ভারতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৮ জন বাংলাদেশি এবং একজন ভারতীয়

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারতের কলকাতায় একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত(৩৯), তার স্ত্রী আফসানা শিম্মিন(২৯),সন্তান শর্ণশীষ দত্ত (৩) ও শ্বশুর আকরাম হোসেন (৬৪) নিহত হয়েছেন।নিহত দেবাশীষ দত্ত আজকের পত্রিকা ও চ্যানেল নাইনের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় দৈনিক আজকের আলো পত্রিকার সম্পাদক গাজী মাহবুব রহমান।তিনি জানান, দেবাশীষ দত্ত ওই পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন।

স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, কলকাতার একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দেবাশীষ দত্তসহ তার পরিবারের সদস্যরা প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে তার স্ত্রী, সন্তান এবং শ্বশুর রয়েছেন।

অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে ৮জন বাংলাদেশি নাগরিক এবং একজন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন।ভারতের সংবাদমাধ্যম পিটিআই ও এনডিটিভিসহ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমও অগ্নিকাণ্ডে আট বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে। তারা চিকিৎসার উদ্দেশ্যে কলকাতায় গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর কুষ্টিয়ার সাংবাদিক মহল ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভারতীয় জাহাজে সৌদি হামলা, ১৪ ভারতীয়কে উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারতীয় জাহাজে লোহিত সাগরের জুকার দ্বীপে একটি বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব। ওই জাহাজ থেকে ১৪ ভারতীয়কে উদ্ধার করার দাবি করেছে ইয়েমেনের হুথিরা। তারা জানায়, ওই নৌকাটি বাব এল-মান্দেব প্রণালির কাছে ছিল।বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এমন দাবি করে হুথিদের সামরিক শাখার মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে টেলিগ্রামে এক পোস্টে জানান, হুথিরা ভারতীয়দের উদ্ধার করেছে এবং এব্যাপারে পরবর্তীতে বিস্তারিত তথ্য জানাবে।

এছাড়া ভারতীয় জাহাজে সৌদির বিমান হামলার সমালোচনাও করেছেন ইয়াহিয়া। তিনি বলেন, সৌদির শত্রুদের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ লোহিত সাগরে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলকে হুমকিতে ফেলছে। আন্তর্জাতিক মহলকে সৌদির শত্রুদের এ ধরনের দায়িত্বহীন কাজ থামাতে হবে।

সৌদি আরবের বিমানবন্দর তেল স্থাপনায় হামলায় নিহত – ৩

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে বিমানবন্দর ও একটি তেল স্থাপনায় পৃথক হামলায় তিনজন নিহত হয়েছে।দেশটির আরব নিউজ জানিয়েছে, সৌদি আরামকোর শায়বাহ তেলক্ষেত্রের এক প্রক্রিয়াকরণ স্থাপনাকে লক্ষ্যস্থল করে ছোড়া একটি ড্রোন সফলভাবে বাধা দিয়ে ধ্বংস করা হয়, কিন্তু এর পড়ন্ত ধ্বংসাবশেষের আঘাতে ২ জন নিহত ও ২ জন আহত হয।

এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয়টি বলেছে, এই হামলা প্রচেষ্টায় দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে, তাদের একজন ফিলিপিনো ও অপরজন নেপালি। পাশাপাশি আরও দুইজন আহত হয়েছেন।এ ঘটনায় আহত দুজনের একজন পাকিস্তানের ও অপরজন ভারতের নাগরিক। বৃহস্পতিবার ভোররাতে সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বুধবার দাম্মামের বাদশা ফাহাদ বিমানবন্দরে এক হামলায় একজন নিহত ও আরও আটজন আহত হয়েছেন। আহতদের সবাইকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা সঙ্কটজনক।

পৃথকভাবে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের উপর থেকে চারটি ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে।এর আগে বুধবার জোট বাহিনী সৌদি আরব লক্ষ্য করে ছোড়া সাতটি ড্রোন বাধা দিয়ে ধ্বংস করার কথা জানিয়েছিল। যেগুলোর মধ্যে একটি মদিনা অঞ্চলে ধ্বংস করা হয় বলে দাবি করেছে তারা।

রয়টার্স জানিয়েছে, বুধবার ইয়েমেনের হুতিরা জানিয়েছে, সৌদি আরবের পবিত্র শহর মদিনার দিকে কোনো ড্রোন ছোড়েনি তারা আর সৌদি আরবের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানও পরিচালনা করেনি।ইয়েমেনের সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী পূর্বাঞ্চল ও মদিনায় ড্রোন ধ্বংসের যে দাবি করেছিল তা প্রত্যাখ্যান করেছেন হুতিদের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি।

ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সমর্থনে সৌদি নেতৃত্বাধীন বাহিনী হুতি মিলিশিয়াদের সঙ্গে লড়াই করছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এই লড়াই তীব্র আকার ধারণ করে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের আরেকটি রণক্ষেত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সংগৃহীত – আরব নিউজ ও রয়টার্স

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ