টার চট্টগ্রামের সদস্য অনুজা বিশ্বাস, প্রিয়তা পাল,টুম্পা মজুমদার, পলি গুহ, কিশোর দে।অনুষ্ঠানস্থলে শ্রী চিন্ময়ের ১৩ টি চিত্রকর্ম প্রদর্শিত হয়।

পরবর্তীতে শ্রী চিন্ময়ের আত্মজীবনী নিয়ে এটিএন নিউজ ও টাইম টিভি নিউইয়র্কের জনপ্রিয় সাংবাদিক, কবি দিমা নেফারতিতির নির্মিত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন প্রফেসর ডক্টর মাছুম আহমেদ, দর্শন বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রফেসর মোঃ জসিম উদ্দিন চারুকলা ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বিশিষ্ট ধর্মতত্ত্ববিদ অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্তী। পরিশেষে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন স্কটল্যান্ড নিবাসী শান্তিশ্রী ম্যাকগ্রেথ, পরিচালক শ্রী চিন্ময় সেন্টার চট্টগ্রাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন রিমন ঘোষ।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ