পূর্বধলায় রাবেয়া আলী মহিলা ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির নবীন বরণ ও উদ্বোধনী ক্লাস অনুষ্ঠিত

মোঃ নুর উদ্দিন মন্ডল দুলাল, ​নেত্রকোনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার পূর্বধলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাবেয়া আলী মহিলা ডিগ্রি কলেজে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিকৃত নবীন ছাত্রীদের উদ্বোধনী ক্লাস ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় কলেজের হলরুমে এক বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে নবীন ছাত্রীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন কলেজের শিক্ষকমণ্ডলী।

​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূর্বধলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শফিকুল ইসলাম। এতে সভাপতিত্ব করেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু রায়হান রফিকুল ইসলাম।
​অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ রাবেয়া আলী।
​ইসলাম শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. ছাইয়েদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক মো. আনোয়ারুল হক, অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক বরুণ কুমার চক্রবর্তী, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক ফিরোজ আহমেদ তালুকদার ও অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক সাবিহা সাওদা।

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও শফিকুল ইসলাম নবীন ছাত্রীদের নিয়মিত পড়াশোনা, শৃঙ্খলা ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চার মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “উচ্চশিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। এ জন্য সময়ের সদ্ব্যবহার করে মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করতে হবে।”

​প্রধান আলোচকের বক্তব্যে অধ্যক্ষ রাবেয়া আলী নবীন ছাত্রীদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, “শিক্ষাজীবনের এ গুরুত্বপূর্ণ সময়ে নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি, অধ্যবসায় ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে নিজেদের যোগ্য করে তুলতে হবে। ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা অর্জন করে পরিবার, সমাজ ও দেশের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে হবে।”

​এ সময় কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং একাদশ শ্রেণির নবীন ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। ফুল দিয়ে নবীনদের বরণ ও শুভেচ্ছা জানানোর মধ্য দিয়ে সমগ্র অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গণমাধ্যমে সংবেদনশীল সাংবাদিকতার চর্চা জোরদারে চট্টগ্রামে বিভাগীয় সংলাপ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

সমাজে সমতা প্রতিষ্ঠা, নেতিবাচক জেন্ডার-বিষয়ক ধ্যানধারণা চ্যালেঞ্জ করা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কণ্ঠস্বর তুলে ধরতে গণমাধ্যমের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘সংবেদনশীল সাংবাদিকতা: সংলাপ ও করণীয়’ শীর্ষক বিভাগীয় সংলাপ। এতে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রায় ৫০ জন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী অংশ নেন।

প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি), প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এবং চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের যৌথতায় আয়োজিত এ সংলাপে সাংবাদিকতায় জেন্ডার-সংবেদনশীলতা, নৈতিক সংবাদ পরিবেশন, বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মর্যাদাপূর্ণ প্রতিনিধিত্ব এবং সংবাদমাধ্যমে প্রচলিত জেন্ডারগত স্টেরিওটাইপ চ্যালেঞ্জ করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি সাংবাদিকেরা তাঁদের পেশাগত অভিজ্ঞতা, বাস্তব চ্যালেঞ্জ ও উত্তম চর্চা বিনিময় করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ। তিনি বলেন, “গণমাধ্যম শুধু সংবাদ পরিবেশন করে না, মানুষের চিন্তা, দৃষ্টিভঙ্গি ও সামাজিক মূল্যবোধ গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সংবাদ পরিবেশনে জেন্ডার-সংবেদনশীলতা, নিরপেক্ষতা এবং সব মানুষের মর্যাদা ও অভিজ্ঞতার যথাযথ প্রতিফলন নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক মানুষই সমাজের পাহারা কিন্তু সাংবাদিকদের দায়িত্ব আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সাংবাদিকেরা প্রতিনিয়ত ইতিহাসের একটি অংশ নির্মাণ করেন। সংবাদে ভুল তথ্য পরিবেশিত হলে তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ইতিহাস সম্পর্কে বিভ্রান্ত করতে পারে। তাই সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনের প্রতিটি পর্যায়ে তথ্যের যথার্থতা, দায়িত্বশীলতা এবং সংবেদনশীলতা বজায় রাখা জরুরি।

তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সংবাদে ভুক্তভোগীদের প্রতি সংবেদনশীলতার পরিবর্তে তাঁদের চরিত্র ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে নারী-পুরুষসহ সব মানুষের বিষয়ে পক্ষপাত থেকে বেরিয়ে এসে তাঁদের বক্তব্য ও বাস্তবতাকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মাহীন নেওয়াজ চৌধুরী বলেন, “জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠায় তরুণদের পাশাপাশি গণমাধ্যমের সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংবাদ ও গল্প বলার ধরনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারলে ক্ষতিকর সামাজিক ধ্যানধারণা চ্যালেঞ্জ করা এবং আরও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের পথ সুগম হবে। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপ ও সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।”

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি বলেন, “সাংবাদিকতার বিশ্বাসযোগ্যতা ও পেশাগত উৎকর্ষের সঙ্গে সংবেদনশীলতা এবং দায়িত্বশীলতার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতার চর্চা জোরদার করতে সাংবাদিকদের মধ্যে নিয়মিত আলোচনা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

সংলাপে ‘সাংবাদিকতায় জেন্ডার সংবেদনশীলতা” বিষয়ক ব্যবহারিক নির্দেশিকা নিয়ে আলোচনা পরিচালনা করেন প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের সহযোগী অধ্যাপক মনিরা শরমিন। তিনি বলেন, “জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা মানে শুধু নারী বা নির্দিষ্ট কোনো জনগোষ্ঠীকে নিয়ে সংবাদ করা নয়; বরং সংবাদে সব মানুষের অভিজ্ঞতা, পরিচয় ও মর্যাদাকে যথাযথভাবে তুলে ধরা। সংবাদ সংগ্রহ, ভাষা, ছবি, শিরোনাম, তথ্যসূত্র নির্বাচন এবং উপস্থাপনার প্রতিটি পর্যায়ে সচেতনতা জরুরি। এই নির্দেশিকা সাংবাদিকদের দৈনন্দিন কাজে সেই চর্চাকে আরও কার্যকর করতে সহায়ক হবে।”

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সালেহ নোমান। এতে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের পাশাপাশি ‘সমতায় তারুণ্য’ প্রকল্পের কনসোর্টিয়াম অংশীদার জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের বিভাগীয় সমন্বয়ক সুজয় বড়ুয়া অংশ নেন। এছাড়া প্রকল্পের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজার হুসাইন শাকির, মিডিয়া স্পেশালিস্ট সৈয়দ মো. তাফহিম এবং জেন্ডার স্পেশালিস্ট ফারজানা রূপা।

চার বছর মেয়াদি ‘সমতায় তারুণ্য: ইয়ুথ ফর ইকুয়ালিটি’ প্রকল্পটি নেদারল্যান্ডস সরকারের অর্থায়নে ১ ডিসেম্বর ২০২৩ থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

প্রকল্পটির লক্ষ্য হলো, বাংলাদেশের আটটি বিভাগের সব বৈচিত্র্যপূর্ণ তরুণ জনগোষ্ঠী—যার মধ্যে কিশোরী ও তরুণীরাও অন্তর্ভুক্ত—যেন সহিংসতামুক্ত জীবনযাপন করতে পারে, নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে পারে এবং নিজ নিজ সম্প্রদায়, গণমাধ্যম ও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে জেন্ডারগত স্টেরিওটাইপ চ্যালেঞ্জ করার জন্য নিজেদের উদ্যোগ ও কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।

চট্টগ্রামের এ সংলাপের মাধ্যমে সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক শেখা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতার চর্চা বিস্তারে সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ধারাবাহিক বিভাগীয় সংলাপের বৃহত্তর লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের গণমাধ্যমে আরও দায়িত্বশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক সংবাদচর্চার পরিবেশ গড়ে তোলা।

চবি মনোবিজ্ঞান বিভাগের উদ্যােগে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আজ রবিবার (১১ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ১০.৩০টায় জীববিজ্ঞান অনুষদের অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সকাল ১০টায় র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম ও জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ.এম. মাসুদুল আজাদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে মনোবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. অরুণাভ বৈরাগী সভাপতিত্ব করেন। “জীবনের অভিজ্ঞতা শুনি; সত্যিকারের কথা, সত্যিকারের পরিবর্তন” প্রতিপাদ্য বিষয়ের ওপর বক্তব্য রাখেন বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ শাহীনুর রহমান। বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক লাইলুন নাহারের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সহকারী অধ্যাপক মোঃ আলমগীর হোসাইন।

বক্তব্যে চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বর্তমান সমাজে সহিংসতা, অসহিষ্ণুতা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপমান ও হেয়প্রতিপন্ন করার প্রবণতা আমাদের উদ্বিগ্ন করে। সামান্য বিরোধ বা অনলাইনে লেখা কোনো মন্তব্যকে কেন্দ্র করে কেউ কেউ চরম মানসিক সংকটে পড়ছেন। এসব ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি আরও যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে, কিন্তু সেই স্বাধীনতা যেন অন্যের মানসিক ক্ষতির কারণ না হয়, সে বিষয়ে আমাদের সচেতন থাকতে হবে। তিনি মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানান এবং সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে শুধু চিকিৎসার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সচেতনতা, সহমর্মিতা, কাউন্সেলিং ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে আরও বিস্তৃত করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগ ও প্রশাসনের সহযোগিতায় একটি সমন্বিত উদ্যোগ গড়ে তোলা গেলে শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করার পথ আরও সুগম হবে। মনোবিজ্ঞান বিভাগের প্রতি আমার আহ্বান থাকবে—শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিয়ে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার উদ্যোগ আরও জোরদার করুন।

বক্তারা মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, জীবনের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করার গুরুত্ব এবং ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনের উপর গুরুত্বারোপ করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চবি প্রক্টর, মনোবিজ্ঞান বিভাগসহ জীববিজ্ঞান অনুষদের অন্যান্য বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ