চট্টগ্রামে পররাষ্ট্র মন্ত্রী বে-টার্মিনালের জন্য পাঁচশ’ একর জায়গা প্রধানমন্ত্রী বিনামূল্যে চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে হস্তান্তর করেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে উন্নয়ন সংক্রান্ত সমন্বয় সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশে ভোগ্যপণ্য থেকে শুরু করে অনেক পণ্যই ভারত থেকে আসে। ভারতের সাথে আমাদের হাজার হাজার কিলোমিটার সীমান্ত এবং কিছু সীমান্ত বাণিজ্যও হয় বৈধভাবে। আসলে ভারতীয় পণ্যবর্জনের ডাক দিয়ে দেশের বাজার অস্থিতিশীল করে তোলা ও দ্রব্যমূল্য বাড়ানোই বিএনপি’র মূল উদ্দেশ্য। এতে দেশে যাতে জনগণের ভোগান্তি হয় এবং পণ্যেরমূল্য বাড়ে।
বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আপনারা ভারত থেকে আসা পেয়াঁজ খাবেন, আপনাদের নেত্রী ভারত থেকে আসা শাড়ি পরিধান করবেন, আপনাদের নেত্রী যেগুলো মাঠে গলা ফাটায়, তারাও আবার ভারতীয় শাড়ি পড়বেন, ভারত থেকে আসা গরুর মাংস দিয়ে আপনারা ইফতার করবেন সেহেরি খাবেন, কদিন আগে ওদের নেতা ভারতে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলেন, ভারতে চিকিৎসা নিতে যাবেন, আবার আপনারা ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দিবেন – এগুলো হিপোক্রেসি ছাড়া অন্য কোনকিছু নয়। বিএনপির আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশে বাজার অস্থিতিশীল করে পণ্যেও মূল্য বাড়ানো।
গতকাল শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে চট্টগ্রাম জেলায় সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যশেষে বিএনপিসহ কয়েকটি দল ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক সম্পর্কে সাংবাদিকরা সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ভারতীয় পণ্য বর্জনের যারা ডাক দিয়েছে, তাদের সাথে শামিল হয়ে রিজভী সাহেব নিজের পরনের শালটিও জ¦ালিয়ে দিয়েছে। আসলে শালটি ভারত থেকে কিনেছিল, নাকি বঙ্গবাজার থেকে কিনেছে আমি জানি না।
সোমালিয়ার জলদস্যুদের কাছে জিম্মি জাহাজ ও নাবিকদের উদ্ধারে সরকারের পক্ষ থেকে কি ধরণের ভূমিকা রাখা হচ্ছে সাংবাদিকদের প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গতবার যখন এমভি জাহান মনি হাইজ্যাক হয়েছিল তাদেরকে মুক্ত করতে ১শ’ দিন সময় লেগেছিল। এখন যতদ্রুত সম্ভব তাদেরকে মুক্ত করার চেষ্টাই আমরা করছি। এখানে অবস্থানকারী নাবিক এবং জাহাজের যাতে কোন ক্ষতি না হয় সেভাবেই আমরা উদ্ধার করার চেষ্টা করছি।
তিনি বলেন, জাহাজের মধ্যে কয়লা আছে, কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ। সুতরাং এমন কিছু করা যাবে না যাতে করে দাহ্য পদার্থ হুমকির সম্মুখীন হয়, জাহাজের ক্ষতি হয়। সেভাবেই আমরা এগুচ্ছি এবং যারা জাহাজটি হাইজ্যাক করেছে, তারা ইতিমধ্যে মালিক কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেছে, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও এ ব্যাপারে আমাদেরকে সহযোগিতা করছে এবং আপনারা নাবিকদের পরিবারের সাথে কথা বললেও জানতে পারবেন তারাও অনেকটা আশ^স্ত। আশা করছি, আমরা সহসা নাবিকদেরকে উদ্ধার করতে পারব।
চট্টগ্রামের উন্নয়ন সমন্বয় সভায় জলাবদ্ধতা প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং জলাবদ্ধতা প্রকল্পের সমন্বয়ের ওপর আমরা গুরুত্ব দিয়েছি জানিয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান বলেন, প্রকল্প শেষ হতে আরো আড়াই বছর বাকি আছে। এই আড়াই বছর সময়ের মধ্যে জনগণের যাতে কোন ভোগান্তি না হয় সেটির ওপর গুরুত্ব দিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। একইসাথে এই প্রকল্প শেষ হওয়ার পর যাতে নিয়মিতভাবে মেনটেইনেন্স করা হয় সেটিকেও গুরুত্ব দিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।
তিনি বলেন, আপনারা জেনে খুশি হবেন, আজকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বে-টার্মিনালের জন্য ইতিমধ্যে পাঁচশ’ একর জায়গা প্রধানমন্ত্রী বিনামূল্যে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছেন। আরো তিনশ’ একরের বেশি জায়গা তারা পাবে, সেটির জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষ আবেদন করেছে। ইতিমধ্যেই ডিপি ওর্য়াল্ড এবং সিঙ্গাপুর পোর্ট অথরিটির সাথে চট্টগ্রাম বন্দর এমওইউ স¦াক্ষর করেছে।
তিনি আরও বলেন, এখানে তিনটি ভাগে কাজ হবে। একটি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ করবে, আরেকটি সিঙ্গাপুর বন্দর কর্তৃপক্ষ করবে, আরেকটি ডিপি ওয়ার্ল্ড করবে। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানও সেখানে যুক্ত হচ্ছে। এটা একটি বড় অগ্রগতি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, বে-টার্মিনাল হলে সেটি চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ে আরো বড় একটি নতুন বন্দর হবে। যেটি সমগ্র বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন সম্পদ হবে এবং একইসাথে এই বে-টার্মিনাল দিয়ে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যসমূহের পণ্য সরবরাহ আমরা করতে পারব। এছাড়া চট্টগ্রামে পাহাড়কাটা বন্ধ ও যানজট নিরসনসহ সার্বিক অনেক বিষয় নিয়ে সমন্বয় সভায় আমরা আলোচনা করেছি। আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি, প্রতি তিনমাস পরপর আমরা এরকম সমন্বয় সভা করব।
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাশার মো. ফখরুজ্জামানের সঞ্চালনায় চট্টগ্রামের উন্নয়ন সংক্রান্ত সমন্বয় সভায় অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়েশা খান, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরী, সংসদ সদস্য মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, মহিউদ্দিন বাচ্চু, এম এ ছালাম, এম এ মোতালেব সিআইপি, বিভাগীয় কমিশনার তোফায়েল ইসলাম, ডিআইজি নুরে আলম মিনা, সিএমপি কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সংস্কারবঞ্চিত সড়কগুলো পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনা হচ্ছে: চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর উন্নয়নকাজে গতি আনতে সরেজমিনে তদারকি অব্যাহত রেখেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে নগরীর অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়কের চলমান কার্পেটিং কাজ পরিদর্শন করেছেন তিনি।

পরিদর্শনকালে মেয়র সড়কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং কার্পেটিং কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার পাশাপাশি নির্মাণকাজে গুণগত মান নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

দীর্ঘদিন সংস্কারের অপেক্ষায় থাকা অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়কের উন্নয়নকাজ এগিয়ে যাওয়ায় এ পথে চলাচলকারী নগরবাসীর দুর্ভোগ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। কার্পেটিং কাজ শেষ হলে সড়কটি দিয়ে চলাচল আরও স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপদ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব করাই আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘদিন সংস্কারবঞ্চিত সড়কগুলো পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনা হচ্ছে। কাজের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিটি প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান থাকবে। নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে আমরা মাঠে থেকে কাজের অগ্রগতি তদারকি করছি।

কার্পেটিং কাজ শেষ হলে অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়ক ব্যবহারকারী বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াতে স্বাচ্ছন্দ্য বাড়ার পাশাপাশি নগরের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

চট্টগ্রামে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা, অস্বস্তিতে ক্রেতারা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্রগ্রামে নিত্যপণ্যের বাজারে চলছে অস্থিরতা। চাল-ডাল-তেলসহ সব ধরনের শাক-সবজির বাজারে এখনও স্বস্তি ফেরেনি। বাজারে গিয়ে নাভিশ্বাস উঠেছে সীমিত আয়ের মানুষের।নগরীর কর্ণফুলী মার্কেট, রিয়াজ উদ্দিন বাজার, কাজির দেউড়ি, চকবাজার ও ২ নম্বর গেইট কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কেজিতে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বরবটির দাম গত সপ্তাহের ৮০ টাকা থেকে বেড়ে বর্তমানে ১২০ টাকা হয়েছে, কেজিতে ৪০ টাকা বেড়েছে। বেগুন গত সপ্তাহে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে ১৪০ টাকা, অর্থাৎ ২০ টাকা বেড়েছে। শিমের কেজি ২০০ থেকে ২১০; যা কিছুদিন আগেও ১৮০ থেকে ২০০ ছিল। কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। গত সপ্তাহে শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে ৮০ টাকা। কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। গাজর গত সপ্তাহের মতোই ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ঝিঙে ও করলার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পটলের দামও গত সপ্তাহের সর্বনিম্ন দামের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে।
রিয়াজউদ্দিন বাজারের সবজি বিক্রেতা শামসুল আলম বলেন, সবজির দাম প্রতিদিন একরকম থাকে না। পাহাড়তলী আড়তে সরবরাহ ও কেনা দামের ওপর নির্ভর করে খুচরা বাজারে দাম কিছুটা ওঠানামা করে।
বহদ্দারহাট বাজারে সবজি কিনতে আসা ক্রেতা নজরুল ইসলাম বলেন, বাজারে সবজির দাম এখনও পুরোপুরি সহনীয় পর্যায়ে আসেনি। একসঙ্গে কয়েক ধরনের সবজি কিনতে গেলে মোট খরচ বেশ বেড়ে যাচ্ছে।

এদিকে পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
রিয়াজউদ্দিন বাজারের মাছ বিক্রেতা জুয়েল শেখ বলেন, আড়তে মাছের দাম বেশি থাকায় আমাদেরও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। পরিবহন ও অন্যান্য খরচও রয়েছে। তাই খুচরা বাজারে মাছের দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না।
অন্যদিকে বাজারে অনেকটা চড়া দামে ফার্মের মুরগি ও ডিম বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৯০-২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে ফার্মের মুরগির এক ডজন ডিমের দাম ১৫০ টাকা।

চকবাজারের ডিম বিক্রেতারা জানান, ডিমের দাম কয়েকদিন ধরে প্রায় একই পর্যায়ে রয়েছে। পাইকারি বাজারে দাম খুব একটা কমছে না। গত পাঁচ-ছয় মাসের মধ্যে বন্যা, অতিবৃষ্টি ও গরমে অনেক খামারে ডিম পাড়া ও ব্রয়লার মুরগির সংখ্যা কমেছে। এতে সার্বিকভাবে সরবরাহে ঘাটতি থাকায় ডিম-মুরগির দাম কমছে না।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ