হুতিদের দখলে লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছে ইরান-সমর্থিত হুতিরা। তাদের এই অগ্রগতিতে আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্য ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বাব আল-মান্দেব প্রণালি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। এ পথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে হুতিদের অগ্রগতিতে বিশ্বজুড়ে নৌপরিবহন নিরাপত্তা এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।হুতিদের এই সামরিক সাফল্যের প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও। এরই মধ্যে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৫ ডলারের ওপরে উঠে গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাব আল-মান্দেবের মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে সামরিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হলে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে জ্বালানি পরিবহনে অনিশ্চয়তা বাড়লে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও অস্থিতিশীল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।লোহিত সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত এই প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ পণ্য ও জ্বালানি পরিবহন করা হয়। ফলে এর নিরাপত্তা নিয়ে যেকোনো ধরনের সংকট আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষক হিসেবে নতুন দায়িত্বে মিথিলা 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা এবার নতুন পরিসরে নিয়ে যাচ্ছেন রাফিয়াত রশিদ মিথিলাকে। ব্র্যাকের সঙ্গে প্রায় দুই দশকের পেশাগত পথচলার পর যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষক হিসেবে নতুন দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কে শিক্ষকতাও শুরু করেছেন এই অভিনেত্রী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে পেশাগত জীবনের নতুন এই অধ্যায়ের কথা জানান মিথিলা।

 

হাজার সেনাসহ মধ্যপ্রাচ্যেের উদ্দেশ্যে তৃতীয় মার্কিন রণতরী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 ১০ হাজার সেনাসহ মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে তৃতীয় মার্কিন রণতরী। নতুন করে ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট নামে এরণতরী আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে মার্কিনিরা নতুন করে হামলা চালাতে পারে এমন আশঙ্কার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে  যাচ্ছে রণতরীটি,এমনটাই  মনে করছেন সমর বিশেষজ্ঞরা।

থিওডর রুজভেল্ট এবং এটির সঙ্গে থাকা অন্যান্য যুদ্ধাজাহাজ ও সেনারা নভেম্বরের শেষদিকে মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে পৌঁছাবে। বর্তমানে ওই অঞ্চলে মার্কিনিদের ইউএসএস জর্জ এইচডব্লিউ বুশ এবং ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন নামে দুটি রণতরী অবস্থান করছে।ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন সাধারণত প্রশান্ত মহাসাগরে থাকে। কিন্তু ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন নামে একটি রণতরীর সেনাদের অবকাশ দিতে জর্জ ওয়াশিংটন প্রশান্ত মহাসাগর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে যায়।

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কারণে আব্রাহাম লিংকনের সেনারা সাধারণ সময়ের চেয়ে বেশি সমুদ্রে অবস্থান করছিলেন। এতে করে তাদের মধ্যে হতাশা ও ক্লান্তি চলে আসে। এরপর চাপের মুখে রণতরীটিকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরিয়ে নেয় মার্কিন সরকার।

তৃতীয় রণতরীটি মধ্যপ্রাচ্যে আসলে এ অঞ্চলে মার্কিন নৌ ও মেরিন সেনার সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে। যা অত্যন্ত অস্বাভাবিক। এই ২০ হাজার সেনার পাশাপাশি কয়েকশ যুদ্ধবিমানও থাকবে।

 

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ