চট্টগ্রামে ইয়াবা উদ্ধার মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় মো. শফিকুল ইসলাম নামের এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত এ রায় দেন।একই মামলায় মনিরুল ইসলাম নামের আরেক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।দণ্ডিত মো.শফিকুল ইসলাম (৪৬) কুষ্টিয়া জেলার সদর থানার শালদহ পশ্চিমপাড়ার আফি শেখের বাড়ির মৃত আব্দুল শেখের ছেলে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর বলেন, আটজন সাক্ষীর মধ্যে পাঁচজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত শফিকুল ইসলামকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আসামি মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আদালত সূত্র জানা গেছে, ২০১৯ সালের ৭ জুলাই রাত ১১টা ৪০ মিনিটে কর্ণফুলী থানার মইজ্যারটেক মোড় এলাকার কর্ণফুলী সিএনজি অ্যান্ড ফিলিং স্টেশনের সামনে অভিযান চালিয়ে শফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার হাতে থাকা একটি লাল রঙের শপিং ব্যাগ তল্লাশি করে ১০টি বেটনোভেট-সি ক্রিমের টিউবের ভেতর বিশেষ কৌশলে রাখা ৪ হাজার ৩০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবাগুলো মনিরুল ইসলামের কাছ থেকে কিনেছেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানান শফিকুল। পরে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা করা হয়। আদালতে ২০২১ সালের ৭ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আরও ৫০ মামলা বিচারাধীন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে কর-সংক্রান্ত আরও ৩১টি মামলা হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে।এ ছাড়া শ্রম আদালত ও শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আরও ১৯টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।সব মিলিয়ে তার বিরুদ্ধে বিচারাধীন মামলা রয়েছে ৫০টি।


২০১২ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে করা এসব মামলার বর্তমান বিএনপি সরকারের আমলে নিষ্পত্তি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।গত ১০ সেপ্টেম্বর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের জন্য হাইকোর্ট আদেশ দেয়। এ রায়ের পরই বিগত সময়ের মামলা বিষয় সামনে উঠে এসেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসব মামলায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এর কর দাবি কয়েকশ কোটি টাকা।


এনিয়ে ড. ইউনূসের আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন দাবি করেছেন, তার মক্কেল মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হচ্ছেন এবং বর্তমান সরকার আওয়ামী লীগ সরকারের পথেই হাঁটছে।রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য হচ্ছে, আদালতের রায়ের বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই

চট্টগ্রামে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা কারাগারে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বিশ্ব কলোনির একটি ফ্ল্যাট থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও এক নারীকে আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পর তাদের আদালতে পাঠানো হলে বিচারক কারাগারে পাঠাানোর নির্দেশ দেন।

এই দুইজন হল ডিএমপির ওয়ারী থানার এসআই মোহাম্মদ নুরুন্নবী মুন্না (৩৮) ও ওই নারী (৩৯)।পরকীয়া, অনৈতিক কাজ, মারধর, চুরি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) আকবর শাহ থানায় মামলাটি করেন এক প্রবাসীর ভাই।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার বিকাল ৪টার দিকে নগরের আকবর শাহ থানার বিশ্ব কলোনির আই-ব্লকের একটি ফ্ল্যাটে ওই দুজনকে দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। পরে তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে আকবর শাহ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার তাদের ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলমগীর হোসেনের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত দুজনকেই কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আকবর শাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান বলেন, এসআই মোহাম্মদ নুরুন্নবী মুন্না ও ওই নারীর বিরুদ্ধে অনৈতিক কাজ, মারধর, চুরি ও হুমকির অভিযোগে মামলাটি হয়েছে। মামলায় দুজনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মোহাম্মদ নুরুন্নবী মুন্না ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী থানায় এসআই হিসেবে কর্মরত।

আকবর শাহ থানায় দায়ের করা মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, ওই নারী আমার বড় ভাইয়ের স্ত্রী। আমার বড় ভাই ২০১৮ সালের ২৯ মার্চ সৌদি আরবে যান। নুরুন্নবী আকবর শাহ থানায় দায়িত্ব পালনকালে ভাবীর সঙ্গে পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের বাসায় যাতায়াত শুরু করেন। পরে তার সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।

এজাহারে আরও বলা হয়, গত ৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে নুরুন্নবী ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে ভাবীর সঙ্গে রাতযাপন করেন। বিষয়টি আমার ভাই প্রবাস থেকে জানালে ৯ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টার দিকে স্থানীয় লোকজন ওই বাসায় গিয়ে দুজনকে হাতেনাতে আটক করেন। এ সময় স্থানীয় লোকজনের সামনে নুরুন্নবী আমার ভাবীকে নিজের স্ত্রী বলে পরিচয় দেন। খবর পেয়ে আকবর শাহ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের হাতে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে নুরুন্নবীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।

মামলার এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, আমার ভাবী ও নুরুন্নবী আমার ভাইয়ের বিদেশ থেকে পাঠানো ১৩ ভরি স্বর্ণালংকার, যার মূল্য ২৬ লাখ টাকা এবং নগদ ১৫ লাখ টাকা বাসা থেকে সরিয়ে ফেলেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান খান বলেন, বৃহস্পতিবার ব্যভিচার, মারধর, চুরি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ সদস্যসহ দুজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠালে শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ