চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ‘জো বাইডেন’ ও ‘জয়া’র ঘরে আসা

নিজস্ব প্রতিবেদক

তিন মেয়ের নাম প্রকৃতি, স্রোতস্বিনী, রূপসী রয়েছে সর্বমোট ১৭টি বাঘ, পাঁচটি ছেলে ও ১২টি মেয়ে ছবি-৫-১

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় বাঘ ‘জো বাইডেন’ ও বাঘিনী ‘জয়া’র ঘর আলো করে আসা তিন মেয়ের নাম রাখা হয়েছে- প্রকৃতি, স্রোতস্বিনী ও রূপসী। গতকাল সোমবার বেলা ১২টার দিকে নামকরণের আয়োজনে যোগ দিতে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় যান। কিউরেটর শুভ বাঘ শাবক তিনটিকে খাঁচা থেকে বের করে জেলা প্রশাসকের হাতে তুলে দেন। এর মধ্য দিয়ে জন্মের একমাস পর শাবকগুলো মানুষের দৃষ্টির মধ্যে এল। জন্মমাস পার হওয়ার পর বাঘ শাবকগুলোকে প্রথমবারের মতো খাঁচার বাইরে কিছু সময়ের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়। দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতেই ঘটা করে এ নামকরণের আয়োজন। এসময় জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, তিনটি ব্যাঘ্র শাবকের বয়স একমাস পূর্ণ হয়েছে। তিনটিই মেয়ে। আমরা এগুলোর নামকরণ করেছি। একটির নাম প্রকৃতি, একটির নাম রূপসী এবং আরেকটির নাম স্রোতস্বিনী। বাঙালির আবহমান সংস্কৃতি ও প্রকৃতির সঙ্গে মিলিয়ে আমরা তিনটি বাঘের বাংলা নাম রেখেছি। এ তিনটি বাঘ শাবকের জন্ম হয়েছে ‘জো বাইডেন’ পরিবারে। প্যারিস জলবায়ু পরিবর্তন চুক্তিতে স্বাক্ষর করায় আমেরিকার প্রেসিডেন্টের সম্মানার্থে বাঘটির নাম জো বাইডেন রাখা হয়েছিল।
এদিকে চঞ্চলা তিন শাবকই এবার ঈদ বিনোদনে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার প্রধান আকর্ষণ হবে বলে জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত কিউরেটর ডা. শাহাদাত হোসেন শুভ। ডা. শাহাদাত হোসেন শুভ বলেন, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি জো বাইডেন পরিবারে তিনটি বাচ্চার জন্ম হয়। সাতদিন পর আমরা লিঙ্গ নির্ধারণ করি যে, তিনটিই মেয়ে। প্রথমবারের মতো এগুলো আমরা উন্মুক্ত করেছি। এজন্য আমরা নামকরণের আয়োজন করেছি। ফিজিক্যালি এগুলো এখন যথেষ্ঠ ভালো আছে। মায়ের ভালো রেসপন্স পাচ্ছে। হাঁটাচলা-দৌঁড়ানো আস্তে আস্তে শিখতে শুরু করেছে। সামনে ঈদুল ফিতর, এবার ঈদের প্রধান আকর্ষণ হবে এ তিনটি ছোট বাঘ। শুভ জানান, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় এ মুহূর্তে ১৭টি বাঘ আছে। এর মধ্যে পাঁচটি ছেলে ও ১২টি মেয়ে। এর মধ্যে আবার পাঁচটি বিরল সাদা বাঘ।
জেলা প্রশাসক বলেন, ২০১৬ সালে প্রথম চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় দুটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার আমরা দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে নিয়ে এসেছিলাম। সেই দুটি বাঘ বংশবিস্তার করে এখন আমাদের ১৯টি বাঘ হয়েছে। প্রাণি বিনিময় চুক্তির আওতায় ঢাকা ও রংপুর চিড়িয়াখানায় দুটি বাঘ দিয়ে আমরা দুটি জলহস্তী পেয়েছি। সেজন্য এখন বাঘের সংখ্যা ১৭টি।
জানা গেছে, ২০১৬ সালের ৯ ডিসেম্বর ৩৩ লাখ টাকায় কেনা ১১ মাস বয়সী রাজ এবং ৯ মাস বয়সী পরীকে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় আনা হয়। ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই বেঙ্গল টাইগার দম্পতি রাজ-পরীর তিনটি ছানার জন্ম হয়, যার মধ্যে দু্টি ছিল ‘হোয়াইট টাইগার’, অন্যটি কমলা-কালো ডোরাকাটা। পরদিন একটি সাদা বাঘ শাবক মারা যায়। অন্য সাদা বাঘিনীটি ‘শুভ্রা’। কমলা-কালো বাঘিনীটির নাম দেওয়া হয় ‘জয়া’। শুভ্রা বাংলাদেশে প্রথম সাদা বাঘ। সেই কমলা-কালো জয়া’র ঘরে ২০২০ সালের ১৪ নভেম্বর জন্ম নেয় তিন শাবক। কিন্তু প্রথমবার সন্তান জন্মদানের পর জয়া অসহিঞ্চু আচরণ শুরু করে। তার অবহেলায় পরদিন দু’টি শাবক মারা যায়। মুমূর্ষু অবস্থায় থাকা আরেকটির প্রাণ রক্ষায় নিজের হেফাজতে নেন চিড়িয়াখানার ভারপ্রাপ্ত কিউরেটর শুভ।
চিড়িয়াখানার কর্মীরা নিজেরাই দুধ খাইয়ে, নিবিড় পরিচর্যা করে, পেলে-পুষে বাঘের ছানাটিকে বাঁচিয়ে তোলেন। সাড়ে পাঁচ মাস পর ২০২১ সালের ২১ এপ্রিল ‘জো বাইডেন’ নামের বাঘের ছানাটিকে খাঁচায় ছেড়ে দেওয়া হয়। ওই সময় ৪৬তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে জো বাইডেনের জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে এসেছিল। শুভ তখন বাঘের ছানাটির নাম রেখেছিলেন ‘বাইডেন’, যদিও বলা হয়- প্যারিস জলবায়ু পরিবর্তন চুক্তিতে স্বাক্ষর করায় আমেরিকার প্রেসিডেন্টের সম্মানার্থে বাঘটির নাম রাখা হয় ‘জো বাইডেন’। মানুষের ঘরে বড় হওয়া সেই জো বাইডেনের ঔরসে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় জন্ম নেয় তিন শাবক। মানুষের ঘরে বেড়ে ওঠা বাঘের ঔরসে শাবকের জন্ম বিরল ঘটনা বলেছিলেন চিড়িয়াখানার কর্মীরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আবু সাঈদের ছবি ছাড়া কোনো ডকুমেন্টারি পূর্ণাঙ্গ হতে পারে না’-ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন- জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ক যে প্রামাণ্যচিত্রের ডকুমেন্টারিতে আবু সাঈদের ছবি নেই, সেটিকে পূর্ণাঙ্গ ডকুমেন্টারি বলা যায় না।আজ বুধবার ৫ আগস্ট রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, প্রামাণ্যচিত্রটিতে বেশ কিছু ত্রুটি রয়েছে। প্রথম যে বিষয়টি আমার নজরে এসেছে, সেখানে আবু সাঈদের ছবি নেই। আবু সাঈদ এই গণ-অভ্যুত্থানের প্রতীক। তাঁর ছবি না থাকলে এটি কোনো ডকুমেন্টারি হতে পারে না। খালেদা জিয়ার ছবিও সেখানে থাকা উচিত ছিল। বিষয়টি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এরপর আমাদের শান্ত থাকা উচিত ছিল। বিষয়টি পুষে রেখে সংসদের মতো ওয়াকআউট করা বাঞ্ছনীয় নয়।

চট্টগ্রামে নিয়ন্ত্রণ হারানো ১ হাজার ২৮২ একক কন্টেইনারবাহী জাহাজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিয়ন্ত্রণ হারানো ১ হাজার ২৮২ একক কন্টেইনারবাহী জাহাজ নিরাপদে নোঙর করতে সক্ষম হয়েছে। হাজার কোটি টাকার আমদানি পণ্যবোঝাই বিদেশি এই কন্টেইনার জাহাজ ‘সিএনসি ইউরেনাস’কে নিরাপদে সরিয়ে নিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরের মেরিন বিভাগ। মঙ্গলবার গভীর রাতেই জাহাজটিকে বহিনোঙরের বি অ্যাংকরেজে সরিয়ে নেয়া হয়। জাহাজে থাকা ২৪ বিদেশি নাবিক নিরাপদে আছেন। কন্টেইনারে থাকা পণ্য অক্ষত আছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে জাহাজে থাকা ১ হাজার ২৮২ একক আমদানি পণ্যের কন্টেইনার নিয়ে উদ্বেগে আছেন ব্যবসায়ীরা।

পণ্যের অবস্থা সম্পর্কে জানতে জাহাজটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট আমেরিকান প্রেসিডেন্ট লাইনের (এপিএল) কর্মকর্তা এনামুল হক টিটুর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এখন জাহাজটিকে কীভাবে জেটিতে আনা যায়, সে পরিকল্পনা করছে। প্রয়োজনে কন্টেইনার খালাস করে অথবা স্টিয়ারিং সচল করে জাহাজটি জেটিতে আনার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ জানিয়েছেন, গভীর রাতে জোয়ার আসার পর জাহাজটি সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাত ১টার দিকে উদ্ধার অভিযান শুরু হয় এবং রাত সোয়া ২টার দিকে জাহাজটিকে নিরাপদে বি অ্যাংকরেজে নেওয়া সম্ভব হয়।

তিনি আরও জানান, অভিযানে বন্দরের তিনজন জ্যেষ্ঠ পাইলট, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের টাগবোট কান্দারি-২, কান্দারি-৪, কান্দারি-৬ ও কান্দারি-১১, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর টাগ শিবসা ও টানেল টাগ এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের টাগ প্রমত্ত অংশ নেয়। নৌচলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সদস্যরাও সমন্বিতভাবে কাজ করেন।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, মাল্টার পতাকাবাহী ‘সিএনসি ইউরেনাস’ জাহাজটি চীনের শেনজেনের শিকু বন্দর থেকে চট্টগ্রামে আসছিল। গত সোমবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে কর্ণফুলী নদীর মোহনায় বন্দর জেটিতে প্রবেশের সময় জাহাজটির স্টিয়ারিং বিকল হয়ে যায়। এরপর এটি প্রথমে একটি লাল বয়ায় ধাক্কা খায়। পরে ভাসতে ভাসতে নেভাল একাডেমির পাশের রিটেইনিং ওয়ালের কাছে অগভীর এলাকায় আটকে যায়। সে সময় ভাটার কারণে জাহাজটি সাগরের দিকে সরে যেতে থাকলেও পানির গভীরতা কম থাকায় আর এগোতে পারেনি।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ