ইঞ্জিন দ্রুত মেরামতে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ), লোকোসেড, সিজিপিওয়াই, কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) ও পদ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) এসব স্থাপনা পরিদর্শন করেন তিনি। পরিদর্শনকালে রেলওয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (সিই), চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (সিওপিএস), চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (সিসিএম), চট্টগ্রামের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) এবং পাহাড়তলীর ডিএসডব্লিউসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় তিনি একাডেমির একাডেমিক ভবন, প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ কক্ষ, ডরমেটরি ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।এরপর তিনি সিজিপিওয়াই, টার্ন টেবিল, ট্রায়াঙ্গেল লাইন, ইয়ার্ড লাইন ও লোকোসেড পরিদর্শন করেন। লোকোসেড পরিদর্শনকালে ইঞ্জিন দ্রুত মেরামত ও সচল রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন পরামর্শ ও নির্দেশনা দেন।

পরে সিজিপিওয়াই এলাকায় কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় সিসিবিএলের সঙ্গে রেলওয়ের বিভিন্ন চুক্তি, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং সীমানা নির্ধারণসংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া দ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নোয়াখালীতে কিশোর কিশোর অপরাধ বিরোধী অভিযানে আটক ১০৪

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

নোয়াখালীতে কিশোর কিশোর অপরাধ বিরোধী অভিযানে ১০৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। পরে মুচলেকা নিয়ে তাদের পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরের দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন। এর আগে শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন থানায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

জেলা পুলিশ জানায়, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের নির্দেশনায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে হাতিয়া থানায় ৪০ জন, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ৩১ জন, চরজব্বর থানায় ১০ জন, কোম্পানীগঞ্জ থানায় ৬ জন, চাটখিল থানায় ৬ জন, কবিরহাট থানায় ৪ জন, সুধারাম মডেল থানায় ৩ জন, সেনবাগ থানায় ২ জন এবং সোনাইমুড়ী থানায় ২ জন রয়েছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন আরও বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধপ্রবণতা রোধে নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সমন্বয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণমাধ্যমে সংবেদনশীল সাংবাদিকতার চর্চা জোরদারে চট্টগ্রামে বিভাগীয় সংলাপ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

সমাজে সমতা প্রতিষ্ঠা, নেতিবাচক জেন্ডার-বিষয়ক ধ্যানধারণা চ্যালেঞ্জ করা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কণ্ঠস্বর তুলে ধরতে গণমাধ্যমের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘সংবেদনশীল সাংবাদিকতা: সংলাপ ও করণীয়’ শীর্ষক বিভাগীয় সংলাপ। এতে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রায় ৫০ জন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী অংশ নেন।

প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি), প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এবং চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের যৌথতায় আয়োজিত এ সংলাপে সাংবাদিকতায় জেন্ডার-সংবেদনশীলতা, নৈতিক সংবাদ পরিবেশন, বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মর্যাদাপূর্ণ প্রতিনিধিত্ব এবং সংবাদমাধ্যমে প্রচলিত জেন্ডারগত স্টেরিওটাইপ চ্যালেঞ্জ করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি সাংবাদিকেরা তাঁদের পেশাগত অভিজ্ঞতা, বাস্তব চ্যালেঞ্জ ও উত্তম চর্চা বিনিময় করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ। তিনি বলেন, “গণমাধ্যম শুধু সংবাদ পরিবেশন করে না, মানুষের চিন্তা, দৃষ্টিভঙ্গি ও সামাজিক মূল্যবোধ গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সংবাদ পরিবেশনে জেন্ডার-সংবেদনশীলতা, নিরপেক্ষতা এবং সব মানুষের মর্যাদা ও অভিজ্ঞতার যথাযথ প্রতিফলন নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক মানুষই সমাজের পাহারা কিন্তু সাংবাদিকদের দায়িত্ব আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সাংবাদিকেরা প্রতিনিয়ত ইতিহাসের একটি অংশ নির্মাণ করেন। সংবাদে ভুল তথ্য পরিবেশিত হলে তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ইতিহাস সম্পর্কে বিভ্রান্ত করতে পারে। তাই সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনের প্রতিটি পর্যায়ে তথ্যের যথার্থতা, দায়িত্বশীলতা এবং সংবেদনশীলতা বজায় রাখা জরুরি।

তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সংবাদে ভুক্তভোগীদের প্রতি সংবেদনশীলতার পরিবর্তে তাঁদের চরিত্র ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে নারী-পুরুষসহ সব মানুষের বিষয়ে পক্ষপাত থেকে বেরিয়ে এসে তাঁদের বক্তব্য ও বাস্তবতাকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মাহীন নেওয়াজ চৌধুরী বলেন, “জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠায় তরুণদের পাশাপাশি গণমাধ্যমের সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংবাদ ও গল্প বলার ধরনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারলে ক্ষতিকর সামাজিক ধ্যানধারণা চ্যালেঞ্জ করা এবং আরও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের পথ সুগম হবে। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপ ও সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।”

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি বলেন, “সাংবাদিকতার বিশ্বাসযোগ্যতা ও পেশাগত উৎকর্ষের সঙ্গে সংবেদনশীলতা এবং দায়িত্বশীলতার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতার চর্চা জোরদার করতে সাংবাদিকদের মধ্যে নিয়মিত আলোচনা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

সংলাপে ‘সাংবাদিকতায় জেন্ডার সংবেদনশীলতা” বিষয়ক ব্যবহারিক নির্দেশিকা নিয়ে আলোচনা পরিচালনা করেন প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের সহযোগী অধ্যাপক মনিরা শরমিন। তিনি বলেন, “জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা মানে শুধু নারী বা নির্দিষ্ট কোনো জনগোষ্ঠীকে নিয়ে সংবাদ করা নয়; বরং সংবাদে সব মানুষের অভিজ্ঞতা, পরিচয় ও মর্যাদাকে যথাযথভাবে তুলে ধরা। সংবাদ সংগ্রহ, ভাষা, ছবি, শিরোনাম, তথ্যসূত্র নির্বাচন এবং উপস্থাপনার প্রতিটি পর্যায়ে সচেতনতা জরুরি। এই নির্দেশিকা সাংবাদিকদের দৈনন্দিন কাজে সেই চর্চাকে আরও কার্যকর করতে সহায়ক হবে।”

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সালেহ নোমান। এতে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের পাশাপাশি ‘সমতায় তারুণ্য’ প্রকল্পের কনসোর্টিয়াম অংশীদার জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের বিভাগীয় সমন্বয়ক সুজয় বড়ুয়া অংশ নেন। এছাড়া প্রকল্পের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজার হুসাইন শাকির, মিডিয়া স্পেশালিস্ট সৈয়দ মো. তাফহিম এবং জেন্ডার স্পেশালিস্ট ফারজানা রূপা।

চার বছর মেয়াদি ‘সমতায় তারুণ্য: ইয়ুথ ফর ইকুয়ালিটি’ প্রকল্পটি নেদারল্যান্ডস সরকারের অর্থায়নে ১ ডিসেম্বর ২০২৩ থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

প্রকল্পটির লক্ষ্য হলো, বাংলাদেশের আটটি বিভাগের সব বৈচিত্র্যপূর্ণ তরুণ জনগোষ্ঠী—যার মধ্যে কিশোরী ও তরুণীরাও অন্তর্ভুক্ত—যেন সহিংসতামুক্ত জীবনযাপন করতে পারে, নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে পারে এবং নিজ নিজ সম্প্রদায়, গণমাধ্যম ও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে জেন্ডারগত স্টেরিওটাইপ চ্যালেঞ্জ করার জন্য নিজেদের উদ্যোগ ও কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।

চট্টগ্রামের এ সংলাপের মাধ্যমে সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক শেখা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতার চর্চা বিস্তারে সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ধারাবাহিক বিভাগীয় সংলাপের বৃহত্তর লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের গণমাধ্যমে আরও দায়িত্বশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক সংবাদচর্চার পরিবেশ গড়ে তোলা।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ