কালুরঘাট সেতু প্রকল্প পরিচালকের কাঁধে পূর্বাঞ্চল রেলের ভারপ্রাপ্ত জিএমের দায়িত্ব

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব) মো. সুবক্তগীন পবিত্র ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরব সফরে থাকায় তাঁর অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর ওপর রেল-কাম-রোড সেতু নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মুহম্মদ আবুল কালাম চৌধুরী। নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে তিনি বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

বাংলাদেশ রেলওয়ের চীফ পার্সোনেল অফিসার (পূর্ব) কার্যালয় থেকে ১৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে জারি করা এক দপ্তরাদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। দপ্তরাদেশে বলা হয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-৫ শাখার ৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব) মো. সুবক্তগীনকে নিজ ও স্ত্রীসহ ব্যক্তিগত খরচে পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় তিনি ১৭ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত মোট ১৪ দিন সৌদি আরবে অবস্থান করবেন। তাঁর ছুটিকালীন সময় এবং কাজে যোগদান না করা পর্যন্ত প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মুহম্মদ আবুল কালাম চৌধুরী নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব), বাংলাদেশ রেলওয়ে, সিআরবি, চট্টগ্রাম পদের কাজ দেখাশোনা করবেন।

রেলওয়ের দপ্তরাদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এ ব্যবস্থা যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জারি করা হয়েছে। ফলে ১৭ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত প্রকৌশলী মুহম্মদ আবুল কালাম চৌধুরী একই সঙ্গে কালুরঘাট রেল-কাম-রোড সেতু নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রকৌশলী মুহম্মদ আবুল কালাম চৌধুরী বাংলাদেশ রেলওয়ের একজন অভিজ্ঞ প্রকৌশলী হিসেবে পরিচিত। দেশের গুরুত্বপূর্ণ রেল অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। এর আগে তিনি দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেল যোগাযোগ স্থাপনের মতো বৃহৎ প্রকল্পে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তাঁর বর্তমান দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।

বর্তমানে তিনি কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর ওপর নতুন রেল-কাম-রোড সেতু নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের এ গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তায় মূল সেতু, ভায়াডাক্ট ও সংযোগ রেলপথ নির্মাণের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নগরীর সঙ্গে দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের রেল ও সড়ক যোগাযোগে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নতুন কালুরঘাট সেতু নির্মাণ হলে পুরোনো কালুরঘাট সেতুর ওপর দীর্ঘদিনের চাপ কমার পাশাপাশি দক্ষিণ চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে রেলপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের সক্ষমতা বাড়বে এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের যোগাযোগ অবকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে।

এদিকে প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্বের পাশাপাশি পূর্বাঞ্চল রেলের ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পাওয়ায় প্রকৌশলী মুহম্মদ আবুল কালাম চৌধুরীর ওপর এখন বাড়তি দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। পূর্বাঞ্চল রেলের অধীন বিভিন্ন রুট ও স্টেশনের পরিচালনা, ট্রেন চলাচল, প্রকৌশল ও রক্ষণাবেক্ষণ, প্রশাসনিক কার্যক্রমসহ বিস্তৃত দায়িত্বের সঙ্গে তাঁকে সমন্বয় করতে হবে কালুরঘাট সেতু প্রকল্পের বাস্তবায়ন কার্যক্রমও।

সংশ্লিষ্টদের মতে, দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পে কাজের অভিজ্ঞতা, প্রকৌশলগত জ্ঞান ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনার দক্ষতা থাকায় নতুন দায়িত্বে প্রকৌশলী মুহম্মদ আবুল কালাম চৌধুরী কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন। বিশেষ করে একদিকে পূর্বাঞ্চল রেলের নিয়মিত কার্যক্রম সচল রাখা এবং অন্যদিকে কালুরঘাটের বহুল প্রত্যাশিত রেল-কাম-রোড সেতু প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেওয়া—দুই ক্ষেত্রেই তাঁর অভিজ্ঞতার প্রতিফলন ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব) মো. সুবক্তগীন সৌদি আরব থেকে ফিরে দায়িত্বে যোগদান না করা পর্যন্ত প্রকৌশলী মুহম্মদ আবুল কালাম চৌধুরী এই ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁর এই অতিরিক্ত দায়িত্বকে পূর্বাঞ্চল রেলের প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি কালুরঘাট সেতু প্রকল্পের কাজকে গতিশীল রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মহানগরের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়ার প্রজননস্থল ধ্বংসে চসিকের অভিযান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) মেয়রের নির্দেশনায় নগরের ২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে বিশেষ মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ সময় বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনের মাধ্য মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত ও ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি মশার লার্ভা নিধনে প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রয়োগ এবং নগরবাসীকে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতন করা হয়। অভিযানের অংশ হিসেবে মশার প্রজননস্থল সৃষ্টির জন্য দায়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতও পরিচালনা করা হয়।

চসিক জানিয়েছে, নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি নগরের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম অব্যাহত থাকবে। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এদিকে, নগরবাসীকে বাড়ির আঙিনা, ছাদ, নির্মাণাধীন ভবন ও আশপাশের এলাকায় পানি জমতে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে চসিক। বিশেষ করে ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, পুরোনো টায়ার, ডাবের খোসাসহ যেসব স্থানে পানি জমে থাকতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার ও জমে থাকা পানি অপসারণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত কার্যক্রমে চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, মশক ও ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহিসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে সিটি করপোরেশন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে বিশেষ মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।তিনি বলেন, শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে নগরবাসীকেও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বাড়ি, ছাদ, নির্মাণাধীন ভবন ও আশপাশে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে।তিনি আরও বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি কমিয়ে একটি নিরাপদ নগর গড়ে তুলতে চায় চসিক। এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

চট্টগ্রামে আদালতের এজালাসে বাদীকে গলায় চুরি ডুকিয়ে দিল আসামীরা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম আদালত ভবনের এজলাস কক্ষে মামলার বাদীকে গলায় চুরি ডুকিয়ে দিয়েছে আসামীরা। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টায় চট্টগ্রাম মেট্টাপলিটন মেজিস্টেট আদালত -৩ এর এজলাস কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পর বিচারকের নির্দেশে পুলিশ পাঁচলাইশ থানাধীন হাদুমাঝি পাড়া এলাকার ব্যবসায়ী নূরুল কবিরকে রক্তাক্ত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। নুরুল কবির স্থানীয় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে চাাঁদাবাজি, লুটপাট, হামলা, চুরিসহ তিনটি মামলা দায়ের করেছিলেন। ওই মামলার বিচারকাজে উপস্থিত হলে আসামীরা এমন ঘটনা ঘটায় বলে তার স্বজনরা অভিযোগ করেছেন।

ঘটনাস্থলে থাকা নুরুল কবিরের স্ত্রী রুনা আক্তার রূপা বলেন, আজকে মামলার হাজিরা ছিল। আমার স্বামী এজলাসে ডোকার কিছুক্ষণ পর মামলার আসামী ইলিয়াস হোসেন অপু, জয়নাল আবেদীন সোহেল, এমরান, আনোয়ারসহ আরো কয়েকজন মিলে তাকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে গলায় চুরি ডুকিয়ে দেয়। এ সময় তার আত্মচিৎকারে আসামীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। এর আগে আসামীরা গ্রেফতার হয়। সম্প্রতি এরা জামিনে বেরিয়ে আসে।
জানা গেছে, নুরুল কবিরের সাথে আসামীদের পূর্ব বিরোধ রয়েছে। বিভিন্ন ঘটনায় নুরুল কবির ও তার স্ত্রী রুনা আক্তার রূপা (৩০) বাদী হয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে পাঁচলাইশ মডেল থানায় মামলা নং-০৩(১১)২০২৪, মামলা নং-০৪(৬)২০২৬, মামলা নং-২৩(৬)২০২৬ দায়ের করে। যাহা আদালতে বিচারাধীন এবং থানায় তদন্তাধীন আছে। এতে আসামীরা ক্ষিপ্ত হয়ে এ ঘটনা ঘটায়। সম্প্রতি নুরুল কবিরের পাঁচলাইশের বাসায় দিন-দুপুরে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ঘটনার ৩ দিন পর অবশেষে চুরির মামলা গ্রহণ করে ৩ আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, পাঁচলাইশ থানাধীন হাদুমাঝি পাড়া এলাকার ব্যবসায়ী নূরুল কবিরের বাড়ীতে ২০২৪ সালে নগদ ১৪ লক্ষ টাকা চুরির ঘটনায় চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী ইলিয়াস হোসেন অপুর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। ২০২৫ সালের প্রথম দিকে তাহসিন হত্যা ও চুরির মামলা থেকে জামিনে বেরিয়ে এসে ইলিয়াস হোসেন অপু নুরুল কবিরের নিকট সরাসরি ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবীসহ মামলা তুলে না নিলে ডিশ-ওয়াইফাই ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকী প্রদান করেন।

তাদের দাবীকৃত চাঁদা না দেওয়ায় গত ১ জুন সাবেক যুবলীগ নেতা জয়নাল আবেদীন সোহেল ও ইলিয়াস হোসেন অপুর নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যরা নুরুল কবিরকে তুলে নিয়ে সোহেলের রিক্সার গ্যারেজে আটকে রেখে ২ দিনের মধ্যে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী পূর্বক মারধর করে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ছেড়ে দেয়। উক্ত ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হলে সন্ত্রাসীরা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে পরদিন নুরুল কবিরের বাসার সামনে এসে তাকে কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এসময় তার স্ত্রীকেও ব্যাপক মারধর করে সন্ত্রাসীরা। উক্ত ঘটনায় আরো একটি মামলা দায়ের করা হয়। এরপর থেকে সন্ত্রাসীরা নূরুল কবিরকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য প্রতিনিয়ত হুমকী দিতে থাকেন। একপর্যায়ে ডিশ-ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তার ব্যবসা বন্ধ করে দেয়। সন্ত্রাসীদের হামলার ভয়ে প্রাণ বাঁচাতে নুরুল কবির অন্যত্র বসবাস করলেও তার স্ত্রী-সন্তানেরা বাসায় থাকতেন।

গত ২৮ আগষ্ট জুমার নামাজের সময় অপু-সোহেলের নেতৃত্বে ১০/১২ জনের একটি ডাকাতদল ডাকাতির উদ্দেশ্যে নুরুল কবিরের বাড়ির সিসি ক্যামরা ভাংচুর করে বাসায় ঢুকে কবিরের স্ত্রীকে হাত-পা বেঁধে বাথরুমে আটকে রেখে নগদ ৬ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা এবং স্বর্ণালংকার, ল্যাপটপসহ প্রায় ১০ লক্ষ টাকার মালামাল ডাকাতি করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর পরই সিএমপির পাঁচলাইশ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন। অজানা কারণে পুলিশ চুরির মামলা (নং ২৪(৮)২৬) গ্রহণ করে। এতে এমরান, ফয়সাল, ইলিয়াস হোসেন অপু, জয়নাল আবেদীন সোহেল, আনোয়ার, রবিউল হাসান, জালাল আহম্মেদ পারভেজ এবং অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জনকে আসামি করা হয়। ৩০ আগষ্ট দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ এজাহারনামীয় আসামি রবিউল হাসান, জালাল আহম্মেদ পারভেজ এবং ফয়সালকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেন। পরে তারা জামিনে বেরিয়ে আসে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ