নির্বাচন ইস্যুতে অবস্থান পরিবর্তন করেনি জাতিসংঘ, ভীতি প্রদর্শন বন্ধের আহ্বান

ঢাকা অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

বাংলাদেশে নির্বাচন ইস্যুতে অবস্থানের কোনো পরিবর্তন করেনি জাতিসংঘ। মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরাঁর মুখপাত্র স্টিফেন ডুজাররিক এ কথা জানিয়ে আবারও বলেছেন, বাংলাদেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চাই আমরা। একই সঙ্গে এমন একটি পরিবেশ দেখতে চাই, যেখানে মানুষজন যে কোনো পক্ষে কথা বলতে পারবে প্রতিশোধের ভয় ছাড়া। এছাড়া ম্যান্ডেট না পাওয়া পর্যন্ত নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে না জাতিসংঘ। তার কাছে সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল আনসারি জানতে চান- বাংলাদেশের নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র। এরই মধ্যে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ঘোষণা দিয়েছে যে, তারা বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করে না। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক-নির্বাচনী পর্যবেক্ষক টিমের মূল্যায়নে ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দলকে সংলাপে বসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

 

ভয়েস অব আমেরিকার ইংরেজি সার্ভিসের রিপোর্ট অনুযায়ী, সব রকম উপায়েই বর্তমান বিরোধী দলকে আক্রমণ করে যাচ্ছে শাসকগোষ্ঠী। আমরা যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জেনেছি, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অবস্থান সম্পর্কে জেনেছি। বর্তমান এই নিষ্পেষণমূলক ব্যবস্থায় বাংলাদেশ ইস্যুতে জাতিসংঘের সর্বশেষ অবস্থান কি? তার এ প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘ মুখপাত্র ওই মন্তব্য করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সৌদি আরবে প্রবাসীদের পরিবার মৃত্যুদণ্ডের পর মৃতদেহ ফেরত পাচ্ছে না

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরবে প্রবাসীদের পরিবার মৃত্যুদণ্ডের পর মৃতদেহ ফেরত পাচ্ছনা। গত ২৩ জুন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ ইথিওপিয়ানের মধ্যে রয়েছেন – তাদের মৃতদেহ পরিবারের কাছে ফেরত দেওয়া হয়নি।ছেলে কিনফে আরেগাউই এবং সিগাবু গেব্রেমারিয়াম পরিবার হিসেবে সান্ত্বনা পেতে আমরা এই সমস্ত আনুষ্ঠানিকতা করেছি। কিন্তু আমি আমার সান্ত্বনা পাবো না,বলছিলেন কিনফে আরেগাউই নামের একজন বাবা।তিনি তার নিজের ছেলে কিব্রমের জন্য শোক জানাচ্ছিলেন।

এটি আমার জন্য সারাজীবনের দুঃখ হয়ে থাকবে।
সৌদি আরবে গাঁজা পাচারের দায়ে চলতি বছরের জুনে যে পাঁচজন ইথিওপিয়ানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।তাদের একজন কিব্রম কিনফে আরেগাউই।
বিশ্বের যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়, চীন ও ইরানে। তারপরই সেখানে সৌদি আরবের অবস্থান।

কিনফের মতো অনেক ইথিওপিয়ান অর্থোডক্স খ্রিস্টানদের বিশ্বাসের একটি অপরিহার্য উপাদান হলো আনুষ্ঠানিকভাবে ধর্মীয় নিয়মে সমাহিত করা।
২৫ বছর বয়সী এই তরুণের শেষকৃত্য এভাবে করা সম্ভব হয়নি, কারণ তার মৃতদেহ দেশে তার পরিবারের কাছে ফেরত পাঠানো হয়নি।

হুতিদের দখলে লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছে ইরান-সমর্থিত হুতিরা। তাদের এই অগ্রগতিতে আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্য ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বাব আল-মান্দেব প্রণালি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। এ পথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে হুতিদের অগ্রগতিতে বিশ্বজুড়ে নৌপরিবহন নিরাপত্তা এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।হুতিদের এই সামরিক সাফল্যের প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও। এরই মধ্যে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৫ ডলারের ওপরে উঠে গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাব আল-মান্দেবের মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে সামরিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হলে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে জ্বালানি পরিবহনে অনিশ্চয়তা বাড়লে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও অস্থিতিশীল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।লোহিত সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত এই প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ পণ্য ও জ্বালানি পরিবহন করা হয়। ফলে এর নিরাপত্তা নিয়ে যেকোনো ধরনের সংকট আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ