এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানার ধর্ষণ মামলার ওয়ারেন্ট ভূক্ত পলাতক আসামি মোঃ পারভেজ (২০)’কে হাটহাজারী থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।

১। বাংলাদেশ আমার অহংকার এই ¯স্লোগান নিয়ে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভিন্ন ধরণের অপরাধীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে জোড়ালো ভূমিকা পালন করে আসছে। র্যাব সৃষ্টিকাল থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। র্যাব-৭, চট্টগ্রাম অস্ত্রধারী সস্ত্রাসী, ডাকাত, ধর্ষক, দুর্ধর্ষ চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, খুনী, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতার এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করায় সাধারণ জনগনের মনে আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

২। গত ২০২০ সালে ভিকটিম ধর্ষিত হওয়ার প্রেক্ষিতে মোঃ পারভেজকে আসামি করে চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং ০৬(৪)২০২০, জিআর নং-৭৮/২০২০, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন ও দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত /০৩) এর ৯(১)/৩০ তৎসহ ৫০৬ পেনাল কোড। মামলা রুজু হওয়ার পর আসামি মো পারভেজ এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে বর্ণিত মামলায় আসামির মোঃ পারভেজ এর বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। বিজ্ঞ আদালত বিচার কার্য চলাকালীন সময়ে আসামি মোঃ পারভেজ পলাতক থাকায় ২০২২ সালে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন।
৩। র্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সূত্রে জানতে পারে যে, চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি থানার বর্ণিত ধর্ষণ মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত পলাতক আসামি মোঃ পারভেজ চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানাধীন ফরহাদাবাদ এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক দল অদ্য ২১ অক্টোবর ২০২৩ ইং তারিখ রাত আনুমানিক ০২১৫ ঘটিকায় বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে মোঃ পারভেজ (২০), পিতা-মুহাম্মদ দিদার আলম, সাং-পশ্চিম উদালিয়া, থানা-হাটহাজারী, জেলা-চট্টগ্রাম’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে গ্রেফতারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে সে সূত্রে বর্ণিত মামলার পলাতক আসামি মর্মে স্বীকার করে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় সে আইন শৃংখলা বাহিনীর নিকট হতে গ্রেফতার এড়াতে দীর্ঘ ৩ বছর যাবৎ চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে ছদ্মবেশে আত্মগোপন করে আসছিল।
৪। গ্রেফতারকৃত আসামি সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।




চট্টগ্রামে হাম আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। নিয়ন্ত্রণে আসছে না হামের প্রাদুর্ভাব। ডেঙ্গুর চেয়ে হামে আক্রান্ত শিশু বেশি হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। চিকিৎসকরা জানান, হামে আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই হচ্ছে চরম পুষ্টিহীনতা অন্যতম কারণ। হামে আক্রান্তরা একই সঙ্গে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। চমেক হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ১০ বেডের আইসিইউ খালি নেই। হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৮ হাজারের বেশি ওয়ার্ডে শয্যা সংকুলান না হওয়ায় ওয়ার্ডের বাইরে মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে আক্রান্ত রোগীদের।









