মাদ্রাসার শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্ব দিতে হবে: সেলিম উদ্দিন

বোয়ালখালী  প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাদ্রাসা শিক্ষার মানোন্নয়নে আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা, শৃঙ্খলা এবং কোরআন-সুন্নাহর জ্ঞান অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দুবাইপ্রবাসী ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

তিনি বলেন, মাদ্রাসা শুধু ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার প্রতিষ্ঠান নয়, এটি নৈতিকতা, মানবিকতা ও আদর্শ চরিত্র গঠনেরও অন্যতম কেন্দ্র। তাই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে শিক্ষার মানোন্নয়নে আমাদের আরও মনোযোগী হতে হবে। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর জ্যৈষ্ঠপুরা ইসলামিয়া হামেদিয়া দাখিল মাদ্রাসার অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে হবে। একই সঙ্গে তাদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে হবে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক, অভিভাবক ও সমাজের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মাদ্রাসাগুলো থেকে শুধু ভালো ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থী নয়, বরং জ্ঞানী, দক্ষ, সৎ ও আদর্শ নাগরিক তৈরি করতে হবে। তারাই ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের নেতৃত্ব দেবে।’

নিজের শিক্ষাজীবনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘এই প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে আজ এখানে এসে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সময় কাটাতে পেরে আমি আনন্দিত। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতি প্রাক্তন শিক্ষার্থীদেরও দায়িত্ব রয়েছে। নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো উচিত।’ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ জিয়াউল হক হান্নান। তিনি অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন।

এ সময় মাদ্রাসার শিক্ষক ক্বারী নুরুচ্ছাফা, মাওলানা রেজাউল করিম, মাওলানা সেলিম উদ্দীনসহ শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শেষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী এবং কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম মহানগরে সড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাটারিচালিত রিকশার বেপরোয়া চলাচলের কারণে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচল দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। নগরবাসীর জীবনে ‘সাক্ষাৎ আজরাইল’ হয়ে উঠা এই ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলো আগে অলিগলিতে চলাচল সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন মূল সড়ক দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে। পরাগ ও বিভাটেক এর নির্মিত এই ইজিবাইক ও ব্যাটারি রিকশাগুলোর দাপটে অসহায় হয়ে পড়েছে অন্যান্য যান ও পথচারীরা। এসব রিকশায় অদক্ষ চালকের এলোমেলো চলাচল, আইন না মানার প্রবণতা, উল্টোপথে চলা, যেখানে- সেখানে হুটহাট রিকশা ঘোরানো, পার্কিংসহ সব মিলিয়ে চট্টগ্রাম নগরীতে প্রতিদিনই তৈরি হচ্ছে বিশৃঙ্খলা। ঘটছে দূর্ঘটনা। যেন দেখার কিউ নেই। ট্রাফিক বিভাগ অনেক অসহায় ভাবে যেন তেন ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মহানগরের চকবাজার, বাকলিয়া, নিউ মার্কেট, কোতোয়ালি, আগ্রাবাদ, জিইসি, ২ নম্বর গেইট, বাকলিয়া নতুনব্রিজ, খুলশী, জালালাবাদ, বায়েজিদ, পোর্ট কলোনী, আকবর শাহ, হালিশহর, পাহাড়তলী এলাকা ঘুরে প্রায় সব মূল সড়কে অসংখ্য ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজিবাইক চলতে দেখা গেছে। এতে বাড়ছে জনভোগান্তি, সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট। গণপরিবহনকেও ওভারটেক করতে পিছপা হয় না এসব যানবাহন। এ বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে কথা হলেও কোনোভাবেই এসব বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। চসিকও নীরব।

সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভুঁইয়া বলেন, মহানগরীর গণপরিবহনের ক্ষেত্রে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা এক ধরনের মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেলে দেখা যাবে, আহতদের ১০ থেকে ৩০ শতাংশই অটোরিকশাজনিত দুর্ঘটনার শিকার। এসব গাড়ির বিষয়ে সরকার একটি সিদ্ধান্তের দিকে এগোচ্ছে। আমরা আপাতত সেই সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। পাশাপাশি নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে, অভিযান আরও জোরদার করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

এদিকে চট্টগ্রাম শহরে ঠিক কতটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলছে, তার সুনির্দিষ্ট হিসাব নেই। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, নগরের সড়কে অবৈধভাবে দেড় লাখের বেশি অটোরিকশা চলছে। এসব গাড়ির নেই অনুমোদন, লাইসেন্স ও রুট পারমিটও নেই। অথচ অপ্রশিক্ষিত চালকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে দ্রুতগতির এই যান। অনেক সময় পুলিশ ধরবে এ কারণে বেপরোয়া গতিতে রংসাইডে দ্রুতগতিতে চালিয়ে নিয়ে যান। এতে প্রাণহানি কিংবা পঙ্গুত্ব বরণের ঘটনা ঘটছে। গতির বিষয়ে কোনো ধারণা নেই চালকদের। খেয়ালখুশিমতো রাস্তায় এসব ‘ভয়ংকর যান’ রাজত্ব করছে। মনে হচ্ছে দেখার কেউ নেই। এসব ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণ করা না হলে সামনে ভয়ংকর বিপদ অপেক্ষা করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর নগরের সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। এরপর বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে এসব রিকশা জব্দ করা হয়। গত বছরের ১৮ এপ্রিল কাপাসগোলা এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা উল্টে হিজরা খালে পড়ে ছয় মাস বয়সী সেহেরীশ নিহত হয়। এরপর এসব রিকশার বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করে সিএমপি। নগরের বিভিন্ন সড়ক ও গ্যারেজ থেকে তিন হাজারের বেশি রিকশা জব্দ এবং ব্যাটারি চার্জিং পয়েন্টের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

কিন্তু কয়েক দিন পরই জব্দ করা রিকশা ছেড়ে দেওয়া হয়। আবারও সেগুলো নিয়ে রাস্তায় নামেন চালকেরা। নগরের বিভিন্ন দোকানেও নির্বিঘ্নে বিক্রি হচ্ছে এসব যান। ফলে শুধু সড়কে অভিযান চালিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বন্ধ করতে হবে আমদানি ও বিক্রি, ঠেকাতে হবে কারখানায় তৈরি। তবেই কমানো সম্ভব দুর্ঘটনা, প্রাণহানি ও অঙ্গহানির ঝুঁকি।
জানা গেছে, মো. সাকিবের বাড়ি বাঁশখালী উপজেলায় হলেও থাকতেন চট্টগ্রাম শহরে। পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি করতেন, করতেন টিউশনিও। মাকে একটু সুখে রাখতে চলছিল তাঁর বিরামহীন জীবনসংগ্রাম। কিন্তু বাকলিয়া থেকে টিউশনি শেষে ফেরার পথে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় থেমে যায় সেই সংগ্রাম।

হাসপাতালে চার দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে গত ২৬ জুলাই না ফেরার দেশে পাড়ি জমান সাকিব। সাকিবের মতো এমন অনেকের জীবনেই এখন আতঙ্কের নাম ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। এটি কারও কেড়ে নিচ্ছে জীবন, কারও জন্য রেখে যাচ্ছে সারাজীবনের ক্ষত। সেই আতঙ্ক থেকে রেহাই পায়নি তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী নাওয়াল আনসারীও। পুলিশ কর্মকর্তা বাবা আনসারুল করিম মেয়েকে বিদ্যালয়ে দিয়ে যান। অথচ দুপুরে নিজের বাসার সামনেই সেই মেয়েকে অটোরিকশার ধাক্কায় রক্তাক্ত হতে দেখেন তিনি। দ্রুতগতির অটোরিকশার ধাক্কায় গুরুতর আহত হয় ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের এই ছাত্রী। দুই হাত, মাথা, ঠোঁটসহ পুরো মুখমণ্ডলে গুরুতর জখম হয় তার। পরে দুটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয় শিশুটিকে।

মেয়ের এমন পরিণতিতে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক পোস্ট দেন আনসারুল করিম। নিজের বাসার নিচেও সন্তান নিরাপদ না থাকলে নগরবাসী কোথায় নিরাপদ-এমন প্রশ্ন তুলে তিনি লেখেন, মানবতাবাদী কোন বিচারপতি কিংবা আইনজীবী কি দেশে নেই-যিনি বা যাঁরা আজরাইল-রূপী এই অটোরিকশা থেকে বাংলাদেশের মানুষকে বাঁচানোর লক্ষ্যে একেবারেই নিষিদ্ধ করতে পারবেন।
শুধু সাকিব কিংবা নাওয়াল নয়, এসব যানবাহনের ধাক্কায় কিংবা অন্য যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অনেকে। ঘটেছে প্রাণহানিও। মহাসড়কে এসব যান চলাচল নিষিদ্ধ হলেও নগরের সড়ক ও অলি-গলিতে এগুলোর চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।

বিশিষ্ট নগরপরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদারও এই অটোরিকশার ভুক্তভোগী। বাসার সামনে সড়ক পার হওয়ার সময় অটোরিকশার ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে প্রায় দুই মাস বিছানাবন্দি ছিলেন তিনি। চিকিৎসায় খরচ হয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার টাকা। প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, এই অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ পঙ্গু মানুষের দেশে পরিণত হবে।

গত এক বছরে শুধু লালখান বাজার এলাকায় আমি এক ডজন অটোরিকশা দুর্ঘটনা চাক্ষুষ করেছি। এই গাড়ি কোনোভাবেই সড়কের জন্য ভারসাম্যপূর্ণ নয়। অপ্রশিক্ষিত ও নিবন্ধনবিহীন চালকেরা এসব গাড়ি চালাচ্ছেন, যাদের ওপর রাষ্ট্রীয় কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। এই গাড়ি দেখে মনে হয়-যেন মানুষ হত্যার একটা মেশিন সড়কে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ইঞ্জিন দ্রুত মেরামতে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের নির্দেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ), লোকোসেড, সিজিপিওয়াই, কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) ও পদ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) এসব স্থাপনা পরিদর্শন করেন তিনি। পরিদর্শনকালে রেলওয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (সিই), চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (সিওপিএস), চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (সিসিএম), চট্টগ্রামের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) এবং পাহাড়তলীর ডিএসডব্লিউসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় তিনি একাডেমির একাডেমিক ভবন, প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ কক্ষ, ডরমেটরি ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।এরপর তিনি সিজিপিওয়াই, টার্ন টেবিল, ট্রায়াঙ্গেল লাইন, ইয়ার্ড লাইন ও লোকোসেড পরিদর্শন করেন। লোকোসেড পরিদর্শনকালে ইঞ্জিন দ্রুত মেরামত ও সচল রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন পরামর্শ ও নির্দেশনা দেন।

পরে সিজিপিওয়াই এলাকায় কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় সিসিবিএলের সঙ্গে রেলওয়ের বিভিন্ন চুক্তি, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং সীমানা নির্ধারণসংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া দ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ