আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

লন্ডনে পুলিশ অফিসারের ইসলাম গ্রহণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইসলাম এমন একটি ধর্ম যা প্রতিদিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। বিশ্বের নানা প্রান্তে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ইসলাম গ্রহণ করছেন। এই সংখ্যাটি ইউরোপ আমেরিকাতে উল্লেখ্য করার মত। তেমনি একটি ঘটনা ঘটেছে লন্ডনে।

জানা যায়, মুসলিমদের মাঝে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন পিসি পল। ব্রিটিশ পুলিশের কর্মকর্তা তিনি। এ সময় মুসলিমদের কর্মকাণ্ড তাকে সন্তুষ্ট করেছে। অবশেষে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন তিনি।

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, আমার মনে কোনো সন্দেহ নেই, আল্লাহ এক, মুহাম্মদ (সা.) তার রাসুল ও প্রিয় বান্দা। আমি এখানে শুধু পুলিশ কর্মকর্তা নই। কারও ভাই, কারও চাচা, কারও ছেলে আবার কারও ভাতিজা এবং একজন বন্ধু। ইসলাম গ্রহণ করতে পেরে আমি গর্বিত। ‘আমি ইসলামকে বেছে নিইনি। আল্লাহ আমাকে মনোনীত করেছেন।’

পল বলেন, সবাই আমাকে বলতেন যে আমি একদিন মুসলিম হবো। কিন্তু কেউ আমাকে জোর করেনি। পরে আমি কোরআন পড়া শুরু করি। এরপর আমি ইসলামের দিকে মনোনিবেশ করি। এটি মনোমুগ্ধকর ও শান্তির ধর্ম।

লন্ডনের এই পুলিশ কর্মকর্তা ১৬ বছর ধরে এজওয়্যার রোডে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের সাথে কাজ করছেন।

পল বলেন, আমি এখানে ১৬ বছর ধরে পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছি। গত জানুয়ারিতে আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি। আলহামদুলিল্লাহ, আমি খুশি।

তিনি বলেন, আমার কাজ হলো সম্প্রদায়ের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা। আমি তাদের সবাইকে চিনি। শিশু, যুবক, বৃদ্ধ সবাইকে। এটা আসলে একটা বড় পরিবারের মতো।

ব্রিটিশ এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ৫ মাসে আমি দুইবার কোরআন পড়েছি। আমি কোনো নামাজে অনুপস্থিত ছিলাম না।

লোকেরা জিজ্ঞাসা করে- কেন আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলাম? আমার উত্তর হলো- আমি ইসলাম ধর্মকে বেছে নিইনি। আল্লাহ আমাকে বেছে নিয়েছেন। সূত্র: টিআরটি

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ইরানের প্রাইমারি বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হা’ম’লায় নি’হ’তদের পরিবারকে ২ লাখ ডলার অনুদান  দেবে চীন।


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইরানের প্রাইমারি বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হা’ম’লায় নি’হ’তদের পরিবারকে ২ লাখ ডলার অনুদান  দেবে চীন।

আমিরাতে ‘আটকে পড়া’ প্রবাসীদের নিয়ে দেশের সংবাদমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর খবর: ক্ষোভে ফুঁসছেন


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশের কিছু মূলধারার সংবাদমাধ্যম ও একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের ‘অতিরঞ্জিত’ এবং ‘বিভ্রান্তিকর’ খবরে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

বিশেষ করে ‘দুবাইয়ে আটকে পড়া ৩৭৮ জন প্রবাসীকে ফিরিয়ে আনলো ইউএস-বাংলা’ এমন শিরোনামের সংবাদকে প্রবাসীরা ‘নাটক’ এবং ‘স্বাভাবিক যাত্রীদের আটকে পড়া শ্রমিক’ হিসেবে দেখানোর অপচেষ্টা বলে দাবি করেছেন।​এই সংবাদটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিরা একে অত্যন্ত বিব্রতকর ও অসম্মানজনক বলে অভিহিত করছেন।

​আরটিভি আরব আমিরাত প্রতিনিধি সাফাওয়াত উল্লাহ তার ফেসবুকে একটি নিউজ পোর্টালের ফটোকার্ড শেয়ার করে লিখেছেন, দেশের মিডিয়ায় যা প্রচার হচ্ছে, তার বেশিরভাগই অতিরঞ্জিত। ১২ লাখের বেশি বাংলাদেশি যে দেশে থাকে, সেখানে ১৮৯ জন কোথায় আটকে পড়েছিল? নিয়মিত যাত্রীদের নিয়ে প্রথমে ভারত নাটক দেখালো, এখন আপনারা দেখাচ্ছেন। মানুষ যেখানে টিকিট না পেয়ে দেশ থেকে দুবাই আসতে পারছে না, সেখানে আপনারা ফেরার হিড়িক দেখাচ্ছেন।

​প্রবাসী মুহাম্মদ মোরশেদ বিন ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, আটকা পড়া’ মানে কী? আমরা কি কোথাও বন্দি হয়ে আছি? আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইটে সামান্য বিলম্ব হওয়াকে ‘আটকা পড়া’ বলে প্রচার করা সম্পূর্ণ ভুল। এ ধরনের খবরে আমাদের পরিবার-পরিজন দেশে অযথা দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়।

​প্রবাসী শিল্পী বঙ্গ শিমুল বিষয়টিকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করে তিনি লিখেন, ৩৭৮ জন প্রবাসীকে ফেরত নেওয়া হয়েছে বলে যে নিউজ করা হচ্ছে, আমার প্রশ্ন হলো এরা কোন জঙ্গলে আটকা পড়েছিল? আমরা ১২ লাখ প্রবাসী এখানে অত্যন্ত স্বাভাবিক ও সুন্দর জীবনযাপন করছি। এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক নিউজ আমাদের দেশের ইমেজ নষ্ট করছে।

​অন্যদিকে, মাসুদ মল্লিক নামের এক প্রবাসী এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের আচরণের তীব্র সমালোচনা করে প্রবাসীদের নিয়ে এমন ‘আদিক্ষেতা’ বন্ধের অনুরোধ জানান।

​আমিরাতের প্রবাসী কমিউনিটি নেতারা মনে করেন, ইরান ও ইসরাইলের মধ্যকার উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার অত্যন্ত দক্ষতা ও কঠোরতার সাথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। বর্তমানে দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিয়ে কোনো সংশয় নেই। ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীরা নিয়মিতভাবে তাঁদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

​নেতারা দেশের গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, কয়েকশ নিয়মিত যাত্রীকে ‘আটকে পড়া’ তকমা দিয়ে ১২ লাখ প্রবাসীর নিরাপত্তা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো সাংবাদিকতার নৈতিকতা পরিপন্থী। সত্যনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারের মাধ্যমে প্রবাসীদের পরিবারকে আশ্বস্ত করার আহ্বান জানান তাঁরা।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ