আরব আমিরাত গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পরিষদের ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ), নাতে রাসূল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পর্ণ

আরমান চৌধুরী ইউ এ ই প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত কেন্দ্রীয় পরিষদের ব্যবস্থাপনায় এবং মোহাম্মদ এরশাদ হোসেন হিরুর পৃষ্ঠপোষকতায় পবিত্র জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উদযাপন উপলক্ষে নাতে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতিযোগিতা–২০২৬ ইং এর ফাইনাল ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সফলভাবে অনুষ্ঠিত হযেছে। রবিবার(২৩ আগস্ট) বাদে আছর হতে আজমানস্থ উম্মুল মোমেনীন ওমেন্স এসোসিয়েশন হলরুমে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

দুই মাস ধরে চলা এ প্রতিযোগিতায় প্রায় শতাধিক প্রতিযোগী বিভিন্ন রাউন্ডে অংশ নেন। এতে ১ম স্হান অধিকার করেছেন মোহাম্মদ ফোরকান, ২য় স্হান মোহাম্মদ বাবর, ৩য় স্হান অধিকার করেছেন মোহাম্মদ ওমর ফারুক।
আগস্টের শুরুতে সেমিফাইনালে ৩৬ জন প্রতিযোগির মধ্যে ১০ জন ফাইনালের জন্য সিলেক্ট হন। এ ১০ জন হতে ১ম, ২য়, ৩য় স্হান নির্ধারন করে তাদের পুরস্কার দেয়া হয়।

আমিরাতের বিভিন্ন স্হান থেকে আসা গাউছিয়া কমিটির নেতৃবৃন্দ, সদস্য, তাদের পরিবারবর্গ, সমসমনা প্রবাসীসহ প্রায় তিন সহস্রাধিক দর্শকের উপস্হিতিতে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নাতে রাসুল (সা:) প্রতিযোগিতার আহবায়ক কমিটির আহবায়ক আলহাজ্ব মাওলানা ফজলুল কবির আল কাদেরী। অনুষ্ঠানের প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ আমিরাত কেন্দ্রীয় পরিষদের সেক্রেটারী জেনারেল আলহাজ্ব ওমর গনি।

অনুষ্ঠানে গাউছিয়া কমিটির সহ সভাপতি মোহাম্মদ আজম খান, কেবিনেট মেম্বার আলহাজ্ব মোহাম্মদ আজিম উদ্দিন, আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী জামাল, হাফেজ শফিউল আলম মানিক, মোহাম্মদ ইকতিয়ার উদ্দিন, মোহাম্মদ মউন উদ্দিনসহ আমিরাতের বাংলাদেশ কমিউনিটির ভিআইপি, সিআইপিসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্হিত ছিলেন।

বিজ্ঞ পাঁচজন বিচারকের স্ব স্ব নাম্বারিংয়ের মাধ্যমে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক আলহাজ্ব এরশাদ হোসেন হিরুসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। বিজয়ী ১ম থেকে ১০ স্হান অর্জনকারী প্রত্যক বিজয়ীকে সনদ, ক্রেস্ট, বিশেষ পুরুষ্কার ও ওমরা প্যাকেজ দেয়া হয়।নাতে রাসুল(সা:)প্রতিযোগিতার সঞ্চালনায় ছিলেন আবদুল্লাহ আল রোমান।

প্রতিযোগিতার বিচারক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন আলহাজ্ব মুহাম্মদ ফারুক বাহাদুর, মাওলানা মুহাম্মদ ইমাম উদ্দিন খালেদ, মাওলানা মুহাম্মদ জানে আলম, শায়ের মুহাম্মদ নুরুল আমিন ও মাওলানা মুহাম্মদ এনামুল হক।
আমিরাতে প্রথমবারের মত এ আয়োজনে বিজয়ী, বিচারক, অংশগ্রহণকারী এবং উপস্থিত প্রবাসীরা এ আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং তারা প্রতিবছরে এ আয়োজন চালু রাখার কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিজয়ীসহ সকলকে অভিনন্দন, শুভেচ্ছা ও জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষক হিসেবে নতুন দায়িত্বে মিথিলা 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা এবার নতুন পরিসরে নিয়ে যাচ্ছেন রাফিয়াত রশিদ মিথিলাকে। ব্র্যাকের সঙ্গে প্রায় দুই দশকের পেশাগত পথচলার পর যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষক হিসেবে নতুন দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কে শিক্ষকতাও শুরু করেছেন এই অভিনেত্রী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে পেশাগত জীবনের নতুন এই অধ্যায়ের কথা জানান মিথিলা।

 

হাজার সেনাসহ মধ্যপ্রাচ্যেের উদ্দেশ্যে তৃতীয় মার্কিন রণতরী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 ১০ হাজার সেনাসহ মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে তৃতীয় মার্কিন রণতরী। নতুন করে ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট নামে এরণতরী আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে মার্কিনিরা নতুন করে হামলা চালাতে পারে এমন আশঙ্কার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে  যাচ্ছে রণতরীটি,এমনটাই  মনে করছেন সমর বিশেষজ্ঞরা।

থিওডর রুজভেল্ট এবং এটির সঙ্গে থাকা অন্যান্য যুদ্ধাজাহাজ ও সেনারা নভেম্বরের শেষদিকে মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে পৌঁছাবে। বর্তমানে ওই অঞ্চলে মার্কিনিদের ইউএসএস জর্জ এইচডব্লিউ বুশ এবং ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন নামে দুটি রণতরী অবস্থান করছে।ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন সাধারণত প্রশান্ত মহাসাগরে থাকে। কিন্তু ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন নামে একটি রণতরীর সেনাদের অবকাশ দিতে জর্জ ওয়াশিংটন প্রশান্ত মহাসাগর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে যায়।

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কারণে আব্রাহাম লিংকনের সেনারা সাধারণ সময়ের চেয়ে বেশি সমুদ্রে অবস্থান করছিলেন। এতে করে তাদের মধ্যে হতাশা ও ক্লান্তি চলে আসে। এরপর চাপের মুখে রণতরীটিকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরিয়ে নেয় মার্কিন সরকার।

তৃতীয় রণতরীটি মধ্যপ্রাচ্যে আসলে এ অঞ্চলে মার্কিন নৌ ও মেরিন সেনার সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে। যা অত্যন্ত অস্বাভাবিক। এই ২০ হাজার সেনার পাশাপাশি কয়েকশ যুদ্ধবিমানও থাকবে।

 

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ