চবিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট’-এর যাত্রা শুরু

চবি সংবাদদাতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদারের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে ‘কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট’। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে এটিই প্রথম কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট। এর মাধ্যমে এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ম্যান্ডারিন (চীনা) ভাষা শেখা এবং চীনে উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।এ ছাড়া চট্টগ্রামের শিল্পাঞ্চলের জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং বাংলাদেশ-চীনের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য প্রয়োজনীয় মানবসম্পদ গড়ে তুলতেও ইনস্টিটিউটটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও চীনের ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এ ইনস্টিটিউটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ ভবনের পঞ্চম তলায় ‘কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট’-এর ফলক উন্মোচন করেন অতিথিরা।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান। সম্মানিত অতিথি ছিলেন চীনের ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্টি কমিটির সম্পাদক রুয়ান চাওছি।

বিশেষ অতিথি ছিলেন চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সালেহ্ জহুর এবং কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. ইকবাল শাহীন খান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট, চবির পরিচালক ও উদ্বোধন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আজকের দিনটি খুবই ঐতিহাসিক। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা ভাষাকে তৃতীয় ভাষা হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে আমাদের শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের যে সুযোগ সৃষ্টি হবে, তা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি অনন্য মাত্রা যোগ করবে।’

তিনি বলেন, ‘রুয়ান চাওছি যখন আমাদের কনফুসিয়াস সেন্টারটি উদ্বোধন করছিলেন, তিনি বলেছেন—চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সেন্টারটিকে এমনভাবে গড়ে তুলতে চান, যাতে এটি ইউনান মিনজু ইউনিভার্সিটির একটি রেপ্লিকা হিসেবে এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়।’

চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন বলেন, ‘আজকের অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও চীনের বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজকদের অভিনন্দন জানাতে চাই। আপনারা জানেন, আমাদের সরকার বর্তমানে তৃতীয় আরেকটি ভাষা শেখার বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। এর গুরুত্ব বিবেচনা করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটকে প্রায় ৮ থেকে ৯টি ভাষা অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম একটি ভাষা হবে চীনা ভাষা।’

কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট, চবির পরিচালক ও উদ্বোধন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন বলেন, ‘এই কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট তৈরির পেছনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা কাজ করেছেন, সবাইকে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানাই।তিনি আরও বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন ডায়নামিক নেতৃত্ব দিয়ে সর্বশেষ পর্যায়ে এই কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটকে একটি সফল ইনস্টিটিউটে রূপান্তর করেছে। ঢাকা ও চট্টগ্রামে দুটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে আজ কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো।’

নিজেদের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমি নিজেও ব্যক্তিগতভাবে অনেক চেষ্টা করেছিলাম—আমরা আসলেই নির্ধারিত সময়ে কাজটি শেষ করতে পারব কি না, শ্রেণিকক্ষগুলো প্রস্তুত করতে পারব কি না, শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে পারব কি না। আমাদের উপাচার্য স্যার বলেছিলেন, তোমরা পারবে। যেহেতু আমরা তাদের কথা দিয়েছি, তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজটি শেষ করতে পেরেছি।তিনি বলেন, ‘ইউনান মিনজু ইউনিভার্সিটি আমাদের যে অর্থায়ন করেছে, সেটি এই কাজ সফল করার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।’এ উদ্যোগের মাধ্যমে চট্টগ্রাম ও আশপাশের অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের চীনা ভাষা শিক্ষার পাশাপাশি চীনে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা আরও বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

প্রক্টরিয়াল বডির সঙ্গে  চবি সাংবাদিক সমিতির মতবিনিময় 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চবি প্রক্টরিয়াল বডির সঙ্গে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (চবিসাস)মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৪ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের কনফারেন্স রুমে এ সভা হয়।সভায় প্রক্টরিয়াল বডির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হোসেন। সহকারী প্রক্টরদের মধ্যে ছিলেন দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কোরবান আলী, পদার্থবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন, ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. নুরুল হামিদ কানন ও নাট্যকলা বিভাগের প্রভাষক মো. খায়রুল ইসলাম।

 

চবি সাংবাদিক সমিতির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি রেফায়েত উল্যাহ রুপক, সহ-সভাপতি আজিম সাগর, সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুনতাজ আলী, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক রাব্বি হোসেনসহ সমিতির সদস্যরা।

সভায় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সার্বিক উন্নয়নে প্রক্টরিয়াল বডি ও সাংবাদিক সমিতির যৌথ সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল ক্যাম্পাস গড়তে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের সহায়তা ও সহযোগিতা ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন সহকারী প্রক্টর মো. নুরুল হামিদ কানন। এ সময় ক্যাম্পাসের বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আলোচনা করেন সাংবাদিক সমিতির সদস্যরা।

মতবিনিময় সভায় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি রেফায়েত উল্যাহ রুপক বলেন, একটি নিরাপদ ক্যাম্পাস বিনির্মাণে সর্বদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি কাজ করে গেছে। সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে প্রক্টরিয়াল বডির সঙ্গে সাংবাদিক সমিতির একটি নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। আমরা আশা করি, প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে একটি নিরাপদ ক্যাম্পাস উপহার দেবেন।

মতবিনিময় প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুলত্রুটি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি বিভিন্ন ইতিবাচক বিষয়েও সংবাদ প্রকাশ করা জরুরি। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে অবাধ তথ্যপ্রবাহ বজায় রাখতে হবে। শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণে সাংবাদিকরা সর্বদা সজাগ দৃষ্টি রাখবেন এবং যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তথ্য দিয়ে প্রক্টরিয়াল বডিকে সহায়তা করবেন।বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে নিজেদের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রক্টর। তিনি বলেন, ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে লাইটিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে।

নারী প্রক্টর নিয়োগ ও প্রক্টরিয়াল বডির পরিধি বৃদ্ধি করা হবে। অস্ত্র পরিচালনা নীতিমালা কার্যকর করা হবে। রাতে নিয়মিত টহল জোরদার করা হবে। বহিরাগত বাইক চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। দ্রুতই প্রক্টর অফিসের জন্য অনলাইনে ফেসবুক পেজ চালু করা হবে। বিভিন্ন হলে অভিযানের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সহাবস্থান নিশ্চিত করা হবে। প্রক্টরিয়াল বডির জন্য নির্ধারিত বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ সংশোধন ও বাংলা অনুবাদের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

 

চোখে কালো কাপড় বেঁধে শিক্ষার্থীদের মিছিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনের নবম দিনেও কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই। প্রশাসনের নীরবতার প্রতিবাদে বুধবার চোখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিল করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একই দাবিতে শাটডাউনের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে কর্মবিরতিতে রয়েছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও স্টাফরা। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে।

বুধবার দুপুর পৌনে ৩টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি বের হয়। চিকিৎসাকেন্দ্র সংলগ্ন সড়ক হয়ে স্বাধীনতা চত্বর প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি আবার শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ফিরে আসে। এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘প্রশাসন নীরব কেন, জবাব চাই’ এবং ‘মোদের দাবি একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ইজাজ মাহমুদ খান বলেন, প্রায় নয় দিন ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চললেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এর প্রতিবাদেই চোখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিল করা হয়েছে।

এদিকে সকাল থেকে শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি ও স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে কর্মবিরতি পালন করেন। বন্ধ রয়েছে ক্লাস, ল্যাব ও পরীক্ষা। ফলে একাডেমিক ক্যালেন্ডারেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আন্দোলনরত এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ছেন। দাপ্তরিক কার্যক্রমেও স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। উচ্চশিক্ষাগামী শিক্ষকরা জটিলতায় পড়ছেন। মাসের শেষ দিনেও বেতন-ভাতা না আসায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পূজার বোনাস নিয়েও শঙ্কা রয়েছে।

গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহালের দাবিতে মধ্যরাত থেকে অধ্যাপক ড. আবু শাহ বিক্ষোভ, শাটডাউন, গণস্বাক্ষর, মানববন্ধন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি, স্মারকলিপি, মশাল মিছিল, রেড কার্ড প্রদর্শন, প্রতিবাদী গ্রাফিতি, শ্বেত শাড়িতে গণসাক্ষ্য, পরিচয়পত্রসহকারে মুখোশ মিছিলসহ বিভিন্ন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে আসছেন তাঁরা।টানা নবম দিনেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ না আসায় আন্দোলন আরও দীর্ঘ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের এই স্থবিরতা দ্রুত নিরসন না হলে এর প্রভাব পুরো একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় পড়তে পারে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ