আজঃ শুক্রবার ২৬ জুন, ২০২৬

নরসিংদী:

রায়পুরাতে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা বৃদ্ধ গ্রেপ্তার।

সাদ্দাম উদ্দিন নরসিংদী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নরসিংদীর রায়পুরায় এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী(৪১) নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে সোলায়মান মিয়া(৫৬) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী ওই নারীকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। এর আগে বুধবার দুপুরে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় রায়পুরা থানায় অভিযোগ করেন। ওই দিন বিকেলে উপজেলায় হাইরমারা বীরকান্দি এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
উপজেলার হাইরমারা ইউনিয়ের বীরকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তারকৃত সোলায়মান মিয়া ওই এলাকার গনি মিয়ার ছেলে। সে পেশার একজন কৃষক।

পুলিশ ও ভুক্তভোগীর স্বজনরা জানান, অভিযুক্ত সোলাইমান ভুক্তভোগীর আত্মীয় হন। সেই সুবাদে প্রায়ই ভুক্তভোগীর বাড়িতে আসা যাওয়া করতো। গত ৩ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর কোন একদিন ভুক্তভোগীর বাড়িতে ভুক্তভোগীকে একা পেয়ে সুকৌশলে ভয় ভীতি দেখিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে অভিযুক্ত বৃদ্ধ ভুক্তভোগী ওই নারীকে প্রাণনাশের হুমকি ভয় ভীতি দেখিয়ে গুপনে গর্ভপতের ঔষধ খাওয়ান।গত ২৭ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী ওই নারী অসুস্থ হলে স্বজনরা নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। ওইখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা নিরিক্ষার করে গর্ভবতী হওয়া কথা নিশ্চিত হন স্বজনরা। পরে ভুক্তভোগী ওই নারীকে বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদে গত ৩ মাস আগে সোলাইমান মিয়া কর্তৃক ধর্ষণের কথা বলেন।

রায়পুরা থানার উপ-পরিদর্শক রাতুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় অভিযোগের পর পর দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে মা-মেয়ে হত্যা মামলার অভিযোগপত্রে আসামি একজন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় মা-মেয়ে হত্যা মামলায় গ্রেফতার তেজপ্রিয় বড়ুয়া রিমনকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে। সাক্ষী করা হয়েছে ২২ জনকে। ঋণের টাকা নিয়ে মতবিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ড বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা। দ্রুততম সময়ের মধ্যে মামলার তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র দাখিলের আরেকটি নজির সৃষ্টি হয়েছে। আনোয়ারায় এই মা-মেয়ে হত্যা মামলার তদন্ত মাত্র ১০ দিনে শেষ করে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ। এর আগে নগরীর বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণের মামলা মাত্র ১৩ দিনে তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র দিয়েছিল পুলিশ।

আনোয়ারা থানার ওসি মোহাম্মদ জুনায়েত চৌধুরী জানালেন, গত বুধবার বিকেলে চট্টগ্রাম আদালতে জেলা পুলিশের প্রসিকিউশন শাখায় তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক জুয়েল অভিযোগপত্র জমা দেন।
এর আগে গত ১৩ জুন আনোয়ারা উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের পূর্ব কন্যারা গ্রামের বড়ুয়াপাড়ায় ছুরি মেরে মা-মেয়েকে হত্যা করা হয়। নিহতরা হলেন এনি বড়ুয়া (৪০) ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। আহত হয় এনির ছেলে পিয়াস বড়ুয়া (৫)। ঘটনার সময় এনির স্বামী সুজন বড়ুয়া কর্মস্থলে ছিলেন। নগরীর খাতুনগঞ্জে একটি ভবনের নিরাপত্তাপ্রহরী হিসেবে কর্মরত তিনি।
সুজনের বাড়ি ও আসামি তেজপ্রিয়র বাড়ি পাশাপাশি। দুজন সম্পর্কে চাচাতো ভাই। ঘটনার পরদিন ১৪ জুন রাতে তেজপ্রিয়কে পুলিশ পটিয়া থেকে গ্রেফতার করে। হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন তিনি।
পুলিশের ভাষ্য, আসামির স্বীকারোক্তি ও নিহত এনি বড়ুয়ার মৃত্যুকালীন জবানবন্দির ভিডিও, ময়নাতদন্ত ও

মেডিকেল প্রতিবেদন এবং সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে দণ্ডবিধির ৩২৩, ৩০৭ ও ৩০২ ধারায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে৷অভিযোগপত্রে হত্যার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, অটোরিকশা কেনার জন্য সুজন বড়ুয়ার কাছ থেকে সুদে ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন তেজপ্রিয়। ওই ঋণের বিপরীতে স্বাক্ষর করা একটি স্ট্যাম্প এনি বড়ুয়ার কাছে সংরক্ষিত ছিল। ঋণ পরিশোধ নিয়ে সুজনের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়।
এর জেরে স্ট্যাম্পটি এনির কাছ থেকে নিয়ে ঋণের প্রমাণ নষ্ট করতে চেয়েছিলেন তেজপ্রিয়। স্ট্যাম্প নিতে বাধা দেওয়ায় এনি ও প্রিয়ন্তীকে হত্যা করা হয়।

বিপুল পরিমাণ ভেজাল লুব অয়েল এবং লুব অয়েল তৈরির কাঁচামাল জব্দ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কর্ণফুলী নদীর ডাঙ্গারচরে একটি অননুমোদিত কারখানায় বিপুল পরিমাণ ভেজাল লুব অয়েল এবং লুব অয়েল তৈরির কাঁচামাল জব্দ করা হয়েছে। ২৩ জুন বিকেলে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান-এঅবৈধ কারখানাটিতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভেজাল লুব অয়েল, লুব অয়েল তৈরির কাঁচামাল এবং উৎপাদনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানাধীন ডাঙ্গারচর এলাকার একটি কারখানায় নষ্ট ও ব্যবহৃত তেল পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করে ভেজাল লুব অয়েল উৎপাদন করা হচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে, সোমবার বিকেল ৩টায় কোস্ট গার্ড বেইস চট্টগ্রাম ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রামের সমন্বয়ে ওই কারখানায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পরবর্তীতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ভেজাল লুব অয়েল তৈরি ও মজুতের দায়ে মালিকপক্ষ থেকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দেন এবং কারখানাটি ১৫ দিনের জন্য সিলগালা করা হয়।জব্দ করা ভেজাল লুব অয়েল, লুব অয়েল তৈরির কাঁচামাল এবং উৎপাদনে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদির বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জনস্বার্থ ও ভোক্তা অধিকার রক্ষায় কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ