বিলাসবহুল গাড়ি আমদানি

শুল্ক ফাঁকি দিতে আস্ত গাড়ি কেটে আনা হয় কয়েক টুকরোয়

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শুল্ক ফাঁকি দিতে গাড়ির কয়েকটি বড় অংশে কেটে সেটিকে দেখানো হচ্ছে ‘ইউজড কার পার্টস’। সেই অংশগুলো বন্দর থেকে ছাড় করে নিয়ে জোড়া লাগিয়ে তৈরি করা হচ্ছে পুরো গাড়ি। নিজেদের শো রুমে নিয়ে বেশি শুল্কে বিক্রি করছে। মোংলা বন্দর দিয়ে এমন অভিনব কৌশলে, বিলাসবহুল গাড়ি আমদানির তথ্য উদঘাটনের পর চট্টগ্রামের রহমতগঞ্জ থেকে একটি বিএমডব্লিউ গাড়ি আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)।

গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে নগরের জামালখান ওয়ার্ডের রহমতগঞ্জের সাত্তার মঞ্জিলের (বিটিআই ভবন) পার্কিং থেকে গাড়িটি আটক করা হয়। যা চট্টগ্রাম বিআরটিএর চট্ট মেট্রো-গ-১১-৩৬৫১ নম্বরে চলাচল করতো। ধারণা করা হচ্ছে গাড়িটির আনুমানিক মূল্য আড়াই কোটি থেকে তিন কোটি টাকা পর্যন্ত।
চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস কনফারেন্সে এসব তথ্য জানান কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ। তিনি জানান, মোংলা বন্দর দিয়ে ‘ইউজড কার পার্টস’ ঘোষণা দিয়ে সম্পূর্ণ বিলাসবহুল গাড়ি তিন থেকে চারটি বড় অংশে কেটে ‘

সেমি নকড ডাউন’ (এসকেডি) অবস্থায় আমদানির একটি কৌশল শনাক্ত করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এ কৌশলের মাধ্যমে প্রকৃত আমদানি পণ্য আড়াল করে শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় কাস্টমস গোয়েন্দার একটি দল। সেখানকার পার্কিং থেকে বিএমডব্লিউ গাড়িটি শনাক্ত করে আটক করা হয়।

কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা গাড়িটির বর্তমান মালিক মোহাম্মদ আইয়ুবের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, তিনি দেশের বাইরে রয়েছেন। পরে তার স্ত্রী সুলতানা ফারহানা জাহানের কাছে গাড়ি কেনা ও আমদানিসংক্রান্ত বৈধ কাগজপত্র দেখতে চান কর্মকর্তারা। তবে তিনি কোনো নথিপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি।
এ সময় গাড়িটির চাবিও চাওয়া হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্টরা চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানান বলে জানান রেজভী আহম্মেদ। পরে গাড়ি আমদানির বৈধ দলিল, ক্রয়সংক্রান্ত কাগজপত্র কিংবা প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে না পারায় গাড়িটি আটক করা হয়।

সিআইআইডির অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, শুল্ক ফাঁকি, মিথ্যা ঘোষণা, ভিন্ন পদ্ধতিতে চোরাচালান কিংবা দলিল জালিয়াতির মাধ্যমে বিএমডব্লিউ গাড়িটি দেশে আনা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চুয়েটের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেতন বন্ধ করে দিয়েছেন নতুন ভিসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চুয়েটের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেতন বন্ধ করে দিয়েছেন নতুন ভিসি

চট্টগ্রামে বন্দরে ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ ঘোষণা দিয়ে আসছে রেসিং কার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চট্টগ্রাম বন্দরে আবারও ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ ঘোষণা দিয়ে বিএমডব্লিউ রেসিং কারসহ বিভিন্ন ধরনের গাড়ি আমদানির আনা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) এমন তথ্য জানিয়েছে।

জানা যায়, চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘এম/এস আয়াজ অটো ইন্টারন্যাশনাল’ সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘আরব জাপান ইউজড কারস অ্যান্ড স্পেয়ার পার্টস কোম্পানি’ থেকে ‘ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ’ঘোষণা দিয়ে একটি চালান বন্দরে আনেন।

গতকাল কায়িক পরীক্ষায় দেখা যায়, ওই চালানে সিকেডি (খণ্ড ) অবস্থায় একটি বিএমডব্লিউ স্পোর্টস বা রেসিং কার, আরেকটি বিএমডব্লিউ ৭৪০আই মডেলের সামনের অর্ধাংশ এবং অর্ধেক কেটে আনা পাঁচটি ইসুজু ট্রাক রয়েছে। গাড়িটির মডেল এস ড্রাইভ ২৩আই, ইঞ্জিন সক্ষমতা প্রায় ২৫০০ সিসি।

কায়িক পরীক্ষায় প্রথমে সিকেডি অবস্থায় একটি বিএমডব্লিউ দুই আসনের স্পোর্টস বা রেসিং কার পাওয়া যায়। গাড়িটির মডেল এস ড্রাইভ ২৩আই, ইঞ্জিন সক্ষমতা প্রায় ২৫০০ সিসি। আরও পাওয়া যায় বিএমডব্লিউ ৭৪০আই এর সামনের অর্ধাংশ। ২০১৬ মডেলের ওই গাড়ির ইঞ্জিনের ক্ষমতা প্রায় ৩০০০ সিসি।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাস্টমস আইন ২০২৩ এবং বিদ্যমান আমদানি নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিএমডব্লিউ গাড়িটির বাকি অংশের বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ