চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভূমিদস্যু ফারুকের নেতৃত্বে সরকারী কালভার্টের রেলিং ভেঙ্গে আবাসন প্রকল্পের রাস্তা নির্মাণ

বদিউজ্জামান রাজাবাবু  চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি 

ডুবেছে রাস্তাঘাট-ফসলি জমি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের কালভার্টের রেলিং ভেঙ্গে ও মুখে মাটি ভরাট করে আবাসণ প্রকল্প ও রাস্তা নির্মাণ করায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রায় এক হাজার একর আবাদি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
এছাড়াও গ্রামীণ সড়ক ও বেশ কিছু বসতবাড়ি জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। এতে বিপা‌কে প‌ড়ে‌ছে স্কুলগামী শিশু শিক্ষার্থীসহ চারটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।

জানা গেছে, প্রায় ৩০ বছর আগে সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের পাউলি মৌজায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের উদ্যোগে রাজস্ব খাতের আওতায় একটি পানি নিস্কাশনের জন্য কালভার্ট  নির্মাণ করা হয়। কালভার্টের দুই পাশে রয়েছে প্রায় এক হাজার একর কৃষিজমি, চারটি গ্রাম, একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক। ওই মহাসড়ক ব্যবহার করে ৪টি গ্রামের শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে। শিল্পাঞ্চলের হাজার হাজার গনপরিবহন ট্রাক, বাস, ক্যাভার্ডভ্যান সহ মোটরসাইকেল রিক্সা ভ্যান চলাচলের একটি মাত্র রাস্তা। কালভার্টের ভেতরের বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য উত্তর পাশে একটি খাড়ির সাথে সংযুক্ত করা হয়েছিল।

ভূমিদস্যু ফারুক ও আযমের নেতৃত্বে সরকারী কালভার্টের রেলিং ভেঙ্গে আবাসন প্রকল্পের রাস্তা নির্মাণ, কালভাটের মুখ বন্ধ করে দেওয়ার কারনে ডুবেছে রাস্তাঘাটসহ প্রায় ২০০ বিঘা ধান লাগানো জমি, দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না হলে পচে যাবে ধানগাছ, এতে ৬০ থেকে ৮০ লক্ষ টাকার ক্ষতিগ্রস্ত হবে কৃষকেরা। 

কৃষক নাহিদ হাসান অভিযোগ করে বলেন, ভূমিদস্যু ফারুক ও আযম কালভার্টের মুখ বন্ধ করে দেয়ায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, দুর্ভোগে ৪টি গ্রামবাসী, তাদের বিরুদ্ধে আকাশ পরিমাণ অভিযোগ রয়েছে, প্রায় দুই তিন মাস আগে অবৈধভাবে কৃষি জমি ভরাট করে কালভার্টের রেলিং ভেঙ্গে কালভাটের মুখে মাটি দিয়ে ভরাট করে সেখানে আবাসিক আবাসন প্রকল্পের রাস্তা নির্মাণ করেন তারা। এরপর থেকেই বৃষ্টির পানি বের হতে না পেরে পুরো কৃষি জমি এলাকায় স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

জলাবদ্ধতায় মহাসড়ক ও স্কুলে যাওয়ার একটি মাত্র সংযোগ সড়ক পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। ফলে স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও সাধারন মানুষের  যাতায়াতের রাস্তা প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। একই সঙ্গে পাউলি উত্তর দক্ষিণের ধিনগর গ্রামের মানুষের পানিবন্দি হয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের ব্যাবস্থা না থাকায় আবাদি ফসলি জমির উপর জলাবদ্ধতার কারণে প্রায় এক হাজার একর জমিতে আমন আবাদ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা কৃষক শফিকুল ইসলাম বলেন,আবাদি কৃষি জমি অবৈধভাবে ভরাট করে কালভার্টের রেলিং ভেঙ্গে ও মুখ বন্ধ করে উত্তর পাশের রেলিং ভেঙ্গে আবাসন প্রকল্পের সড়ক নির্মাণের কারণে হাজার হাজার বিঘা ফসলি জমি জলাবদ্ধতার কারনে কৃষি কাজ ব্যাহত হচ্ছে আমরা সাধারন মানুষ বিপাকে পড়ে গিয়েছি আমাদের দেখার কেউ নেই। প্রায় ২০০ বিঘা ধানি জমি পানির নিচে রয়েছে। এসব জমিতে এবার চাষাবাদ করা ফসল পাওয়া  নিয়ে চরম শংকা দেখা দিয়েছে। কৃষি জমি ডুবে যাওয়ায় আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি আমাদের জীবন কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তিনি আরও বলেন ফারুক ও আযম নামে দুই ভূমিদস্যু অবৈধভাবে রাতের আধাঁরে মাটি ভরাট করে ১০ থেকে ১৫ বিঘা আবাদি জমি ভরাট করে আবাসন ব্যাবসা করছে এবং উচ্চ দামে বসতবাড়ি হিসেবে বসবাসের জন্য বিক্রি করছে। তাঁরা এলাকায় ভূমিদস্যু নামে পরিচিত এলাকায় তাদের ব্যাপক প্রভাব এই ঝিলিম ইউনিয়নে তাদের বিরুদ্ধে কারো মুখ খুলার সাহস নেই। সারাদিন সারারাত ফারুক তাঁর ক্যাডার বাহিনী নিয়ে আবাসন প্রকল্পের পাশেই তাঁর বাথানে চলে জুয়া মদ গাঁজার আসর এদের দেখার কেউ নেই। তাঁর বিরুদ্ধে গেলেই সাধারণ মানুষ কে শারিরিক ও মানুষীক নির্যাতন করা হয়। কিশোর গ্যাং বাহিনী দিয়ে তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁর টর্চার শেলের বাথানে নির্যাতন করা হয়।

কালভার্টের মুখ আটকে আবাসন প্রকল্পের কারনে সৃষ্ট, জলাবদ্ধতার কারনে হাজার হাজার বিঘা কৃষি জমি নষ্ট হচ্ছে। ওই এলাকার আরেক কৃষক শরিফ  বলেন, আমার জমিতে পানি উঠায় কৃষিজমি ও আমগাছসহ বিভিন্ন গাছ নষ্ট হচ্ছে। আমনের বীজতলাও নষ্ট হয়েছে। জমিতে পানি থাকায় আমি এখন নিঃস্বরমা অনেক দুশ্চিন্তায় আছি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়ন পাউলি মৌজায় মহাসড়কের কালভার্টের পাশেই আবাদি কৃষি জমি ভরাট করে কালভার্টের রেলিং ভেঙ্গে আবাসন প্রকল্পের রাস্তা নির্মাণ করে মাটি বিক্রি করছে । এতে হাজার হাজার বিঘা কৃষি জমি হুমকিতে রয়েছে। প্রতিদিন যেভাবে বৃষ্টি হচ্ছে এতে জলাবদ্ধতায় হাজার হাজার বিঘা কৃষি জমি নষ্ট হচ্ছে। আবাদ করা ধানি জমি ডুবে যাওয়ায় কেউ ফসল ফলাতে পারবেনা। লোক দেখানো নামমাত্র কালভার্টের নিচ দিয়ে রাস্তার নিচে ড্রেন নির্মাণ করেছে ভূমিদুস্যরা।

এ দিকে অভিযুক্ত ফারুক হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন প্রশাসনের সব মহল কে ম্যানেজ করেই আমি মহাসড়কের কালভার্টের উত্তর পাশের রেলিং ভেঙ্গেছি ও জলাবদ্ধতা যেনো না হয় সে কারনে কালভার্টের ভেতর দিয়ে আমার আবাসন প্রকল্পের নিচ দিয়ে ড্রেন নির্মাণ করেছি। 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিনুর রহমান বলেন, সড়কের কালভার্টের রেলিং ভেঙ্গে কালভার্টের মুখ বন্ধ করে কৃষি জমি ভরাট করে আবাসন প্রকল্পের রাস্তা নির্মান করে কালভার্টের রেলিং ভেঙ্গে রাস্তার সাথে মিশিয়ে দেওয়া এটা সম্পূর্ণ বেআইনি আমরা তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেব। 

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফ আফজাল রাজন বলেন,কালভার্টের রেলিং ভেঙ্গে জলাবদ্ধতার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য এসিল্যান্ড কে দায়িত্ব দিয়েছি। কালভার্টের রেলিং ভেঙ্গে মুখ বন্ধ করে আবাসন প্রকল্পের রাস্তা নির্মাণের তদন্ত রিপোর্টের সত্যতা পেলে আমারা তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করবো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নোয়াখালীতে কিশোর কিশোর অপরাধ বিরোধী অভিযানে আটক ১০৪

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

নোয়াখালীতে কিশোর কিশোর অপরাধ বিরোধী অভিযানে ১০৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। পরে মুচলেকা নিয়ে তাদের পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরের দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন। এর আগে শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন থানায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

জেলা পুলিশ জানায়, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের নির্দেশনায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে হাতিয়া থানায় ৪০ জন, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ৩১ জন, চরজব্বর থানায় ১০ জন, কোম্পানীগঞ্জ থানায় ৬ জন, চাটখিল থানায় ৬ জন, কবিরহাট থানায় ৪ জন, সুধারাম মডেল থানায় ৩ জন, সেনবাগ থানায় ২ জন এবং সোনাইমুড়ী থানায় ২ জন রয়েছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন আরও বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধপ্রবণতা রোধে নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সমন্বয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চট্টগ্রামে শিশুদের নিরাপদ সড়ক চলাচল শেখাতে মাঠে জেলা পুলিশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শিশুদের নিরাপদ সড়ক চলাচল নিশ্চিত করা এবং ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতন করতে চট্টগ্রামে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে জেলা পুলিশ। এর অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছে জেলা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের নির্দেশনায় এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে হাটহাজারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ধুরং খুলশী লায়নস উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি হয়।
কর্মসূচিতে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক), টিআই (প্রশাসন), হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি জোনে কর্মরত ট্রাফিক পুলিশের সদস্য, বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। রাস্তা পারাপারের সঠিক নিয়ম, ফুটপাত ব্যবহার, ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলা, জেব্রা ক্রসিং দিয়ে রাস্তা পারাপার এবং সড়কে চলাচলের সময় সতর্কতা অবলম্বনের বিষয়ে তাদের সহজ ভাষায় ধারণা দেওয়া হয়।
পাশাপাশি নিরাপদ সড়ক চলাচলের বিভিন্ন নিয়ম সংবলিত লিফলেট শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। নিজেরা এসব নিয়ম মেনে চলার পাশাপাশি পরিবার ও আশপাশের মানুষকেও সচেতন করার জন্য শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা হয়।
সড়ক নিরাপত্তার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা, শ্রেণিকক্ষে মনোযোগী হওয়া এবং শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। সততা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধে নিজেদের গড়ে তোলার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় মোবাইল ফোন ব্যবহার এড়িয়ে পড়াশোনা, খেলাধুলা ও সৃজনশীল কার্যক্রমে সময় দেওয়ার জন্যও উৎসাহিত করা হয়।
ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের কাছে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ দেখা যায়। শিক্ষক ও অভিভাবকরাও পুলিশের এমন সচেতনতামূলক উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
জেলা পুলিশ জানায়, শিশুদের ছোটবেলা থেকেই সড়ক নিরাপত্তা ও নৈতিক মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতন করা গেলে ৮ভবিষ্যতে তারা দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। পাশাপাশি পুলিশের সঙ্গে শিশুদের এমন সরাসরি যোগাযোগ জনসাধারণের সঙ্গে পুলিশের পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার করবে।
শিশুদের মধ্যে সচেতনতার বীজ বপনের মাধ্যমে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও মানবিক সমাজ গঠনে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ